ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশ কোনো একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের জন্য নয়: মির্জা ফখরুল স্পিডবোট রক্ষণাবেক্ষণের সময় নদীতে পড়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি নিখোঁজ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক চেক প্রতারণার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন স্বাস্থ্যসেবার দাবিতে হাঁটু পানিতে নিঝুমদ্বীপবাসী ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব: মাহাদী আমীন বগুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত নতুন উপজেলা ও পৌরসভার দাবিতে শৈলকুপায় মানববন্ধন গুগল পিক্সেল ওয়াচের ছবি ফাঁস ব্রিডিং গ্রাউন্ডের অফলাইন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে দালালবিরোধী অভিযান, আটক ১৪ তরুণদের দক্ষতায় বদলে যাবে আগামীর বাংলাদেশ জয়ধ্বনি আর উচ্ছ্বাসে মানিকগঞ্জে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা দুর্নীতির মামলায় বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহন সিসা দূষণে ঝুঁকিতে কোটি কোটি শিশু, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি রথযাত্রা: ভালোবাসা ও সম্প্রীতির এক অবিরাম স্রোত শহিদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় অর্ধেক চেয়ার খালি, হতাশ মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী সুশাসনের সঙ্গে টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা জরুরি হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু রক্ষক যখন ভক্ষক সংগঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র জাহাঙ্গীর হত্যায় ‘ভাড়াটে খুনি’ গ্রেপ্তার, পুলিশের দাবি ঢাকা থেকে আনা হয়েছিল আমি কখনো প্রেম করিনি: দীঘি ব্রাজিলের পরবর্তী সুপারস্টার কে এই কাওয়ান বাসিলে ? নতুন প্রেমে শেহনাজ! মেসির কোলে শিশু ইয়ামাল, ভাইরাল ছবি কি সত্য গল্প? আখাউড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির মৃত্যু নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডে ৫.৬২ মাত্রার ভূমিকম্প নরসিংদীতে পানিতে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু আবহাওয়ার উন্নতি, বান্দরবানে উন্মুক্ত পর্যটনকেন্দ্র

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার ওপরই বেশি চাপ: গেহি

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার ওপরই বেশি চাপ: গেহি
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের আগে মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে এগিয়ে থাকার চেষ্টা করছে ইংল্যান্ড। দলের ডিফেন্ডার মার্ক গেহির দাবি, ম্যাচে চাপের পুরো ভারই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাঁধে। 

গেহি বলেন, ‘আমাদের ওপর কোনো চাপ নেই। সব চাপ আর্জেন্টিনার। ওরাই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং শিরোপা ধরে রাখার দায়িত্বও ওদেরই। আমাদের হারানোর কিছু নেই। এমন বড় মঞ্চে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের বিপক্ষে খেলার সুযোগ সবাই উপভোগ করতে চায়। আমরা এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।’

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ থাকবেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। চলতি আসরে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মেসি আট গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন।

তবে গেহি বলেন, ‘মেসি নিঃসন্দেহে সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তাকে থামানোর জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। কিন্তু আর্জেন্টিনায় আরও অনেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছে। তাই শুধু একজনকে নয়, পুরো দলকে মাথায় রেখেই আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে।’

আজকের সেমিফাইনালে জয় পেলে ১৯৬৬ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠবে ইংল্যান্ড। আর সেই ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে স্পেন।

পাপ্পু/অন্তরা/

মেসির কোলে শিশু ইয়ামাল, ভাইরাল ছবি কি সত্য গল্প?

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
মেসির কোলে শিশু ইয়ামাল, ভাইরাল ছবি কি সত্য গল্প?
ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ যখন তুঙ্গে। এমন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ভাইরাল হয়েছে লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালের একটি পুরোনো ছবি। ছবিতে দেখা যায়, ২০ বছর বয়সী মেসির কোলে শিশু ইয়ামালকে গোসল করানো হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই ছবিটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে মনে করলেও, বাস্তবে এটি একটি সত্য ঘটনা।

২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে ইউনিসেফ এবং এফসি বার্সেলোনা ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য ছবিটি তোলা হয়েছিল। ওই ফটোশুটের আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট জানান, এটি ছিল একটি চ্যারিটি ক্যাম্পেইনের অংশ। স্থানীয় পরিবারগুলোর মধ্যে লটারির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী নির্বাচন করা হয় এবং সৌভাগ্যক্রমে লামিনে ইয়ামালের পরিবার সেই সুযোগ পায়। কাকতালীয়ভাবে, শিশু ইয়ামালের সঙ্গে ছবি তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বার্সেলোনার তরুণ প্রতিভা লিওনেল মেসিকে।

তখন কেউ কল্পনাও করেননি, মেসির কোলে থাকা সেই শিশুই একদিন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হবে। ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্পর্কে ইয়ামাল জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন তিনি নিজেই ছবিটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতেন না। পরে তার বাবার কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারেন। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

মেসি এই ফটোশুট নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও ইয়ামালের প্রতিভার প্রশংসা একাধিকবার করেছেন। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক বলেছেন, ইয়ামালকে দেখলে তার নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিনের কথা মনে পড়ে। এত অল্প বয়সেই ইয়ামাল যেভাবে নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

প্রায় দুই দশক আগে দাতব্য উদ্যোগের একটি স্মরণীয় মুহূর্তে একই ফ্রেমে ধরা পড়েছিলেন মেসি ও ইয়ামাল। সময়ের পরিক্রমায় সেই ছবিই আজ ইতিহাসের অংশ। আর এখন ফুটবল বিশ্বের নজর তাদের সম্ভাব্য আরেকটি মুখোমুখি লড়াইয়ের দিকে।

