ঢাকা ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কোথায় সমস্যা হচ্ছে আর্জেন্টিনার? দিনাজপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের মিছিল বায়ু দূষণের শীর্ষে নয়া দিল্লি, ঢাকার বাতাস আজ সহনীয় নরসিংদীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাবেক ছাত্রদল নেতা নিহত সাম্বার ছন্দ নাকি ভাইকিং ঝড়? হবিগঞ্জ ও সিলেটে ‘দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারি’ এর নতুন শোরুম চালু বিশ্বকাপে ১৫০ গোল স্পর্শ করল ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নস্যাৎ করতে দেওয়া যাবে না: এরদোয়ানের হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্রনীতি থেকে দূরে থাকার সুযোগ নেই: কিয়ার স্টারমার জাবিতে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ১২ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার ঢাকাসহ দেশের ৯ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রে ‘কমিউনিস্ট হুমকির’ সমালোচনা ট্রাম্পের বরিশালে তরুণদের ঘিরে মাদকের বিস্তার ২৫ আলোকবর্ষ দূরে পৃথিবীর মতো গ্রহ ইউক্রেনের কোস্তিয়ান্তিনিভকা দখলের দাবি রাশিয়ার, জেলেনস্কির নাকচ সারজিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলেন জুলাই শহিদের মা সর্বাধিক গোল দিয়ে মেসির সমকক্ষ হলেন এমবাপ্পে রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ উত্তরা মোটর্স নিয়ে এলো নতুন ইসুজু লাক্সারি এনকিউআর বাস উচ্চতার চ্যালেঞ্জে ইংল্যান্ড, দুর্দান্ত ছন্দে মেক্সিকো ভারতে জনপ্রিয় হচ্ছে নতুন আধ্যাত্মিক ট্রেন্ড ‘ভজন ক্লাবিং’ সুশাসন চর্চা থেকে অবিচল আস্থা: ব্র্যাক ব্যাংক কয়লার ময়লায় টিকে থাকার সংগ্রাম বেনাপোল বন্দরে রাজস্বে বড় ধাক্কা, ঘাটতি ৪৭৩১ কোটি টাকা সেতুর বদলে মেলে শুধু আশ্বাস কুষ্টিয়ায় পানির অভাবে বিপাকে পাটচাষিরা ‘ওপেন সিক্রেট’ মাদক ৫ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ৫ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ৭৯৭৫ কোটির প্রকল্পে ২৮৪ কোটি টাকা অনিয়ম

উচ্চতার চ্যালেঞ্জে ইংল্যান্ড, দুর্দান্ত ছন্দে মেক্সিকো

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০০ এএম
উচ্চতার চ্যালেঞ্জে ইংল্যান্ড, দুর্দান্ত ছন্দে মেক্সিকো
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ষোলোর অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও স্বাগতিক মেক্সিকো। সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত আজতেকা স্টেডিয়ামের কঠিন পরিবেশ ইংল্যান্ডের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

ইংল্যান্ড শেষ বত্রিশে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছিল। কঙ্গোর বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পর শেষ ১৫ মিনিটে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় থ্রি লায়ন্সরা। ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে কঙ্গো এগিয়ে গেলেও কেইনের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে রক্ষা পায় ইংল্যান্ড। এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাঁচ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও শক্ত অবস্থানে আছেন ইংলিশ অধিনায়ক।

তবে জয় পেলেও ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে। কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচে প্রথম অন-টার্গেট শট নিতে তাদের লেগেছিল ৩০ মিনিট। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা। ফলে কোচ থমাস টুখেলের দলের সামনে এবার আরও বড় পরীক্ষা।

অন্যদিকে স্বাগতিক মেক্সিকো দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। শেষ বত্রিশে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে টইটম্বুর এল ত্রি। হুলিয়ান কুইনোনেস প্রথম গোল করার পর রাউল জিমেনেজকে দিয়ে দ্বিতীয় গোল করান। এই জয়ে ৪০ বছরের নকআউট অভিশাপ কাটিয়েছে মেক্সিকো; ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ জিতেছে তারা।

