ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী? শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর একাধিক জায়গায় সড়ক অবরোধ ফুটবল হোক ঐক্যের প্রতীক: ইয়ামাল মাঝ নদীতে আটকা হাতিয়ার ফেরি, ব্যাহত নৌ চলাচল নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে টাইফয়েডের টিকা, শুরু ১ আগস্ট সরকার স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫ হাজার ৪৩৬ পরিবার স্বর্ণের দাম আরও কমল, ভরি কত? সংকট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নিন সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান আর্জেন্টিনার যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের পদোন্নতি পাওয়া ১০১ যুগ্মসচিবের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন গুগলে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখলেই আসছে ব্রাজিলের নাম মৌলভীবাজারে সংবাদ সম্মেলনে নতুন বউকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ স্বামীর হরমুজ প্রণালী মার্কিন ‘দখলে’, নিরাপত্তার বিপরীতে অর্থ নেবে যুক্তরাষ্ট্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ ৯ টন জিরা জব্দ ট্রাফিকে এআই ক্যামেরার পর নতুন প্রযুক্তি আনছে ডিএমপি হাতিয়ার কৃষিতে ২০ কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা চলন্ত ট্রেনে ‘হানিমুন স্যুইট’! বরখাস্ত টিটিই ‎সাঁথিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, সালিশে রফাদফা নরসিংদীতে বালু ব্যবসায়ীর কান কামড়ে দিলেন বিএনপি নেতা! সিলেট পরিবেশ উৎসবে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী চ্যাম্পিয়ন গাজীপুরে বিএসটিআইয়ের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চ করলেই আসছে আর্জেন্টিনার ম্যাচ! কলকাতায় ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদে নামাজ বন্ধ করলো বিজেপি সাতক্ষীরায় পেয়ারা দেওয়ার নাম করে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুকে ধর্ষণ ৬ লাখ টাকার ঋণ ও বিকল রিকশা বৈধ নথি ছাড়া নেপালে যাওয়ার সময় ভারতে গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক দেশের ১৯ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের অদ্ভুত সব গল্প

শুধু পলিথিন নয়, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও বাড়াচ্ছে রাজধানীর জলাবদ্ধতা

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
শুধু পলিথিন নয়, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও বাড়াচ্ছে রাজধানীর জলাবদ্ধতা
জলাবদ্ধ ঢাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকার সংগ্রাম, এভাবেই স্থবির হয়ে পড়ে রাজধানী। ছবি: খবরের কাগজ

টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় স্থবির হয়ে পড়েছে  রাজধানীর জনজীবন। বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে সড়ক, অলিগলি। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী। তীব্র যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরের পর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও অধিকাংশ এলাকায় এখনো জলাবদ্ধতা  রয়ে গেছে।

নাগরিক সেবাদানকারী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন, এই জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল ইউজ) প্লাস্টিক ও পলিথিনে নালা-নর্দমা বন্ধ হয়ে যাওয়া। পাশাপাশি  অপরিকল্পিত ড্রেনেজ, দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর পরিকল্পনার ঘাটতি–সবগুলোই ভূমিকা রাখছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শাম্মী আক্তার সেতু খবরের কাগজকে বলেন, এজন্য দায়ী মূলত জনসচেতনতার অভাব। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে দেওয়ার কারণে ড্রেনে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায়  জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেললে ভালো ফল পাওয়া যাবে। তাছাড়া নগর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ডিটেইল এরিয়া প্ল্যানের প্রস্তাব তৈরি করা আছে। এখানে ভবন তৈরির সময় কতটুকু খালি রাখতে হবে, রাজধানীর কোথায় বন্যা প্রবাহ এলাকা থাকতে হবে বলা আছে। পরিকল্পনা ও নীতিমালা থাকলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় যা আছে তাও ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি মনিটরিংয়ের অভাব আছে। মূল কথা জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। মনিটরিং করতে হবে। তাহলেই অবস্থার উন্নতি ঘটবে বলে আশা করতে পারি।

শাম্মী আক্তার বলেন, জলাবদ্ধতার জন্য সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকও দায়ী। ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দেওয়া, সঠিক উপায়ে রিসাইক্লিং না করাতে জলাবদ্ধতা তৈরির পাশাপাশি পরিবেশ ও দেশের অর্থনীতির মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের সঙ্গে জনগণকেও সচেতন হতে হবে। সবাইকে যার যা দায়িত্ব তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

এদিকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, পলিথিনের ব্যবহার কমাতে শুধু নিষেধাজ্ঞা বা বিকল্প পণ্য বাজারে সরবরাহ করা যথেষ্ট নয়। এজন্য মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন এবং জনসচেতনতা বাড়ানোই হতে পারে কার্যকর সমাধান।

কর্মকর্তারা বলেছেন, অনেকের ধারণা পাট পলিথিনের একমাত্র বিকল্প। বাস্তবে বিষয়টি ভিন্ন। পাট পলিথিনের পরিপূরক হতে পারে। বিকল্প নয়। বিশ্বে যে পরিমাণ প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয়, তার তুলনায় পাটজাত পণ্যের উৎপাদন এখনো অনেক কম। বাংলাদেশে বছরে ১২ থেকে ১৭ লাখ মেট্রিক টন পাট উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে প্রায় ৮ লাখ মেট্রিক টন দেশের শিল্প ও গৃহস্থালি খাতে ব্যবহৃত হয়। উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে ৬ থেকে ৮ লাখ মেট্রিক টন কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ চাহিদার জন্য ২ থেকে ৩ লাখ মেট্রিক টন পাট মজুত রাখা হয়। ফলে সব ধরনের পলিথিনের বিকল্প হিসেবে শুধু পাটের ওপর নির্ভর করা বাস্তবসম্মত নয়।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর একসময় দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল কাঁচা পাট। এখন সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে বছরে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়। এই খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার রপ্তানিতে ১০ থেকে ১২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে। বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ, পাটপণ্য মেলা এবং বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করছে সরকার।

মন্ত্রণালয় জানায়, পাটের ব্যবহার বাড়াতে নতুন প্রজন্মকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। পাইলট প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাটের স্কুলব্যাগ দেওয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে এসব ব্যাগ তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পরে দেশের প্রায় সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এভাবে দেশের প্রায় দেড় কোটি প্রাইমারি শিক্ষার্থীর হাতে পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ পৌঁছে দেবে সরকার। সরকার মনে করছে ছোটবেলা থেকেই পরিবেশবান্ধব পণ্যের ব্যবহার শিখলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম স্বাভাবিকভাবেই পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব উপলব্ধি করে এর ব্যবহার কমিয়ে আনবে।

তবে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, শুধু পাটের ব্যাগ বিতরণ বা কম দামে সরবরাহ করলেই মানুষ পলিথিন ব্যবহার ছেড়ে দেবে না। বাজারে যাওয়ার সময় নিজের ব্যাগ সঙ্গে নেওয়ার অভ্যাস, যত্রতত্র প্লাস্টিক না ফেলা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক এড়িয়ে চলার মতো নাগরিক আচরণ গড়ে তুলতে হবে। বেসরকারি খাত ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে একসঙ্গে নিয়ে সরকারকে জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীর জলাবদ্ধতার জন্য কোনো একটি সংস্থাকে দায়ী করার সুযোগ নেই। স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

এ লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২১ প্রণয়ন করেছে। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ‘এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর)’ নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র আধুনিকায়ন, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, নগর বনায়ন এবং সার্কুলার ইকোনমিভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে ‘থ্রি-আর’ (রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল) নীতির আওতায় প্লাস্টিক বর্জ্য ৩০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৭ ধরনের সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে স্ট্র, স্টিরার ও কটন বাডের উৎপাদন, আমদানি, বিক্রি ও ব্যবহার ২০২৫ সালের ১ জুন থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সহজলভ্য বিকল্প পণ্যের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন। কারণ, নাগরিকরা নিজেরাই যদি পলিথিন ব্যবহার কমানোর সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে পরিবেশ রক্ষা যেমন সহজ হবে, তেমনি রাজধানীর জলাবদ্ধতার মতো সমস্যাও অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাতে দোহার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কাতারের উদ্দেশে রওনা হন।

