ঢাকা ২২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা করতে হাইকোর্টে রিট জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান ট্রাম্পের ফোনে বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ফিফা, বিশ্বকাপে তোলপাড় ৩ বছর পর বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে মুখোমুখি ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টি, ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা ইস্টার্ন ব্যাংকের আলী রেজার দুর্নীতি: তথ্যের অপেক্ষায় অনুসন্ধান স্থবির আ.লীগের বিচার হবে কি না, তদন্ত চলছে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ শিশু বলাৎকার ও যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ শূলের মঞ্চে দুই রাকাত লুঙ্গি পরা যুবকের ‘প্যান্টের পকেটে’ মিলেছে গাঁজা! কোয়ার্টার ফাইনালে কার মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড? কালো লেডিবার্ড বিটল ‘ট্রাম্পকে হত্যা করো’ স্লোগান, ইরানে ক্ষোভের আগুন এনসিটি পরিচালনার ভার পাচ্ছে ডিপি ওয়ার্ল্ড! মেক্সিকোর বিরুদ্ধে নাটকীয় জয় ১০ জনের ইংল্যান্ডের এনবিআরের অদক্ষতায় নিষ্পত্তি হচ্ছে না রাজস্ব মামলা! মেক্সিকো-ইংল্যান্ড ম্যাচ ড্র হলে ভবিষ্যৎ কী? স্পেন-পর্তুগালের ডু অর ডাই কর্ণফুলী টানেল: নিয়ম ভেঙে লুটপাটের মহোৎসব ফিফা বিশ্বকাপে কতজন ইংলিশ খেলোয়াড় হ্যাটট্রিক করেছেন? ৬ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল সিলেটে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩ স্কুলছাত্র নিহত এখনো নোবেল পুরস্কার না পাওয়ায় ট্রাম্পের আক্ষেপ ৬ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ইংল্যান্ডের জ্যারেলকে লাল কার্ড দেখালেন কেন? মুখোমুখি রোনালদো-ইয়ামাল দুই প্রজন্মের লড়াই উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৮ জনের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস বদলের পথে বাধা বেলজিয়াম রূপকথা পেরিয়ে বাস্তবের পরাশক্তি মরক্কো

এখনো নোবেল পুরস্কার না পাওয়ায় ট্রাম্পের আক্ষেপ

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪০ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
এখনো নোবেল পুরস্কার না পাওয়ায় ট্রাম্পের আক্ষেপ
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে এখনো নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অর্জনের কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কার আমেরিকানরা পেলেও তাকে একটি নোবেল পুরস্কারও দেওয়া হয়নি।

মাউন্ট রাশমোরে দেওয়া ওই ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, সংগীত, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে দেশটির সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় আমেরিকানরা সবচেয়ে বেশি অলিম্পিক পদক জিতেছে। সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কারও পেয়েছে।’ এর পরই যোগ করেন, ‘তবে আমাকে তারা একটি নোবেলও দেয়নি।’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তিনি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন, তবু তাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। তিনি প্রায়ই এ দাবি করলেও সমালোচকদের মতে, এটি অতিরঞ্জিত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৪২০ জনেরও বেশি ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান বা শারীরবিদ্যা, সাহিত্য, অর্থনীতি এবং শান্তিতে অসামান্য অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকেই তিনি প্রকাশ্যে এ পুরস্কারের জন্য নিজের কথা বিভিন্ন সময়ে তুলে ধরেছেন। গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি এ পুরস্কারের যোগ্য আর কাউকে ভাবতে পারেন না।’

তবে ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয় ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে। পরে তিনি প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে নিজের পদক ট্রাম্পকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর পর পরই নোবেল কমিটি এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানায়, এ পদক্ষেপ কেবল প্রতীকী। পুরস্কারের সম্মান ও স্বীকৃতি সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই যুক্ত থাকবে, যাকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে।

গত বছরের আগস্টে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম মেয়াদের এক সাবেক সহকারী বলেন, ট্রাম্প মনে করেন, নোবেল পুরস্কারই হবে এমন একটি স্বীকৃতি, যা ইতিহাসে তাকে কীভাবে স্মরণ করা হবে, তার চূড়ান্ত মাইলফলক। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মাত্র দুই প্রেসিডেন্ট নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তারা হলেন উড্রো উইলসন (১৯২০) এবং বারাক ওবামা (২০০৯)।

ট্রাম্পকে নিয়ে হান্টার বাইডেনের ব্যঙ্গ
গত সপ্তাহে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ব্যঙ্গাত্মক একটি পোস্টে লেখেন, তিনি ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিচ্ছেন, কারণ ট্রাম্প ‘কমপক্ষে ৩৮ বার’ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন।

তিনি লেখেন, ‘ইতিহাসে কোনো প্রেসিডেন্ট একই যুদ্ধ এতবার শেষ করেননি। আর তিনি এখনো যুদ্ধ শেষ করেই চলেছেন। নোবেল কমিটির স্বীকৃতির জন্য এটি অবশ্যই একটি রেকর্ড।’ সূত্র: দ্য হিল

