চুয়াডাঙ্গা ও নোয়াখালীতে পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার শাখারিয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। অন্যদিকে একই দিনে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নানাবাড়ির পুকুরে ডুবে সুরাইয়া আক্তার (৯) নামে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গায় নিহত দুজন সম্পর্কে চাচাতো বোন। ওই দিন দুপুরে স্থানীয় নিজাম উদ্দিনের পুকুর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা হলো জীবননগর উপজেলার আরশাফুল হকের মেয়ে তাবাসসুম (১০) ও একই এলাকার রাজু আহম্মেদের মেয়ে রিতু খাতুন (৮)।
স্থানীয় গ্রামপুলিশ মিলন মোল্লা বলেন, ‘দুপুরে হঠাৎ করে দুই চাচাতো বোনকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ সময় স্থানীয়রা পুকুরে স্যান্ডেল ভাসতে দেখে তল্লাশি চালিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে। জীবননগর থানার পুলিশের পরিদর্শক এস এম জাবিদ হাসান বলেন, ‘পানিতে ঢুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে সংবাদ পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মারা যাওয়া সুরাইয়া আক্তার একই ইউনিয়নের ফজলুল হক মাঝি বাড়ির আব্দুল সুমনের মেয়ে। সে স্থানীয় নূরানি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাড়ির অন্য শিশুদের সঙ্গে সাঁতার কাটার সময় পানিতে ডুবে যায় সুরাইয়া। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে সঙ্গে থাকা শিশুদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে জাল ফেলে তাকে উদ্ধার করে। পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুরাইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুরাইয়ার নানা সুলতান আহমদ সওদাগর খবরের কাগজকে বলেন, ‘সুরাইয়া আমার মেয়ের প্রথম সন্তান। পাঁচ দিন আগে আমার মেয়েসহ বেড়াতে এসেছিল। কিন্তু পুকুরের পানিতে সাঁতার কাটতে গিয়ে সব শেষ হয়ে গেল।’