চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
তিনি উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ সিটি করপোরেশন-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আব্দুর রাফিউল আলম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চসিক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমের বিরুদ্ধে নগর পুলিশের আকবর শাহ থানার জিআর মামলা নম্বর ২৫ (০১) ২৩-এর চার্জশিট আদালত কর্তৃক গৃহীত হওয়ায় তাকে স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন ২০০৯-এর ধারা ১২ (১) অনুযায়ী স্বীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।
জানা যায়, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের গাড়িতে ঢিল ছোড়া ও হুমকি দেওয়ার মামলায় অভিযোগপত্রে ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহরুল আলমকে ১ নম্বর আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। মামলার অভিযোগপত্র আদালতে গৃহীত হয়েছে।
গত বছরের ২৬ জানুয়ারি বেলার প্রধান নির্বাহী রিজওয়ানা হাসানের নেতৃত্বে বেলার একটি প্রতিনিধি দল আকবর শাহ থানা এলাকায় পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শনে গেলে কাউন্সিলর জহুরুল ও তার সহযোগীদের মারমুখী আচরণের শিকার হন। এ ঘটনায় রিজওয়ানা হাসান আটজনের বিরুদ্ধে আকবর শাহ থানায় মামলা করেন।
পুলিশ গত বছরের ১২ জুন ছয়জনকে আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র দেয়। অভিযোগপত্রে কাউন্সিলর জহুরুলকে ১ নম্বর আসামি করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন- জহুরুলের সহযোগী বিল্লাল হোসেন, আবু নোমান, সাইফুদ্দিন ভূঁইয়া, আনিছ চৌধুরী ও মো. শাকিল। তাদের মধ্যে নোমান ছাড়া অন্যরা জামিনে আছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন আকবর শাহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহেদ উল্লাহ জামান।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পাহাড় কাটা এলাকা পরিদর্শনে গেলে কাউন্সিলর জহুরুল আলমের নেতৃত্বে আসামিরা বেলার প্রধান নির্বাহীসহ প্রতিনিধিদলকে বাধা দেয়, গাড়ি আটকে রাখে ও বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। পরে আটকে রাখা সেই গাড়ি পুলিশ গিয়ে ছাড়িয়ে নেয়।
মনির/সাদিয়া নাহার/অমিয়/