ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
The Grocer and the Fruit seller বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৮ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের পর ম্যাকডোনাল্ডস-বাস টার্মিনাল এখন ক্লিনিক অপহরণ-মানবপাচার রোধে টেকনাফে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ চট্টগ্রামের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাজেটে অনেক পরিকল্পনা রাখা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী খামেনির দাফন, ট্রাম্পের কটাক্ষ আর ‘রফা’ প্রসঙ্গে নতুন বিতর্ক চকবাজারে আশিক টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে শ্যামনগরে ১৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার মাদক জব্দ স্বাস্থ্যখাতে খারাপ চর্চার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-সৌদি আরবের সুসম্পর্ক স্থাপনে হজ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ১৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র অপরিচ্ছন্ন টয়লেটে স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুর্ভোগে বেরোবির শিক্ষার্থীরা ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচে বজ্রঝড়ের শঙ্কা কোটচাঁদপুরে হ্যান্ডকাফসহ পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আসামির বিশ্ব নাগরিক হয়ে ওঠার প্রস্তুতি আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সেমিফাইনাল, আর্জেন্টিনা-পর্তুগাল ফাইনাল, হবে কি পাগলাটে বিশ্বকাপ? ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩ ইসলামপুর সরকারি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য আটক মিশ্র এআই ক্রলার ব্লক করবে ক্লাউডফ্লেয়ার ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় বিক্ষোভ সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে সব হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতায় ৬ নির্দেশনা An Honest Farmer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৭ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে জাইকা প্রেসিডেন্ট সাতক্ষীরায় দাবি না মানলে ৬ জুলাই থেকে ডাকঘর কর্মচারীদের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি খাগড়াছড়িতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ছাত্রলীগ নেতা আটক আমেরিকা: ২৫০ বছরের স্বাধীনতার আলো, সংগ্রাম আর স্বপ্নের এক অনন্য ইতিহাস উত্তর ফটিকছড়িবাসীর ‘ন্যায্য স্থানে’ উপজেলা সদর চেয়ে আল্টিমেটাম সিলেট সীমান্তে ভারতীয় ৪ এয়ারগান জব্দ প্যারাগুয়ে ম্যাচে নেই ফরাসি তারকা চুয়ামেনি স্বৈরাচারী পথেই বর্তমান সরকার, বড় ধরনের পরিবর্তন আসন্ন: জিএম কাদের

ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় বিক্ষোভ

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় রিপন সরকার নামের যুবলীগের এক নেতাকে আটক করে থানায় নেওয়ার পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় বিক্ষোভ ও অবস্থান নেন প্রায় ৩০০ জন গ্রামবাসী। পরে পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর প্রতিনিধিদের আলোচনার পর আটক করা রিপন সরকারকে গ্রামবাসীদের জিম্মায় ছেড়ে দেয় পুলিশ।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙ্গুড়া থানায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, আটক রিপন সরকার (৪০) উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও হাবিবুর সরকারের ছেলে। তিনি পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলিপাড়া গ্রাম থেকে নাশকতা সম্পৃক্ততার সন্দেহভাজন হিসেবে রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আজম উপস্থিত লোকজনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি যুবলীগের সভাপতিকে আটক করে নিয়ে এসেছি। আপনারা কেন এসেছেন? আপনারা কি মব করতে চান? এই মুহূর্তে থানা এলাকা ছেড়ে চলে যান। আইন শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আগেই থানার রাস্তা ছেড়ে চলে যান। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে থেকে শীর্ষ পাঁচজনকে নিয়ে ওসির কক্ষে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে রিপন সরকারকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।  

তবে স্থানীয়দের দাবি, টেবুনিয়া-বাঘাবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন পাটুলিপাড়া গ্রামের একটি খাসজমি ও মাছবাজারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীর সঙ্গে ইউনুস সরকার নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরোধ চলে আসছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, সরকারি জায়গা দখল করে ইউনুস সরকার সেখানে একাধিক ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে আসছিলেন। পরে গ্রামবাসীর স্বার্থে ঘরটি ভেঙে সেখানে পুনরায় মাছের বাজার বসান এবং স্থানটিকে ছোট বাজার ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ব্যানার ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন প্রায় মাস দুইয়েক আগে। অন্যদিকে ইউনুস সরকার জায়গাটি নিজের দাবি করে রিপন সরকারসহ কয়েকজন গ্রামবাসীকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

