ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চ করলেই আসছে আর্জেন্টিনার ম্যাচ! কলকাতায় ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদে নামাজ বন্ধ করলো বিজেপি সাতক্ষীরায় পেয়ারা দেওয়ার নাম করে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুকে ধর্ষণ ৬ লাখ টাকার ঋণ ও বিকল রিকশা বৈধ নথি ছাড়া নেপালে যাওয়ার সময় ভারতে গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক দেশের ১৯ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের অদ্ভুত সব গল্প ব্র্যাক ব্যাংকের বিশেষ হোম লোন সুবিধা পাবেন এসইএলের গ্রাহক ও কর্মীরা অনন্ত রিয়েল এস্টেটের নতুন সিইও আলীনূর রহমান সোনারগাঁয়  জাপান প্রবাসীর পথ আটকে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৪ ১৪ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি শুধু পলিথিন নয়, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও বাড়াচ্ছে রাজধানীর জলাবদ্ধতা হরমুজ বন্ধের ঘোষণায় বেড়েছে তেলের দাম হবিগঞ্জে ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০ চট্টগ্রামে টানা বর্ষণে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা বার্নহ্যামকে নিয়ে বিশ্বনেতাদের ভাবনা চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-লুটপাট, ২ কোটি টাকা দাবি যেভাবে কাতারকে গড়ে তোলেন শেখ হামাদ সংবিধান সংশোধনে ১২ সদস্যের কমিটি গঠন, বিরোধী দলের ওয়াকআউট শ্রাবণে কী হবে কড়াইল বস্তিবাসীর! ইরানের টার্গেটে ট্রাম্পসহ যেসব বিশ্বনেতা গাইবান্ধার আলোচিত হরিদাস চন্দ্র অর্থ পাচার মামলায় রিমান্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় জাককানইবির শিক্ষার্থী নিহত ফরাসি স্বপ্নের কাণ্ডারি এমবাপ্পে যশোর শহরের নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধ ভাসমান ছেঁড়া স্যান্ডেলে ইঁদুরের আশ্রয়: যেন বন্যার্ত মানুষের প্রতিচ্ছবি ১৪ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনায় ডুবছে গাজীপুর ফরাসি সৌরভ, না স্প্যানিশ সৌন্দর্য ১৪ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল

চট্টগ্রামে টানা বর্ষণে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
চট্টগ্রামে টানা বর্ষণে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা
আবহাওয়া পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলে আসতে শুরু করে পণ্যবাহী পরিবহন। এতে লাগে যানজট। তবে এখনো কাটেনি ক্রেতাসংকট। ছবিটি চট্টগ্রামের বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে তোলা  ছবি- মোহাম্মদ হানিফ

টানা ৯ দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। নগরীর চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ ও পাহাড়তলীর বিভিন্ন আড়ত, গুদাম ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ক্রেতা ও পণ্যবাহী যান চলাচল কমে যাওয়ায় বেচাবিক্রি হ্রাস পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা।

সোমবার (১৩ জুলাই) আবহাওয়া তুলনামূলক ভালো থাকলেও আশানুরূপ বেচাবিক্রি বাড়েনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে শিগগিরই পণ্যের সরবরাহ আরও বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসায় গতি ফিরবে বলে আশা করছেন তারা।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই ও পাহাড়তলী বাজারের বিভিন্ন আড়তে গিয়ে দেখা যায়, ৯ দিনের ভারী বর্ষণে এই পাইকারি বাজাগুলোতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়নি। এসব এলাকার দোকাগুলোতে পানি প্রবেশ না করায় মালামালের ক্ষতি না হলেও ভারী বর্ষণে ক্রেতার আনাগোনা কম। যার কারণে অলস সময় কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। বেচাবিক্রি না হওয়ায় এসব পাইকারি বাজারে অধিকাংশ পণ্যের দাম বাড়েনি।

সোমবার (১৩ জুলাই) আবহাওয়া কিছুটা ভালো থাকায় চাক্তাই, খাতুনগঞ্জে দেখা গেছে ট্রাকের সারি। আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন পণ্য। শ্রমিকরা গাড়ি থেকে পণ্য নামিয়ে আড়তে রাখছেন। ব্যবসায়ীরাও পর্যাপ্ত পণ্য সরবরাহে রেখেছেন। তবে ক্রেতার আনাগোনা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক কম থাকায় এখনো বেচাবিক্রি জমে ওঠেনি।

খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির মো. ইদ্রিস খবরের কাগজকে বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। আদা, রসুন ও পেঁয়াজের সরবরাহও একটু কম। তবে বেচাবিক্রি কম থাকায় এসব পণ্যের দামও বাড়েনি।