পরিসংখ্যানও মেক্সিকোর পক্ষেই কথা বলছে। টুর্নামেন্টে চার ম্যাচে চার জয়, এখনো কোনো গোল হজম করেনি দলটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ছয় জয়ের পাশাপাশি ১২ ম্যাচ ধরে অপরাজিত রয়েছে তারা। আরও বড় শক্তি তাদের ঘরের মাঠ আজতেকা। এই স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেক্সিকো কখনো হারেনি। ১০ ম্যাচে ৮ জয় ও ২ ড্র তাদের দখলে।

তবে মুখোমুখি পরিসংখ্যানে এগিয়ে ইংল্যান্ড। দুই দলের সর্বশেষ চার দেখায় জয় পেয়েছে থ্রি লায়ন্সরা। যদিও ২০১০ সালের পর আর মুখোমুখি হয়নি এই দুই দল।

দলগত পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ডের কিছু দুশ্চিন্তা রয়েছে। ডেকলান রাইস কঙ্গোর বিপক্ষে ক্র্যাম্প নিয়ে মাঠ ছাড়লেও গুরুতর চোট নয় বলে জানা গেছে। তবে রিস জেমস ও জারেল কোয়ানশার অনুপস্থিতি রক্ষণে প্রভাব ফেলতে পারে। আক্রমণে বুকায়ো সাকা ও অ্যান্থনি গর্ডন শুরুর একাদশে জায়গার দাবিদার।

মেক্সিকো শিবিরে অবশ্য স্বস্তির বাতাস। ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা ইতিহাস গড়ে নকআউট ম্যাচে প্রথম একাদশে নেমে নজর কাড়েন। কিংবদন্তি পেলের পর সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা করে নেন তিনি। কোচ হাভিয়ের আগুইরে এবার তরুণ মোরার ওপর আস্থা রাখবেন, নাকি অভিজ্ঞ বিকল্প বেছে নেবেন–তা দেখার বিষয়।

ইংল্যান্ডের টমাস টুখেল বলেন, মেক্সিকোর বিপক্ষে আমাদের সামনে ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। শুধু প্রতিপক্ষ নয়, উচ্চতার কারণে পরিবেশও একটা বড় ফ্যাক্টর।

অধিনায়ক হ্যারি কেইন বলেন, আমরা জানি মেক্সিকোর মাঠে খেলা কত কঠিন হবে। কিন্তু বড় ম্যাচের জন্য আমরা প্রস্তুত। নকআউট পর্বে ভুলের সুযোগ কম। মেক্সিকোর কোচ হাভিয়ের আগুইরে বলেন, ইংল্যান্ড বিশ্বমানের দল। তাদের দলে একাধিক প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। তবে আমরা আমাদের শক্তি সম্পর্কে জানি। ভয়হীন ফুটবল খেলতে চাই। সুযোগ এলে তা কাজে লাগাতে হবে।

মেক্সিকোর অধিনায়ক এডসন আলভারেজ বলেন, এই ম্যাচ শুধু একটি নকআউট ম্যাচ নয়। পুরো দেশের আবেগ জড়িয়ে আছে। আমরা ইতিহাস গড়ার সুযোগ পেয়েছি। ইংল্যান্ডকে আমরা সম্মান করি, তবে ভয় পাই না।

কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাই অপেক্ষা করছে হাড্ডাহাড্ডি এক দ্বৈরথ। একদিকে ইংল্যান্ডের তারকাসমৃদ্ধ স্কোয়াড, অন্যদিকে স্বাগতিক সমর্থন ও আজতেকার অজেয় রেকর্ড– সব মিলিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য জমজমাট এক লড়াইয়ের মঞ্চ প্রস্তুত।

কোথায় সমস্যা হচ্ছে আর্জেন্টিনার?

