ঢাকা ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ছিনতাইয়ের অভিযোগে মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু হাতে কামড় দিয়ে বখাটের কবল থেকে রক্ষা পেল স্কুলছাত্রী আমের নাম যেভাবে এল শাবিপ্রবির আশরাফুলের চিকিৎসায় প্রয়োজন ৬০ লাখ টাকা বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র সিলেটে দেশের প্রথম থানা ভিত্তিক ‘প্রবাসী হেল্প ডেস্ক’ উদ্বোধন নরওয়েকে কখনোই হারাতে পারেনি ব্রাজিল জনবল নেবে ওয়ান ব্যাংক সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে জাককানইবির শিক্ষক বরখাস্ত জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর আগেই মর্মান্তিক পরিণতি একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ঐতিহ্যের টানে বরেন্দ্র জাদুঘরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত রাজশাহীতে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার কুইরোজকে রেখে দেওয়ার পক্ষে জর্ডান আইয়ু বোয়ালমারীতে সাবেক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জামায়াত নেতার লিজের জমি দখলের অভিযোগ সৃজন পাঠচক্রে ‘সংস্কৃতি: দ্বন্দ্ব ও সমন্বয়’ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই আসছে নতুন ডিজাইনের ম্যাকবুক প্রো আবারও চালু হলো সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট, প্রবাসীদের ফুল দিয়ে বরণ মুম্বাইয়ে ভারী বৃষ্টিতে রেড অ্যালার্ট জারি তিন সন্তানকে পাশে নিয়ে তৃতীয় বিয়ে করলেন আমির খান রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলে ‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’ যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসে নিউইয়র্কে গোলাগুলি, আহত ৮ খামেনির শেষকৃত্যে মোজতবা ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অন্য ৩ ছেলে নারীর জীবনের এ সিদ্ধান্ত কী শুধুই ব্যক্তিগত? কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক মাদককারবারি ও মাদকসেবীদের ছাড় নয়: এমপি তমিজ উদ্দিন পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পরিবেশ রক্ষায় মানববন্ধন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নাসির উদ্দিন সারোয়ার প্রত্যাহার

সৃজন পাঠচক্রে ‘সংস্কৃতি: দ্বন্দ্ব ও সমন্বয়’

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
সৃজন পাঠচক্রে ‘সংস্কৃতি: দ্বন্দ্ব ও সমন্বয়’

সম্প্রতি বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে শিল্পসাহিত্যের সংগঠন ‘সৃজন’-এর পাঠচক্র। এবারের পাঠচক্রের প্রথম পর্বে বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও বিতার্কিক রাজীব সরকারের প্রবন্ধগ্রন্থ ‘সংস্কৃতি: দ্বন্দ্ব ও সমন্বয়’ নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক ড. কুদরত-ই-হুদা এবং বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক ড. নূর-ই আলম সিদ্দিকী। আলোচনার শুরুতেই ড. নূর-ই আলম সিদ্দিকী বলেন, সুকুমার বৃত্তির পরিচর্যাহীনতা মানুষকে সৃজনশীলতা থেকে দূরে রাখে। ফলে সুযোগ সন্ধানী দৃষ্টি প্রভাব বিস্তার করে এবং সৃষ্টি হয় বিচ্ছিন্নতা, যা মানুষকে সভ্যতা থেকে পেছনে ঠেলে দেয়। তখন ভেতরের মনস্তত্ত্ব মুনাফার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠে এবং সত্যকে দূরে সরিয়ে দেয়। এই অন্ধকার হতে মুক্তি পেতে বই পড়া ও সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব তাই অপরিহার্য। রাজীব সরকারের বইটিতে সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর সংকট তুলে ধরা হয়েছে।

‘সংস্কৃতি: দ্বন্দ্ব ও সমন্বয়’ বই নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ড. কুদরত-ই-হুদা বলেন, গ্রন্থটিতে এ অঞ্চলে সংস্কৃতির যে প্রভাবশালী স্বরূপ তার রূপায়ণ ঘটেছে। পাঠবিমুখ এ প্রতিকূল সময়ে লেখকের সংস্কৃতি চর্চার নিরলস প্রচেষ্টাকে তিনি সাধুবাদ জানান।