তবে নগরীর চাক্তাই এলাকার লবণ পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান লাল মিয়া সল্টের স্বত্বাধিকারী মো. আসাদ আসিফ খবরের কাগজকে বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে বেচাবিক্রি তুলনামূলক কম হয়েছে। এখন আবহাওয়া পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো। দেখা যাক কী হয়।

চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক মো. মহিউদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ‘খাতুনগঞ্জে জলাবদ্ধতা হয়নি। ভোগ্যপণ্যও নষ্ট হয়নি। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকায় বেচাকেনা একেবারেই হয়নি। বর্তমানে সরবরাহও পর্যাপ্ত রয়েছে। ভোগ্যপণ্যের দামও বাড়েনি। আজকে থেকে আবহাওয়া ভালো দেখা যাচ্ছে। ভারী বর্ষণ নেই। আশা করছি ক্রেতা সমাগম বাড়বে।’

পাহাড়তলী বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রেজা খান খবরের কাগজকে বলেন, ‘পাহাড়তলী বাজারটি উঁচু জায়গায় হওয়ায় কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। কিন্তু খারাপ পরিস্থিতির কারণে বেচাবিক্রিতে ভাটা পড়েছিল। এখনো তাই। তবে আজ থেকে যেহেতু পরিস্থিতি ভালো দেখা যাচ্ছে, আশা করছি, আস্তে আস্তে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে। পণ্যের দামও স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।’

৬ লাখ টাকার ঋণ ও বিকল রিকশা

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:১৩ এএম
৬ লাখ টাকার ঋণ ও বিকল রিকশা
ছবি: খবরের কাগজ

চারদিকে থৈ থৈ করছে নোংরা পানি। মূল সড়কের বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে রেখে গেছে গভীর ক্ষতের চিহ্ন। কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মুন্সী মুরা লামার পাড়া এলাকার চিত্রটি আরও করুণ। ঢলের পানি নামলেও এখনও গ্রামীণ রাস্তা ও বাড়ির উঠানে কোমর সমান পানি। এর মধ্যেই জীবনের চরম সংকটের মুখোমুখি হয়েছে এক ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকের পরিবার।

ভারী বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে ঘরের ভেতর পানি ঢুকে পড়ার এক সপ্তাহ পর সোমবার (১৩ জুলাই) ওই এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় অবর্ণনীয় দুর্ভোগের চিত্র। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে বুকভরা ক্ষোভ আর চোখে জল নিয়ে এগিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দা মাইমুনা বেগম।

তিনি জানান, তার স্বামী মোহাম্মদ ফুরকান পেশায় একজন অটোরিকশা চালক। এক সপ্তাহ আগে মুষলধারে বৃষ্টির সময় ব্যাটারিচালিত রিকশাটি বাড়ির পাশে নিরাপদে রেখেছিলেন। কিন্তু পাহাড়ি ঢলের পানি যে তাদের ঘরের ভেতর পর্যন্ত ঢুকে যাবে এবং রাস্তা ও উঠানে প্রায় ছয় ফুট পানি হয়ে যাবে, তা তারা কল্পনাও করতে পারেননি। চোখের সামনেই বন্যার পানিতে তলিয়ে বিকল হয়ে যায় ফুরকানের উপার্জনের একমাত্র মাধ্যমটি। সোমবার বিকেলে পানি কিছুটা কমলে প্রতিবেশীদের সহায়তায় নষ্ট হয়ে যাওয়া গাড়িটি ঠেলে গ্যারেজে নিয়ে গেছেন ফুরকান। তবে গাড়ি ঠিক হলেও তা বাড়িতে আনার উপায় নেই, কারণ ভেতরের রাস্তায় এখনও কোমর সমান পানি।

মাইমুনা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক সপ্তাহ ধরে আমরা পানিবন্দি। আমরা বেঁচে আছি নাকি মরে গেছি, কেউ খবরও নেয়নি। ঘরে যা ছিল খেয়েছি, না খেয়ে উপবাসও থেকেছি।

জানা গেছে, রবিবার বিকেলে শিলখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুর রশিদের মাধ্যমে খবর পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদে যান ফুরকান। সেখান থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পক্ষ থেকে শুকনা খাবার দেওয়া হয়। এই এক সপ্তাহে ওই একমুঠো শুকনা খাবার ছাড়া আর কোনো সরকারি বা বেসরকারি সাহায্য তাদের ভাগ্যে জোটেনি।

