ঢাকা ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর প্রতিপক্ষ কে? কানাডাকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো ওনাহির গোলে এগিয়ে গেল মরক্কো কানাডা-মরক্কোর কার্ডে ভরা প্রথমার্ধ ছন্দহীন মরক্কোকে বাঁচালেন বুনু, গোলশূন্য প্রথমার্ধ টেন্ডুলকারের রেকর্ড এখন সূর্যবংশীর সালিশের রায়ে ক্ষুব্ধ, দাদাকে গুলি জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী: গণরায় বাস্তবায়নে জামায়াতের গণমিছিল ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা বেঞ্চে কানাডার অধিনায়ক, মরক্কোর একাদশে পরিবর্তন ‘ঘর বাড়ি’ অ্যাপ তৈরি করলেন বেরোবি শিক্ষার্থী লাঠিপেটার ভিডিও ভাইরাল, আলোচনায় ইউপি চেয়ারম্যান তিন দিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে বরগুনায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন সম্পন্ন ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটে জামায়াত-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করল বাংলাদেশ প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহেদ কামালের জীবনাবসান স্মার্টফোনের দাম কমাল টেকনো পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজও বাস্তবায়ন করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু সংকটে ইউরোপের অগ্নিদহন সিঙ্গাপুরসহ তিন দেশে এনআইডি কার্যক্রম চলতি মাসে শুরু অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ‘বাভি’ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ত্যাগের কথা তুলে ধরলেন মির্জা ফখরুল একটি বিকেল, তিনটি প্রাণ, আজীবনের শোক ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, আরও ১৩৯ জন হাসপাতালে ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি কামনা টেইলর সুইফট-ট্রাভিস কেলসি’র রাজকীয় বিয়ে সব বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী থানায় অভিযোগ নিয়ে যা বললেন শাওন কুমিল্লার সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নজর থাকবে: গণপূর্তমন্ত্রী

বিদেশি পোশাক হিসেবে বিক্রি হয় খলিফাপট্টির কাপড়

প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৪, ১০:২৫ এএম
আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৪, ০২:৩৬ পিএম
বিদেশি পোশাক হিসেবে বিক্রি হয় খলিফাপট্টির কাপড়
ব্যস্ত সময় পার করছেন খলিফাপট্টির কারিগররা। খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের দর্জিপাড়াখ্যাত খলিফাপট্টিতে তৈরি হয় লেহেঙ্গা, গাউন, স্কার্ট, থ্রিপিস, পাঞ্জাবিসহ বিভিন্ন ধরনের পোশাক। ঈদ এলে এখানকার কারিগরদের দম ফেলার সময় থাকে না। এখানে তৈরি করা পোশাকগুলো বিদেশি পোশাক হিসেবে বিক্রি হয় বিভিন্ন শপিং সেন্টারে। বলতে গেলে অবিকল নকলের কারখানা খলিফাপট্টি। 

জানা গেছে, খলিফাপট্টিতে ৮৫ শতাংশ লেডিস জামা কাপড়, ১৫ শতাংশ জেন্টসের পোশাক তৈরি হয়। এটি থেকে চট্টগ্রামের কাপড়ের চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ হয়। কারখানাগুলোতে সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার জামাও তৈরি হয়। কাপড়গুলোর দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বেশ ভালো চাহিদা রয়েছে।
 
খলিফাপট্টিতে গিয়ে দেখা গেছে, দিনরাত সেলাই মেশিনের খটখট শব্দে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা। নগরীর সিরাজউদ্দৌলা রোডের সাবেরিয়া বাজারসংলগ্ন খলিফাপট্টিতে সাধারণত রমজান শুরুর দুই সপ্তাহ আগে দর্জিদের ব্যস্ততা শুরু হয়। কারিগরদের যেন দম ফেলার ফুরসত নেই। কেউ কাপড় কাটছেন, কেউ-বা সেলাই করছেন, কেউ আবার সেলাই করা কাপড়ে নানা ধরনের পুঁতি ও লেইস সংযুক্ত করছেন। 

খলিফাপট্টির কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, এখানকার ব্যবসায়ীরা সারা বছর রমজানের ঈদের দিকে তাকিয়ে থাকেন। সারা বছর যত কাজ হয়, তার ৮০ শতাংশ কাজ হয় ঈদকেন্দ্রিক। কারখানাগুলোতে সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার জামাও তৈরি হয়। দেশি ছাড়াও বিদেশি বিভিন্ন বাহারি ডিজাইনের স্যুট, শার্ট, প্যান্ট, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা ও স্কার্ট তৈরি করে থাকেন খলিফাপট্টির ডিজাইন মাস্টাররা।’

