ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য আটক মিশ্র এআই ক্রলার ব্লক করবে ক্লাউডফ্লেয়ার ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় বিক্ষোভ সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে সব হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতায় ৬ নির্দেশনা An Honest Farmer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৭ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে জাইকা প্রেসিডেন্ট সাতক্ষীরায় দাবি না মানলে ৬ জুলাই থেকে ডাকঘর কর্মচারীদের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি খাগড়াছড়িতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ছাত্রলীগ নেতা আটক আমেরিকা: ২৫০ বছরের স্বাধীনতার আলো, সংগ্রাম আর স্বপ্নের এক অনন্য ইতিহাস উত্তর ফটিকছড়িবাসীর ‘ন্যায্য স্থানে’ উপজেলা সদর চেয়ে আল্টিমেটাম সিলেট সীমান্তে ভারতীয় ৪ এয়ারগান জব্দ প্যারাগুয়ে ম্যাচে নেই ফরাসি তারকা চুয়ামেনি স্বৈরাচারী পথেই বর্তমান সরকার, বড় ধরনের পরিবর্তন আসন্ন: জিএম কাদের কৃষক কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী ধামরাইয়ে বিদ্যুৎসংকটেও বাড়তি বিল! দিশেহারা গ্রাহক সরকার মানবসম্পদ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আখাউড়ার যুবক নিহত স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ম্যাচে ইংল্যান্ড দলে ভায়াগ্রা ব্যবহারের অনুমতি চকবাজারে আশিক টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট কেপ ভার্দে ফুটবলারদের সঙ্গে ছবি তুলে মেসির দুষ্টুমি দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতরা রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন পাবে’ সোনারগাঁয় আসামি ধরতে গিয়ে ৩ পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম জাবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের ‘র‌্যাগিং’, জড়িতদের দায় স্বীকার সৌদি আরবে হামলার হুমকি হুথিদের কক্সবাজারে হাম উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ২০ ফ্রান্সের জার্সিতে কেন থাকে মোরগের প্রতীক? আনোয়ারায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মরদেহ উদ্ধার

শিরীষতলায় চলছে বই বিনিময় উৎসব

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৪, ০৯:১৫ পিএম
শিরীষতলায় চলছে বই বিনিময় উৎসব
ছবি : খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের সিআরবি শিরীষতলায় চলছে দুই দিনব্যাপী বই বিনিময় উৎসব। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, জীবনী, ভ্রমণকাহিনি শিশুতোষ, মুক্তিযুদ্ধ, র্ধমীয়, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিকসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির বই এখানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এখান থেকে নিজের পছন্দমতো বই বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন পাঠকরা। বিনিময়ে দিতে হচ্ছে নিজের কাছে থাকা আরেকটি বই। কিন্তু কোনো অর্থের লেনদেন করতে হচ্ছে না। 

শনিবার (৯ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই বই বিনিময় রবিবার (১০ মার্চ) পর্যন্ত চলবে। এই বই বিনিময় উৎসবকে ঘিরে শিরীষতলায় জমে উঠেছে বইপ্রেমীদের আড্ডা।

এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় বা শেষদিনের বই বিনিময় চলবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। জেসিআই ঢাকা অ্যাসপিরেন্টস এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এই উৎসবের আয়োজন করেছে।

আয়োজকরা জানান, পাঠক যে ক্যাটাগরির বই নিয়ে আসবেন, বিনিময়ে সেই ক্যাটাগরির বই নিতে পারবেন। একজন পাঠক সর্বোচ্চ ১০টি বই বিনিময় করতে পারবেন। তবে ছেঁড়া কিংবা পড়ার অযোগ্য বই বিনিময় করা যাবে না। কোনো পাঠকের কাছে বিনিময় করার মতো বই না থাকলেও বই নেওয়ার সুযোগ পাবেন। 

আয়োজকদের একজন রিশাত তানভীর জানান, ‘বইবন্ধুর’ এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো জ্ঞানের বিনিময় করা। বেশি বই পড়ার পাশাপাশি এখানে পাঠকরা একসঙ্গে মিলিত হওয়ারও সুযোগ পাচ্ছেন। এতে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়, অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান বাড়ে। 

বই বিনিময় উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এ কে এম দাউদুর রহমান মিনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক ও চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া ও জেসিআই বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার রাফায়েলুর রহমান মেহেদী। ২০১৮ সাল থেকে একদল পড়ুয়া তরুণদের নিয়ে বইবন্ধুর পথচলা শুরু করে। 

