ঢাকা ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে সামার ট্রাইমিস্টার ২০২৬-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠিত লুকা মদ্রিচের নতুন বিশ্বরেকর্ড চট্টগ্রামে কলেজ শিক্ষার্থী সাজিদ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে 'বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন বিএআইডি ২০২৫ গলায় ইট বেঁধে কুকুরকে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় আরও দুইজন গ্রেপ্তার কেরানীগঞ্জে প্রবাসীদের স্ত্রীরাও পেলেন ফ্যামিলি কার্ড, বঞ্চিত হতদরিদ্ররা বোয়ালমারীতে ওঝার ঝাড়ফুঁকের ৮ ঘণ্টা পর কিশোরের মৃত্যু নাটোরে ৩ কিমি মহাসড়ক বিষাক্ত পার্থেনিয়াম মুক্ত, স্বস্তিতে এলাকাবাসী বদলি নেমে মেসির চমক, জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারাল আর্জেন্টিনা হৃদয়ভাঙা বিদায় ইরানের চাঁদপুরে প্রবাসীদের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস কমলো ঢাকার বায়ুদূষণ, শীর্ষে কঙ্গোর কিনশাসা ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ফুটবলার হেক্টর বেলোর স্ত্রীর মৃত্যু গ্রুপ পর্ব শেষ, নিশ্চিত নকআউটের ৩২ দল জিতলেই ইতিহাস অভাবের চাদরে মোড়ানো এক জীবনযাপনের গল্প ইরানে টানা দ্বিতীয় দিন হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র নাটোরে বৃদ্ধের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে সেনাঘাঁটিতে হামলা, চার সেনাসহ নিহত ১০ পরীক্ষায় নকল করতে এআই চশমা বিশ্বকাপে আরেকটি ইতিহাস মেসির মেসি মাঠে নামার আগেই গোল হজম করল আর্জেন্টিনা আনোয়ারায় বাবার মরদেহ দাফন করতে গিয়ে হামলার শিকার ভাই-বোন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইসরায়েলে সরছে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন ব্যাংক থেকে টাকা তোলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: মিলন চুক্তি স্বাক্ষরের একদিন পরই লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বই-ই তার বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটে  কৃষক ও নারী উদ্যেক্তাদের নিয়ে  আর্থিক সাক্ষরতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ডের নকআউট প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো

অভাবের চাদরে মোড়ানো এক জীবনযাপনের গল্প

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১০:০০ এএম
অভাবের চাদরে মোড়ানো এক জীবনযাপনের গল্প
ছবি: সংগৃহীত

আজকের বিলাসিতা ও প্রাচুর্যের যুগে দাঁড়িয়ে কি কল্পনা করা যায়, আল্লাহর প্রিয়তম রাসুলের মেহমানরা ক্ষুধার জ্বালায় অচেতন হয়ে পড়ে থাকতেন? কিংবা তিনি নিজে কখনো পেট পুরে গোশত-রুটি খেয়েছেন কেবল তখনই, যখন সামনে কোনো মেহমান থাকত? আসুন, ইতিহাসের পাতা থেকে মহানবি (সা.)-এর সাধারণ কিন্তু এক অনন্য জীবনযাপনের গল্প জেনে নিই।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একনিষ্ঠ খাদেম ও আসহাবে সুফফার সদস্য হযরত আবু হুরায়রা (রা.)-এর জীবনের একটি ঘটনা পরবর্তী সময়ে ইসলামের ইতিহাসের এক জ্বলন্ত দলিল হয়ে দাঁড়ায়। এক বর্ণনায় এসেছে, মোহাম্মদ ইবনে সীরীন (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা একদিন আবু হুরায়রা (রা.)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তাঁর পরিধানে ছিল কাতানের (মূল্যবান তিসি বা পাটের সুতার) দুটি কাপড়।

তিনি তার একটি দিয়ে নাক পরিষ্কার করছিলেন আর (নিজের অতীত মনে করে) বলছিলেন, ‘বাহ, বাহ! আবু হুরায়রা আজ কাতানের কাপড় দিয়ে নাক সাফ করছে! অথচ এমন এক সময় ছিল যখন আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মিম্বর এবং আয়েশা (রা.)-এর হুজরার পাশে ক্ষুধার জ্বালায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকতাম। আর আগন্তুকরা আমাকে মৃগী রোগী মনে করে ঘাড়ে পা দিয়ে চাপ দিত। অথচ আমার কোনো উন্মাদনা ছিল না, কেবল প্রচণ্ড ক্ষুধাই ছিল এর কারণ।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭৩২৪)