গ্রামবাসীর দাবি, ওই বিরোধে তাদের গ্রাম বাসীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন যুবলীগ নেতা রিপন সরকার। তাকে হয়রানি ও আন্দোলন থামাতেই পুলিশ তাকে আটক করেছে বলে অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসী।

তারা আরও দাবি করেন, ইউনুস সরকারের দায়ের করা অভিযোগের কারণেই তাকে আটক করা হয়ে থাকতে পারে। শুক্রবার রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রায় ৩০০ গ্রামবাসী ভাঙ্গুড়া থানায় গিয়ে বিক্ষোভ করেন এবং তাকে মুক্তির দাবি জানান। এ সময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের থানা চত্বর থেকে বাইরে সরিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, নাশকতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাবাদের তার সম্পৃক্ততা না পাওয়া ও গ্রামবাসীর বিক্ষোভ এবং দাবির কারণে তাকে  গ্রামবাসীর তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আমিনুল/নাঈম

ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় বিক্ষোভ

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
ভাঙ্গুড়ায় যুবলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় রিপন সরকার নামের যুবলীগের এক নেতাকে আটক করে থানায় নেওয়ার পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় বিক্ষোভ ও অবস্থান নেন প্রায় ৩০০ জন গ্রামবাসী। পরে পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর প্রতিনিধিদের আলোচনার পর আটক করা রিপন সরকারকে গ্রামবাসীদের জিম্মায় ছেড়ে দেয় পুলিশ।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙ্গুড়া থানায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, আটক রিপন সরকার (৪০) উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও হাবিবুর সরকারের ছেলে। তিনি পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলিপাড়া গ্রাম থেকে নাশকতা সম্পৃক্ততার সন্দেহভাজন হিসেবে রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আজম উপস্থিত লোকজনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি যুবলীগের সভাপতিকে আটক করে নিয়ে এসেছি। আপনারা কেন এসেছেন? আপনারা কি মব করতে চান? এই মুহূর্তে থানা এলাকা ছেড়ে চলে যান। আইন শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আগেই থানার রাস্তা ছেড়ে চলে যান। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে থেকে শীর্ষ পাঁচজনকে নিয়ে ওসির কক্ষে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে রিপন সরকারকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।  

তবে স্থানীয়দের দাবি, টেবুনিয়া-বাঘাবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন পাটুলিপাড়া গ্রামের একটি খাসজমি ও মাছবাজারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীর সঙ্গে ইউনুস সরকার নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরোধ চলে আসছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, সরকারি জায়গা দখল করে ইউনুস সরকার সেখানে একাধিক ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে আসছিলেন। পরে গ্রামবাসীর স্বার্থে ঘরটি ভেঙে সেখানে পুনরায় মাছের বাজার বসান এবং স্থানটিকে ছোট বাজার ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ব্যানার ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন প্রায় মাস দুইয়েক আগে। অন্যদিকে ইউনুস সরকার জায়গাটি নিজের দাবি করে রিপন সরকারসহ কয়েকজন গ্রামবাসীকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

গ্রামবাসীর দাবি, ওই বিরোধে তাদের গ্রাম বাসীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন যুবলীগ নেতা রিপন সরকার। তাকে হয়রানি ও আন্দোলন থামাতেই পুলিশ তাকে আটক করেছে বলে অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসী।

তারা আরও দাবি করেন, ইউনুস সরকারের দায়ের করা অভিযোগের কারণেই তাকে আটক করা হয়ে থাকতে পারে। শুক্রবার রিপন সরকারকে আটক করে থানায় নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রায় ৩০০ গ্রামবাসী ভাঙ্গুড়া থানায় গিয়ে বিক্ষোভ করেন এবং তাকে মুক্তির দাবি জানান। এ সময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের থানা চত্বর থেকে বাইরে সরিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, নাশকতার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাবাদের তার সম্পৃক্ততা না পাওয়া ও গ্রামবাসীর বিক্ষোভ এবং দাবির কারণে তাকে  গ্রামবাসীর তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আমিনুল/নাঈম