আরেক স্থানীয় নারী হুরে জান্নাত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজকাল ফেসবুক আর মিডিয়ায় যে সব জায়গায় বেশি প্রচার হচ্ছে, সবাই সেখানেই গিয়ে খাবার দিচ্ছে। আমাদের এই কোমর পানিতে কেউ আসতে চায়নি।

এ দিকে ফুরকানের পরিবারের কাছে বন্যার কারণে উপার্জনের পথ বন্ধ হওয়ার চেয়েও এখন বড় আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে এনজিওর ঋণের কিস্তি। পরিবারটির বর্তমানে বিভিন্ন এনজিওর প্রায় ৬ লাখ টাকার ঋণের বোঝা রয়েছে।

মাইমুনা বলেন, ‘আজকে এই চরম বিপদের মধ্যেও এনজিওর অফিসাররা এসে কিস্তির টাকার জন্য চাপ দিয়েছেন। টাকা দিতে না পারায় হুমকি দিয়েছেন। ছোট বাচ্চাটাকে নিয়ে এখন পানির ভয় করব, নাকি কিস্তির টাকার চিন্তা করব?’

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চকরিয়া ও পেকুয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে মানুষ চরম অমানবিক জীবনযাপন করছে। আকাশ পরিষ্কার হওয়ায় প্রধান সড়কগুলো সচল হলেও পেকুয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কষ্ট এখনও কমেনি। উপার্জনের বাহন বিকল হওয়া এবং মাথার ওপর ৬ লাখ টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক ফুরকানের মতো পরিবারগুলোর এখন একটাই দাবি অবিলম্বে সরকারি পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান এবং এনজিওর কিস্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হোক।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, আমরা সারাদিন উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গিয়ে বন্যাকবলিত মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছি এবং রান্না করা খাবার ও শুকনা খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছি। আজও বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারটির বিষয়েও আমরা অবগত রয়েছি। তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অবশ্যই করা হবে। সকালে আমি নিজেই ওই পরিবারের কাছে যাব। তাদের খোঁজখবর নেব এবং পাশে থাকার চেষ্টা করব।

রকিবুল হাসান/থিওটোনিয়াস/

হবিগঞ্জে ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৬ এএম
হবিগঞ্জে ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০
ছবি: খবরের কাগজ

ফেসবুকের স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ শহরতলীর ধুলিয়াখাল ও তেতৈয়া গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ধুলিয়াখাল পয়েন্ট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ধুলিয়াখাল ও তেতৈয়া গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে রাত ১০টার দিকে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে উভয় পক্ষ দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।

সংঘর্ষের সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেন এবং সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ ৫রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে উভয় পক্ষ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শহীদুল হক মুন্সি খবরের কাগজকে বলেন, পুলিশ ৫ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কাজল সরকার/থিওটোনিয়াস/

চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-লুটপাট, ২ কোটি টাকা দাবি

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-লুটপাট, ২ কোটি টাকা দাবি
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের চন্দনপুরা এলাকায় গতকাল ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডটনেটের কার্যালয়ে হামলা

চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবাদানকারী একটি প্রতিষ্ঠানে দিনদুপুরে হামলা চালিয়েছে একদল সন্ত্রাসী। এ সময় তারা ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, দুই কোটি টাকা চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালিয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে নগরের চকবাজার থানাধীন চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় ডিজিটাল ডটনেটের (ডিডিএন) কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা।
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান এবং চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক আদিল বিন মামুন খবরের কাগজকে বলেন, ‘গত ১১ জুলাই বিকেল ৪টায় হোয়াটস অ্যাপে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি আমাকে কল করেন। তিনি বলেন, তার নাম ডেভিট ইমন। এরপর বলেন, চট্টগ্রাম শহরে ব্যবসা করতে গেলে আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। অন্যথায় ব্যবসা করিয়েন না। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন। আপনার ব্যবসা আমার ছেলেরা করবে। আপনি আমার সম্পর্কে জানেন না। বেশি দূর যেতে হবে না। পুলিশ কমিশনারকে জিজ্ঞেস করিয়েন আমার সম্পর্কে। হাটহাজারী, মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট থেকে শুরু করে সব জায়গার গার্মেন্টসসহ অন্য ব্যবসায়ীরা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবসা করছে। আপনি ব্যবসা করতে হলে আমাকে প্রথমে এককালীন নগদ দুই কোটি টাকা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে দিতে হবে। আপনাকে আমি ২৪ ঘণ্টা সময় দিলাম। এর মধ্যে হয় টাকা দেবেন, অন্যথায় ব্যবসা বন্ধ করে দেবেন। নইলে আপনার কী অবস্থা হয় দেখবেন।’ 