মেহমানের অবস্থা দেখেই মেজবানের অবস্থা অনুমান করা যায়। আসহাবে সুফফার সদস্যরা ছিলেন রাসুল (সা.)-এর সার্বক্ষণিক মেহমান। মেহমানরা যখন ক্ষুধার তীব্রতায় সংজ্ঞা হারাতেন, তখন মেজবান তথা স্বয়ং আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর ঘরে যে কী পরিমাণ খাদ্যাভাব ছিল, তা সহজেই অনুমেয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ত্যাগ ও আতিথেয়তার আরেকটি অনন্য দিক ফুটে ওঠে মালিক ইবনে দীনার (রহ.)-এর এই বর্ণনায়। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) কখনো ‘যাফাফ’ ছাড়া তৃপ্তিসহকারে রুটি এবং গোশত ভক্ষণ করেননি। মালিক ইবনে দীনার বলেন, আমি এক বেদুইনকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘যাফাফ’ কী? সে বলল, ‘মানুষের সঙ্গে একত্রে (মেহমান নিয়ে) পানাহার করা।’ (মুসনাদে আহমাদ, ১৩৮৮৬; সহিহ ইবনে হিব্বান, ৬৩৫৯)

রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজের জন্য কখনো আয়েশ বা তৃপ্তির আয়োজন করেননি। তবে যখন কোনো মেহমান আসত, তখন মেহমান যেন সংকোচ বোধ না করে পেট ভরে খেতে পারে, সে জন্য তিনি নিজে মেহমানের সঙ্গে তৃপ্তিসহকারে খেতেন। এটিই ছিল তাঁর অতুলনীয় আতিথেয়তা ও মনস্তাত্ত্বিক উদারতা।

রাসুল (সা.)-এর জীবনযাপন আমাদের শেখায় যে, অভাব মানেই দীনতা নয়, বরং ত্যাগের মাধ্যমেও জীবনের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছানো সম্ভব। আজকের ভোগবাদী সমাজে তাঁর এই অনাড়ম্বর জীবনদর্শন আমাদের আত্মশুদ্ধির এক মহাসড়ক দেখাতে পারে।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

পবিত্র আশুরা আজ

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
পবিত্র আশুরা আজ
ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার পবিত্র আশুরা। সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শোকের আবহে দিনটি পালিত হচ্ছে। হিজরি মুহাররম মাসের দশম দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে এক অনন্য এবং তাৎপর্যপূর্ণ দিন। সৃষ্টির শুরু থেকে নানা ঐতিহাসিক ঘটনার স্মারক এই দিনটি। তবে সব ছাড়িয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত হোসাইন (রা.) এর সপরিবারে শাহাদতবরণ বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কাছে এক চিরন্তন শোক ও ত্যাগের মহিমামর অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচিত। 

বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও আজ নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার ও রোজা পালনের মধ্য দিয়ে দিনটি অতিবাহিত করছেন। হাদিস শরিফে এসেছে, রমজানের পর মুহাররমের রোজাই সবচেয়ে উত্তম এবং আশুরার একটি রোজা পালনে বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ হয়। এই পবিত্র দিনে শিয়া সম্প্রদায় রাজধানীর পুরাণ ঢাকার হোসেনি দালান থেকে ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল বের করে থাকে। 