দুজনের আলোচনা শেষে ‘সংস্কৃতি: দ্বন্দ্ব ও সমন্বয়’ বইটি নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে লেখক রাজীব সরকার বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে একটি দেশ উন্নত হতে পারে না। দেশের মানুষের চিন্তা-চেতনা যদি পরিশীলিত, উদার ও মানবিক না হয় তবে সব উন্নয়ন ব্যর্থ হয়ে যাবে। এ লক্ষ্যে সংস্কৃতিচর্চার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনই শিক্ষাকে পূর্ণাঙ্গ করতে পারে। সংস্কৃতি চর্চাকে শুধু রাজধানীতে সীমাবদ্ধ না রেখে তৃণমূল পর্যায়ে বিস্তৃত করতে তিনি আহ্বান জানান।

পাঠচক্রের দ্বিতীয় পর্বে সৃজন আয়োজিত মা দিবসের গল্প প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রথম পুরস্কার বিজয়ী কাজী আজমিরী, দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ী আল মামুন তালুকদার, তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী ফারহানা আশা। পুরস্কার গ্রহণ শেষে বিজয়ীরা তাদের স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

পাঠচক্রের শেষ পর্বের আয়োজনে ছিল কবি সফিকুল ইসলামের স্বরচিত একক কবিতা পাঠ এবং পঠিত কবিতার ওপর আলোচনা। সফিকুল ইসলামের পড়া সাতটি কবিতা মুগ্ধ হয়ে শুনেছেন উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা।

সফিকুল ইসলামের কবিতা নিয়ে কবি, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক বলেন, কবি সফিকুল ইসলামের কবিতা সময়ের, আমাদের প্রতিদিনের আয়না। রাষ্ট্রের, সমাজের, নিজের চেহারা দেখার দিনলিপি। এই কবির ভাষা সহজ সরল এবং দৃষ্টিভঙ্গি সরস প্রজ্ঞার। কোনো আড়াল না রেখে তার কবিতার কথন স্পষ্ট কথাটাই বলেন। তার কবিতার বিষয় চক্ষুষ্মান, যা কিছু সামনে আছে তার সব এবং সবশেষে মানুষ। তাকে কবিতার ভুবনে সুস্বাগতম। সন্দেহ নেই, তিনি এই ভুবনে স্থায়ী হতেই এসেছেন অন্তর তাগিদে, মানবিক বোধে তাড়িত হয়ে। কবি সফিকুল ইসলামকে অভিনন্দন সুখপাঠ্য সুশ্রাব্য কবিতা শোনানোর জন্য।

সফিকুল ইসলামেরর কবিতা নিয়ে লেখক ও গবেষক ড. সেলিম আকন্দ বলেন, এই কবি সমাজের সমস্যা এবং সংকটকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তার কবিতায় অন্যায়ের বিরুদ্ধতা আছে। সুন্দরের প্রার্থনা আছে। তার অবস্থান ন্যায়ের পক্ষে। এই কবি কবিতায় যদি আরও বেশি মনোনিবেশ করেন, তাহলে তার হাত দিয়ে বাংলা কবিতা সমৃদ্ধ হতে পারে।

পঠিত কবিতার ওপর আলোচনা করতে গিয়ে কবি ও কথাসাহিত্যিক আহমেদ বাসার বলেন, সফিকুল ইসলামের কবিতায় বিরূপ সমাজ বাস্তবতা, স্বার্থান্বেষী মহলের অপতৎপরতা, মানবিক বিপর্যয় ও হৃদয়ের উষ্ণ অনুভব প্রকাশিত হয়েছে। কবিতাগুলো বক্তব্যপ্রধান এবং দৈনন্দিন কথোপকথনের ঢঙে লেখা। ফলে খুব সহজেই পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণে সক্ষম।

সৃজন পাঠচক্রের এই মনোমুগ্ধকর আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন কবি মজিদ মাহমুদ, লেখক ও গবেষক হুসাইন মোহাম্মদ জাকি, কবি জুননু রাইন, কবি কাব্য সুমী সরকার, কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার ফরিদুল ইসলাম নির্জন, কথাসাহিত্যিক খালিদা তালুকদার, কবি পলিয়ার ওয়াহিদ, নাট্যনির্মাতা মিতুল খান, কবি শারমিন হক, কবি সুলেখা আক্তার, কবি মোহাম্মদ ইমদাদ হোসেন, তৌহিদ আহাম্মেদ লিখন প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনা ও সঞ্চালনায় ছিলেন কাজী সিনথিয়া জেরিন।

