দেশের অন্যতম বড় মাছের আড়ত চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছ ঘাটে গত বছর থেকেই ইলিশের সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে না থাকায় অলস সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, দিন দিন ইলিশের সরবরাহ কমে আসছে। গত বছর এ সময় যা ইলিশ ছিল, এবার তাও নেই। বিশেষ করে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশের আকাল পড়ে আছে। গত দুই থেকে তিন বছর ধরে স্থানীয় ইলিশ কম আসছে ঘাটে। এবার দক্ষিণাঞ্চলের ইলিশও ঘাটে আসছে না। যার কারণে চাঁদপুর ঘাটে ইলিশের পরিমাণ কম।
বড়স্টেশন মাছ ঘাটে ক্রেতা পারভেজ জানান, ইলিশের দাম বেশি হওয়ায় ছয় কেজির বদলে চার কেজি ইলিশ কিনেছি। এখন মাছ ঘাটে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। যা কিছু আছে তাও দাম বেশি। মনে হয় না আর দাম কমবে। আমাদের কাছ থেকে ইলিশ খাওয়ার সক্ষমতা উঠে যাচ্ছে।
ইলিশ মাছ ব্যবসায়ী নবির হোসেন বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও বড়স্টেশন মাছ ঘাটে তেমন ইলিশ আসে না। জেলেদের জালে ইলিশ কম উঠছে। জেলেরা চাহিদা অনুযায়ী ইলিশ পেলে তারপর দাম কমতে পারে। বর্তমানে এক কেজি ইলিশ ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, আর দুই কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা। এ ছাড়া ছোট ইলিশ (৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম) ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত সরকার খবরের কাগজকে বলেন, এখন মাছ ঘাটে ৮০ থেকে ১০০ মণ ইলিশ সরবরাহ হচ্ছে। এ সময় অন্য বছর ইলিশের সরবরাহ ছিল এক হাজার মণ। এখন আর সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা নেই। মাছের সরবরাহ কম চাহিদা বেশি, তাই দামও বেশি।
শরীফুল/ইন্দ্রজিৎ/অমিয়