মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় জেলাজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা কেটে গেছে।
রবিবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে জেলার মনু নদ, কুশিয়ারা, ধলাই ও জুড়ি নদীর পানি আগের চেয়ে অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, নতুন করে অতি ভারী বৃষ্টিপাত না হলে নদ-নদীর পানি পুনরায় বাড়ার সম্ভাবনা নেই।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, জেলার সবকটি নদ-নদীর পানি শনিবার (১১ জুলাই) বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও রবিবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্যমতে, ১২ জুলাই দুপুর ৩টায় মনু নদের চাঁদনীঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার, রেলওয়ে ব্রিজে ৩০৫ সেন্টিমিটার, ধলাই নদীর রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে ৩১৪ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার এবং জুড়ী নদীর পানি ৩৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ইতোমধ্যে এক হাজার ৭৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার, ৯০ মেট্রিক টন চাল এবং ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবারও বিতরণ করা হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, ’জেলার প্রধান নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। উজানে নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাত না হলে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি হবে। বন্যার পানি নেমে যাবে।’
জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল জানান, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।
পুলক পুরকায়স্থ/খাদিজা রুমি/