মোমেনার জন্মদিনে কোয়ান্টাম মঞ্চে ‘গোধূলিবেলায়’

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
মোমেনার জন্মদিনে কোয়ান্টাম মঞ্চে ‘গোধূলিবেলায়’
গোধূলি বেলায়’ নাটকে মোমেনা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

মঞ্চনাটকের অন্যতম গুণী শিল্পী মোমেনা চৌধুরীর জন্মদিনে মঞ্চস্থ হয়েছে নাটক ‘গোধূলিবেলায়’।

 শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে ওয়াইএমসিএ ভবনে মঞ্চস্থ হয় নাটকটির। এটি শিল্পীর দ্বিতীয় একক নাটক। 

কোয়ান্টামের মাসিক ‘মিডিয়া সাদাকায়ন’ শেষে ঈদ পুনর্মিলন উপলক্ষে ‘গোধূলিবেলায়’ এর ১২তম মঞ্চায়নটি মঞ্চস্থ হয়। এটি মোমেনা চৌধুরীর লেখা দ্বিতীয় মঞ্চনাটক।

মোমেনা অভিনীত প্রথম একক নাটক ‘লাল জমিন’ দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হওয়ার পর এটি দ্বিতীয় একক। শূন্যন রেপার্টরি থিয়েটার মঞ্চে এনেছে নাটকটি। মোমেনা চৌধুরীর রচনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন শামীম সাগর।

২০২৫ সালের জুনে নিউ ইয়র্কের জ্যামাইকা আর্টস সেন্টারে উদ্বোধনী মঞ্চস্থ হয়েছিল নাটকটি।

 মাহমুদুল আলম/এসএন

সুরের মূর্ছনায় ফিরল বর্ষার স্নিগ্ধতা

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ পিএম
সুরের মূর্ছনায় ফিরল বর্ষার স্নিগ্ধতা
ছায়ানট মিলনায়তনে সুফিয়া কামাল স্মারক বর্ষার অনুষ্ঠানে শিল্পীদের সম্মিলিত নৃত্যগীত পরিবেশনা। ছবি: খবরের কাগজ

বাইরে গনগনে রোদ, ভ্যাপসা গরমে নগরবাসীর নাভিশ্বাস অবস্থা। প্রকৃতিতে বর্ষার বৃষ্টির দেখা মিলুক বা না মিলুক, সুরের ধারা আর ছন্দের লহরী যেন বর্ষাকে নিয়ে এল ছায়ানটের আঙিনায়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় সংগীতায়ন ছায়ানট আয়োজন করেছিল বর্ষার গানের অনুষ্ঠান। এই আয়োজনটি নিবেদিত ছিল ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি সুফিয়া কামালের স্মৃতির উদ্দেশ্যে।

পাকিস্তানের বৈরী সময়ে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের অনুপ্রেরণা ও নির্ভয়ে এগিয়ে চলার ‘বাতিঘর’ সুফিয়া কামালকে স্মরণ করা হয় পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়।

অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা স্মরণ করিয়ে দেন, বর্ষা কেবল একটি ঋতু নয়, এটি জীবনের অন্তহীন প্রবাহের এক চিরন্তন উৎসব। তিনি বলেন, ‘বর্ষা আজ শুধু আকাশ থেকে ঝরে পড়বে না, নেমে আসুক আমাদের অনুভবে, আমাদের সংগীতে, আমাদের সম্মিলিত চেতনায়’।

ছায়ানট মিলনায়তনের ভেতরে তখন যেন বর্ষার নিজস্ব ভাষা তৈরি হয়েছে। শিল্পীরা একে একে পরিবেশন করেন বর্ষার নানা রাগ-রাগিণীর সুর। সম্মেলক নৃত্যগীত ‘চঞ্চল শ্যামল এলো গগনে’ দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনে মর্তুজা কবির মুরাদের বাঁশির সুরে মূর্ত হয়ে ওঠে প্রকৃতির ব্যাকুলতা। 

