ঢাকা ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ঢাকাসহ দেশের ৯ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রে ‘কমিউনিস্ট হুমকির’ সমালোচনা ট্রাম্পের বরিশালে তরুণদের ঘিরে মাদকের বিস্তার ২৫ আলোকবর্ষ দূরে পৃথিবীর মতো গ্রহ ইউক্রেনের কোস্তিয়ান্তিনিভকা দখলের দাবি রাশিয়ার, জেলেনস্কির নাকচ সারজিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলেন জুলাই শহিদের মা সর্বাধিক গোল দিয়ে মেসির সমকক্ষ হলেন এমবাপ্পে রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ উত্তরা মোটর্স নিয়ে এলো নতুন ইসুজু লাক্সারি এনকিউআর বাস উচ্চতার চ্যালেঞ্জে ইংল্যান্ড, দুর্দান্ত ছন্দে মেক্সিকো ভারতে জনপ্রিয় হচ্ছে নতুন আধ্যাত্মিক ট্রেন্ড ‘ভজন ক্লাবিং’ সুশাসন চর্চা থেকে অবিচল আস্থা: ব্র্যাক ব্যাংক কয়লার ময়লায় টিকে থাকার সংগ্রাম বেনাপোল বন্দরে রাজস্বে বড় ধাক্কা, ঘাটতি ৪৭৩১ কোটি টাকা সেতুর বদলে মেলে শুধু আশ্বাস কুষ্টিয়ায় পানির অভাবে বিপাকে পাটচাষিরা ‘ওপেন সিক্রেট’ মাদক ৫ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ৫ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ৭৯৭৫ কোটির প্রকল্পে ২৮৪ কোটি টাকা অনিয়ম কেপ ভার্দেকে স্যালুট চোট, লড়াই ও ফিরে আসা ৫ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি জার্মানির কোচ হতে প্রস্তুত ক্লপ কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে পেল ফ্রান্স, ম্যাচ কবে-কখন? এমবাপ্পের গোলে প্যারাগুয়েকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স পেনাল্টিতে ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন এমবাপ্পে বিশ্বকাপে স্পেনই সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ: নুনো মেন্দেস প্রথমার্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য, তবু গোলশূন্য ফ্রান্স বিশ্বকাপে কঠিন পরীক্ষার মুখে লামিনে ইয়ামাল

চোট, লড়াই ও ফিরে আসা

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০ এএম
চোট, লড়াই ও ফিরে আসা
লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বাধাগুলো খুব সহজে পেরিয়ে এসেছিল আর্জেন্টিনা। তবে নকআউটের প্রথম পর্বেই কঠিন চ্যালেঞ্জ জয় করতে হলো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। বলা যায়, কেপ ভার্দে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঘটনের দুয়ারে চলে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নাটকীয় লড়াইয়ে জয় পায় আর্জেন্টিনা। যে জয়ে বড় অবদান লিসান্দ্রো মার্তিনেজের।

বাংলাদেশ সময় গতকাল (৪ জুলাই) ভোরে মায়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে লিওনেল মেসি প্রথম জাল খুঁজে নেন। যে গোলটিতে বড় অবদান মার্তিনেজের। মধ্য মাঠ থেকে তার লং পাসেই তৈরি হয় গোলের সুযোগ। এরপর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে নিজে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই তারকা। কেপ ভার্দে যদিও সেই গোল পরিশোধ করে স্কোর লাইন ২-২ করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে জয় পায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ শেষে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের উচ্ছ্বাস ছিল অন্য রকম। তিনি এই জয়টি নিজের স্ত্রী ও কন্যাকে উৎসর্গ করেন। এর কারণও আছে। গুরুতর চোটের ধাক্কায় এক সময় ফুটবলই ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার কন্যা যখন পৃথিবীতে এল, সেই সময়টায় দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে যায় মার্তিনিজের। ম্যাচ শেষে মার্তিনেজ বলেন, ‘ওদের ছাড়া আমি হয়তো আজ এখানে থাকতে পারতাম না। এই জয় ওদের দুজনের জন্য। চোটের কারণে খুব কঠিন সময় পার করতে হয়েছে আমাকে। ওই সময়টাই জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল। এরপর আমার মেয়ের জন্ম হলো, সবকিছু যেন বদলে গেল। আমি আমার স্ত্রীকে সন্তান জন্ম দিতে দেখেছি। তার সেই সংগ্রাম আমাকে ভাবিয়েছে—আমি কেন লড়াই চালিয়ে যাব না?’