ইসলামি ইতিহাস অনুযায়ী, মহান আল্লাহ তায়ালা এই ১০ মুহাররমের দিনেই আরশ, কুরসি, আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। এই দিনেই প্রথম মানব হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয় এবং পরে দুনিয়ায় প্রেরণের পর এই দিনেই তার তাওবা কবুল করা হয়। এ ছাড়াও হজরত নূহ (আ.)-এর যুগের মহাপ্লাবনের পর তার কিস্তি জুদি পাহাড়ে ভেড়ে এবং হজরত মূসা (আ.)-এর নেতৃত্বে বনি ইসরাইলদের অত্যাচারী ফেরাউনের কবল থেকে অলৌকিকভাবে মুক্তি পাওয়ার মতো মহান সব ঘটনার সাক্ষী এই পবিত্র আশুরা।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত তাজিয়া মিছিলসহ বিভিন্ন শোক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ডিএমপি কমিশনার জানিয়েছেন লালবাগ, ওয়ারী, রমনা, তেজগাঁও, মতিঝিল ও মিরপুরসহ ঢাকার বিভিন্ন বিভাগের ২৮টি ইমামবাড়া কর্তৃক মুহাররমের ১ তারিখ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত মোট ৬৩টি তাজিয়া মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিটি মিছিলের জন্য নির্দিষ্ট রুট নির্ধারণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ পুলিশি পাহারা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে আতশবাজি বা যেকোনো ধরনের পটকা ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির বাণী: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কারবালার প্রান্তরে শাহাদতবরণকারী সব শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী মানুষকে অন্যায়-অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় এবং সত্য, সুন্দর ও আলোর পথ দেখায়। তিনি একটি সাম্য, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর সংহতি কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর আপসহীন সংগ্রামকে স্মরণ করে বলেন, ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই। তিনি আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান। কারবালার মর্মন্তুদ ঘটনা মানবজাতিকে শিখিয়েছে কীভাবে জুলুম, অন্যায় ও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত না করে সত্য ও ন্যায়ের আদর্শকে সমুন্নত রাখতে হয়। এই অবিনাশী শিক্ষা আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য এক অন্তহীন প্রেরণার উৎস ধারণ করে আছে।

২৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৭:০০ এএম
২৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি
জুন, ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচির ছবি

প্রতিদিন সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নামাজ (সালাত) ইসলাজুনর পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি এবং ইসলাজুনর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘নামাজ (বুখারি ও মুসলিম)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (বুখারি, ৬৩১)

সঠিকভাবে নামাজ আদায় করতে হলে, নামাজের সময় জানতে হবে।

 

আজ ২৮ জুন ২০২৬, রবিবার। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো— 

জোহর

১২.০৪ মিনিট

আসর

৪.৪০ মিনিট

মাগরিব

৬.৫৩ মিনিট

এশা

৮.১৯ মিনিট

 

ফজর (২৯ জুন)

.৪৫মিনিট

 

 

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগকরতে হবে।

বিয়োগ

চট্টগ্রাম: ৫ মিনিট

সিলেট: ৬ মিনিট

যোগ

খুলনা: ৩ মিনিট

রাজশাহী: ৭ মিনিট

রংপুর: ৮ মিনিট

বরিশাল: ১ মিনিট

 

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ৩টি কাজে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
যে ৩টি কাজে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান যুগে আমরা অনেকেই বাহ্যিক কিছু আচার-অনুষ্ঠানকে ধর্ম মনে করে আত্মতৃপ্তিতে ভুগি। কিন্তু সমাজকে পাশ কাটিয়ে কেবল ব্যক্তিকেন্দ্রিক ধর্মচর্চায় আল্লাহর পূর্ণ সন্তুষ্টি আসে না। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক চমৎকার নির্দেশনায় রাসুলুল্লাহ (সা.) আল্লাহর সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টির তিনটি করে ক্ষেত্র নির্ধারণ করে দিয়েছেন, যা যেকোনো সভ্য সমাজের মূল ভিত্তি হতে পারে।

যে ৩টি কাজে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন:

১. আল্লাহর নিখাদ ইবাদত করা এবং তাঁর সার্বভৌমত্বে বিন্দুমাত্র অংশীদার বা শিরক না করা।

২. আল্লাহর দেওয়া জীবনবিধানকে সামগ্রিকভাবে ও শক্তভাবে আঁকড়ে ধরা এবং নিজেদের মধ্যে দলাদলি বা বিভেদ সৃষ্টি না করা।

৩. সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল বা নেতাদের জন্য আন্তরিকভাবে কল্যাণ কামনা করা ও তাঁদের সৎকাজে সহযোগিতা করা।

বিপরীতভাবে, বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়া বা আমাদের যাপিত জীবনের দিকে তাকালে দেখা যায়, আমরা অবলীলায় এমন কিছু কাজ করে যাচ্ছি যা স্রষ্টাকে অসন্তুষ্ট করে।
যে ৩টি কাজে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন:

১. আজকের দিনে ফেসবুক-ইউটিউবে ট্রোল করা, গুজব ছড়ানো বা মানুষের চরিত্র হনন করা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ও অর্থহীন কথা বলার এই প্রবণতা আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে।