এরপর একে একে শোনা যায় ‘ভবনে আসিল অতিথি’, ‘আজি ঝড়ের রাতে’, ‘বরষা ঐ এলো বরষা’ কিংবা ‘বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল’-এর মতো চিরায়ত সব সুর।

শুধু গানেই নয়, রবীন্দ্রনাথের ‘ছিন্নপত্র’ পাঠ ও সুফিয়া কামালের ‘সাঁঝের মায়া’ আবৃত্তিতে অনুষ্ঠানের আবেশ আরও নিবিড় হয়ে ওঠে। সেতার ও যন্ত্রসঙ্গীতের মূর্ছনায় শ্রোতারা যেন হারিয়ে গিয়েছিলেন মেঘের গর্জন আর বৃষ্টির টুপটাপ শব্দের মাঝে।

বাইরের অসহ্য ভ্যাপসা গরমের বিপরীতে ছায়ানটের এই সুর ধারায় নিজেকে সমর্পণ করে উপস্থিত শ্রোতারা যেন খুঁজে পেলেন প্রতীক্ষিত শীতলতা। সম্মেলক গান, ‘রিমঝিম ঘন ঘন রে’ কিংবা ‘এসো শ্যামল সুন্দর’- সব মিলিয়ে বর্ষার এই আয়োজন যেন হয়ে উঠল প্রকৃতির অন্তহীন নব সৃজনের এক সার্থক উদযাপন।

জয়ন্ত সাহা/এএফ

চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পেলেন ৬ লেখক

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম
চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পেলেন ৬ লেখক
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের ৬ গুণী লেখক পেলেন চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১টায় চাঁদপুর শহরের একটি অভিজাত চাইনিজ রেস্টুরেন্টের হলে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন চর্যাপদ একাডেমির মহাপরিচালক অ্যাডভোকেট কবি রফিকুজ্জামান রণি।

এ সময় তিনি বলেন, দুই বছরের পুরস্কার এক সঙ্গে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। ২০২৫-এ কবিতায় রহমান হেনরী, কথাসাহিত্যে আকিমুন রহমান, শিশুসাহিত্যে এনায়েত রসুল চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন।

২০২৬-এ কবিতায় জরিনা আখতার, প্রবন্ধসাহিত্যে প্রণব মজুমদার, নাটকে মোস্তফা কামাল যাত্রা পেয়েছেন চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার।  

একাডেমির সভাপতি আয়েশা আক্তার রুপার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক শিউলী মজুমদার, সদস্য সচিব কামরুন্নাহার বিউটি, জুড়িবোর্ডের সদস্য সচিব নন্দিতা দাস, একাডেমি নিয়ন্ত্রণ পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুল্লা কাহাফ, পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, নির্বাহী পরিচালক আইরিন সুলতানা লিমা, বিজ্ঞান ও আইসিটি পরিচালক রাসেল ইব্রাহীম, প্রচার ও প্রকাশনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম ও প্যাপিরাস পাঠাগারের প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপন।

সভাপতি আয়শা আক্তার রুপা বলেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা রফিকুজ্জামান রণি বলেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি উপ-কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশবরেণ্য লেখকদের উপস্থিতিতে পুরস্কার প্রদানের আয়োজনটি সম্পন্ন করতে পারবো।

২০১৯ সাল থেকে প্রতি বছর নিয়মিত এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। ইতোপূর্বে আশরাফ আহমদ, নাহিদা আশরাফী, হাসান আলী, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, মোহাম্মদ আজাদ হোসেন, হোসেন দেলওয়ার, মিল্টন খন্দকার, হাসনাত আমজাদ, গৌরাঙ্গ সাহা, রকিব লিখন, জামসেদ ওয়াজেদ, মজিদ মাহমুদ, হামিদ কায়সার, তপন বাগচী, মনি হায়দার, বীরেন মুখার্জী, মিলু শামস, স্বরূপ রতন দত্ত, ফারহানা রহমান, রকিবুল হাসান, মাসুদুল হক, পারভীন সুলতানা, হেনরী স্বপন, নিলুফা আক্তার, মামুন রশীদ এবং প্রত্যয় হামিদসহ দেশের অনেক গুণীজনের হাতে উঠেছে এ পুরস্কার।