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:১৪ এএম
কোথায় সমস্যা হচ্ছে আর্জেন্টিনার?
ছবি: সংগৃহীত

লিওনেল মেসির দেশের সমর্থকেরা প্রায়ই বলে থাকেন, ‘আর্জেন্টিনা কখনোই ম্যাচ সহজ করে জেতে না।’ গতকাল শনিবার ভোরে আরও একবার সেই কথার প্রতিফলন দেখা গেছে। গোল করে এগিয়ে গিয়েও গোল হজম করার প্রবণতা থেকে কিছুতেই বের হতে পারছে না আর্জেন্টিনা।

বিস্তারিতভাবে বললে, কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা চারটি ম্যাচে এগিয়ে গিয়েও গোল হজম করেছিল। প্রতিপক্ষ সমতা ফিরিয়েছিল। 

শুরুটা হয়েছিল সৌদি আরবের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে। আর্জেন্টিনা এগিয়ে যাওয়ার পরও সৌদি আরব দুটি গোল করে ম্যাচ জিতে নেয়। কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েও ম্যাচ ২-২ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে জিততে হয় আর্জেন্টিনাকে। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালেও আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল। পরে ম্যাচ ২-২ হয় এবং টাইব্রেকারে জিতে ট্রফি হাতে তোলে তারা।

একই চিত্র দেখা গেছে কেপ ভার্দের বিপক্ষেও। কেপ ভার্দের রক্ষণ সংগঠিত এবং দুর্দান্ত গোল করার সামর্থ্যের জন্য দলটির সুনাম রয়েছে। তাদের বিপক্ষে গোল করে এগিয়ে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনা যেন হঠাৎই ‘সুইচ অফ’ হয়ে গিয়েছিল এবং গোল হজম করে। দ্বিতীয় গোলের পরও একই ঘটনা ঘটে। এমিলিয়ানো মার্তিনেজ না থাকলে কেপ ভার্দে অতিরিক্ত সময়ে এগিয়েও যেতে পারত।

ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, আজ আমরা অনেকগুলো আঘাত হজম করেছি। অনেকেই হয়তো ভেবেছিল খুব সহজে ম্যাচটা জিতে নেব। আমরা কিন্তু সেটা ভাবিনি।

খুব সহজে ম্যাচ জয়- স্কালোনি হয়তো ঠিক বলেননি। কিন্তু শক্তিমত্তায় অনেকটা পিছিয়ে থাকা দলের বিপক্ষেও আর্জেন্টিনাকে এত কষ্ট করে জিততে হবে কেন? অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, ক্লান্তি, কৌশলগত দুর্বলতা নাকি মানসিক চাপ- প্রশ্ন উঠতেই পারে।

এ দিনের ম্যাচ দেখে মনে হয়েছে, আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় গিয়ারে খেলেই ম্যাচ জিততে চেয়েছিল। এমনিতেই এবারের বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব দলগুলোর জন্য শারীরিক ধকল সামলানোর পরীক্ষা। 

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে পাঁচটি নকআউট ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। ফলে পরের রাউন্ডের জন্য শক্তি সঞ্চয় করতে দলগুলো চাইবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শক্তি বাঁচাতে গিয়ে খেলার গতি মন্থর হয়ে গেলে এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট খেলতে হলে সেটি উল্টো সমস্যাই তৈরি করে। আর্জেন্টিনা ঠিক সেই ভুলটাই করেছে।

আর্জেন্টিনার বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তার কথা ম্যাচ শেষে উল্লেখ করেছেন স্কালোনি। মিশরের বিপক্ষে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের আগে মাত্র তিন দিন সময় পাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে, জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে যে আর্জেন্টিনা খেলেছিল, তার তুলনায় এ দিনের প্রথম একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন ছিল।

বিষয়টি শুধু শারীরিক ফিটনেসের নয়। ইউরোপীয় দলগুলোর তুলনায় আর্জেন্টিনার খেলার ধরন আলাদা। তারা একটানা আগ্রাসী ফুটবল খেলে না। সেটি মেনে নিয়েছেন মেসিও। 

তিনি বলেন, আমরা ওদের চাপে রাখতে পারিনি। সব সময় বলের পেছনে ওদের একজন বাড়তি ফুটবলার ছিল। তার সঙ্গে আমরা তাল মেলাতে পারিনি। এই কারণেই ওদের পায়ে বল বেশি ছিল এবং আমাদের বেশি দৌড়াতে হয়েছে।

মেসির পক্ষে এ ধরনের কৌশলগত মন্তব্য বিরলই বলা যায়। আর্জেন্টিনার পরিকল্পনা সাধারণত আচমকা আক্রমণে প্রতিপক্ষকে ভেঙে দেওয়া। যেমন ২৯ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের পাস থেকে মেসির গোলটি- যা আগে থেকে কেউ অনুমান করতে পারেনি। কিন্তু প্রতিপক্ষ যখন আগ্রাসী ফুটবল খেলা শুরু করে, তখনই আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে।

