কক্সবাজারের রামু সদরের একটি বৌদ্ধ বিহারে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে বিহারের একটি সিঁড়ি পুড়ে গেছে।
শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) দিনগত গভীর রাতে রামু উপজেলা সদরের চেরাংঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও দমকল বাহিনীর কর্মীদের তড়িৎ পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে।
আগুন সূত্রপাতের কারণ বা এটি নাশকতা নাকি নিছক দুর্ঘটনা, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
তবে প্রাথমিকভাবে ধারাণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরাই আগুন দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বৌদ্ধ বিহারসহ আশপাশের সব সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।
রামু থানার পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) তদন্ত ইমন চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তার বক্তব্য অনুযায়ি, শুক্রবার রাতে রামু উপজেলা সদরের চেরাংঘাটারে রাখাইন সম্প্রদায়ের উসাইচেন বৌদ্ধ বিহারের (বড় ক্যাং) পুরোহিতসহ অন্যরা প্রতিদিনের মতো ঘুমিয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে রাত ২টার দিকে ১৫০ বছরের পুরানো কাঠের তৈরি বিহারটিতে আকস্মিক আগুন লাগে। আগুন দেখে বিহারের ভেতরে অবস্থানকারীরা চিৎকার, ডাকাডাকি শুরু করেন। তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে খবর পেয়ে রামু ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুনে বিহারের ভেতরের কাঠের তৈরি একটি সিঁড়ি পুড়ে গেছে। তবে তাৎক্ষণিক আগুন নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জানিয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান খবরের কাগজকে বলেন, ‘আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা জানা যায়নি। তাছাড়া এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা তা পুলিশ এখনো নিশ্চিত নয়। রাতে ঘটনাটি শোনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বৌদ্ধ বিহারসহ আশাপাশের সব সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনা কিভাবে ঘটেছে বা কোন দুর্বৃত্তরা সংঘটন করেছে কিনা পুলিশ তদন্ত করছে।’
ঘটনার পর থেকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। (শনিবার) সকালে পুলিশসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলেও জানান তিনি।
মুহিবুল্লাহ/ইসরাত চৈতি/অমিয়/