খাগড়াছড়িতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ছাত্রলীগ নেতা আটক

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
খাগড়াছড়িতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ছাত্রলীগ নেতা আটক
ছবি: খবরের কাগজ
খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 
 
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। 
 
বৃষ্টি থাকায় এবং স্মৃতিস্তম্ভটি লোহার তৈরি হওয়ায় আগুনে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
 
শনিবার (৪ জুলাই) ভোরে জেলা সদরের সবুজবাগ এলাকা থেকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি নুরুল আলম রনিকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
 
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার পর থেকে খাগড়াছড়ির আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ফেসবুক আইডিতে একাধারে আগুন দেওয়ার ভিডিও পোস্ট করা হয়।
 
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মুখোশ পরা এক যুবক স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশে পেট্রল জাতীয় দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন। পরে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পেট্রল ঢালার পর ফেলে যাওয়া প্লাস্টিকের বোতলও জব্দ করে পুলিশ।  
 
খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের নৈশপ্রহরী সেনময় ত্রিপুরা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই যুবক সাংগঠনিক কাজ আছে বলে কলেজ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে। তার একটু পরেই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।
 
ছাত্র প্রতিনিধি জাহিদ হাসান ঘটনার জন্য নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পলাতক নেতা-কর্মীদের দায়ী করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
 
তিনি বলেন, 'এ ঘটনার মাধ্যমে তারা আবারও চিরায়ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিচয় দিয়েছে। তারা সারাদেশে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করছে।'
 
গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোরতাজা আলী খাঁন ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায় কিসলু।
 
পুলিশ সুপার জানান, শুক্রবার রাতে বেশ বৃষ্টি ছিল। রাতের কোনো এক সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি নুরুল আলম রনিকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্য অপরাধীদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।
 
দিদারুল রাজু/খাদিজা রুমি/

স্বৈরাচারী পথেই বর্তমান সরকার, বড় ধরনের পরিবর্তন আসন্ন: জিএম কাদের

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
স্বৈরাচারী পথেই বর্তমান সরকার, বড় ধরনের পরিবর্তন আসন্ন: জিএম কাদের
ছবি: খবরের কাগজ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, বর্তমান সরকার বিগত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের দেখানো পথেই হাঁটছে। তিনি বলেছেন, দেশে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা, দমন-পীড়ন এবং বৈষম্য আরও তীব্র হয়েছে। 

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, সরকার যদি দ্রুত অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে।

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘জাতীয় আইনজীবী ফেডারেশন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি-২০২৬’ এর পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংকের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘শক্তিশালী জনমতের ওপর ভিত্তি করে সরকার গঠিত হলেও তা দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার গ্যারান্টি দেয় না। রাজনৈতিক দলগুলোকে একীভূত করতে না পারলে এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে গুরুত্ব না দিলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে।’

সরকারের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী যে গণঅভ্যুত্থান দেখেছিলাম, সেই চেতনার প্রতিফলন এখনকার রাষ্ট্র পরিচালনায় দেখছি না। বরং জুলাইয়ের চেতনার নামে এখন নতুন করে বৈষম্য ও দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। 

রাজনৈতিকভাবে ভিন্নমত পোষণকারীদের রাস্তাঘাটে হেনস্তা করা, হাটে-বাজারে বাধা দেওয়া এবং আইন করে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার মতো কর্মকাণ্ড ফ্যাসিবাদী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।’

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার ইস্যুতে জি এম কাদের বলেন, শুধু একটি রাজনৈতিক দলকে বাদ দেওয়া বা দমন করলেই দেশে স্থিতিশীলতা আসবে না। বরং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি। 

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে, যার দায়ভার সরকার এড়াতে পারে না।’

জি এম কাদের বলেন, দেশের তরুণ সমাজ আজ ব্যাপকভাবে হতাশাগ্রস্ত। তাদের সামনে কর্মসংস্থান নেই, ভবিষ্যৎ নেই, যার ফলে তারা মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দিকে ঝুঁকছে। এছাড়া, বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের মাধ্যমে অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। জাতীয় আইনজীবী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল ইসলাম বাবুল। অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য শেরিফা কাদের, ইকবাল হোসেন তাপস, আরিফ খান, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলমসহ দলের শীর্ষ নেতা ও আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/অন্তরা/

