মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে সংগঠিত ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা ও নির্যাতনের প্রামাণ্য ইতিহাস নতুন প্রজন্মের জন্য আরও বেশি প্রচার করতে হবে বলে জানিয়েছেন বীরপ্রতীক লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির।
জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে একক বক্তৃতানুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বলেন, ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও শাসকগোষ্ঠী পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকে বাঙালির প্রতি বৈরী ভূমিকা পালন করতে থাকে। তারা আমাদের শাসনতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে, অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করেছে, ভাষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে স্তব্ধ করতে নানামুখী আগ্রাসন চালিয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে স্বাধীনতাকামী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা পরিচালনা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বিস্মৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আমাদের তৎপর হতে হবে। গণহত্যা ও নির্যাতনের প্রামাণ্য ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রচারে মনোযোগী হতে হবে।’
মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন, ‘২৫ মার্চ কালরাতে হানাদার পাকিস্তান বাহিনী গোটা বাঙালি জাতিকে নির্মূলের অশুভ উদ্দেশ্যে যে পৈশাচিক বর্বরতা চালায়, মানবতা সুরক্ষার স্বার্থে তার আন্তর্জাতিক তদন্ত ও স্বীকৃতি প্রয়োজন।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতের শহিদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
জয়ন্ত/সালমান/