ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মিরপুর থানার আরেক মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সচিব জিয়াউল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে পাচার-চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ময়মনসিংহে দলিল লেখক মিন্টু হত্যার দায়ে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কেন বদলে গেল ফুটবল? বেঙ্গল ব্রিটিশ আইকন পুরস্কার লাভ করায় লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতাকে সংবর্ধনা মেসিকে ঘিরে নতুন বিতর্ক মাস্কের মহাকাশ পরিকল্পনা নিয়ে অল্টম্যানের উপহাস অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ১০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষে জড়াল আর্জেন্টিনা সমর্থকরা ঢাকাকে গড়তে রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল জাবির বায়ু ও স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা আন্তর্জাতিক জার্নালে ত্রাণসহায়তা বৃদ্ধি ও টেকসই পদক্ষেপ নিন ইরানের তেল বাণিজ্যে ৫০ ব্যক্তি, সংস্থা ও জাহাজে নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের মেসিকে আটকাতে যে পরিকল্পনা করেছেন টমাস টুখেল ম্যারাডোনা থেকে মেসি-হ্যারি কেইন: আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথের ৬০ বছরের ইতিহাস অতীত ভুলে ফাইনালে চোখ ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার ওপরই বেশি চাপ: গেহি মানুষ যতটা খারাপ বলছে আর্জেন্টিনা ততটা খারাপ খেলছে না: স্কালোনি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুন্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব: উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন চরভদ্রাসনে মেছো বিড়াল আটক, দেখতে জনতার ভিড় হারের পর কৌশলগত ও টেকনিক্যাল ভুলকে দায়ী করলেন এমবাপ্পে মার্কিন হামলার পঞ্চম দিনে ইরানে নিহত ২, আহত ২৬০ সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের অংশগ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈশ্বরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ ব্যবসায়ীর জরিমানা চাকরি দেবে প্রাইম ব্যাংক চবি রেলস্টেশনে ছাত্রীকে হেনস্তা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বিচারপতিকে গালিগালাজ মামলার বাদীর, ভারতের সুপ্রিম কোর্টে বিশৃঙ্খলা ক্রিয়াভেঞ্চার ৪.০ এর গ্র্যান্ড ফিনালে: চ্যাম্পিয়ন ‘স্টার্টআপ গ্রিড’ এই মাসেই দুই লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা

কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাতে দোহার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কাতারের উদ্দেশে রওনা হন।

স্পিকারের এ সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির। সফরকালে স্পিকার কাতারের বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কাতারের বর্তমান আমিরের কাছে শোকবার্তা হস্তান্তর করবেন এবং আল থানির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দোহা সফর শেষে স্পিকার আগামী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দেশে ফিরবেন। তবে সফরসঙ্গী পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির দোহা থেকে সংক্ষিপ্ত সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাত যাবেন এবং সেখান থেকে বুধবার (১৫ জুলাই) দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি রবিবার (১২ জুলাই) ৭৪ বছর বয়সে মারা যান। কাতারের আমিরের কার্যালয় এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।

আল থানি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কাতারের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তার ছেলে শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বর্তমান আমির হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এদিকে শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার আগামী ১৬ জুলাই অর্ধদিবস রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছে।

এলিস/অন্তরা/

প্রযুক্তির অপব্যবহার করে পাচার-চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম
প্রযুক্তির অপব্যবহার করে পাচার-চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

সংঘবদ্ধ অপরাধীচক্র কর্তৃক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে এবং মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে নতুন আইন (মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬) অত্যন্ত কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। অপরাধী চক্রের প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল কৌশলের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান মোকাবিলায় আধুনিক আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও জোরদার করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এবং বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে শক্তিশালী আইন, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় ও অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ এ সব গুরুতর আন্তঃদেশিয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি আরও বলেন, নতুন আইনটির সফল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অপরিহার্য।

মন্ত্রী বলেন, নতুন আইনটি মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে; তদন্ত ও বিচার পরিচালনার ক্ষমতা জোরদার করেছে; ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করেছে; এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারিত করেছে। একই সঙ্গে এ আইনে ভুক্তভোগীদের শাস্তি না দেওয়ার আন্তর্জাতিক নীতি সমুন্নত রাখা হয়েছে, যাতে ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে তাদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

অনুষ্ঠানে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নতুন আইন প্রণয়নে র প্রেক্ষাপট, যৌক্তিকতা এবং প্রধান বিধানসমূহ উপস্থাপন করেন। এরপর আইন বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। 

এ আয়োজন মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশের চলমান প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃঢ় নেতৃত্ব ও সমন্বয়মূলক ভূমিকার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), বিচার বিভাগ, প্রসিকিউশন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তর, কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

মো. আলী/থিওটোনিয়াস/

ঢাকাকে গড়তে রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
ঢাকাকে গড়তে রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল
সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: খবরের কাগজ

