ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্যারাগুয়ে ম্যাচে নেই ফরাসি তারকা চুয়ামেনি স্বৈরাচারী পথেই বর্তমান সরকার, বড় ধরনের পরিবর্তন আসন্ন: জিএম কাদের কৃষক কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী ধামরাইয়ে বিদ্যুৎসংকটেও বাড়তি বিল! দিশেহারা গ্রাহক সরকার মানবসম্পদ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আখাউড়ার যুবক নিহত স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ম্যাচে ইংল্যান্ড দলে ভায়াগ্রা ব্যবহারের অনুমতি চকবাজারে আশিক টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট কেপ ভার্দে ফুটবলারদের সঙ্গে ছবি তুলে মেসির দুষ্টুমি দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতরা রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন পাবে’ সোনারগাঁয় আসামি ধরতে গিয়ে ৩ পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম জাবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের ‘র‌্যাগিং’, জড়িতদের দায় স্বীকার সৌদি আরবে হামলার হুমকি হুথিদের কক্সবাজারে হাম উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ২০ ফ্রান্সের জার্সিতে কেন থাকে মোরগের প্রতীক? আনোয়ারায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মরদেহ উদ্ধার রজতজয়ন্তীতে গ্রাহকদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের আকর্ষণীয় অফার জীবননগরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ভ্যানচালকের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে রাতভর পুশইনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ বিএসএফ খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য খুলে দেওয়া হলো ৫০০০ স্কুল জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক থেকে টাকা তুললেন? প্রতারকদের সুযোগ দেবেন না প্যারাগুয়ে ম্যাচের আগে সতর্ক ফ্রান্স কোচ দেশম, বড় বাধা তীব্র গরম শাহজাদপুরে বিদ্যালয়ে মদ্যপান করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজ জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে জইশ-ই-মোহাম্মদের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার নরওয়ে ম্যাচে রাফিনহাকে পাচ্ছে না ব্রাজিল

পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে কেএনএফ-শান্তি কমিটির বৈঠক

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৪, ০৯:২৮ এএম
পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে কেএনএফ-শান্তি কমিটির বৈঠক
ছবি: খবরের কাগজ

পাহাড়ের শান্তি ফিরিয়ে আনতে দ্বিতীয়বারের মতো কুকি-চীন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সঙ্গে সশরীরে বৈঠক করেছে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি। মঙ্গলবার ( ৫ মার্চ) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বান্দরবানের রুমা উপজেলার বেথেলপাড়া কমিউনিটি সেন্টার হল রুমে কেক কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই বৈঠক। এ সময় ওই এলাকার নিরাপত্তা জোড়দার করা হয়। 

মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক সেনা সদস্য, বিজিবি ও পুলিশ। প্রায় ৩ ঘণ্টা দুই পক্ষের মধ্যে বৈঠকটি চলে। বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির আহ্বায়ক ও বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা'র নেতৃত্বে ১৩ জন সদস্য এবং কেএনএফের সাধারণ সম্পাদক লালজংময়ের নেতৃত্বে আটজন অংশ নেন। 

বৈঠকে অংশ নেওয়া কেএনএফের অন্য সদস্যরা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক লালসাংলম, উপদেষ্টা লালএংলিয়ান, এক্সেকিটিভ মেম্বার পাস্টর ভানলিয়ান বম, গ্রাহাম বম, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য রুয়াললিন বম, সাংপাহ খুমি, আজৌ লুসাই।

বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কেএনএফের বিপথগামী সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লার নেতৃত্বে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতাদের নিয়ে ২০২৩ সালের জুন মাসে ১৮ সদস্যবিশিষ্ট শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন করা হয়। এরপর থেকে সংগঠনটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছে ওই শান্তি কমিটি।
বান্দরবান জেলা পরিষদ ও সভাপতি শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি ক্য শৈ হ্লা বলেন, ‘কেএনএফের দাবি বাস্তবায়ন করে দ্রুত পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে কাজ চলছে।’

কেএনএফ সেন্ট্রাল কমিটি কেএনএফ সাংগঠনিক সম্পাদক লাল জংময় বলেন,  ‘শান্তি কমিটির সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকের আলোচনা সফল ও সন্তোষজনক হয়েছে।’

বৈঠকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম মঞ্জুরুল হক, অতিরিক্ত পলিশ সুপার আব্দুল করিম, শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির মুখপাত্র কাঞ্চনজয় তঞ্চঙ্গ্যা, লালজার লম বম, লাল থাং জেল, লাল ভান তিলিং বম, মনিরুল ইসলাম মনু, উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা, সিঅং খুমী, সিংইয়ং ম্রো, কৃপা ত্রিপুরাসহ পুলিশ, বিজিবি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে দুপক্ষের মধ্যে একাধিকবার ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গত ৫ নভেম্বর প্রথম দফায় সামনাসামনি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর চার মাস পর মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসে।