সাতক্ষীরায় দাবি না মানলে ৬ জুলাই থেকে ডাকঘর কর্মচারীদের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
সাতক্ষীরায় দাবি না মানলে ৬ জুলাই থেকে ডাকঘর কর্মচারীদের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি
ছবি: সংগৃহীত

বেতন-ভাতা তিনগুণ বৃদ্ধি এবং বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ র‍্যালি করেছেন শাখা ডাকঘরের এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল (ইডি) কর্মচারীরা। দাবি আদায় না হলে আগামী ৬ জুলাই থেকে সারা দেশের প্রায় ৮ হাজার ৫০০টি শাখা ডাকঘরে একযোগে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে মিলিত হয়। কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত শাখা ডাকঘরের কর্মচারীরা অংশ নেন।

বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজি: নং বি-২০৩১), বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতি এবং বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

শোভাষিনী শাখা ডাকঘরের পোস্টমাস্টার মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন এল্লারচর শাখা ডাকঘরের পোস্টমাস্টার মো. আক্তারুল ইসলাম, কাদাকাটি শাখা ডাকঘরের পোস্টমাস্টার শিহাব উদ্দীন, তালা উপজেলার হরিহরনগর শাখার পোস্টমাস্টার আবুল কালাম আজাদ, ভালুকা চাঁদপুর শাখার পোস্টমাস্টার বাবু অসিত কুমার মন্ডল, রসূলপুর শাখার পোস্টমাস্টার ফারহানা খান এবং জগন্নাথপুর শাখার পোস্টমাস্টার আজরাতু জান্নাতসহ অন্যান্যরা।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা জানান, শাখা ডাকঘরের কর্মচারীরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করলেও তাদের মাসিক বেতন ৪ হাজার ৪৬০ টাকায় সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ অবস্থায় তাদের জীবিকা নির্বাহে চরম সংকট তৈরি হয়েছে।

এর আগে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কলম ধর্মঘট পালন করা হলেও তা থেকে কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। ফলে সারা দেশের প্রায় ২৩ হাজার ইডি কর্মচারী বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ হিসেবে মাঠে নেমেছেন।

দাবির মধ্যে রয়েছে বেতন-ভাতা ন্যূনতম তিনগুণ বৃদ্ধি এবং এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল কর্মচারীদের বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান।

কর্মসূচি থেকে জানানো হয়, আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে উদ্যোগ না নেওয়া হলে দেশের ৮ হাজার ৫০০ শাখা ডাকঘরে একযোগে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হবে, যা ডাকসেবায় ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।

জাকির/রিফাত/

উত্তর ফটিকছড়িবাসীর ‘ন্যায্য স্থানে’ উপজেলা সদর চেয়ে আল্টিমেটাম

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
উত্তর ফটিকছড়িবাসীর ‘ন্যায্য স্থানে’ উপজেলা সদর চেয়ে আল্টিমেটাম
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে নতুন অনুমোদন পাওয়া উপজেলা ফটিকছড়ি উত্তরের সদর ন্যায্য স্থানের পরিবর্তে দক্ষিণাংশেই স্থাপন চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্তের জন্য সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন স্থানীয়রা। এরমধ্যে যৌক্তিক স্থানে উপজেলা সদর স্থাপনের বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না পেলে কঠোর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেন তারা। 

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ঘোষণা দেন ‘উত্তর ফটিকছড়ি সচেতন নাগরিক সমাজ’।

সংবাদ সম্মেলনে উত্তর ফটিকছড়ির মানুষের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের স্বীকৃতি হিসেবে নতুন উপজেলার অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