লিসান্দ্রো মার্তিনেজ অনুপ্রেরণা নিয়েছেন মেসির জীবন থেকেও। ২৮ বছর বয়সী এই ফুটবলারের কথায়,  ‘লিও মেসির গল্প আমার জন্য বিশাল অনুপ্রেরণা। পুরো ক্যারিয়ারে তিনি অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন, অনেক ব্যর্থতা দেখেছেন, কিন্তু কখনো হাল ছাড়েননি। আজ ৩৯ বছর বয়সেও তিনি একই আবেগ নিয়ে লড়ে যাচ্ছেন। তিনি সবকিছু জিতেছেন। প্রমাণ করার মতো আর কিছুই বাকি নেই। আমার কাছে তিনি শুধু ফুটবলের নয়, সব খেলাধুলার ইতিহাসেরই সর্বকালের সেরা। সর্বকালের সেরা যদি এতটা আবেগ নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে পারেন, তাহলে আমাদেরও তার পথ অনুসরণ করতেই হবে।’

ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের প্রশংসা করতে ভোলেননি মার্তিনেজ। একই সঙ্গে কঠিন পরীক্ষায় উতরে যাওয়ায় সতীর্থদেরও কৃতিত্ব দেন তিনি। ‘আমাদের দলের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো- কখনো হাল না ছাড়া। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছি। নকআউট ম্যাচ এমনই হয়। এখানে একটুও আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। কেপ ভার্দে অসাধারণ খেলেছে। আমি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছি। তারা সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছে। তবে আমার বিশ্বাস, আমরা প্রাপ্য দল হিসেবেই জিতেছি। এই দলের অংশ হতে পেরে আমি খুব গর্বিত।’– বলেন মার্তিনেজ।

সর্বাধিক গোল দিয়ে মেসির সমকক্ষ হলেন এমবাপ্পে

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
সর্বাধিক গোল দিয়ে মেসির সমকক্ষ হলেন এমবাপ্পে
ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। ছবি: সংগৃহীত

রাউন্ড অফ সিক্সটিনের ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বাধিক গোলের তালিকায় লিওনেল মেসির সমকক্ষ হয়েছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

পেনাল্টি থেকে গোল করার পর, নকআউট পর্বে এমবাপ্পের মোট গোলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২টি (১১টি গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট)।

শুক্রবার কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল করার মাধ্যমে আর্জেন্টিনার মেসি সর্বাধিক গোল করে ব্রাজিলের পেলে ও ফ্রান্সের এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন।

২৮ বছর বয়সি এমবাপ্পের গোলের সংখ্যা এখন ৭, যা তাকে ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেনবুট দৌড়ে মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে নিয়ে গেছে।

বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের তালিকায় ফরাসি অধিনায়ক মেসির চেয়ে এক গোল পিছিয়ে আছেন, যেখানে তার প্রতিপক্ষ ২০টি গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন।

থিওটোনিয়াস/

এমবাপ্পের গোলে প্যারাগুয়েকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৮ এএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৯ এএম
এমবাপ্পের গোলে প্যারাগুয়েকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। পেনাল্টি থেকে দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।

শনিবার (৪ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাতে ফিলাডেলফিয়ার মাঠে শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল ফ্রান্সের। বল দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ তৈরিতে তারা এগিয়ে থাকলেও প্যারাগুয়ের সংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙা সহজ হয়নি। প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি ফরাসিরা, ফলে বিরতিতে ম্যাচ থাকে গোলশূন্য।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই চাপ বাড়ায় ফ্রান্স। ৫১ মিনিটে বল পেয়ে দারুণ গতিতে ছুটে যান কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলেও এগিয়ে যান তিনি। তবে বল নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে গতি কমাতেই সময়মতো ট্যাকল করে প্যারাগুয়েকে বিপদমুক্ত করেন হুয়ান কাসেরেস। শেষ পর্যন্ত কর্নার আদায় করে নেয় ফ্রান্স। দ্রুত কর্নার নিলেও সেখান থেকে সুবিধা করতে পারেনি তারা। 