‘ট্রাম্পকে হত্যা করো’ স্লোগান, ইরানে ক্ষোভের আগুন

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:২১ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
‘ট্রাম্পকে হত্যা করো’ স্লোগান, ইরানে ক্ষোভের আগুন
প্রতিশোধের দাবিতে ফেটে পড়া জনতা 'আমেরিকার ধ্বংস চাই' এবং 'ইসরায়েলের ধ্বংস চাই' বলে স্লোগান দিতে থাকে। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের পরলোকগত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে তেহরান।

 তেহরানের ইমাম খোমেনী গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রান্তরজুড়ে সমবেত লাখো মানুষের মুখে প্রতিধ্বনিত হয়েছে 'ট্রাম্পকে হত্যা করো' স্লোগান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী আলী খামেনেই এবং তার পরিবারের চার সদস্য। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস বিলম্বের পর অবশেষে ইরানে সপ্তাহব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের আয়োজন করা হয়েছে।  

প্রতিশোধের লাল পতাকা ও স্লোগান

জানাজার নামাজের আগে থেকে শুরু করে পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে এক আবেগঘন রাজনৈতিক আবহ তৈরি হয়। সমবেত জনতার হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা এবং প্রতিশোধের প্রতীক 'লাল পতাকা'। সেই সঙ্গে খামেনির ছবি ও ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর গুপ্তহত্যার ডাক দেওয়া পোস্টার-গ্রাফিতিতে ছেয়ে যায় চারপাশ।  

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক তথা প্রখ্যাত ইরানি কবি মোহাম্মদ রাসুলি লাউডস্পিকারে জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, 'আমরা আপনার রক্তের কসম খেয়ে বলছি, ট্রাম্পের হত্যা এখন আমাদের দায়িত্ব। পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষটি কেন এখনও বেঁচে থাকবে? ট্রাম্পের জন্য পৃথিবী আর নিরাপদ জায়গা নয়।' তার এই বক্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়ে পুরো মাঠ একযোগে স্লোগান দিতে শুরু করে। 

মুদি দোকানে কর্মরত ২৯ বছর বয়সী গোলামরেজা সাবুনি নামের এক ইরানি যুবক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আমি এখানে এসেছি ক্ষোভ প্রকাশ করতে এবং প্রতিশোধের দাবি তুলতে। তারা আমাদের ইমামকে হত্যা করেছে, আমাদেরও উচিত তাদের নেতা ট্রাম্পকে হত্যা করা।' সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/

এখনো নোবেল পুরস্কার না পাওয়ায় ট্রাম্পের আক্ষেপ

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪০ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
এখনো নোবেল পুরস্কার না পাওয়ায় ট্রাম্পের আক্ষেপ
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে এখনো নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অর্জনের কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কার আমেরিকানরা পেলেও তাকে একটি নোবেল পুরস্কারও দেওয়া হয়নি।

মাউন্ট রাশমোরে দেওয়া ওই ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, সংগীত, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে দেশটির সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় আমেরিকানরা সবচেয়ে বেশি অলিম্পিক পদক জিতেছে। সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কারও পেয়েছে।’ এর পরই যোগ করেন, ‘তবে আমাকে তারা একটি নোবেলও দেয়নি।’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তিনি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন, তবু তাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। তিনি প্রায়ই এ দাবি করলেও সমালোচকদের মতে, এটি অতিরঞ্জিত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৪২০ জনেরও বেশি ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান বা শারীরবিদ্যা, সাহিত্য, অর্থনীতি এবং শান্তিতে অসামান্য অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকেই তিনি প্রকাশ্যে এ পুরস্কারের জন্য নিজের কথা বিভিন্ন সময়ে তুলে ধরেছেন। গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি এ পুরস্কারের যোগ্য আর কাউকে ভাবতে পারেন না।’

তবে ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয় ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে। পরে তিনি প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে নিজের পদক ট্রাম্পকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর পর পরই নোবেল কমিটি এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানায়, এ পদক্ষেপ কেবল প্রতীকী। পুরস্কারের সম্মান ও স্বীকৃতি সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই যুক্ত থাকবে, যাকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে।

গত বছরের আগস্টে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম মেয়াদের এক সাবেক সহকারী বলেন, ট্রাম্প মনে করেন, নোবেল পুরস্কারই হবে এমন একটি স্বীকৃতি, যা ইতিহাসে তাকে কীভাবে স্মরণ করা হবে, তার চূড়ান্ত মাইলফলক। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মাত্র দুই প্রেসিডেন্ট নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তারা হলেন উড্রো উইলসন (১৯২০) এবং বারাক ওবামা (২০০৯)।

ট্রাম্পকে নিয়ে হান্টার বাইডেনের ব্যঙ্গ
গত সপ্তাহে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ব্যঙ্গাত্মক একটি পোস্টে লেখেন, তিনি ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিচ্ছেন, কারণ ট্রাম্প ‘কমপক্ষে ৩৮ বার’ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন।