এ সময় লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বর্তমান উপজেলা সদর থেকে দীর্ঘ দূরত্বের কারণে উত্তর ফটিকছড়ির মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশাসনিক সেবা, যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অবকাঠামোগত সুবিধাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার ছিলেন। এ বাস্তবতায় বাগান বাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট ও ভুজপুর- এই চার ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা গঠনের দাবি ওঠে। পরে এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন গণশুনানির আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গণশুনানির পরও দক্ষিণের হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল ইউনিয়নকে নতুন উপজেলায় যুক্ত করা হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে ওই দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মতামত নেওয়া হয়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ভুজপুরে উপজেলা সদর স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাদের দাবি, দূরত্ব, যোগাযোগব্যবস্থা, আয়তন ও রাজস্ব আয়ের দিক থেকে ভুজপুরে উপজেলা সদর হওয়ার যৌক্তিকতা নেই। বর্তমানে ফটিকছড়ি উপজেলা সদর থেকে ভুজপুরের দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার, অন্যদিকে বাগানবাজার থেকে ভুজপুরের দূরত্ব প্রায় ৩৮ কিলোমিটার। ফলে ভুজপুরে সদর স্থাপন করা হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের কাঙ্ক্ষিত প্রশাসনিক সুবিধা নিশ্চিত হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ফটিকছড়ি উপজেলার মোট আয়তন প্রায় ৭৭৩ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলের আয়তন প্রায় ৩০১ বর্গকিলোমিটার। এ অঞ্চলে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের বসবাস এবং প্রায় সোয়া এক লাখ ভোটার রয়েছেন। এত বড় জনগোষ্ঠীর ন্যায্য প্রত্যাশা উপেক্ষা করা উচিত হবে না। উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সুয়াবিলকে আগে ভুজপুর থানা এলাকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবেও ইউনিয়নটি উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল না। পরে একটি মহলের প্রভাবে সেটি নতুন উপজেলায় যুক্ত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গণশুনানির সুপারিশের আলোকে উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার সদর নারায়ণহাট ও দাঁতমারার মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপনের বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি আরও জোরদার করার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলম মাসুদ, বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি রকিবুল আলম চৌধুরী, উত্তর ফটিকছড়ি নাগরিক ফোরামের আহ্বায়ক ওসমান গণি মজুমদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল জব্বার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সাইফুদ্দিন সিদ্দিকী সোহেল, হেলথ ভিউ মেটারনিটি অ্যান্ড সাইল্ড হসপিটালের পরিচালক অ্যাডভোকেট শাহাজাহান সিরাজ প্রমুখ।

ইফতেখারুল/খাদিজা রুমি/

সিলেট সীমান্তে ভারতীয় ৪ এয়ারগান জব্দ

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
সিলেট সীমান্তে ভারতীয় ৪ এয়ারগান জব্দ
বিজিবির অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা করা ভারতীয় এয়ারগান। -খবরের কাগজ

সিলেট সীমান্তে চোরাইপথে আসা ভারতীয় চারটি এয়ারগান জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার (৪ জুলাই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানায় ৪৮ বিজিবি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩ জুলাই আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধীনস্থ মিনাটিলা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্ত পিলার ১২৮৩/এমপি থেকে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কাঁঠালবাড়ি নামক স্থান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩টি ভারতীয় এয়ারগান এবং পরবর্তীতে ৪ জুলাই ১২টা ৪৫ মিনিটে সীমান্ত পিলার ১২৮৩/১১-এস থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঝিঙ্গাবাড়ি নামক স্থান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১টি ভারতীয় এয়ারগান জব্দ করে।

এ বিষয়ে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হক বলেন, 'বিজিবি সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, অবৈধ অস্ত্র পাচার, মানবপাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং পুশইন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

তামান্না রুপা/

ধামরাইয়ে বিদ্যুৎসংকটেও বাড়তি বিল! দিশেহারা গ্রাহক

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
ধামরাইয়ে বিদ্যুৎসংকটেও বাড়তি বিল! দিশেহারা গ্রাহক
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার ধামরাইয়ে বিদ্যুৎসংকটের কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে, এর পরও বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের চাপে দিশেহারা সাধারণ গ্রাহকরা। তারা বলছেন গত মাসের চেয়ে বিল বেশি এসেছে।

অনেকে মনে করছেন, ‘জুন ক্লোজিংয়ের কারণে এমন বিল এসেছে’! আবার অনেকে ‘পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে’ বলেও মনে করছেন।

গত কয়েক দিন ধরে ভুক্তভুগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয় নিয়ে সমালোচনার ঝড় তুলছেন। পাশাপাশি প্রতিবাদও জানাচ্ছেন। 

প্রচণ্ড গরমে শুধু বয়স্ক লোকজনই নয়, কোমলমতি শিক্ষার্থী বিশেষ করে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়েছে চরম বিপাকে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সাধারণ জনজীবনও পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

একদিকে বিদ্যুৎসংকট, অপরদিকে বেশি বিল, এ ভোগান্তি নিয়ে মোখলেছুর রহমান নামে ধামরাইয়ের এক বাসিন্দা ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টকে কেন্দ্র করে সাধারণ গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। কমেন্টে সাধারণ গ্রাহকেরা তাদের নিজেদের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে নানা মন্তব্য করতে শুরু করেন।