আদালতের রায়ে বদলে গেল চট্টগ্রাম-৪ এর রাজনৈতিক সমীকরণ

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
আদালতের রায়ে বদলে গেল চট্টগ্রাম-৪ এর রাজনৈতিক সমীকরণ
বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগে বাতিল হওয়ার পর আসনটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। আদালতের এই চূড়ান্ত রায়ের পর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত আসলাম চৌধুরীর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ এক প্রকার বন্ধ। অন্যদিকে চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসন নিয়েও চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ফটিকছড়ি আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সরোয়ার আলমগীর ঋণখেলাপি মামলার কারণে এখনো শপথ গ্রহণ করতে পারেননি। আগামী ৯ জুলাই তার মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। 

আদালতের রায় আসলাম চৌধুরীর বিপক্ষে গেছে। এখন রায়ের অপেক্ষায় আছেন সরোয়ার আলমগীর। আসলাম চৌধুরীর শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ হওয়ার পর সাধারণ ভোটার এবং কর্মী-সমর্থকদের মাঝেও দেখা দিয়েছে নানা শঙ্কা। আবার কেউ কেউ আশাবাদী। 

আসলাম চৌধুরীর মামলার রায়ের পর জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী ব্যারিস্টার শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কমনসেন্সে বলে যিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করা উচিত। এখন আদালত কী বলেন তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’

দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা তথা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, এই আসনে উপনির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইনি ও সাংবিধানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী যেহেতু আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনেই তিনি ঋণখেলাপি ছিলেন এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সেই মনোনয়ন বা প্রার্থিতাই চূড়ান্তভাবে বাতিল করে দিয়েছেন। তবে এর মানে এই নয় যে দ্বিতীয় স্থানে থাকা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকীকে সরাসরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ এবং বাংলাদেশের নির্বাচনি আইন অনুযায়ী কোনো আসনে বিজয়ী প্রার্থীর প্রার্থিতা যদি শুরু থেকেই অবৈধ বা অযোগ্য ঘোষিত হয়, তবে সাধারণত নির্বাচন কমিশন ওই আসনটিকে ‘শূন্য’ ঘোষণা করে নতুন তফসিল জারি করে উপনির্বাচনের আয়োজন করে। ভোটারদের ভোটাধিকার পুনঃপ্রয়োগের সুযোগ দেওয়াটাই এখানে গণতান্ত্রিক ও আইনি রেওয়াজ। প্রায় একই ধরনের একটি জটিলতা তৈরি হয়েছিল ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে। চট্টগ্রাম-৪ আসনের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তা অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ।

সে সময় ওই আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের মেজর (অব.) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বিজয়ী হয়েছিলেন। নির্বাচনের পর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ আদালতের শরণাপন্ন হন। ওই মামলার অভিযোগে বলা হয়, মেজর (অব.) জসিম উদ্দিনকে ২০০৪ সালের ৩১ আগস্ট সেনাবাহিনী থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ও নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়ার পাঁচ বছর পার না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্য হন না।
উচ্চ আদালত এবং পরবর্তীতে ২০০৯ সালের অক্টোবরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ জসিম উদ্দিনের প্রার্থিতাকে শুরু থেকেই ‘অবৈধ ও অযোগ্য’ হিসেবে রায় দেন। যে কারণে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান এবং ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করলেও দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিএনপির মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে সরাসরি বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি। আইন অনুযায়ী আসনটি শূন্য করে ২০১০ সালের এপ্রিলে সেখানে উপনির্বাচন দেওয়া হয়। ওই আসনে তখন আওয়ামী লীগের নতুন প্রার্থী নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন বিজয়ী হন। সীতাকুণ্ড আসনেও উপনির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। 