ধামরাইয়ে বিদ্যুৎসংকটেও বাড়তি বিল! দিশেহারা গ্রাহক

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
ধামরাইয়ে বিদ্যুৎসংকটেও বাড়তি বিল! দিশেহারা গ্রাহক
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার ধামরাইয়ে বিদ্যুৎসংকটের কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে, এর পরও বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের চাপে দিশেহারা সাধারণ গ্রাহকরা। তারা বলছেন গত মাসের চেয়ে বিল বেশি এসেছে।

অনেকে মনে করছেন, ‘জুন ক্লোজিংয়ের কারণে এমন বিল এসেছে’! আবার অনেকে ‘পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে’ বলেও মনে করছেন।

গত কয়েক দিন ধরে ভুক্তভুগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয় নিয়ে সমালোচনার ঝড় তুলছেন। পাশাপাশি প্রতিবাদও জানাচ্ছেন। 

প্রচণ্ড গরমে শুধু বয়স্ক লোকজনই নয়, কোমলমতি শিক্ষার্থী বিশেষ করে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়েছে চরম বিপাকে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সাধারণ জনজীবনও পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

একদিকে বিদ্যুৎসংকট, অপরদিকে বেশি বিল, এ ভোগান্তি নিয়ে মোখলেছুর রহমান নামে ধামরাইয়ের এক বাসিন্দা ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টকে কেন্দ্র করে সাধারণ গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। কমেন্টে সাধারণ গ্রাহকেরা তাদের নিজেদের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে নানা মন্তব্য করতে শুরু করেন।

ওয়াসিম আকরাম রানা নামে এক গ্রাহক লিখেছেন, ‘গত মে মাসে বিল এসেছে মাত্র ৮০০ টাকা আর জুন মাসে এসেছে ১৯০০ টাকা। প্রায় দ্বিগুণ এর চেয়েও বিল বেশি এসেছে। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন কি তাহলে বিদ্যুৎ খরচের ইউনিট বেশি লিখেছেন নাকি অন্য কোন কারণ রয়েছে।’

বিপ্লব ঘোষ লিখেছেন, ‘গত মাসে বিদ্যুৎ বিল ছিল ২১ হাজার টাকা আর জুন মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩১ হাজার টাকা। প্রায় ১০ হাজার টাকা বিল বেশি এসেছে। এভাবে বিল বেশি আসতে থাকলে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা বিপাকে পড়বে।’

মো: কাদের নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘আমার ৮০০ টাকার বিল এসেছে ৭০০০ হাজার টাকা। এটি কিভাবে সম্ভব। প্রায় ৭ গুনের বেশি বিল এসেছে।  পরিশোধ করা এখন কষ্ট সাধ্য বিষয়।’

শিপু আহমেদ লিখেছেন, ‘৭০০০ হাজার টাকার বিল পরিশোধ করতে হয়েছে ১২০০০ হাজার টাকা। এটি কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। সাধারণ জনগণ বিদ্যুৎ বিলের চাপে এখন দিশেহারা। এটিকে ভূতুরে বিল বললেও ভুল হবে।  এযেন এক ধরনের প্রকাশ্য  ডাকাতি।’

এ ছাড়াও তাসলিমা আক্তার, জুলহাস রাহাত, বোরহান উদ্দিন সহ প্রায় দুই শত মানুষ বিদ্যুৎ বিল নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন। 

সাব্বির হোসেন নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘আমারও বেশি বিল এসেছে। মে-জুন মাস হলো পল্লী বিদ্যুতের ডাকাতির মাস। জুন ক্লোজিং-এর নামে প্রচুর টাকা গড়মিল করে। ফলে গ্রাহকদের ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। এই নিম্নমানের ডিজিটাল মিটার হলো তার হাতিয়ার। কিছু মিটার না চালালেও অটো পালসের মাধ্যমে কিলোওয়াট উঠতেই থাকে। এতে পল্লী বিদ্যুৎ হলো একটি বিষফোঁড়া দূর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান।’

রুহুল আমিন/খাদিজা রুমি/ 

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আখাউড়ার যুবক নিহত

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আখাউড়ার যুবক নিহত
নিহত যুবক। ছবি: খবরের কাগজ

সৌদি আরবের মক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার এক প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ছয় বছর আগে সৌদি আরবে যান হানিফ। মক্কার একটি হাসপাতালে ক্লিনারের কাজ করতেন। কয়েক দিন আগে তার দাদি মারা যাওয়ার পর তার নামে ওমরাহ করতে যান তিনি। ওমরাহ শেষে তিন বাংলাদেশি সহকর্মীর সঙ্গে কর্মস্থলে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