খলিফাপট্টির এসএস গার্মেন্টের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ইয়ামিন বলেন, ‘জিনিসপত্রের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এছাড়া উৎপাদন খরচও বেড়েছে। তাই আগের চেয়ে লাভ কমে গেছে।’

নুর ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘গার্মেন্ট শার্ট, থ্রিপিস, ফ্রক, প্যান্ট সব কিছুই আমরা তৈরি করি। নিজেদের কারখানায় তৈরি করা পোশাক পাইকারি বিক্রি করি। আমরাই সবচেয়ে কম দামে ভালো পোশাক বিক্রি করি।’ 

রহমান ফ্যাশনের মালিক আবদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের তৈরি করা পোশাক বিভিন্ন শপিং সেন্টারে বিদেশি পোশাক হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। অথচ আমরা কম লাভে কম দামে পাইকারি বিক্রি করেছি।’ 

রুপনা ফ্যাশনের আবদুল রহিম বলেন, ‘বিশেষ করে রমজানের শেষের দিকে খুচরা দোকানে কাপড়ের টান পড়লে আমাদের এখান থেকে কাপড় নিয়ে যায়। বড় শপিং সেন্টারগুলোতে নেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় আমাদের তৈরি পোশাকের বেশ চাহিদা রয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পাইকারি পণ্য কেনার জন্য আমাদের এখানে আসেন। আমরাও কম দামে বেশি পণ্য বিক্রি করার চেষ্টা করি। ফলে যুগ যুগ ধরে আমাদের এ ব্যবসা টিকে আছে।’ 

খলিফাপট্টির খাজেম আলী বাই লেনের ‘আশা আল্লাহ দোয়েল ফ্যাশনে’র মালিক আবদুর রহিম বলেন, ‘গুণে ও মানে ভালো পোশাক তৈরি হয় খলিফাপট্টিতে।’ 

খলিফাপট্টি বণিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে ২০০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকার কাপড় পাওয়া যায়। এ কাপড়গুলোই বড় শপিং সেন্টারে গেলে বিদেশি কাপড় হয়ে যায়। এমনিতেই আমাদের এখন ভারতীয় পোশাকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে হচ্ছে। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, আমাদের পোশাকের মান ভারতীয় পোশাকের চেয়ে কোনো অংশেই খারাপ না।’ 

তিনি বলেন, ‘এখন জামা কাপড় তৈরির অনেক উপকরণের দাম বেড়েছে। তারপরেও সব মিলিয়ে আমাদের বিক্রি মোটামুটি ভালোই হয়। বর্তমানে খলিফাপট্টিতে ২৫০টি কারখানা এবং ১০০টির মতো শোরুম রয়েছে। বিদেশি জামা কাপড়ের ওপর নির্ভরশীলতাও কমাতে কাজ করছে খলিফাপট্টির ব্যবসায়ীরা।’

১৯৪৭ সালের পর আইয়ুব আলী নামে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের এক ফেরিওয়ালা নিজ গ্রামের কিছু লোকজন এনে খলিফাপট্টিতে কাপড় তৈরির কাজ শুরু করেন। সেই থেকেই শুরু। বর্তমানে খলিফাপট্টিতে প্রায় ২৫০ কারখানা রয়েছে। পুরোনো বেশ কয়েকটি ভবনজুড়ে রয়েছে কারখানাগুলো। প্রায় সব কারখানার শ্রমিক হচ্ছে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার।

সালিশের রায়ে ক্ষুব্ধ, দাদাকে গুলি

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১১:০৫ পিএম
সালিশের রায়ে ক্ষুব্ধ, দাদাকে গুলি
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বৃদ্ধ নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার রশিদপুর গ্রামে পারিবারিক সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে নজরুল ইসলাম (৭০) নামে এক সালিশদারকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তারই নাতি আশিকের বিরুদ্ধে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় জেলার নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের রশিদপুর  গ্রামের হামিদ উল্যাহ পাটওয়ারি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফারুক ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসায় শনিবার সকালে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ফারুকের চাচা নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

সালিশ চলাকালে আয়েশা বেগমের সঙ্গে নজরুল ইসলামের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আয়েশা মোবাইল ফোনে ঢাকায় অবস্থানরত ছেলে আশিককে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় আশিক এলাকায় এসে নজরুল ইসলামের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি নজরুল ইসলামকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। গুলিটি নজরুল ইসলামের বাম হাতের কব্জির ওপর বিদ্ধ হয়। ঘটনার পর থেকেই আশিক পলাতক রয়েছেন।