এবারের আয়োজনে অনুষ্ঠান পার্টনার কনসেপ্ট আইএলটিএস অ্যান্ড স্পোকেন সেন্টার চাঁদপুর ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল ফোকাস মোহনা ডট কম।

ফয়েজ/থিওটোনিয়াস/

মঙ্গোলিয়ার ‘নাদাম ফেস্টিভ্যালে’ সিলেটের রাজীব চৌধুরী

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
মঙ্গোলিয়ার ‘নাদাম ফেস্টিভ্যালে’ সিলেটের রাজীব চৌধুরী
রাজীব চৌধুরী

মঙ্গোলিয়ার জাতীয় ঐতিহ্যবাহী ‘নাদাম ফেস্টিভ্যালে’ বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন সিলেটের চৈতন‍্য প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী ও ভ্রমণলেখক রাজীব চৌধুরী। 

মঙ্গোলিয়ার আর্টস কাউন্সিলের আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোরের উদ্দেশ্যে রওনা করেছেন। আগামীকাল তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এই উৎসব মঙ্গোলিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও যাযাবর ঐতিহ্যের প্রতীক। উৎসবে ঐতিহ্যবাহী কুস্তি, ঘোড়দৌড়, তীরন্দাজি, লোকসংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। 

সফরকালে রাজীব চৌধুরী ১০ থেকে ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত নাদাম ফেস্টিভ্যালের বিভিন্ন আয়োজন পর্যবেক্ষণ করবেন। এছাড়া তিনি গোবি মরুভূমি, প্রাচীন মঙ্গোল সাম্রাজ্যের রাজধানী কারাকোরাম এবং উলানবাটোরের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা পরিদর্শন করবেন।

মঙ্গোলিয়া রওনার আগে রাজীব চৌধুরী খবরের কাগজকে জানান, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য মঙ্গোলিয়ার সংস্কৃতি, ইতিহাস ও যাযাবর জীবনধারা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন এবং নাদাম ফেস্টিভ্যালকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষার পাঠকদের কাছে তুলে ধরা।

সফর শেষে তিনি মঙ্গোলিয়াকে নিয়ে ভ্রমণবিষয়ক লেখা ও প্রতিবেদন এবং  ভিডিও স্টোরি প্রকাশ করবেন বলে জানান।

সিলেটের চৈতন্য প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী রাজীব চৌধুরী এর আগে কপ সম্মলনে আমন্ত্রিত হয়ে ব্রাজিলসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। পাশাপাশি তিনি ভারত ও নেপাল পরিভ্রমণ করে সেখানকার দুটো পর্বত আরোহনে অংশ নেন। 

ভ্রমণ ছাড়াও রাজীব চৌধুরী বাংলাদেশের পরিবেশবাদী ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

অমিয়/

চমেক হাসপাতালে হামে আক্রান্ত রোগীরা পেল হাইজিন কিট ও আর্থিক অনুদান

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
চমেক হাসপাতালে হামে আক্রান্ত রোগীরা পেল হাইজিন কিট ও আর্থিক অনুদান
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে হাম আক্রান্ত রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে হাইজিন কিট বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় এবং চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের বাস্তবায়নে চমেক হাসপাতালে হাম আক্রান্ত রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে হাইজিন কিট বিতরণ এবং হামে আক্রান্ত প্রায় ২০০ পরিবারের প্রত্যেককে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চমিক) মেয়র ও চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মানবিক বিপর্যয় ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। রেড ক্রিসেন্ট দেশের প্রতিটি দুর্যোগ, সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে সর্বদা সম্মুখ সারিতে থেকে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। হামে আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম মানবিক দায়িত্ববোধের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই রেড ক্রিসেন্টের মূল শক্তি ও অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা ধারাবাহিকভাবে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন। ভবিষ্যতেও তারা আরও সুদূরপ্রসারী উদ্যোগের মাধ্যমে মানবকল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখবে বলে আমি আশাবাদী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, হামে আক্রান্ত প্রায় ২০০টি পরিবারের প্রত্যেককে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম আক্রান্ত রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে হাইজিন কিট বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের সেক্রেটারি গোলাম বাকি মাসুদ, কার্যকরী পর্ষদ সদস্য জিয়াউল হক সোহেল, চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান দীপ্ত ভট্টাচার্য্য এবং যুব রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।

নাঈম/