২. অপচয় ও সম্পদের অপব্যবহার করা।

৩. কোনো গঠনমূলক উদ্দেশ্য ছাড়া কেবল তর্কের খাতিরে বা অন্যকে বিপদে ফেলার জন্য অনর্থক খুঁতখুঁতে প্রশ্ন করা।

আমরা যদি আজকের বাংলাদেশের সামাজিক অস্থিরতা, রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি আর পারিবারিক ভাঙনের দিকে তাকাই, তবে দেখব এই প্রতিটি সংকটের মূলে রয়েছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশিত এই বার্তাগুলোর অনুপস্থিতি। অন্যের ভালো দেখে হিংসা না করে তার জন্য কল্যাণ কামনা করা, গুজবে কান না দিয়ে অনর্থক কথা বলা বন্ধ করা এবং সমাজের ঐক্য ধরে রাখা আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:০০ পিএম
আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ
ছবি: সংগৃহীত

ভাবুন তো, মাত্র এক মিনিটে যদি আপনার ব্যাংক ব্যালান্সে এক হাজার ডলার জমা হয়, তবে কেমন লাগবে? দুনিয়ার বুকে এমন কোনো বৈধ ব্যবসা নেই যা আপনাকে মাত্র ৬০ সেকেন্ডে এত বড় মুনাফা দিতে পারে। অথচ আখেরাতের বাজারে প্রতিদিন মাত্র এক মিনিটে এক হাজার নেকি অর্জন করা এবং একই সঙ্গে এক হাজার গুনাহ মাফ করিয়ে নেওয়া সম্ভব! রাসুল (সা.) আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের এমন কিছু অবিশ্বাস্য আধ্যাত্মিক সমীকরণ শিখিয়েছেন, যা আধুনিক মানুষকে এক নিমেষেই পরকালের শ্রেষ্ঠ ধনীতে পরিণত করতে পারে।

আমরা অনেকেই মনে করি, অনেক বড় ইবাদত বা কঠিন পরিশ্রম ছাড়া বড় সওয়াব পাওয়া অসম্ভব। কিন্তু আল্লাহর রাসুল (সা.) এই ধারণাটি সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন। হজরত সাদ ইবনে আবু অক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের কোনো ব্যক্তি প্রত্যহ এক হাজার নেকি অর্জন করতে অপারগ হবে কি? উপস্থিত একজন জিজ্ঞেস করলেন, ‘কীভাবে এক হাজার নেকি অর্জন করবে?’ তিনি বললেন, ১০০ বার তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) পড়বে।

ফলে তার জন্য এক হাজার নেকি লেখা হবে এবং এক হাজার গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে। (মুসলিম, ২৬৯৮; তিরমিজি, ৩৪৬৩)। নতুন দৃষ্টিকোণ: মুহাদ্দিসদের সূক্ষ্ম ভাষ্য ও বর্ণনার পাঠভেদ (যেমন- শু’বাহ ও ইয়াহয়্যা আলক্বাত্তানের বর্ণনা) অনুযায়ী, এখানে ‘অথবা’ নয়, বরং ‘এবং’ শব্দটির ব্যবহারই অগ্রগণ্য। অর্থাৎ, মাত্র ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বললে ১০০০ নেকি পাওয়ার পাশাপাশি একই সঙ্গে ১০০০ গুনাহও খাতা থেকে মুছে যায়।

 

লেখক: মুহতামিম, মদিনাতুল উলুম মদরাসা, কুষ্টিয়া

২৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৭:০০ এএম
২৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি
জুন, ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচির ছবি

প্রতিদিন সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নামাজ (সালাত) ইসলাজুনর পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি এবং ইসলাজুনর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘নামাজ (বুখারি ও মুসলিম)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (বুখারি, ৬৩১)

সঠিকভাবে নামাজ আদায় করতে হলে, নামাজের সময় জানতে হবে।

 

আজ ২৭ জুন ২০২৬, শনিবার। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো— 

জোহর

১২.০৪ মিনিট

আসর

৪.৪০ মিনিট

মাগরিব

৬.৫৩ মিনিট

এশা

৮.১৯ মিনিট

 

ফজর (২৮ জুন)

.৪৫মিনিট

 

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগকরতে হবে।

বিয়োগ

চট্টগ্রাম: ৫ মিনিট

সিলেট: ৬ মিনিট

যোগ

খুলনা: ৩ মিনিট

রাজশাহী: ৭ মিনিট

রংপুর: ৮ মিনিট

বরিশাল: ১ মিনিট

 

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন