আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমজমাট প্রথমার্ধ শেষে নরওয়ে ও ব্রাজিলের কেউই গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগ ছিল ব্রাজিলের সামনে, তবে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারাইস। ফলে প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন ০-০ থাকে।
রবিবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নিউ জার্সির নিউ ইয়র্ক স্টেডিয়ামে শুরু হয় ম্যাচটি।
ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায় নরওয়ে। তৃতীয় মিনিটে বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর ১০ মিনিটে ব্রাজিল এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় পেনাল্টি থেকে। বক্সের ভেতর মাতেউস কুনিয়ার ওপর ক্রিস্টোফার আয়েরের স্লাইড ট্যাকলে প্রথমে খেলা চালিয়ে যান রেফারি। তবে ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন তিনি।
তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ব্রুনো গিমারাইস। নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ড দুর্দান্তভাবে তার শট ঠেকিয়ে দেন।
১৮ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বাম প্রান্ত দিয়ে দারুণ গতিতে বাইলাইন পর্যন্ত পৌঁছে মাঝখানে ক্রস দেন। তবে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি অল্পের জন্য হেডে সংযোগ করতে ব্যর্থ হন। এরপর নরওয়ের রক্ষণ সহজেই বল ক্লিয়ার করে।
নরওয়ের ভুলে আবারও আক্রমণে যায় ব্রাজিল। কুনিয়া পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়লেও ডিফেন্ডারের চাপে বল হারান এবং তার পেনাল্টির আবেদনও উপেক্ষা করেন রেফারি।
৩১ মিনিটে আরও একটি সুযোগ নষ্ট হয় ব্রাজিলের। গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি বাইলাইন থেকে পাস দেওয়ার চেষ্টা করলে নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ড পায়ের স্পর্শে বলের দিক পরিবর্তন করেন।
এরপর পাল্টা আক্রমণে নরওয়ে। বক্সের ধার ঘেঁষে বল পেয়ে যান মার্টিন ওদেগার্ড, তবে তার নিচু শট অল্পের জন্য কাছের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে যায়। পরে নুসার ক্রসে হালান্ড কাছের পোস্টে বল পেয়ে তা লক্ষ্যভেদ করার চেষ্টা করলে তা সহজেই ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের হাতে চলে যায়।
৪০ মিনিটে আবারও নরওয়ের রক্ষণে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করে ব্রাজিল। কাসেমিরোর দূরপাল্লার শট ডিফেন্ডার ব্লক করেন। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বল ছিনিয়ে নিয়ে শট নিলেও কাছের পোস্টে সেটি ঠেকিয়ে দেন নিল্যান্ড।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে নুসা ও হালান্ডের সমন্বয়ে ওদেগার্ড সুযোগ তৈরি করলেও তার ক্রস ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নারের জন্য বাইরে যায়। কর্নার থেকে আর কোনো সুবিধা করতে পারেনি নরওয়ে।
ইনজুরি টাইমে (৪৫+৩) ব্রাজিলের পেনাল্টি বক্সে বল দখলের জন্য লড়াই করেন হালান্ড এবং শেষ পর্যন্ত বাম দিকে বল পান ওদেগার্ড। তিনি নিচু শট নিলেও ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন সেটি দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন। এরপর একেবারে শেষ মুহূর্তে কাসেমিরোর পাসে মার্তিনেল্লি সুযোগ পেলেও হেডে ঠিকমতো সংযোগ করতে ব্যর্থ হন। তাতে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।
এসজি/