ছবি: সংগৃহীত
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না কোনো দল। অবশেষে ডেডলক ভাঙলেন মিকেল মেরিনো। তার ৯১ মিনিটের গোলে পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন।
সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথমার্ধে সুযোগ পেয়েও মিকেল ওইয়ারসাবাল কাজে লাগাতে পারেনি। অন্যদিকে নুনো মেন্দেসের জোরালো শট পেদ্রো পোরোর মাথায় লেগে ক্রসবারে লাগলে গোলবঞ্চিত হতে হয় পর্তুগালকে। এতে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ধাক্কা খায় পর্তুগাল। ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন নুনো মেন্দেস, যিনি কি-না স্পেনের লামিন ইয়ামালকে ভালোভাবেই সামলাচ্ছিলেন।
এরপর সুযোগ তৈরি করেন জোয়াও ফেলিক্স। তিনি দূরের পোস্টে ক্রস পাঠান। সেখানে দৌড়ে এসে বলের নাগাল পান রোনালদো। তবে ঠিকমতো শট নিতে পারেননি তিনি। এরপর দানি ওলমোর পাস পেয়ে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে শট নেন পেদ্রি। কিন্তু তার শটটি চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।
ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ডান দিক দিয়ে বক্সের কাছে ফাউলের শিকার হন লামিনে ইয়ামাল। ফ্রি-কিক থেকে তার নেওয়া বাঁকানো শটটি দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন দিয়োগো কস্তা। এরপর দারুণ এক প্রচেষ্টা চালান ব্রুনো ফার্নান্দেস। বক্সের ভেতর বল পেয়ে কঠিন কোণ থেকে জোরালো শট নেন তিনি, তবে বলটি বাইরের জালে আঘাত করে।
ম্যাচের ৮০ মিনিটে আক্রমণে উঠে স্পেন। পর্তুগালের বক্সের ভেতর থেকে দানি ওলমো শট নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দুর্দান্ত স্লাইডিং ট্যাকলে তা আটকে দেন পর্তুগিজ ডিফেন্ডার রুবেন দিয়াস।
ম্যাচের ইনজুরি টাইমে (৯০+১) গোলের দেখা পায় স্পেন। বদলি হিসেবে নামা মিকেল মেরিনো দুই সেন্টার-ব্যাকের মাঝ দিয়ে দুর্দান্তভাবে দৌড়ে জায়গা তৈরি করেন। ফেরেন তোরেসের কাছ থেকে বল পেয়ে ঠাণ্ডা মাথায় দিয়োগো কস্তাকে পরাস্ত করে বল পাঠিয়ে দেন জালে। তাতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন।
শেষ মুহূর্তে (৯০+৭ মিনিট) সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল পর্তুগাল। ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও দুর্দান্ত একটি ক্রস পাঠান, কিন্তু ছয় গজ দূর থেকে নেওয়া হেডে বল জালে জড়াতে পারেননি বার্নার্দো সিলভা। আর তাতেই স্বপ্নভঙ্গ হয় পর্তুগালের। ১-০ ব্যবধানে জয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে স্পেন।
এসজি/