বল দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ সৃষ্টিতে প্রথমার্ধে ছিল ফ্রান্সের একচ্ছত্র আধিপত্য। তবে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি গত আসরের রানার্সআপরা। ফলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়।
শনিবার (৪ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে শুরু হয় ম্যাচটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রেখে প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগে ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করে ফ্রান্স। কিন্তু কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলেরা প্রতিপক্ষের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভেদ করতে ব্যর্থ হন।
ম্যাচে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ আসে মানু কোনের পায়ে। দূরপাল্লার তার শট এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায় প্যারাগুয়ে। কর্নার থেকেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি ফরাসিরা।
এরপর বক্সের বাইরে থেকে আদ্রিয়ান রাবিও জোরালো শট নিলেও বল ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।
ম্যাচের ৩৬ মিনিটে মাঠে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্যারাগুয়ের বক্সের কাছে ফাউলের শিকার হন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এরপর আন্দ্রেস কুবেস তাকে বুকে হাত দিয়ে সরানোর চেষ্টা করলে ক্ষুব্ধ হয়ে ধাক্কা দেন এমবাপ্পে। ঘটনায় উসমান দেম্বেলেও জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে দুই দলের গোলরক্ষককে এগিয়ে এসে খেলোয়াড়দের শান্ত করতে হয়।
এরপর ফ্রি-কিক থেকে মাইকেল ওলিসের ভাসিয়ে দেওয়া বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেনি প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগ। সেখান থেকে কর্নার আদায় করে নেয় ফ্রান্স। কর্নার থেকে জুল কুন্দের নেওয়া শট অবশ্য সরাসরি গোলরক্ষকের হাতেই জমা পড়ে।
৩৯ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে দারুণ এক বাঁকানো শট নেন উসমান দেম্বেলে। তবে সেটিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গোলশূন্যভাবেই বিরতিতে যায় দুই দল।
প্রথমার্ধে বল দখলের ৭৮ শতাংশ ছিল ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণে। গোলের উদ্দেশে তারা নেয় ছয়টি শট, যেখানে প্যারাগুয়ের শট ছিল মাত্র দুটি। কিন্তু প্যারাগুয়ের শৃঙ্খলিত রক্ষণ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় কোনো সুযোগই কাজে লাগাতে পারেনি ফরাসিরা।
এসজি/