এরপর ৫৫ মিনিটে দূরপাল্লা থেকে জোরালো শটে গোলের চেষ্টা করেন মানু কোনে। তবে দারুণ নৈপুণ্যে সেটি ঠেকিয়ে দেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল।

ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৬৫ মিনিটে। প্যারাগুয়ের তিন ডিফেন্ডারকে দারুণভাবে কাটিয়ে বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন দেজিরে দুয়ে। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে ডিয়েগো গোমেজ পা বাড়িয়ে তাকে ফেলে দেন। শুরুতে রেফারি খেলা চালিয়ে গেলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন তিনি। স্পট কিকে দায়িত্ব নেন অধিনায়ক এমবাপ্পে। ঠাণ্ডা মাথায় গোলরক্ষককে ভুল পথে পাঠিয়ে ফ্রান্সকে এগিয়ে নেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। ৭০ মিনিটে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় গত আসরের রানার্সআপরা।

এর পরপরই ডিফেন্সে ডায়ট উপামেকানো ভুল করে বসেন। সেই সুযোগে শট নেওয়ার চেষ্টা করেন মৌরিসিও, তবে ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক ম্যাগনান চমৎকার সেভ করে দলকে রক্ষা করেন।

৮৯ মিনিটে এমবাপ্পে আবারও সুযোগ তৈরি করলেও দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে নেওয়া তার শট ঠেকিয়ে দেন গিল। ইনজুরি টাইমে (৯০+৭) ফ্রান্স দ্বিতীয় গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। দুয়ে বাম দিক থেকে দারুণ পাস বাড়ান এমবাপ্পের দিকে। প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন গিল, রিবাউন্ডেও আবার শট নিলেও অসাধারণ ডাইভে সেটিও রুখে দেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক।

শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পের একমাত্র গোলেই ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ফ্রান্স। এই জয়ে তারা উঠে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে, আর টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় প্যারাগুয়ে।

এসজি/

পেনাল্টিতে ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন এমবাপ্পে

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪ এএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫১ এএম
পেনাল্টিতে ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন এমবাপ্পে
ছবি: সংগৃহীত

বক্সের ভেতর দেজিরে দুয়েকে ফাউল করায় ভিএআর পর্যালোচনার পর পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। স্পট-কিকে গোল আদায় করলেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাতে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। 

শনিবার (৪ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথমার্ধে বল দখল, আক্রমণ ও সুযোগ তৈরিতে আধিপত্য দেখিয়েও কাঙ্ক্ষিত গোল আদায় করতে পারেনি ফ্রান্স। প্যারাগুয়ের সুশৃঙ্খল রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়। 

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে দারুণ এই সুযোগ তৈরি করে ফ্রান্স। ম্যাচের ৫১ মিনিটে বল পেয়ে দারুণ গতিতে ছুটে যান কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলেও এগিয়ে যান তিনি। তবে বল নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে গতি কমাতেই সময়মতো ট্যাকল করে প্যারাগুয়েকে বিপদমুক্ত করেন হুয়ান কাসেরেস। শেষ পর্যন্ত কর্নার আদায় করে নেয় ফ্রান্স। দ্রুত কর্নার নিলেও সেখান থেকে সুবিধা করতে পারেনি তারা। 

ম্যাচের ৫৫ মিনিটে দূরপাল্লা থেকে দুর্দান্ত এক শট নেন মানু কোনে। বাম দিক লক্ষ্য করে নেওয়া তার জোরালো প্রচেষ্টা দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক। 

তবে ম্যাচের ৬৫ মিনিটে প্যারাগুয়ের তিন ডিফেন্ডারকে দারুণভাবে কাটিয়ে বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন দেজিরে দুয়ে। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে ডিয়েগো গোমেজ পা বাড়িয়ে তাকে ফেলে দিলে তিনি বক্সের ভেতরেই পড়ে যান। এতে পেনাল্টির জোরালো আবেদন উঠে ফ্রান্সের পক্ষ থেকে। তবে রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ভিএআর পর্যালোচনা করে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।

পেনাল্টি নিতে আসেন ফরাসি অধিনায়ক। চাপ সামলে গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিলকে ভুল দিকে পাঠিয়ে নিখুঁতভাবে বল জালে পাঠিয়ে দেন এমবাপ্পে। তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। 

এসজি/

বিশ্বকাপে স্পেনই সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ: নুনো মেন্দেস