হানিফের চাচা বেলাল হোসেন দীলিপ বলেন, 'বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে তাদের গাড়ির সংঘর্ষ হয়। এরপর সবাই গাড়ি থেকে নেমে সড়কে দাঁড়ালে পেছন দিক থেকে আসা আরেকটি গাড়ি তাদের দিকে ধেয়ে আসে। তিনজন সড়কের আইল্যান্ডে উঠে প্রাণে বাঁচলেও হানিফ ঘটনাস্থলেই মারা যান।'

হানিফের চাচা আরও বলেন, দুর্ঘটনার ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যেই আমরা মৃত্যুর খবর পাই। এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে হানিফ ছিলেন বড়। এক মাস পর দেশে ফিরে তার বিয়ে করার কথা ছিল। এ জন্য পরিবারের সদস্যরা পাত্রীও দেখছিলেন। কিন্তু সেই অপেক্ষা এখন পরিণত হয়েছে গভীর শোকে।

হানিফের স্বজনরা জানান, তার কর্মস্থলের সুপারভাইজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এখন সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ সবার সহযোগিতায় মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

জুটন বনিক/তামান্না রুপা/

দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা
দিনাজপুর বিভাগীয় পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনামূলক কর্মশালার বক্তব্য রাখছেন প্রধান অতিথি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার রোধে বিভাগীয় পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্মসচিব) আ ন ম নাজিম উদ্দিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, দিনাজপুরের অতিরিক্ত পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি প্রমুখ।

কর্মশালায় দিনাজপুর জেলার হোটেল মালিক সমিতির সদস্য, বেকারি মালিক, শিক্ষক, মাছ ও মাংস ব্যবসায়ী, খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও পরিবেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এটি সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের কথা গুরুত্ব দিয়ে অনুসরণ করে। তাই শিক্ষকেরা যদি নিয়মিত নিরাপদ খাদ্য, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস এবং ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করেন, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও সচেতন হয়ে উঠবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে খাদ্যে ভেজাল, বিষাক্ত রাসায়নিক ও ক্ষতিকর উপাদান মেশানোর প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এর ফলে ক্যান্সার, কিডনি, লিভারসহ বিভিন্ন জটিল রোগে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। মানুষের গড় আয়ু ও সুস্থ জীবনযাপনও হুমকির মুখে পড়ছে। তাই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইন প্রয়োগেরও বিকল্প নেই।

জেলা প্রশাসক বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী, উৎপাদক, বিক্রেতা এবং ভোক্তা সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে পরিবেশন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে চলতে হবে।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং খাদ্য সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ভোক্তাদেরও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। জনসচেতনতা বাড়লেই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অনেক সহজ হবে।

সুলতান মাহমুদ/তামান্না রুপা/

সোনারগাঁয় আসামি ধরতে গিয়ে ৩ পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১ পিএম
সোনারগাঁয় আসামি ধরতে গিয়ে ৩ পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম
সোনারগাঁওয়ে অভিযানে হামলার পর আহত তিন পুলিশ সদস্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় মোটরসাইকেল ছিনতাই মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্য ও পুলিশের এক সোর্স। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চারজনই আহত হয়েছেন। পরে অভিযানে অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুরুজ্জামান, কনস্টেবল শাহীন, কনস্টেবল মাইনুল এবং পুলিশ সোর্স মাসুম মিয়া। আহত পুলিশ সদস্যরা সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহত মাসুম মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত এসআই সুরুজ্জামান জানান, মোটরসাইকেল ও পিকআপভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত সাগরকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে তিনি দুই কনস্টেবল শাহীন ও মাইনুলকে সঙ্গে নিয়ে সাতভাইয়াপাড়া এলাকায় অভিযানে যান। এ সময় সাগর ও তার ভাই সজল দা দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে তিন পুলিশ সদস্য ও সোর্স মাসুম মিয়াকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ভাই সাগর ও সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ইমরান হোসেন/আজহার/

কক্সবাজারে হাম উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ২০

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
কক্সবাজারে হাম উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ২০
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারে হামের উপসর্গে আরও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে, যার মধ্যে তিনটি রোহিঙ্গা শিশু।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাবের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মারা যাওয়া শিশু আরফান (১৩ মাস) উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা নবী হোছনের ছেলে।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাবের জানান, সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবের শুরুর দিকে কক্সবাজারে সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ছিল। তবে গত এক মাসে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় হামের উপসর্গে মৃত্যুর হার কমে আসে। কিন্তু গত ২১ জুন এক শিশুর মৃত্যুর পর ১৩ দিনের ব্যবধানে আবারও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, গত বুধবার (১ জুলাই) হামের উপসর্গ নিয়ে আরফানকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটি জ্বর, কাশি, খিঁচুনি, নিউমোনিয়া এবং রক্তে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণজনিত জটিলতায় ভুগছিল। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মধ্যরাতের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।’

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত কক্সবাজারে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৬৮ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪ হাজার ১৬৪ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১০৪ জন।

তারেকুর/খাদিজা রুমি/