ওয়াসিম আকরাম রানা নামে এক গ্রাহক লিখেছেন, ‘গত মে মাসে বিল এসেছে মাত্র ৮০০ টাকা আর জুন মাসে এসেছে ১৯০০ টাকা। প্রায় দ্বিগুণ এর চেয়েও বিল বেশি এসেছে। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন কি তাহলে বিদ্যুৎ খরচের ইউনিট বেশি লিখেছেন নাকি অন্য কোন কারণ রয়েছে।’

বিপ্লব ঘোষ লিখেছেন, ‘গত মাসে বিদ্যুৎ বিল ছিল ২১ হাজার টাকা আর জুন মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩১ হাজার টাকা। প্রায় ১০ হাজার টাকা বিল বেশি এসেছে। এভাবে বিল বেশি আসতে থাকলে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা বিপাকে পড়বে।’

মো: কাদের নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘আমার ৮০০ টাকার বিল এসেছে ৭০০০ হাজার টাকা। এটি কিভাবে সম্ভব। প্রায় ৭ গুনের বেশি বিল এসেছে।  পরিশোধ করা এখন কষ্ট সাধ্য বিষয়।’

শিপু আহমেদ লিখেছেন, ‘৭০০০ হাজার টাকার বিল পরিশোধ করতে হয়েছে ১২০০০ হাজার টাকা। এটি কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সাধারণ জনগণ বিদ্যুৎ বিলের চাপে এখন দিশেহারা। এটিকে ভূতুরে বিল বললেও ভুল হবে।  এযেন এক ধরনের প্রকাশ্য  ডাকাতি।’

এ ছাড়াও তাসলিমা আক্তার, জুলহাস রাহাত, বোরহান উদ্দিন সহ প্রায় দুই শত মানুষ বিদ্যুৎ বিল নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন। 

সাব্বির হোসেন নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘আমারও বেশি বিল এসেছে। মে-জুন মাস হলো পল্লী বিদ্যুতের ডাকাতির মাস। জুন ক্লোজিং-এর নামে প্রচুর টাকা গড়মিল করে। ফলে গ্রাহকদের ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। এই নিম্নমানের ডিজিটাল মিটার হলো তার হাতিয়ার। কিছু মিটার না চালালেও অটো পালসের মাধ্যমে কিলোওয়াট উঠতেই থাকে। এতে পল্লী বিদ্যুৎ হলো একটি বিষফোঁড়া দূর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান।’

রুহুল আমিন/খাদিজা রুমি/ 

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আখাউড়ার যুবক নিহত

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আখাউড়ার যুবক নিহত
নিহত যুবক। ছবি: খবরের কাগজ

সৌদি আরবের মক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার এক প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ছয় বছর আগে সৌদি আরবে যান হানিফ। মক্কার একটি হাসপাতালে ক্লিনারের কাজ করতেন। কয়েক দিন আগে তার দাদি মারা যাওয়ার পর তার নামে ওমরাহ করতে যান তিনি। ওমরাহ শেষে তিন বাংলাদেশি সহকর্মীর সঙ্গে কর্মস্থলে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

হানিফের চাচা বেলাল হোসেন দীলিপ বলেন, 'বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে তাদের গাড়ির সংঘর্ষ হয়। এরপর সবাই গাড়ি থেকে নেমে সড়কে দাঁড়ালে পেছন দিক থেকে আসা আরেকটি গাড়ি তাদের দিকে ধেয়ে আসে। তিনজন সড়কের আইল্যান্ডে উঠে প্রাণে বাঁচলেও হানিফ ঘটনাস্থলেই মারা যান।'

হানিফের চাচা আরও বলেন, দুর্ঘটনার ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যেই আমরা মৃত্যুর খবর পাই। এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে হানিফ ছিলেন বড়। এক মাস পর দেশে ফিরে তার বিয়ে করার কথা ছিল। এ জন্য পরিবারের সদস্যরা পাত্রীও দেখছিলেন। কিন্তু সেই অপেক্ষা এখন পরিণত হয়েছে গভীর শোকে।

হানিফের স্বজনরা জানান, তার কর্মস্থলের সুপারভাইজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এখন সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ সবার সহযোগিতায় মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

জুটন বনিক/তামান্না রুপা/