ঢাকা ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী পল্লী বিদ্যুৎ- এ নিয়োগ, এসএসসি পাসেই নেবে ১,৪৬০ জন পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না শেখ মুজিবের, তাই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি: স্পিকার রাজশাহীর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও স্মার্ট ব্যাংকিংয়ে কাজ করবে পূবালী ব্যাংক: ভূমিমন্ত্রী বন্যার কারণে ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের সব এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত টেকনাফে ১০০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে গেল হাতি, চিকিৎসা দিচ্ছে বনবিভাগ গোপালগঞ্জের নগর ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাংসদ ডা. কে এম বাবর তেঁতুলিয়া সীমান্তে ১৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, ব্যর্থ বিএসএফ পতেঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, পাশে থাকার আশ্বাস মেয়রের বৃষ্টিভেজা আনন্দনগর ঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও সেন্ট মার্টিনে পৌঁছাল ১৫৯ যাত্রী টানা বৃষ্টিতে শালিখায় কালভার্ট ধস, দুর্ভোগে এলাকাবাসী ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ১০ হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২০০ বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্যিক করিডর: সম্ভাবনা ও বাস্তবতা বন্যায় বিপর্যস্ত বাঁশখালী, ত্রাণের অপেক্ষায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ কাস্টমার সার্ভিসে সোশ্যাল হওয়ার ৫টি কারণ মঞ্চে অভিষেক হলো মেহেরান তিথির আইএমওর বীরত্ব পুরস্কার পাচ্ছেন ক্যাপ্টেন আসিফ মাদারীপুরে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ, দীর্ঘমেয়াদি বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস কল্যাণমূলক রাষ্ট্র তৈরিতে উন্নয়ন সক্ষমতা জরুরি শ্বশুরবাড়ির পাশের ডোবায় যুবকের মরদেহ চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও গ্রামে অবনতি পটিয়ায় বন্যা, ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইংল্যান্ডের হয়েও খেলতে পারতেন হালান্ড, এখন তিনিই প্রতিপক্ষ সাঙ্গু থেকে লোকালয়ে ঢুকছে পানি, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৩ কোটি টাকার মোবাইলফোনের ডিসপ্লে জব্দ বন্যাদুর্গত ফটিকছড়িতে ত্রাণ সহায়তা শক্তিশালী হয়ে ফিরবেন লামেন্স: কোর্তোয়া

বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও, সড়ক যোগাযোগ এখনও ব্যাহত

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও, সড়ক যোগাযোগ এখনও ব্যাহত
ছবি: খবরের কাগজ

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণের পর বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল থেকে পানি কমে গেলেও উন্নতি হয়নি যোগাযোগ ব্যবস্থার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাঘাটা, কাসেমপাড়া, মেম্বারপাড়া, ইসলামপুর, বনরূপাপাড়া, হাফেজঘোনা, বাসস্টেশন এলাকা, ক্যাচিংঘাটা, নোয়াপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দুপুর পর্যন্ত ৩ ফুট পানি কমে গেছে। তবে এখনও জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরি ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ফলে নৌ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

এ দিকে বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়ক গত দুই দিন বিচ্ছিন্ন থাকলেও, সকাল থেকে পানি কিছুটা কমে যাওয়ায় অল্প সংখ্যাক ছোট যানবাহন চলাচল করছে। তবে রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

এ ছাড়াও জেলার ৭টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়ে ও সড়কে পাহাড় ধসে অনেক উপজেলার সড়কে যান চলাচল এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে বাড়ছে নিত্য পণ্যের দাম। উপজেলায় বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

অন্য দিকে জেলার লামা-আলীকদম সড়কের শীবাতলী, রেপারপাড়া, পশ্চিম শীলের তুয়া এলাকায় সড়কের উপর পানি থাকায় সড়ক যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন আছে।

আলীকদমের বাসিন্দা সুজন চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, বন্যায় প্লাবিত হওয়ার কারনে গত ৩দিন ধরে লামা-আলীকদমের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ এখনও স্বাভাবিক হয়নি।

গত কয়েকদিন ধরে টানা প্রবল বৃষ্টিপাতের কারনে জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে বন্যা ও পাহাড় ধসের আশংকায় স্থানীয়দের নিরাপদে আশ্রয় নিতে জেলার ৭টি উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ২ হাজার ১৭৩ জন এবং বেসরকারি হিসাবে অন্তত ৭ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

এ ছাড়াও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় এবং পর্যটক নিরাপত্তা নিশ্চিতে আগামী ১২ জুলাই (রবিবার) পর্যন্ত ভ্রমণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

