যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
রবিবার (১০ মে) বেলা ১১টার দিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে পরিচালিত ক্র্যাশ প্রোগ্রামের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
মেয়র বলেন, ‘যারা নালা-খালে ময়লা ফেলবে, অবৈধ দখল করবে কিংবা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে এবং আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘পাইপ দিয়ে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে, তবে তা এখনো পর্যাপ্ত নয়। ভারী বৃষ্টিপাত হলে এসব এলাকায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি থেকে যায়। তাই দ্রুত মাটি অপসারণসহ চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।’
চসিক মেয়র ৩৪ ব্রিগেড আর্মি ইঞ্জিনিয়ারিং টিমকে দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
ডা. শাহাদাত বলেন, ‘নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার অন্যতম কারণ হচ্ছে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা ও নালায় বর্জ্য নিক্ষেপ। এতে পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই জলজট সৃষ্টি হয়।’
তিনি বলেন, ‘শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।’
মেয়র স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, ভবন মালিক, ব্যবসায়ী ও সমাজের সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে
বলেন, ‘গত বছর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা অনেকাংশে জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছিলাম। এবারও সব সেবা সংস্থা, জনপ্রতিনিধি ও নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে কাজ করছি।’
শাহাদাত হোসেন নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।’
দৈনিক কর্মসূচি অনুযায়ী, বেলা ১১টায় খামারের পেছনে ২০ নম্বর ওয়ার্ড এবং বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিডটাউন ২১ নম্বর ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মেয়র। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এসজি/