তিনি লেখেন, ‘ইতিহাসে কোনো প্রেসিডেন্ট একই যুদ্ধ এতবার শেষ করেননি। আর তিনি এখনো যুদ্ধ শেষ করেই চলেছেন। নোবেল কমিটির স্বীকৃতির জন্য এটি অবশ্যই একটি রেকর্ড।’ সূত্র: দ্য হিল

‘এত যুদ্ধ থামালাম, নোবেল পেলাম না’: ট্রাম্পের রসিকতা

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
‘এত যুদ্ধ থামালাম, নোবেল পেলাম না’: ট্রাম্পের রসিকতা
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রসঙ্গে রসিকতা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ভাষণে নিজের পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি এ পর্যন্ত আটটি যুদ্ধ থামাতে ভূমিকা রেখেছেন। তবে এত কিছুর পরও নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি—এ কথা হাস্যরসের সঙ্গেই উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর এ মন্তব্য অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যেও হাস্যরসের সৃষ্টি করে।

বক্তব্যের একটি বড় অংশ জুড়ে ট্রাম্প তার প্রশাসনের বৈদেশিক নীতি, বিশ্বজুড়ে চলমান বিভিন্ন সংঘাত নিরসনে তার ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সাফল্যের নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি বোঝাতে চান, তার নেওয়া বিভিন্ন সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণেই বিশ্বব্যাপী বেশ কয়েকটি বড় যুদ্ধ ও সংঘাত এড়ানো সম্ভব হয়েছে। 

ট্রাম্পের ‘আটটি যুদ্ধ থামানোর’ দাবি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এটি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বক্তব্য ও আত্মপ্রচারের ধারাবাহিকতারই অংশ। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি অনুষ্ঠানে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা উদাহরণ উপস্থাপন করেননি।

এর আগেও প্রথম মেয়াদে Abraham Accords-সহ বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য বলে একাধিকবার মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণেও তিনি একই প্রসঙ্গ হাস্যরসের সুরে তুলে ধরেন।

ট্রাম্পের ভাষণের নোবেল-সংক্রান্ত অংশটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে।

এসএন/

চিংদাও উপকূলে যৌথ মহড়ায় নামছে চীন ও রাশিয়া

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ পিএম
চিংদাও উপকূলে যৌথ মহড়ায় নামছে চীন ও রাশিয়া
ছবি: এআই

সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগামী সপ্তাহে চীনের উপকূলীয় শহর চিংদাওয়ের জলসীমা ও আকাশসীমায় যৌথ নৌ-মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে চীন ও রাশিয়া। দুই দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ মহড়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

এক বিবৃতিতে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘মহড়া শেষ হওয়ার পর উভয় পক্ষের কয়েকটি যৌথ দল সামুদ্রিক টহল পরিচালনা করতে প্রশান্ত মহাসাগরের সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর দিকে অগ্রসর হবে। যৌথভাবে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এই মহড়ার লক্ষ্য।’

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ জানিয়েছে, এই মহড়ায় অংশ নিতে রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি কর্ভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ইতোমধ্যে ছিংদাও উপকূলে পৌঁছেছে।

এসএন/

বন্ধু দেশকে ছাড়, হরমুজে নতুন ফি আরোপের ঘোষণা ইরানের

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
বন্ধু দেশকে ছাড়, হরমুজে নতুন ফি আরোপের ঘোষণা ইরানের
ছবি: এআই

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের কাছ থেকে নতুন করে ফি আদায়ের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে সাম্প্রতিক সংকটকালে যেসব দেশ তেহরানের পাশে ছিল, তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্দোলরেজা রহমানি ফাজলি।

এর আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘিরে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতা অনুযায়ী, ৬০ দিন পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজগুলো কোনো ধরনের ফি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে। তবে ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর নতুন নীতিমালা কী হবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি তেহরান।

চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পিস ফোরামে ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্দোলরেজা রহমানি ফাজলি বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন পরিচালনা ব্যবস্থা তৈরির কাজ করছে।

তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির একটি অংশ যেহেতু ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার মধ্যে পড়ে, তাই আমরা অবশ্যই সেবা বাবদ ফি নেব। তবে এটিকে টোল বলা যাবে না।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত, জাহাজগুলোর চলাচল তদারকি, এবং বিপুলসংখ্যক জাহাজ চলাচলের কারণে পরিবেশের যে ক্ষতি হয়, তা মোকাবিলা করতে এই ফি নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, যেসব দেশ আমাদের বন্ধু ছিল এবং কঠিন সময়ে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের জন্য অবশ্যই বিশেষ সুবিধা রাখা হবে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। বৈশ্বিক অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এ নৌপথে যেকোনো ধরনের অস্থিরতা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত চলাকালে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার হুমকি দেয় এবং সাময়িকভাবে নৌ চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।

মিডল ইস্ট আই/এসএন