এদিকে অভিযুক্ত আশিকের বাবা ইসমাইল হোসেন ফারুক বলেন, “আমার ছেলে আশিক আমার চাচাকে গুলি করেছে। সে ঢাকায় ছিল। তার মা তাকে ফোন করে বাড়িতে ডেকে এনেছে। এখন সে আমাকেও গুলি করার হুমকি দিচ্ছে। আমি এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

গুলিবিদ্ধ নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “ভাতিজা ফারুক আমাকে সালিশে ডেকে নিয়েছিল। বৈঠকের একপর্যায়ে ফারুকের স্ত্রী আয়েশা বেগম উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি কারও কথা শুনতে রাজি ছিলেন না। এ নিয়ে তার সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। এরই জেরে সন্ধ্যায় আশিক বাড়িতে এসে আকস্মিক আমাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার শামীম মোহাম্মদ আফজাল সাংবাদিকদের জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বৃদ্ধকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার এক্স-রে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক্স-রের প্রতিবেদনের মাধ্যমে শরীরে গুলি রয়ে গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী সাংবাদিকদের বলেন, “ঘটনার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম/এসএন

লাঠিপেটার ভিডিও ভাইরাল, আলোচনায় ইউপি চেয়ারম্যান

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
লাঠিপেটার ভিডিও ভাইরাল, আলোচনায় ইউপি চেয়ারম্যান
টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের লাঠিপেটা। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক নারীসহ কয়েকজনকে লাঠি দিয়ে পিটিয়েছেন এক ইউপি চেয়ারম্যান।

 শুক্রবার (৩ জুলাই) এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

অভিযুক্ত মির্জাপুর উপজেলার ১ নং মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুর। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

ছয়বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান বিভাস সরকার নুপুরের এই মারধরের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

৫১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বিভাষ সরকার নুপুরের হাতে একটি লাঠি, কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে আসছেন। পরে তিনি একটি মাটির স্তুপের পাশে দাঁড়িয়ে সেখানে উপস্থিত এক নারীকে অশালীন ভাষায় গালি দেন। ওই নারী এর প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যান প্রথমে গেঞ্জি পরা এক ব্যক্তিকে লাঠি দিয়ে মারেন। পরে ওই নারী ও তাদের মেয়ে এগিয়ে এলে তাদের ও পেটাতে দেখা যায়।

জানা যায়, ভিডিওটি ২৭ জুন সকালে ধারণ করা হয়েছিল। উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের তেঘরী কেশব গ্রামের বাসন্তী রানীর জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের জন্য মাটি ফেলা নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুরের বাড়িও একই গ্রামে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানায়, বাসন্তী রানীর বাবা সুনীল সরকার, স্থানীয় উপেন্দ্র মন্ডলসহ কয়েকজন প্রায় ৪০ বছর আগে নিজেদের জমিতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলেন। সেখানে সুনীল সরকার শিক্ষকতা করতেন। তার দুই মেয়ে রয়েছে। ২০১২ সালে তিনি তার জমি স্ত্রী মিনতি রানীর নামে লিখে দেন। প্রায় আট বছর আগে সুনীল সরকারের মৃত্যু হলে প্রতিষ্ঠানটিতে পাঠদান বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এটি শুধু জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২০২১ সালের নভেম্বরে মিনতি রানী জমিগুলো তাঁর দুই মেয়ে রত্ম সরকার ও বাসন্তী রানীর নামে লিখে দেন।

বাসন্তী রানী অভিযোগ করে বলেন, তার চাচাতো চাচা উপেন্দ্র সরকার আগে তাদের বাড়ির সামনের রাস্তা ব্যবহার করতেন। এ জন্য তাদের কিছু জমিও তাকে দেওয়া হয়েছিল, যেখানে তিনি একটি ঘর নির্মাণ করেন। সম্প্রতি ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের ফলে তাদের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সীমানা প্রাচীরের দক্ষিণ পাশে তাঁদের জমির ওপর দিয়ে জোর করে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেন ইউপি চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুর। এতে বাধা দিলে তাকে, তার স্বামী রামগোপাল সাহা ও মেয়ে পায়েল সাহাকে মারধর করা হয়।