স্পিকারের এ সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির। সফরকালে স্পিকার কাতারের বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কাতারের বর্তমান আমিরের কাছে শোকবার্তা হস্তান্তর করবেন এবং আল থানির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দোহা সফর শেষে স্পিকার আগামী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দেশে ফিরবেন। তবে সফরসঙ্গী পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির দোহা থেকে সংক্ষিপ্ত সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাত যাবেন এবং সেখান থেকে বুধবার (১৫ জুলাই) দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি রবিবার (১২ জুলাই) ৭৪ বছর বয়সে মারা যান। কাতারের আমিরের কার্যালয় এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।

আল থানি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কাতারের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তার ছেলে শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বর্তমান আমির হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এদিকে শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার আগামী ১৬ জুলাই অর্ধদিবস রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছে।

এলিস/অন্তরা/

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর একাধিক জায়গায় সড়ক অবরোধ

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০২ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:১৩ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর একাধিক জায়গায় সড়ক অবরোধ

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গ্রহণ এবং পরীক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগি সম্বোধন করা হয়েছে অভিযোগ তুলে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টার এবং সায়েন্সল্যাব মোড়ে পরীক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে এ বিক্ষোভ করেন।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী তারা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি করেন।

এদিন রাজধানীর শাহবাগ, সায়েন্সল্যাব মোড় ছাড়াও মিরপুরেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন পরীক্ষার্থীরা। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে রাজশাহী, বরিশাল, ‍কুমিল্লা, চট্টগ্রাম বোর্ডের সামনেও অবরোধ ও বিক্ষোভ করার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। তবে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অন্য কোথাও কোনো কর্মসূচি করার খবর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত আসছে...

নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে টাইফয়েডের টিকা, শুরু ১ আগস্ট

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে টাইফয়েডের টিকা, শুরু ১ আগস্ট
ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিশুদের (১৫ মাস বয়সী) টাইফয়েড জ্বরের হাত থেকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা দিতে জাতীয় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) যুক্ত হচ্ছে এক ডোজের টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি)। আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

১৫ মাস বয়সী সকল শিশুকে ইপিআইয়ের স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে এই টিকা প্রদান করা হবে। এটা শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়ে দেশের সব বিভাগীয় পরিচালক, সিভিল সার্জন, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কাছে নির্দেশনা পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নির্দেশনায় বলা হয়, ২০২৫ সালে জাতীয় টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের পর জাতীয় টিকাদান কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশ এবং আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে এই টিকা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একই সেশনে এমআর-২ (গজ-২) টিকার সঙ্গে এই টিকা একযোগে দেওয়া যাবে।

মাঠকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশু শনাক্ত, টিকার চাহিদা নির্ধারণ এবং নির্ধারিত সেশনে টিকাদান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিশুদের ভ্যাক্স  ইপিআই অ্যাপে নিবন্ধন, টিকা কার্ড ডাউনলোড এবং টিকা প্রদানের পর স্মার্ট হেলথ্ বিডি/ই ট্র্যাকার অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য হালনাগাদের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা পর্যায়ের সমন্বয় সভার মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন সহজীকরণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনায় নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়মিত কর্মসূচিতে ৫ ডোজের ভায়াল ব্যবহার করা হবে এবং ভ্যাকসিন ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে হবে।

মাল্টিডোজ ভায়াল নীতিমালা অনুসরণ করে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে খোলা ভায়াল পরবর্তী সেশনেও ব্যবহার করা যাবে, যাতে ভ্যাকসিনের অপচয় কমানো সম্ভব হয়।

এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতাদের সম্পৃক্ত করে বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ, মাইকিং, উঠান বৈঠক এবং আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে টাইফয়েড টিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বর থেকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।

খাদিজা রুমি/

সরকার স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৫১ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
সরকার স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: ভিডিও থেকে

সরকার স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রথমবার স্টার্টআপ ব্যর্থ হলে ও সম্ভাবনা থাকলে পরবর্তী সময়ে অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। 

এর আগে সকাল ১০টায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী ক্যাম্পাসে পৌঁছালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাত নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, সফল উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষার্থীদের মুক্ত আলোচনা এবং নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

অমিয়/

স্বর্ণের দাম আরও কমল, ভরি কত?

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৪১ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
স্বর্ণের দাম আরও কমল, ভরি কত?
ছবি: সংগৃহীত

একদিনের ব্যবধানে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের জন্য ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

অন্তরা/