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন পাওয়ার প্রক্রিয়াটি ছিল চরম নাটকীয়তায় ভরা। ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে বিএনপি শুরুতে তাকে মনোনয়ন দেয়নি। তখন মনোনয়ন পান বিএনপির আরেক প্রভাবশালী নেতা কাজী সালাউদ্দিন। কিন্তু পরে আসলাম চৌধুরীর সমর্থক ও কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল, চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধসহ রাজনৈতিক চাপের মুখে কাজী সালাউদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। নতুন করে মনোনয়ন দেওয়া হয় আসলাম চৌধুরীকে। একদম শেষ মুহূর্তে আদালতের আদেশে শর্ত সাপেক্ষ বৈধতা নিয়ে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন এবং সীতাকুণ্ডের মানুষ তার প্রতি আস্থা রেখে বিপুল ভোটে তাকে জয়ী করেন। কিন্তু ঋণখেলাপির দায় থেকে মুক্ত হতে না পারায় তিনি শপথ নিতে পারেননি। এতে সীতাকুণ্ডের জনগণও হতাশ। একই সঙ্গে এটি তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের জন্যও একটি বড় নৈতিক পরাজয়।

আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ের পর গত মঙ্গলবার সীতাকুণ্ডের ছোট দারোগারহাট এলাকায় আসলাম চৌধুরীর সমর্থকরা মহাসড়কের ধারের গাছ কেটে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে এভাবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা এবং দেশের প্রধান লাইফলাইন খ্যাত মহাসড়কে তীব্র যান চলাচল বিঘ্নিত করার ঘটনা জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এ ঘটনায় অবশ্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ মামলা করেছে। দুজন আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছে। তাতে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়, আদালতের রায়ের প্রতি দলের হাইকমান্ডের সম্মান রয়েছে।

পরে অবশ্য আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন আসলাম চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের গাছ কেটে বিক্ষোভকারীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে বোঝা যায় আদালত সম্পূর্ণ স্বাধীন। পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তিনি করণীয় নির্ধারণ করবেন। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও বলেছে পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সম্পাদক অ্যাডভোকেট আকতার কবির চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, রাষ্ট্রীয় আইনে ঋণখেলাপি নির্বাচন করতে পারবেন না। তবুও আসলাম চৌধুরী আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। আদালতের রায় মেনে নিতে হবে। যারা তার পক্ষে জনদুর্ভোগ তৈরির কাজ করেছেন তার দায় তাকেই নিতে হবে। যারা কষ্ট পেয়েছেন তারা সবাই তার মতোই নাগরিক। এটা ঠিক যে, অনেক সময় সাধারণ মানুষ বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে প্রতিবাদ করেন। কিন্তু একজন ঋণখেলাপির মনোনয়ন বাতিল হয়েছে এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ কখনোই প্রতিবাদ করবেন না। যারা কাজটি করেছেন তারা তার অনুসারী। বাস্তবতা হলো এটা অপরাধ। ঋণখেলাপি সংসদে কেন যাবেন। তিনি আগে তার ঋণ পরিশোধ করুন। এই রায় ঋণখেলাপিদের হতাশ করবে। দৃষ্টান্তমূলক এই রায়ের জন্য তিনি আদালতকে সাধুবাদ জানান।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম-৪ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না করার নির্দেশ দেন। সেই আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী আপিল করেন। তার অভিযোগ ছিল, ঋণখেলাপি হওয়ায় আসলাম চৌধুরীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আইনগত সুযোগ ছিল না। পরে ১৫ জুন রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয় এবং মঙ্গলবার আপিল বিভাগ চূড়ান্ত রায়ে তার প্রার্থিতা বাতিল করেন।

শরীয়তপুরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
শরীয়তপুরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরের জাজিরায় ঝটিকা মিছিল করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৩ জুলাই) একটি মিছিলের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে দুপুরে উপজেলার কাজিরহাট এলাকার শরীয়তপুর-ঢাকা সড়কে মিছিলটি হয়।

ভিডিওতে দেখা যায় ৩০-৫০ জন নেতাকর্মী অংশ এ মিছিলে অংশ নেন। মিছিল থেকে তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন এবং আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এ সময় শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা ও শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেনের নামে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

ভিডিওটি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের আত্মগোপনে থাকা কয়েকজন নেতাকর্মী ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা হয়। পরে ছাত্রলীগের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজেও ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমদ বলেন, আমরা ইতমধ্যে মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। এটি কোন স্থানে হয়েছে সেটি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বিধান মজুমদার/এএফ