রাঙামাটির সাজেকে দুই দিন ধরে আটকা পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে আজ আরও ৩১১ জন গন্তব্যে ফিরে গেছেন। এর আগে গতকাল ফিরেন ১৫০ পর্যটক। তবে আরও একশ জন পর্যটক এখনও সাজেক আটকা রয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারাও গন্তব্যে ফিরে যাবেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল নয়টায় ফিরেছেন সেনাবাহিনীর প্রথম স্কটেই পর্যটকরা সাজেক থেকে বের হয়ে নিরাপদে বাঘাইহাট অতিক্রম করেন আটকে থাকা এ সব পর্যটক।
মূলত সাজেক-খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সড়কের মাচালং, সীমানাছড়া, বাঘাইহাট বাজার ও কবাখালী এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে পর্যটকরা সাজেকে আটকা পড়েন।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে পর্যটকদের নিয়ে আসার কার্যক্রম শুরু করে বাঘাইহাট সেনা জোন। সেনাবাহিনীর স্কট দিয়ে মোটরবাইক, অটোরিকশা ও থ্রি হুইলারের (মাহেন্দ্রা) সাহায্যে পর্যটকদের সাজেক থেকে নিয়ে আসে। পথে মাচালং, সীমানাছড়া ও বাঘাইহাট বাজারে পৃথকভাবে নৌকা ও ভেলায় করে পর্যটকদের পার করে। বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত দেড়শো জন পর্যটককে নিয়ে আসতে সক্ষম হয় বাঘাইহাট জোন।
এর আগে বৈরী আবহাওয়ায় নিরাপত্তা বিবেচনায় গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যেই সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে আটকা পড়েন ৫৬১ জন পর্যটক।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমেনা মারজান খবরের কাগজকে বলেন, সাজেকে আটকা পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে সেনাবাহিনীর সহায়তায় দুই দফায় ৪৬১ জনকে সরিয়ে আনা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাকি পর্যটকদেরও সরিয়ে আনা হবে।
জিয়াউর রহমান/থিওটোনিয়াস/