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানী ঢাকা দেশের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ঢাকা গড়ে ওঠার পর থেকে এখানে দুটি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে—একটি নগর সংস্কৃতি, অন্যটি গ্রামীণ সংস্কৃতি। সবাই এখনো পুরোপুরি শহুরে নাগরিক হয়ে উঠতে পারেনি। শহর যেমন বড় হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে জনসংখ্যা ও বর্জ্যের পরিমাণও।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, আমরা নতুন করে দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। প্রধানমন্ত্রীর যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেই চিন্তাকে এগিয়ে নিতে হবে। ঢাকাকে গড়ে তুলতে হলে নাগরিক দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করতে হবে। এখানে বিএনপি-জামায়াত বা অন্য কোনো রাজনৈতিক পরিচয় দেখার সুযোগ নেই। রাজধানীকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুধু সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। স্কুল পর্যায় থেকেই পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই একটি পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল বলেন, প্রায় প্রতি বছরই বর্ষার সময় বিভিন্ন সংস্থা উন্নয়নকাজ শুরু করে, কারণ ওই সময় প্রকল্পের অর্থ ছাড় হয়। এক সংস্থার কাজ শেষ হওয়ার আগেই অন্য সংস্থা রাস্তা কাটে, যা সমন্বয়হীনতার স্পষ্ট উদাহরণ।

ঢাকার জলাবদ্ধতার জন্য খাল দখল ও প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টিকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা ওয়াসা ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

অন্তরা/

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুন্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব: উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০২:১০ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০২:১০ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুন্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব: উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন
ছবি: খবরের কাগজ

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে লুন্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব। 

সাতটি জেলা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে ছুটে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি যে আবেগ, উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসা এটিই প্রমাণ করে একজন জনগণের নেতা যখন রাষ্ট্র পরিচালনায় আসে, কীভাবে তিনি দেশের মানুষের ভাগ্যকে বদলে দিতে পারেন।

আমরা ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর সেই রুপকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এবং তার হাতকে শক্তিশালী করে বাংলাদেশের বিপর্যস্ত, লুন্ঠিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে তুলবো। সবাই মিলে বিনির্মাণ করব এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে শিক্ষার্থীরা হবে আগামী বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর, মূল অগ্রদূত।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, আমরা চাই এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা, বিরুপ প্রকৃতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে আমাদের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করবে আগামীর বাংলাদেশের কান্ডারী তারাই এবং প্রধানমন্ত্রী যে সমৃদ্ধ এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশের রুপকল্প চেয়েছেন সেটি তাদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে ।

মাহ্দী আমিন বলেন, আজ এখানে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রান্তিক পর্যায় থেকে চলে এসেছে। এখানে যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান , যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ দেখলাম সেগুলোতে কিন্তু আমাদের সেই শিক্ষার্থীরাই অংশগ্রহণ করেছে, যারা সারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উঠে এসেছে। 

বুধবার (১৫ জুলাই) দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে বন্যাকবলিত ৭টি জেলার শিক্ষার্থীরাও প্রবল বন্যা ও নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছোট্ট ছোট্ট শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জেলার স্বাতন্ত্র্য, সাফল্য ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে উপস্থিত হয়েছে। তাঁদের এই উপস্থিতি শুধু তাদের ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতির পাশাপাশি প্রতিকূলতাকে জয় করে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য মানসিকতারও এক অনন্য প্রতিফলন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন, সুনির্দিষ্ট এবং সুবিস্তীর্ণ লক্ষ্য দেখিয়েছেন, যেটি আমরা নির্বাচনী পথযাত্রায় দেখেছি, যেটা দেখেছি নির্বাচনী ইশতেহারে। এবং তার একটি প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আজকে প্রায় ৬৫,০০০ স্কুলে একসঙ্গে আমরা বৃক্ষরোপণ করেছি, প্রায় ২ লক্ষ বৃক্ষ। এই বৃক্ষ রোপণই সমাপ্ত হবে না। আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুলে এই বৃক্ষগুলোকে পরিচর্চা করবে। 

আমরা চাই এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা যেখানে মানবিক মূল্যবোধ থাকবে। যেখানে তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং যেখানে তাদের ভ্যালু এবং প্রিন্সিপালস তৈরি হবে যার কারণেই কিন্তু তারা বাংলাদেশের যে পতাকা সেটি আমাদের বাংলাদেশের ভূখণ্ড ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে প্রসারিত করবে, আরো উঁচুতে নিয়ে যাবে, ইনশা আল্লাহ।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আজকে আমাদের যে শিক্ষা ব্যবস্থা সেখানে কিন্তু সবচাইতে বড় ভূমিকা ছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের। আমাদের যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম রয়েছে গণশিক্ষা, সে গণশিক্ষা কিন্তু শহীদ জিয়ার হাত ধরে সারা বাংলাদেশ জুড়ে ছড়িয়ে গিয়েছিল। আজকে যে মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিত্ব আমরা করছি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সেটি কিন্তু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে শুরু হয়েছিল। 

আর আমাদের আজকে যিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার সুদীর্ঘ রাজনীতিতে তিনি বারবার তৃণমূলে ছুটে গিয়েছেন, বারবার ছুটে গিয়েছেন প্রান্তিক এলাকায় এবং নিশ্চিত করতে চেয়েছেন সব জায়গাতেই অবশ্যই ভালো শিক্ষক থাকতে হবে। অবশ্যই ভালো শিক্ষার্থী থাকতে হবে, অবশ্যই ভালো কারিকুলাম থাকতে হবে।

বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সকলে মিলে সেই শিক্ষা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে চান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, আমরা চাই আগামী বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব যারা করবেন। আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব যারা দেবে, সেই শিক্ষার্থীদের যার যেই সাবজেক্ট পড়তে ভালো লাগে, যার যেই ফিল্ডে ভালো করতে ইচ্ছা হয় রাষ্ট্রের দিক থেকে, সরকারের দিক থেকে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবো।

তিনি বলেন, আমরা চাই  প্রধানমন্ত্রীর যে ভিশন রয়েছে, তার আলোকে সারা বছর জুড়ে সংস্কৃতি এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সন্নিবেশের মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এবং দেশজুড়ে সে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেরা শিক্ষার্থীরা, মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন পাবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, ইতোমধ্যে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের ভিতরে আমরা ২২ লক্ষ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটা ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আগামীতে প্রাইম-মিনিস্টার্স ফুটবল গোল্ড কাপের জন্য তিনি আমাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করবেন। 

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও  বলেন, আজকের এই শিক্ষা পদক অনুষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে বছরের পর বছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে এবারের আয়োজনটি বিশেষভাবে ভিন্নমাত্রা বহন করছে। কারণ, গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছেন, তার অন্যতম ভিত্তি হলো তৃণমূলের ক্ষমতায়ন। দেশের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর লক্ষ্য, স্বপ্ন ও এগিয়ে যাওয়ার অভিযাত্রাকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি ও মূল্যায়নের মাধ্যমে আজকের এই অনুষ্ঠানে সেই দর্শনেরই বাস্তব প্রতিফলন আমরা প্রত্যক্ষ করছি।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মোহাম্মদ আলী/অন্তরা/

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের অংশগ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পিএম
সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের অংশগ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়। ছবি: ফেসবুক পেজ থেকে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বললেন, ‘আসো আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করি, আমাদের এই বাংলাদেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে।’ একই সঙ্গে তিনি শিশুদের প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করেছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সারাদেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একযোগে প্রায় ২ লাখ চারা রোপণ করা হচ্ছে।

তারেক রহমান বলেন, তোমরা চেষ্টা করবে প্রতি বছর একটি করে গাছ লাগানোর জন্য। সেটা তোমার স্কুলে হোক, সেটি তোমার বাসার আশেপাশে হোক, যেখানে যেখানে মনে করবে একটি গাছ রোপণ করা যাবে তোমাদের সকলের কাছে আমার অনুরোধ, একটি করে গাছ রোপণ করবে।

গাছ সম্পর্কে জানার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,যে গাছটি লাগাবে ওই গাছটি কী গাছ? ওই গাছটি কত দিন বাঁচে? ওই গাছটি কী পরিমাণ অক্সিজেন উৎপাদন করে? ওই গাছটি মানুষের কী কী উপকারে লাগে—এই বিষয়গুলো তোমরা ইন্টারনেট ঘেঁটে রিসার্চ করবে। তাহলে প্রতি বছর তুমি একটি গাছ সম্পর্কে জানতে পারবে,

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গাছগুলো যখন বড় হবে; সেটি তোমার স্কুলেই হোক, সেটি তোমার বাসায় হোক, যদি স্কুলে বড় হয় দেখবে সব বন্ধুরা যখন খেলতে খেলতে ক্লান্ত হয়ে যাবে, ওই গাছের ছায়ায় সুন্দর করে বিশ্রাম করতে পারবে। একইভাবে বাসায় যদি গাছ রোপণ করো, ওই বাসার আশেপাশে গাছটা যখন বড় হবে, যখন সুন্দর বাতাস বইবে, দেখবে যে ঘরে বসে তুমি ওই বাতাস উপভোগ করতে পারবে। 

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী প্রাণ-প্রকৃতি বিষয়ক শিশু শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে ঘুরে দেখেন।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অন্তরা/

এই মাসেই দুই লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
এই মাসেই দুই লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা
ছবি: খবরের কাগজ

চলতি জুলাই মাসে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের ওপর সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন মাসে বৃষ্টি কম হলেও জুলাই মাসে স্বাভাবিকের চাইতে বেশি বৃষ্টি হবে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। 

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, একটি লঘুচাপের ধকল সামলানোর আগেই বঙ্গোপসাগরে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি মাসের ৫ জুলাই সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রথমে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হলেও পরে তা সিলেটসহ প্রায় সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। আর প্রবল বর্ষণে অন্তত ১১টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধ ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কিছুটা কমলেও ১৭ তারিখ থেকে আবারও অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তবে বৃষ্টি হলেও বজ্রপাতের পরিমাণ কমবে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত কমে আসবে, এর পর স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি হতে পারে। 

বৃষ্টি হওয়ার সময়টুকু ছাড়া বাকি দিনগুলোতে থাকবে ভ্যাপসা গরম। বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্পের কারণেই গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে, বলছে আবহাওয়া অফিস।

অন্তরা/