চট্টগ্রামের সিআরবি শিরীষতলায় চলছে দুই দিনব্যাপী বই বিনিময় উৎসব। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, জীবনী, ভ্রমণকাহিনি শিশুতোষ, মুক্তিযুদ্ধ, র্ধমীয়, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিকসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির বই এখানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এখান থেকে নিজের পছন্দমতো বই বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন পাঠকরা। বিনিময়ে দিতে হচ্ছে নিজের কাছে থাকা আরেকটি বই। কিন্তু কোনো অর্থের লেনদেন করতে হচ্ছে না।
শনিবার (৯ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই বই বিনিময় রবিবার (১০ মার্চ) পর্যন্ত চলবে। এই বই বিনিময় উৎসবকে ঘিরে শিরীষতলায় জমে উঠেছে বইপ্রেমীদের আড্ডা।
এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় বা শেষদিনের বই বিনিময় চলবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। জেসিআই ঢাকা অ্যাসপিরেন্টস এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এই উৎসবের আয়োজন করেছে।
আয়োজকরা জানান, পাঠক যে ক্যাটাগরির বই নিয়ে আসবেন, বিনিময়ে সেই ক্যাটাগরির বই নিতে পারবেন। একজন পাঠক সর্বোচ্চ ১০টি বই বিনিময় করতে পারবেন। তবে ছেঁড়া কিংবা পড়ার অযোগ্য বই বিনিময় করা যাবে না। কোনো পাঠকের কাছে বিনিময় করার মতো বই না থাকলেও বই নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
আয়োজকদের একজন রিশাত তানভীর জানান, ‘বইবন্ধুর’ এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো জ্ঞানের বিনিময় করা। বেশি বই পড়ার পাশাপাশি এখানে পাঠকরা একসঙ্গে মিলিত হওয়ারও সুযোগ পাচ্ছেন। এতে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়, অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান বাড়ে।
বই বিনিময় উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এ কে এম দাউদুর রহমান মিনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক ও চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া ও জেসিআই বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার রাফায়েলুর রহমান মেহেদী। ২০১৮ সাল থেকে একদল পড়ুয়া তরুণদের নিয়ে বইবন্ধুর পথচলা শুরু করে।