নিজেদের বক্সে রক্ষণের ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা খুব খারাপ নয়। তবে এ দিন তারা বল ক্লিয়ার করতে বেশি সময় নিয়েছে। ফলে কেপ ভার্দে সহজেই আর্জেন্টিনার রক্ষণের ফাঁক খুঁজে পেয়েছে। প্রথমে দুয়ার্তে সমতা ফেরান, পরে সিডনি লোপেজ অসাধারণ শটে গোল করেন।

আর্জেন্টিনার হাতে সব ধরনের শক্তি থাকা সত্ত্বেও তারা কেন প্রতি-আক্রমণনির্ভর ফুটবল খেলে না, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। প্রতিপক্ষ আগ্রাসী খেললে দ্রুত প্রতি-আক্রমণে উঠে পাল্টা গোল করার প্রবণতা আর্জেন্টিনার খেলায় খুব বেশি দেখা যায় না। মেসি গোল করা ও সুযোগ তৈরিতে অসামান্য। তবে তার বয়সের কথা বিবেচনায় রেখে বারবার প্রতি-আক্রমণ তার পা থেকে শুরু হবে- এমন প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। ফলে আর্জেন্টিনাকে নির্ভর করতে হবে লাউতারো মার্টিনেজ বা হুলিয়ান আলভারেজের ওপর।

তবে এটাও মানতে হবে, এ দিন দুই বার গোল হজমের পর আর্জেন্টিনা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কখনোই ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়নি। তারা বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং প্রতিপক্ষকে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। দুই সেন্টারব্যাক সেটপিস থেকে গোল করেছেন। ফলে আর্জেন্টিনা প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে পারে না- এ কথা পুরোপুরি সত্য নয়। প্রশ্ন হলো, তারা কতটা সময় এবং কতটা ধারাবাহিকভাবে চাপ ধরে রাখতে চায়।

স্কালোনিও এ দিন সেই প্রসঙ্গ তুলেছেন। তার ভাষায়, আমার মনে আছে, কাতারে যে ম্যাচগুলো অতিরিক্ত সময়ে গিয়েছিল, আজও ঠিক একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ছেলেরা আক্রমণ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। এক-এক সময় মনে হচ্ছিল, সৌদি আরব ম্যাচের মতোই কোনো একটি ম্যাচ খেলছি। তবে সৌদি আরবের বিপক্ষে যেমন খেলেছিলাম, তার চেয়ে আজ ভালো খেলেছি। কারণ এই দলটি আগের চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার

সাম্বার ছন্দ নাকি ভাইকিং ঝড়?

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১০:১০ এএম
সাম্বার ছন্দ নাকি ভাইকিং ঝড়?
ছবি: সংগৃহীত

সব কিছুতেই যেন ২০০২ বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি! দুই যুগ আগে কোরিয়া-জাপান বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে ২-১ গোলে জয় পেয়েছিল ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত সেবার পঞ্চম বিশ্বকাপও জিতেছিল পেলের দেশ। এরপর টানা পাঁচ বিশ্বকাপে নকআউটে গোল হজমের পর আর ফিরে আসতে পারেনি সাম্বা ছন্দের দেশ। এবার শেষ বত্রিশ রাউন্ডে জাপানের বিপক্ষে সেটি করে দেখিয়েছে বিখ্যাত হলুদ জার্সিধারীরা। ২৪ বছর আগের এমন আরও অনেক স্মৃতিই এভাবে ঘুরেফিরে আসছে। 

তবে এবার ব্রাজিলকে ‘হেক্সা’ জয়ের লক্ষ্যে আরেক ধাপ এগিয়ে যেতে হলে তাদের ঐতিহাসিক ‘অভিশাপ’ কাটাতে হবে! সেই অভিশাপের নাম ‘নরওয়ে’। এই দলটিকে যে কখনোই, কোনো মঞ্চেই হারাতে পারেনি সেলেসাওরা। এবার ২৩তম ফিফা বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল অর্থাৎ শেষ ষোলোতে সেই নরওয়ের মুখোমুখি হচ্ছে রেকর্ড সর্বোচ্চ পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নিউইয়র্কের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচটি মাঠে গড়াবে আজ রাত ২টায়।
 
