বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির (আরটিএ) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।
জনস্বার্থে করা এই রিটে বলা হয়েছে, চুক্তিটি সুস্পষ্টভাবে অযৌক্তিক এবং কাঠামোগতভাবে অসম। এটি কেবল বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থেরই পরিপন্থী নয়, বরং সাধারণ মানুষের জন্যও ক্ষতিকর।
রিটে উল্লেখ করা হয়, বৃহত্তর জনস্বার্থ রক্ষায় বিচারিক হস্তক্ষেপের দাবিতে এই রিট করা হয়েছে। রিটে অভিযোগ করা হয়, এই চুক্তির আলোচনা ও সম্পাদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব এবং জনকল্যাণ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মাইদুল ইসলাম পলক এই রিট করেন। তারপক্ষে আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস গতকাল সোমবার রিটটি আদালতে উপস্থাপন করেন। এতে পররাষ্ট্র সচিব, অর্থসচিব ও বাণিজ্য সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
আদালত থেকে বের হওয়ার পর রিটকারীর আইনজীবী বলেন, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ওপর অসম দায়বদ্ধতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রতিকূল শুল্ক ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বায়ত্তশাসন খর্ব হওয়া এবং দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশগত সুরক্ষার ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
আইনজীব জানান, সংবিধান অনুযায়ী আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এই চুক্তির ক্ষেত্রে তা সঠিকভাবে মানা হয়নি। ফলে এর সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।