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৭ এএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৮ এএম
বিশ্বকাপে স্পেনই সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ: নুনো মেন্দেস
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে স্পেনকেই নিজেদের সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন পর্তুগালের লেফট-ব্যাক নুনো মেন্দেস। তবে তিনি জানিয়েছেন, শক্তিশালী এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত রয়েছে পর্তুগাল।

মেন্দেস বলেন, ‘যদি আমরা সেই (নেশনস লিগ) ফাইনালের ফল আবারও পেতে পারি, তাহলে সেটা দারুণ হবে। তবে এটি ভিন্ন প্রতিযোগিতা ও ভিন্ন ম্যাচ। আমরা প্রতিটি ম্যাচ যেভাবে খেলেছি, স্পেনের বিপক্ষেও একই মানসিকতা নিয়ে নামতে হবে।’

গত বছর মিউনিখে অনুষ্ঠিত নেশনস লিগ ফাইনালে টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়েছিল পর্তুগাল। সেই স্মৃতি এবারও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে বলে জানান মেন্দেস।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি, আমরা আরও ভালো খেলতে পারি। সেই সক্ষমতা আমাদের আছে।’ মেন্দেসের ভাষায়, ‘যে হারবে সে বিদায় নেবে। কাগজে-কলমে স্পেনই আমাদের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ। কিন্তু ম্যাচ শুরু হলে সবকিছুই বদলে যেতে পারে।’

স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে সম্ভাব্য লড়াই নিয়েও কথা বলেন মেন্দেস। তিনি জানান, ইয়ামালকে নিয়ে প্রতিপক্ষের প্রশংসা তিনি উপভোগ করেন এবং এই ম্যাচে নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য তিনি প্রস্তুত।

উল্লেখ্য, সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে পর্তুগাল ও স্পেন। এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের জয়ী দল জায়গা করে নেবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।

এসজি/

প্রথমার্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য, তবু গোলশূন্য ফ্রান্স

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৯ এএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫ এএম
প্রথমার্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য, তবু গোলশূন্য ফ্রান্স
ছবি: সংগৃহীত

বল দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ সৃষ্টিতে প্রথমার্ধে ছিল ফ্রান্সের একচ্ছত্র আধিপত্য। তবে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি গত আসরের রানার্সআপরা। ফলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়।

শনিবার (৪ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে শুরু হয় ম্যাচটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রেখে প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগে ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করে ফ্রান্স। কিন্তু কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলেরা প্রতিপক্ষের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভেদ করতে ব্যর্থ হন।

ম্যাচে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ আসে মানু কোনের পায়ে। দূরপাল্লার তার শট এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায় প্যারাগুয়ে। কর্নার থেকেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি ফরাসিরা।

এরপর বক্সের বাইরে থেকে আদ্রিয়ান রাবিও জোরালো শট নিলেও বল ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।

ম্যাচের ৩৬ মিনিটে মাঠে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্যারাগুয়ের বক্সের কাছে ফাউলের শিকার হন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এরপর আন্দ্রেস কুবেস তাকে বুকে হাত দিয়ে সরানোর চেষ্টা করলে ক্ষুব্ধ হয়ে ধাক্কা দেন এমবাপ্পে। ঘটনায় উসমান দেম্বেলেও জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে দুই দলের গোলরক্ষককে এগিয়ে এসে খেলোয়াড়দের শান্ত করতে হয়।

এরপর ফ্রি-কিক থেকে মাইকেল ওলিসের ভাসিয়ে দেওয়া বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেনি প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগ। সেখান থেকে কর্নার আদায় করে নেয় ফ্রান্স। কর্নার থেকে জুল কুন্দের নেওয়া শট অবশ্য সরাসরি গোলরক্ষকের হাতেই জমা পড়ে।

৩৯ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে দারুণ এক বাঁকানো শট নেন উসমান দেম্বেলে। তবে সেটিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গোলশূন্যভাবেই বিরতিতে যায় দুই দল।

প্রথমার্ধে বল দখলের ৭৮ শতাংশ ছিল ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণে। গোলের উদ্দেশে তারা নেয় ছয়টি শট, যেখানে প্যারাগুয়ের শট ছিল মাত্র দুটি। কিন্তু প্যারাগুয়ের শৃঙ্খলিত রক্ষণ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় কোনো সুযোগই কাজে লাগাতে পারেনি ফরাসিরা।

এসজি/