বান্দরবান পৌরসভার প্রশাসক এস. এম. মনজুরুল হক জানান, আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের শুকনো খাবারের পাশাপাশি রান্নাকরা খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, মশার কয়েল প্রদান করা হচ্ছে।

রিজভী রাহাত/থিওটোনিয়াস/

টেকনাফে ১০০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে গেল হাতি, চিকিৎসা দিচ্ছে বনবিভাগ

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
টেকনাফে ১০০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে গেল হাতি, চিকিৎসা দিচ্ছে বনবিভাগ
আহত বন্য হাতি। ছবি: খবরের কাগজ

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে টেকনাফে প্রায় ১০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পা পিছলে সমতলে পড়ে গিয়ে একটি বন্য নারী হাতি গুরুতর আহত হয়েছে। হাতিটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রেখেছে বনবিভাগ।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের নাইট্যংপাড়া শিয়াল্লাঘোনা পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয়দের মতে, আহত হাতিটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ ফুট এবং উচ্চতা প্রায় ১০ ফুট। হাতিটিকে দেখতে ঘটনাস্থলে অনেক মানুষ ভিড় করেছেন।

স্থানীয় বনবিভাগের সদর বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. উল্লাহ বলেন, পাহাড়ে কাজ করার সময় আমরা নারী হাতিটিকে সব সময় নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় দেখতে পেতাম। হাতিটি খুব শান্ত স্বভাবের ও শক্তিশালী ছিল।

তিনি জানান, শনিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ খবর পাই, বনবিভাগের উত্তরের পাহাড়ের কয়েকশ ফুট ওপর থেকে পাহাড়ের মাটি ধসে হাতিটি নিচে পড়ে গেছে। এতে হাতিটির পেছনের দুই পা অচল হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীরভাবে কেটে যায়।

টেকনাফ বনবিভাগের কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ জানান, হাতিটিকে প্রায়ই টেকনাফ বনবিভাগের পেছনের পাহাড় ও দমদমিয়া পাহাড়ি এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যেত। শনিবার দুপুরে ভারী বৃষ্টির কারণে পা পিছলে হাতিটি পড়ে যায়। এতে হাতিটি তার পেছনের দুই পা নড়াচড়া করতে পারছে না। এ ছাড়া হাতিটির পেটে লম্বাভাবে কেটে যাওয়ার দুটি চিহ্ন দেখা গেছে। বনবিভাগের পক্ষ থেকে হাতিটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিয়োজিত বনকর্মীরা হাতিটির চিকিৎসা ও নিরাপত্তার জন্য কাজ করছেন।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মো. অনীক চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি জানান, বনবিভাগের তথ্য অনুযায়ী একটি নারী বন্য হাতি প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে। হাতিটিকে ঘটনাস্থলেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দুলাহাজারা সাফারি পার্ক থেকে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। ঘটনাস্থলটি সংকীর্ণ হওয়ায় হাতিটিকে সরানো সম্ভব নয়। তাই সেখানে অস্থায়ীভাবে পলিথিনের ছাউনি তৈরি করে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

শাহীন/নাঈম

গোপালগঞ্জের নগর ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাংসদ ডা. কে এম বাবর

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
গোপালগঞ্জের নগর ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাংসদ ডা. কে এম বাবর
ছবি: সংগৃহীত

টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শনে গিয়ে গোপালগঞ্জের অবকাঠামোগত দুর্বলতার কথা তুলে ধরেছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য কে এম বাবর।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, গোপালগঞ্জ একটি অপরিকল্পিত শহর; এখানে পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও মানসম্মত সড়ক না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

সংসদ সদস্য কে এম বাবার বলেন, আগামীতে আমাদের যে বাজেট আসবে সেই বাজেট দিয়ে কাজ করা হবে। আমরা চাই একটি পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলতে। 

জলাবদ্ধতা কমাতে খালে জমে থাকা আবর্জনার দ্রুত পরিষ্কার করা হবে। বিগত সরকারের আমলে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ আসলেও তার সঠিক ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। তিনি দ্রুত এসব বাঁধ অপসারণ এবং খাল পরিষ্কারের উদ্যোগ নিতে পৌরসভার সচিবকে নির্দেশ দেন এবং এক দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব দেন।

এর আগে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গোপালগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে যান সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় স্থানীয় অবকাঠামোর দুরবস্থার বিষয়টিও তুলে ধরেন বাসিন্দারা। কোথাও ড্রেন থাকলেও রাস্তা নেই, আবার কোথাও রাস্তা থাকলেও ড্রেন নেই। এছাড়া অনেক সড়ক এখনো মাটির কাঁচা অথবা ইটের তৈরি হওয়ায় সামান্য কৃষ্টিতে সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এসময় তারা সাথে নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