নকআউটের এই ম্যাচটি ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। যার মূল কারণ এই দুই পরাশক্তি দলের মুখোমুখি হওয়ার আকর্ষণীয় ইতিহাস এবং বিশ্বকাপ পারফরম্যান্স। পরিসংখ্যান বলছে, নরওয়ে ব্রাজিলের জন্য এক সত্যিকারের ‘গোলকধাঁধা’। এখন পর্যন্ত এই দুই দল চারবার মুখোমুখি হয়েছে। যার মধ্যে নরওয়ে জিতেছে দুটি ম্যাচে এবং বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপে দল দুটির সবচেয়ে ঐতিহাসিক ও আলোচিত সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৯৮ সালের গ্রুপ পর্বে। যেখানে নরওয়ে ২-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছিল ব্রাজিলকে। ফলে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যদের জন্য এটি শুধু পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার লড়াই নয় বরং নরওয়ের বিপক্ষে হারের প্রতিশোধ নেওয়ারও মিশন।

আর্লিং হালান্ডের নরওয়ে শেষ ষোলোতে এসেই ইতিহাস গড়েছে। তাদের কাছে আর প্রত্যাশার চাপ নেই! তারা এখন বিদায় নিলেও সমালোচনা হবে না; কিন্তু জিতলে প্রশংসার স্রোতে ভাসবে। কিন্তু ব্রাজিলের জন্য বিষয়টা ঠিক উল্টো। এই দলটি ফাইনালে হেরে গেলেও সেটিকে ব্যর্থতা বলা হয়। তাইতো নরওয়ের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প নেই ব্রাজিলের। আর ম্যাচে তারা স্পষ্ট ফেভারিটও। কিন্তু ইতিহাস চোখ রাঙাচ্ছে ভিনিসিয়ুস, কাসেমিরো, নেইমারদের। কাগজে-কলমে ব্রাজিল ফেভারিট হলেও ইতিহাস, বর্তমান ফর্ম আর নরওয়ের সাহসী ফুটবল বলছে এই ম্যাচ মোটেও একপেশে হবে না। 

ব্রাজিল এবারের বিশ্বকাপে শুরু থেকেই নিজেদের শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে প্রমাণ করেছে। গ্রুপ পর্বে ধীরে ধীরে ভালো পারফরম্যান্সের পর শেষ বত্রিশে জাপানের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ে ২-১ গোলের জয় তুলে নেয় তারা। কিন্তু ব্রাজিলের সবকিছু এখনো নিখুঁত নয়। মাঝমাঠে সৃজনশীলতার ঘাটতি মাঝে মাঝে স্পষ্ট হয়েছে। ইনজুরি এবং স্কোয়াড রোটেশনও কোচ কার্লো আনচেলত্তির জন্য কিছুটা চিন্তার কারণ। তবুও আক্রমণে ভিনিসিয়ুস, নেইমার, রাফিনিয়া এবং মার্টিনেল্লির মতো তারকারা ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন যেকোনো মুহূর্তে।

অন্যদিকে নরওয়ে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে চমকপ্রদ দলগুলোর একটি। আর্লিং হালান্ডের ভয়ংকর রূপ ২৮ বছরের দীর্ঘ খরা কাটিয়ে ফিরে আসা নরওয়ে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ‘ডার্ক হর্স’। প্রায় তিন দশক পর বিশ্বকাপে ফিরে তারা শুধু অংশগ্রহণ করেই সন্তুষ্ট থাকেনি; নিজেদের সামর্থ্যের জানানও দিয়েছে। গ্রুপ পর্বে কঠিন লড়াই পেরিয়ে শেষ বত্রিশে আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে তারা। নরওয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের সংগঠিত ডিফেন্স এবং দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক। সামনে আছেন বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর স্ট্রাইকার হালান্ড। তার সঙ্গে মিডফিল্ডে অধিনায়ক মার্টিন ওটেগার্ডের সৃজনশীলতা নরওয়েকে ভয়ংকর করে তুলেছে। তবে নরওয়ের বড় চ্যালেঞ্জ হলো ব্রাজিলের বল নিয়ন্ত্রণ ও ধারাবাহিক আক্রমণ সামলানো। 