আদিল বিন মামুন আরও বলেন, ‘চাঁদার টাকা না পেয়ে সোমবার দুপুরে ৩০ থেকে ৪০ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার অফিসে হামলা চালায়। এতে আমার কম্পিউটার, ল্যাপটপ, আসবাবপত্র মিলিয়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ সময় তারা অফিসে থাকা নগদ ৪৭ হাজার টাকা, আমাদের কোম্পানির ডিরেক্টর আরিফুল ইসলামের কাঁধব্যাগে থাকা কর্মীদের বেতন বাবদ ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় চকবাজার থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।’

প্রতিষ্ঠানটির হেড অব সেলস মো. রাকিব বলেন, ‘আজ আমাদের প্রতিষ্ঠানে বেতন দেওয়ার দিন ছিল। অফিসে নগদ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা রাখা ছিল। হামলাকারীরা ওই টাকার পাশাপাশি কর্মীদের মোবাইল, ল্যাপটপ নিয়ে গেছে।’

এ বিষয়ে ওসি নুর হোসেন মামুন বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

যশোর শহরের নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধ

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
যশোর শহরের নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধ
টানা চার দিনের বৃষ্টিতে যশোর শহরের নিম্নাঞ্চলে পানি জমে গেছে। ছবি: খবরের কাগজ

চার দিনের অব্যাহত বৃষ্টিতে যশোর শহরের নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। টানা এক ঘণ্টা ভারী বৃষ্টিপাত হলেই শহরের অন্তত ৩০টি সড়ক পানির নিচে চলে যাচ্ছে। এ পানি সরতে ৩ ঘণ্টার বেশি সময় লাগছে। এর মধ্যে আবার বৃষ্টি হলে একই অবস্থা বিরাজ করে। কোনো কোনো এলাকায় বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। টানা বর্ষণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ। শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোর ৪টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত একটানা ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এরপর তিন দিন ধরে থেমে থেমে চলে বৃষ্টি। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা ও বিদ্যমান ড্রেনের অচলাবস্থা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পৌরসভার অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 

যশোর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে যশোরে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। শুক্রবার ভোর ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত যশোরে ১৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। আর গত চার দিনে ৩৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ভারী বর্ষণ হলেই যশোর পৌর এলাকার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যায়। বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। খড়কি এলাকার শাহ্ আবদুল করিম সড়ক, স্টেডিয়াম পাড়া, শহরের পিটিআই, নাজির শংকরপুর, ফায়ার সার্ভিস মোড় থেকে পাইপ পট্টি, বেজপাড়া চিরুনিকল, আশ্রম রোড, শংকরপুর, রেল রোড, মিশনপাড়া, রেলস্টেশন, চোপদারপাড়া, বেজপাড়া তালতলা, টিবি ক্লিনিক মোড়, পুরাতন কসবা, পুলিশ লাইন টালিখোলা, বিমানবন্দর রোড ও ষষ্ঠীতলাপাড়ার বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে আছেন পৌরসভার ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এসব এলাকার অন্তত ৩০টির বেশি প্রধান সড়ক এবং অসংখ্য লেন ও বাইলেনের ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা মিশ্রিত নোংরা পানি উপচে ঢুকে পড়েছে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। 

শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা আলতা বানু বলেন, ‘কয়েক শ বাড়িতে পানি উঠেছে। আমাদের বাড়ির নিচতলায় হাঁটুপানি জমেছে। টিউবওয়েলের কিছু অংশ পানিতে ডুবেছে। রান্নাঘরে পানি ঢোকায় রান্না বন্ধ।’

একই এলাকার আকবর হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা যায়। থাকে দুই তিন দিন। টানা চার দিন বৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তি দ্বিগুণ হয়েছে।’

স্টেডিয়াম এলাকার আসমা খাতুন বলেন, ‘বাড়িঘরে পানি উঠেছে। ঘরের ভেতরে হাঁটুপানি। পরিবার নিয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়েছি।’

খড়কি এলাকার ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন বলেন, সড়কের পাশে ড্রেন থাকলেও আবর্জনায় পূর্ণ হওয়ায় পানি উপচে সড়কে প্রবেশ করেছে। সড়কের এই পানি আবার দোকানে প্রবেশ করেছে। তিনি বলেন, সড়ক নিচু আর ড্রেন উঁচু হয়ে গেছে। তাই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