বাদল সাহা/এসএন

তেঁতুলিয়া সীমান্তে ১৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, ব্যর্থ বিএসএফ

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
তেঁতুলিয়া সীমান্তে ১৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, ব্যর্থ বিএসএফ
ছবি: খবরের কাগজ

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার মাঝিপাড়া সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। তবে বিজিবির বাধার মুখে তাদের আবার ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের তেঁতুলিয়ার শালবাহান ইউনিয়নের মাঝিপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্তের মেইন পিলার ৪৩৪ এর ৫ নম্বর সাব পিলার এলাকা দিয়ে পুশইনের চেষ্টার ঘটনা ঘটে।

বিজিবির ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাঝিপাড়া সীমান্তের ভারতের অভ্যন্তরে নয়াবাড়ি বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা শনিবার ভোরে শিশুসহ মোট ১৩ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবির টহলদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুশইনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করে। বিজিবির অবস্থানের মুখে তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফ। তবে স্থানীয়দের দাবি বিজিবির টহল যেন আরও জোরদার করা হয়। 

পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিরা ভারতের অভ্যন্তরে ছিল। দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদের তৎপরতায় তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে সীমান্তের শূন্যরেখায় কোনো ব্যক্তির অবস্থান বা চলাচল নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুরো এলাকায় বিজিবির নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

রনি মিয়াজী/রিফাত/ 

পতেঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, পাশে থাকার আশ্বাস মেয়রের

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
পতেঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, পাশে থাকার আশ্বাস মেয়রের
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম মহানগরীর ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের কারণে পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে তিনি পানিবন্দী পরিবারগুলোর মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় মেয়র স্থানীয় বাসিন্দাদের খোঁজখবর নেন, তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

ত্রাণ বিতরণকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “দুর্যোগের এই সময়ে কোনো নাগরিককে একা রাখা হবে না। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সবসময় নগরবাসীর পাশে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নিয়মিত তদারকি, প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করা এবং জলাবদ্ধতা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ কমাতে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এসএন/

ঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও সেন্ট মার্টিনে পৌঁছাল ১৫৯ যাত্রী

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
ঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও সেন্ট মার্টিনে পৌঁছাল ১৫৯ যাত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে টেকনাফ থেকে ছেড়ে যাওয়া তিনটি সার্ভিস ট্রলার নিরাপদে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পৌঁছেছে। ট্রলারগুলোতে মোট ১৫৯ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে পুরুষ ৮০ জন, নারী ৪০ জন এবং শিশু ৩৯ জন। যাত্রীদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও নিরাপদে দ্বীপে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই০ সকাল ১১ টায় টেকনাফ পৌরসভা কায়ুকখালী সার্ভিস ট্রলার ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্য তিনটি সার্ভিস ট্রলার ১৫৯ জন যাত্রী নিয়ে রওনা করেন। পরবর্তীতে বিকাল ২টায় সেন্টমার্টিন জেটিঘাটে নিরাপদে পৌঁছেন।

সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে জারি করা সতর্কসংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সেন্টমার্টিন বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত ১ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টিপাত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ- সেন্টমার্টিন নৌপথে যাত্রীবাহী সার্ভিস ট্রলারের চলাচল বন্ধ ছিল। টানা ১০ দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার সকাল ১১টায় টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী বোটঘাট থেকে ৩টি যাত্রীবাহী সার্ভিস ট্রলার সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।‌ ট্রলারগুলোতে ১৫৯ জন যাত্রীর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী ও পরিবহন করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টার নৌযাত্রা শেষে ট্রলারগুলো নিরাপদে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পৌঁছায়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, শনিবার সকালে তিনটি যাত্রীবাহী ট্রলারে করে তিনি নিজেও টেকনাফে আটকে পড়া যাত্রীদের সঙ্গে নিরাপদে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পৌঁছেছেন।

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেন্টমার্টিনের জন্য ৫টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দ্বীপের ৩০০ পরিবারের মধ্যে বিতরণের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মো. অনীক চৌধুরী জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে ট্রলার চলাচল বন্ধ ছিল। তবে শনিবার সকালে ৩টি যাত্রীবাহী ট্রলার নিরাপদে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পৌঁছেছে। এসব ট্রলারে টেকনাফে আটকে থাকা যাত্রীরা নিজ গন্তব্যে ফিরেছেন।

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেন্টমার্টিনের জন্য ৫ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার ৩ টন চাল পাঠানো হয়েছে এবং বাকি ২ টন রবিবার পাঠানো হবে। এছাড়া দ্বীপের ৩০০ পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও পাঠানো হয়েছে।

মোঃ শাহীন/এসএন