মদ ইসলামে নিষিদ্ধ ও হারাম। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদাররা! মদ, জুয়া, মূর্তি ও তীর নিক্ষেপ এসব নিকৃষ্ট বস্তু ও শয়তানের কাজ। কাজেই তোমরা এগুলো বর্জন করো। যাতে তোমরা সফল হতে পারো। শয়তান মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা ও তিক্ততা ঘটাতে চায় এবং তোমাদের আল্লাহর স্মরণ ও নামাজ থেকে বিরত রাখতে চায়। তবুও কি তোমরা তা থেকে বিরত থাকবে না!’ (সুরা মায়েদা: ৯০-৯১)
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘অর্থাৎ আল্লাহর লানত মদের ওপর, তা যে পান করে তার ওপর, যে পান করায় তার ওপর, যে বিক্রি করে তার ওপর এবং যে ক্রয় করে তার ওপর, যে তা নিংড়ায় তার ওপর এবং যার নির্দেশে নিংড়ায় তার ওপর, যে তা বহন করে এবং যার জন্য বহন করে সবার ওপর।’ (আবু দাউদ, হাদিস: ৩৬৭৪)
মুসলিম-অুমসলিম কারও কাছেই মদ ডেলিভারি করা জায়েজ হবে না। জীবিকা নির্বাহের জন্য কোনো হালাল উপায় অনুসন্ধান করতে হবে। কেউ যদি মদ ডেলিভারির চাকরি করে, তার উচিত দ্রুত হালাল কোনো চাকরি বেছে নেওয়া। তবে যদি জীবিকা নির্বাহের অন্য কোনো উপায় না থাকে, তাহলে অন্য চাকরি হওয়া পর্যন্ত এটি করতে পারবে। সেক্ষেত্রে সর্বাবস্থায় এর জন্য তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে। হালাল রোজগারের ব্যবস্থা হওয়া মাত্রই এ চাকরিটি ছেড়ে দিতে হবে। (আলমুহিতুর রাজাবি, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৫৩৭; রদ্দুল মুহতার, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৩৯১)
লেখক: আলেম, গবেষক ও সাংবাদিক