বাসন্তী রানী বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব রাস্তার অজুহাতে আমাদের জমি দখল করতে চাইছেন। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললে মারধর করেন। আমার ছোট মেয়েকেও মারধর করা হয়েছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন, বিভাষ সরকার নুপুরের ভয়ে এলাকায় অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না। তাদের অভিযোগ, সামান্য বিষয় নিয়েও তিনি লোকজনকে মারধর করেন।

ছাওয়ালী বাজারের বাসিন্দা বিপুল দাস বলেন, প্রায় ছয় বছর আগে তাদের জমি দখলের উদ্দেশ্যে বিভাষ সরকার নুপুর তার লোকজন দিয়ে টাঙ্গাইলের আদালতে মামলা করিয়েছিলেন। তার মা বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। যদিও আদালতে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়, তারপরও চার বছর ধরে তাঁরা নিজেদের জমিতে ঘর নির্মাণ করতে পারছেন না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিভাষ সরকার নুপুর। তিনি বলেন, ওই মহিলা ভালো না। বাউন্ডারির বাইরেও স্কুলের পাঁচ-ছয় ফুট জায়গা আছে। উপেন্দ্রর চলাচলের জন্য সেখানে রাস্তা করার সময় ওই মহিলা বাধা দেন। এ জন্য তাদের কঞ্চি দিয়ে পিটিয়েছি।

মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া বলেন, একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির নিকট থেকে এধরনের ঘটনা কখনো কাম্য নয়। তার উচিৎ ছিল আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খান সালমান হাবীব বলেন, কে কাকে মারছে ভিডিও দেখে চেনার উপায় নেই। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুয়েল রানা/এসএন

তিন দিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে বরগুনায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন সম্পন্ন

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
তিন দিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে বরগুনায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন সম্পন্ন
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাঠবিড়ালি কবিতায় শিশুদের কবিতা নাট্য। ছবি: খবরের কাগজ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী এবং সরকার ঘোষিত নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে বরগুনায় তিন দিনের বর্ণাঢ্য আয়োজন শেষ হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) আলোচনা সভা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি, কবিতা নাট্য, নজরুলসংগীত, নৃত্য এবং পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে এ উৎসবের সমাপ্তি হয়।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় গত বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল নতুন প্রজন্মের কাছে নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা, সাম্য, মানবতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শ তুলে ধরা।

তিন দিনের কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, আবৃত্তি, কবিতা, নাট্য, বিতর্ক, নজরুলসংগীত ও নৃত্যসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তারা জাতীয় কবির সাহিত্য, দর্শন ও জীবনবোধ সম্পর্কে জানার সুযোগ পায়।

জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাম্য, ন্যায়, মানবিকতা ও অসাম্প্রদায়িকতার যে বার্তা নজরুল তার সাহিত্য ও জীবনদর্শনের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন, তা আজও সমান প্রাসঙ্গিক। বর্তমান সময়ে সামাজিক সম্প্রীতি ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে তার আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে আরও ব্যাপকভাবে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন।

তারিক বিন আনসারি সুমন ও ইফরাত ইমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা, সিভিল সার্জন আবুল ফাত্তাহ, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, পাবলিক প্রসিকিউটর নূরুল আমিন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজুর রহমান, বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি হারুন অর রশিদ রিংকুসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন।

উৎসবের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস। স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

আয়োজকদের ভাষ্য, এ আয়োজন কেবল জন্মবার্ষিকী উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং তরুণদের সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং নজরুলের মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমাজে আরও বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য। স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীদের মতে, তিন দিনের এই উৎসব বরগুনার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন প্রাণসঞ্চার করেছে। এ ধরনের ধারাবাহিক আয়োজন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জাতীয় কবির আদর্শ, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে।

মহিউদ্দিন/নাঈম

একটি বিকেল, তিনটি প্রাণ, আজীবনের শোক

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম
একটি বিকেল, তিনটি প্রাণ, আজীবনের শোক
অসচেতনতায় নিভে গেল একই পরিবারের তিন প্রাণ। ছবি: খবরের কাগজ

একটি পুকুর, কয়েক মুহূর্তের অসতর্কতা, তারপর তিনটি ছোট্ট প্রাণের নিথর দেহ—এভাবেই শেষ হয়ে যায় কত পরিবারের স্বপ্ন।