এই ম্যাচটি মূলত পরিণত হতে যাচ্ছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং আর্লিং হালান্ডের ব্যক্তিগত দ্বৈরথে। কার্লো আনচেলত্তি দলের ভারসাম্য বজায় রাখতে কৌশলে পরিবর্তন আনছেন এবং তরুণ মার্টিনেলিকে ‘সুপার সাব’ হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন। যা নরওয়ের রক্ষণভাগের জন্য বড় পরীক্ষা। অন্যদিকে নরওয়ে যদি ব্রাজিলের রক্ষণভাগের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে প্রথম গোল আদায় করে নিতে পারে, তবে এই ম্যাচে অঘটন ঘটা অসম্ভব কিছু নয়। টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে এসে প্রতিটি দলের কৌশল কতটা নিখুঁত হতে পারে তা দেখার মতো। এই রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে কোন দল শেষ আটে যাবে, তা দেখার জন্য দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
 
কৌশলগতভাবে ম্যাচটি হতে পারে দারুণ রোমাঞ্চকর। ব্রাজিল চাইবে শুরু থেকেই বলের দখল রেখে আক্রমণের চাপ তৈরি করতে। নরওয়ে অপেক্ষা করবে সুযোগের। একটি ভুল, একটি দ্রুত পাল্টা আক্রমণ। আর তাতেই হালান্ডের সামনে খুলে যেতে পারে গোলের দরজা! শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল নির্ভর করতে পারে ছোট ছোট মুহূর্তে একটি ড্রিবল, একটি থ্রু পাস অথবা একটি ফিনিশিং। ব্রাজিলের তারকাসমৃদ্ধ আক্রমণ শক্তি তাদের এগিয়ে রাখছে। তবে নরওয়ের গোছানো ফুটবল এবং হালান্ড ফ্যাক্টর ম্যাচটিকে করে তুলেছে শেষ ষোলোর সবচেয়ে অনিশ্চিত লড়াইগুলোর একটি। এ যেন শুধু একটি ম্যাচ নয়; এটি সাম্বার শিল্প বনাম ভাইকিংদের শক্তির লড়াই।

এই ম্যাচের জন্য ব্রাজিলের সেরা তারকা নেইমার প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘সে খেলতে চায়, সব সময়ই চেয়েছে। কিন্তু তার আচরণ অসাধারণ। সে কঠোর পরিশ্রম করছে, ভালোভাবে অনুশীলন করছে। দলের সবাই তাকে ভালোবাসে।’ জাপানের বিপক্ষে শেষ বত্রিশের ম্যাচে অবশ্য মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। এতে অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। কিন্তু কার্লো জানিয়েছেন, সেটা ম্যাচ কৌশলের একটি অংশ। ফুটবল ইতিহাসের সেরা দলের বিপক্ষে লড়াইয়ের আগে হালান্ড অবশ্য প্রতিপক্ষকে সমীহ করছেন, ‘ব্রাজিলকে হারিয়ে পরের পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা আমাদের খুবই ক্ষীণ। তাদের বিপক্ষে আমাদের খেলতে হবে এটাই বাস্তবতা। শেষ ষোলোর লড়াইটা মোটেও সহজ হবে না। আমরা শেষ পর্যন্ত পারব কি না, তা জানি না।’

হালান্ডের মতো নরওয়ে কোচ স্তল সুলবাকেনও ব্রাজিলকে সমীহ করছেন। ম্যাচের আগে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, ব্রাজিল তাদের পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাচ্ছে। ভালো থেকে আরও ভালো হচ্ছে এবং সব পজিশনে তাদের শক্তিশালী খেলোয়াড় আছে। আমরা এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে উন্মুখ হয়ে আছি। অবশ্যই ব্রাজিল ফেভারিট এবং এই বিশ্বকাপ জয়ের বড় দাবিদার। কিন্তু আমাদের ভাগ্যে লেখা, আমরা তাদের মুখোমুখি হব। তাদের বিপক্ষে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলতে হবে আমাদের।’ আনচেলত্তির ব্রাজিলকে প্রশংসা, সমীহ করলেও নিজ দলের প্রতি আস্থার কমতি নেই সুলবাকেনের। বিশেষ করে, তার দলের আক্রমণভাগে আছে আর্লিং হালান্ড নামের এক গোলমেশিন। যার নৈপুণ্যে আইভরি কোস্টকে হারিয়ে নকআউট পর্বে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে নরওয়ে। নিউইয়র্কে সেই স্বপ্ন যাত্রা টেনে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে দলটি। 