পৌর নাগরিক অধিকার আন্দোলন কমিটির সদস্যসচিব জিল্লুর রহমান ভিটু বলেন, শহরের ভেতর দিয়ে ভৈরব ও পাশ দিয়ে মুক্তেশ্বরী নামে দুটি নদ-নদী বয়ে গেছে। এর মধ্যে ভৈরব নদ দিয়ে শহরের উত্তরাংশ ও মুক্তেশ্বরী নদী দিয়ে শহরের দক্ষিণাংশের পানি নিষ্কাশিত হয়। কিন্তু গত দেড় দশকে শহরের দক্ষিণাংশের পানি মুক্তেশ্বরী নদী দিয়ে নামতে পারছে না। পয়োনিষ্কাশন নালার মাধ্যমে শহরের পানি হরিণার বিল দিয়ে মুক্তেশ্বরী নদীতে যেত। কিন্তু ২০১০ সালে হরিণার বিলে যশোর মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়। এরপর আশপাশে আরও অনেক স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এতে বিল দিয়ে পানি আগের মতো নিষ্কাশিত হতে পারছে না। ওই পানি বের করার জন্য খালের মাধ্যমে মুক্তেশ্বরী নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে হবে। কিন্তু পৌরসভা গত দেড় দশকেও সেই উদ্যোগ নিতে পারেনি।

যশোর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম শরীফ হাসান বলেন, ‘শহরবাসীর অসচেতনতার কারণেও ড্রেনের পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবছর পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা হয়। এ বছরও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। পানি নিষ্কাশনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।’

দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনায় ডুবছে গাজীপুর

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনায় ডুবছে গাজীপুর
ছবি: খবরের কাগজ

গাজীপুরে সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার এক যুগ পেরিয়ে গেলেও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান মেলেনি। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি নিষ্কাশনের দুর্বল অবকাঠামোর কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই টঙ্গী ও জয়দেবপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে প্রতি বর্ষায় স্থবির হয়ে পড়ে নগরজীবন। চরম দুর্ভোগে পড়ে লাখো মানুষ। জলাবদ্ধতা নিরসনে একের পর এক প্রতিশ্রুতি ও প্রকল্প এলেও নগরবাসীর ভোগান্তির শেষ হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি নির্বাচনের আগে মেয়র ও কাউন্সিলরপ্রার্থীরা আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পর সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয় না।

সরেজমিনে দেখা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়া, কলেজগেট, খাঁপাড়া রোড, সফিউদ্দিন রোড, সুরতরঙ্গ রোড, মোক্তারপাড়া, বেক্সিমকো রোড এবং ৪৮, ৫১, ৫৩, ৫৪, ৫৫ ও ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের ড্রেনেজ ব্যবস্থা খুবই নাজুক। এসব এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি, দোকানপাট ও বসতবাড়িতে পানি জমে যায়। এতে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এ ছাড়া ভারী বৃষ্টিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাছা অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতেই ডুবে যায় জয়দেবপুর বাজার, মুন্সিপাড়া রোড, পশ্চিম জয়দেবপুর, লক্ষ্মীপুরাসহ আশপাশ এলাকা। দীর্ঘদিন ধরে চান্দনা চৌরাস্তার ভোগড়া এলাকায়ও জলাবদ্ধতা স্থায়ী সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক এলাকায় সড়ক নির্মাণ হলেও প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ করা হয়নি। কোথাও ড্রেনের ধারণক্ষমতা কম, কোথাও আবার ময়লা-আবর্জনায় বন্ধ হয়ে আছে।

এ বিষয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী জোনের (অঞ্চল-১) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘পুরোনো ড্রেন দিয়ে বর্তমানের অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হচ্ছে না। নতুন ড্রেন নির্মাণের জন্য টেন্ডার হয়েছে এবং কাজ চলমান রয়েছে। বিআরটি করিডরের পাশ দিয়ে বাঁশপট্টি হয়ে একটি বড় ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। কাজ শেষ হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’

টঙ্গী জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘বেক্সিমকো এলাকা থেকে মোক্তারপাড়া, কলেজ রোড ও সফিউদ্দিন রোড হয়ে নদী পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রায় ৩৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির কাজ আগামী মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এটি সম্পন্ন হলে টঙ্গী এলাকার জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।’

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাক জানান, সিটি এলাকায় প্রায় ১ হাজার ১২০ কিলোমিটার ড্রেন রয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান ড্রেন পরিষ্কার, প্রশস্তকরণ এবং নতুন ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। গাছা এলাকায় বড় ড্রেন নির্মাণের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া পানি নিষ্কাশনের সক্ষমতা বাড়াতে চিলাই নদীর পুনর্খনন এবং মোগর খাল পুনর্খননের কাজও চলমান রয়েছে।