দেশে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর মিছিল যেন দীর্ঘ থেকেই দীর্ঘতর হচ্ছে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও শোকের মাতম উঠছে, অথচ একটু সচেতনতা হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারত অমূল্য জীবনগুলো।

এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় নরসিংদীর মনোহরদীতে পুকুরে গোসল করতে নেমে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা সম্পর্কে দুজন মামাতো-ফুফাতো বোন একজন ফুফু হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের চর আহমদপুর গ্রামে ঘটে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

মৃতরা হলো—  ময়মনসিংহ ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানা এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে ফাতেমা (৮), তুহিন মিয়ার মেয়ে আয়েশা ওরফে আশামনি (১২) এবং মুফাচ্ছের মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া (১৩)।

এদের মধ্যে দুইজন স্থানীয় কওমি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং একজন পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। দুজন সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো বোন, একজন ফুফু হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফাতেমা ও আশামনি চর আহমদপুর গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলের ও মেয়ের ঘরের নাতনি। অপরদিকে সুমাইয়া খোরশেদ মিয়ার ছোট ভাইয়ের মেয়ে। তারা শনিবার দুপুরের দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। এক পর্যায়ে দীর্ঘ সময় পার হলেও তিন শিশুকে পুকুরে না দেখে বাড়ির এক ছোট শিশু বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন পুকুরে নেমে তাদের উদ্ধার করে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ততক্ষণে তাদের মৃত্যু হয়। এসময় স্বজনদের আহাজারিতে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মনোহরদী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জাহাঙ্গীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এটা অত্যন্ত মর্মান্তিক বেদনাদায়ক ঘটনা । এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শাওন খন্দকার শাহিন/এসএন

বিএসবিআরএ নির্বাচনে সভাপতি মহসিন চৌধুরী ও সিনিয়র সহসভাপতি সেলিম উদ্দিন

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম
বিএসবিআরএ নির্বাচনে সভাপতি মহসিন চৌধুরী ও সিনিয়র সহসভাপতি সেলিম উদ্দিন
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইকেলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মহসিন চৌধুরী ও সিনিয়র সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সেলিম উদ্দিন।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম রেডিসন ব্লু হলে জাহাজ ভাঙা শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। 

নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে পিএইচপি শিপ স্ক্র্যাপার্স লিমিটেডের  মো. মহসিন চৌধুরী ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে খাজা আজমীর স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মো. সেলিম উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। 

প্রেসিডেন্ট পদে রাইজিং গ্রুপের পরিচালক আমজাদ হোসেন চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকের ঋণ খেলাপি সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের রিট খারিজ হয়ে গেলে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকতে পারেননি। 

এতে সর্বোচ্চ ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হয়েছেন, ফোর স্টার শিপ ব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মো. নুর উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইকেলিং ইন্ডাস্ট্রিজের গাজী মোকাররম আলী চৌধুরী।

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৭ জন। তারা হলেন— মো. জাহিদুল হক (প্যাসিফিক স্টিল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড), মো. তসলিম উদ্দিন (কেআর শিপ রিসাইকেলিং ইয়ার্ড), এস.এম. নূরুন নবী (বিওবি রিসাইকেলার্স), মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ (মেসার্স ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইকেলিং ইন্ডাস্ট্রিজ), উবাইদা আসাদী (প্রগ্রেসিভ শিপ রিসাইকেলিং ইন্ডাস্ট্রিজ), হোসাইনুল আরেফিন (জনতা স্টিল লিমিটেড) এবং এ.কে.এম. সাইফ উল্লাহ সায়েক (মাস্টার স্টিল অ্যান্ড অক্সিজেন লিমিটেড)।

সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া ভোট চলে দুপুর একটা পর্যন্ত। ৮৪ ভোটারের মধ্যে ৭১ জন ভোট দিয়েছেন। 

বিকেল ৩টায় নির্বাচনি ফলাফল ঘোষণা করেন, বিএসবিআরএ নির্বাচনি বোর্ড-২০২৬-এর চেয়ারম্যান মো. আফতাব উদ্দিন চৌধুরী।

এ সময় উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন, বোর্ডের সদস্য মো. রাসেল প্রদানিয়া, আশরাফ মাহমুদ ও শিপব্রেকিং শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা । 

নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আফতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি ও সিনিয়র সহসভাপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সহসভাপতি পদে তিনজন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন ও সদস্য পদে নয়জনের মধ্যে সাতজন নির্বাচিত হয়েছেন।

মুসলেহ উদ্দীন/নাঈম