নরওয়ে বিশ্বের একমাত্র দল, যারা একাধিকবার ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়ে অপরাজিত আছে।

বিশ্বকাপে ১৫০ গোল স্পর্শ করল ফ্রান্স

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম
বিশ্বকাপে ১৫০ গোল স্পর্শ করল ফ্রান্স
ছবি: সংগৃহীত

কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি থেকে করা একমাত্র গোলে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। এই জয়ের পাশাপাশি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ তারা।

ব্রাজিল, জার্মানি ও আর্জেন্টিনার পর চতুর্থ দেশ হিসেবে অনন্য এই কীর্তি গড়েছে দিদিয়ে দেশমের দল।

পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেষ ৩২ এর ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে ফ্রান্স। 

তবে প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগের কারণে গোলের সুযোগ তৈরি করতে বেশ বেগ পেতে হয় ফ্রান্সের। 

দ্বিতীয়ার্ধে ৬১তম মিনিটে দেজিরে দুয়েকে মাঠে নামানোর পর বদলে যায় ম্যাচের গতি। মাঠে নামার অল্প সময়ের মধ্যেই দুর্দান্ত ড্রিবলিং ও গতিতে প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগে ভাঙন ধরান তিনি।

তার ওপর দিয়েগো গোমেজের বেপরোয়া ট্যাকলের পর পেনাল্টি পায় ফরাসিরা।

নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। শেষ পর্যন্ত সেই একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটে দেশম শিষ্যরা।

কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ মরক্কো। একই দিনে কানাডাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।

আগামী ১০ জুন বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় বোস্টন স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও মরক্কো।

পাপ্পু/এএফ

সর্বাধিক গোল দিয়ে মেসির সমকক্ষ হলেন এমবাপ্পে

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
সর্বাধিক গোল দিয়ে মেসির সমকক্ষ হলেন এমবাপ্পে
ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। ছবি: সংগৃহীত

রাউন্ড অফ সিক্সটিনের ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বাধিক গোলের তালিকায় লিওনেল মেসির সমকক্ষ হয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

পেনাল্টি থেকে গোল করার পর, নকআউট পর্বে এমবাপ্পের মোট গোলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২টি (১১টি গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট)।

শুক্রবার কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল করার মাধ্যমে আর্জেন্টিনার মেসি সর্বাধিক গোল করে ব্রাজিলের পেলে ও ফ্রান্সের এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন।

২৮ বছর বয়সি এমবাপ্পের গোলের সংখ্যা এখন ৭, যা তাকে ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেনবুট দৌড়ে মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে নিয়ে গেছে।

বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের তালিকায় ফরাসি অধিনায়ক মেসির চেয়ে এক গোল পিছিয়ে আছেন, যেখানে তার প্রতিপক্ষ ২০টি গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন।

থিওটোনিয়াস/

কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে পেল ফ্রান্স, ম্যাচ কবে-কখন?

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৯ এএম
কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে পেল ফ্রান্স, ম্যাচ কবে-কখন?
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ৭০ মিনিটে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি থেকে।

শনিবার (৪ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাতে ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফ্রান্স আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হয় দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত। পেনাল্টি গোলের পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও প্যারাগুয়ের সংগঠিত রক্ষণ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় আর কোনো গোল হয়নি।

এই জয়ের মাধ্যমে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। এবার কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় বোস্টন স্টেডিয়ামে এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। 

এর আগে, শেষ ষোলোর ম্যাচে কানাডাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে মরক্কো। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা আফ্রিকান দলটি টানা দ্বিতীয়বার সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

অন্যদিকে, ফ্রান্সের লক্ষ্য থাকবে টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে দারুণ এক লড়াই দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।

এসজি/