পাপ্পু/

দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন মেসি

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০৬ পিএম
দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন মেসি
লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে লিওনেল মেসি। ব্রাজিলের কিংবদন্তি কাফুর পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

বুধবারের (১৫ জুলাই) সেমিফাইনালে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা। তার দুটি নিখুঁত অ্যাসিস্টে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে মেসির বাড়ানো বল থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির দারুণ ক্রস থেকে হেডে জয়সূচক গোল করেন বদলি ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্টিনেজ।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

এটি হবে মেসির টানা দ্বিতীয় এবং ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। এর আগে ২০১৪ সালে প্রথমবার ফাইনালে খেলেছিলেন তিনি। সেবার জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা। পরে ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করেন মেসি।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এর আগে তিনটি ফাইনাল খেলার কীর্তি ছিল শুধু ব্রাজিলের কিংবদন্তি উইং-ব্যাক কাফুর। তিনি ১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছিলেন। এর মধ্যে ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল।

এদিকে, ফাইনালে স্পেনকে হারাতে পারলে ইতিহাসের পাতায় আরও একটি অনন্য কীর্তি গড়বে আর্জেন্টিনা। ইতালি (১৯৩৪ ও ১৯৩৮) এবং ব্রাজিলের (১৯৫৮ ও ১৯৬২) পর মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব অর্জন করবে আলবিসেলেস্তেরা।

পাপ্পু/অন্তরা/

পিকফোর্ডের পানির বোতলে আর্জেন্টিনাকে ঠেকানোর গোপন ছক!

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পিএম
পিকফোর্ডের পানির বোতলে আর্জেন্টিনাকে ঠেকানোর গোপন ছক!
ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে উত্তেজনাপূর্ণ সেই ম্যাচের পর আলোচনায় এসেছে আরেকটি চমকপ্রদ ঘটনা। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের পানির বোতলে পাওয়া গেছে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারদের নিয়ে তৈরি একটি কৌশলগত নোট।

ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা যখন সমর্থকদের সঙ্গে জয় উদযাপনে ব্যস্ত, তখন দলের ম্যাসাজ থেরাপিস্ট মার্সেলো ‘ড্যাডি’ ডি’আন্দ্রেয়ার হাতে আসে পিকফোর্ডের পানির বোতল। বোতলের গায়ে লাগানো একটি কাগজে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য পেনাল্টি নেওয়া খেলোয়াড়দের নাম এবং তারা সাধারণত কোন দিকে শট নিতে পছন্দ করেন, সেই তথ্য।

টেলিভিশন ক্যামেরায় দেখা যায়, ডি’আন্দ্রেয়া সেই কাগজ নিয়ে যান লিওনেল মেসি, নিকোলাস গঞ্জালেস ও মার্কোস সেনেসির কাছে। মেসি মনোযোগ দিয়ে নোটটি পড়েন। পরে সতীর্থদের সঙ্গে সেটি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। যদিও ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়নি, তবে পেনাল্টি শুটআউট হলে এই তথ্যই হতে পারত পিকফোর্ডের বড় অস্ত্র।

শুধু মেসি বা গঞ্জালেস নয়, ওই তালিকায় ছিল ম্যাচে গোল করা এনজো ফার্নান্দেজের নামও। নিজের নাম দেখে হেসে ফেলেন এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। পরে আকাশের দিকে তাকিয়ে ইশারা করেন, যেন টাইব্রেকারে যেতে না হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করছেন তিনি।

পরে আর্জেন্টিনার ফিটনেস কোচ লুইস মার্তিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই নোটের ছবি প্রকাশ করেন। সেখানে দেখা যায়, সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারদের জন্য আলাদা আলাদা নির্দেশনা প্রস্তুত করে রেখেছিল ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট।

পাপ্পু/অন্তরা/

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি ভাগ্য গড়ে গোল্ডেন বুটের?

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি ভাগ্য গড়ে গোল্ডেন বুটের?
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ সময়ে এসে দর্শকদের মনে একটি প্রশ্ন প্রায়ই দেখা দেয়। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোল কি গোল্ডেন বুটের হিসাবের মধ্যে ধরা হয়? উত্তর হলো, হ্যাঁ। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ম্যাচে করা গোলই সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারের দৌড়ে সমানভাবে বিবেচিত হয়।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ, নকআউট পর্ব, ফাইনাল কিংবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী-সব ম্যাচের গোলই গোল্ডেন বুটের হিসাবের অংশ।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার স্ট্রাইকার ডেভোর সুকের নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয়সূচক গোল করেন। সেটি ছিল তার টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ গোল। ওই গোলের মাধ্যমে তিনি আর্জেন্টিনার গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতাকে পেছনে ফেলে এককভাবে গোল্ডেন বুট জিতে নেন।

২০১০ বিশ্বকাপেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। জার্মানির থমাস মুলার উরুগুয়ের বিপক্ষে গোল করে নিজের গোলসংখ্যা পাঁচে উন্নীত করেন। পরে গোলের সঙ্গে অ্যাসিস্টের হিসাব মিলিয়ে তিনিই জিতে নেন সেই আসরের গোল্ডেন বুট।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে প্রথমে বিবেচনা করা হয় অ্যাসিস্টের সংখ্যা। সেখানেও সমতা থাকলে দেখা হয় কে কম সময় মাঠে খেলেছেন। অর্থাৎ, গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্ট ও মাঠে কাটানো সময়ও হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ।

তাই ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারালেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নামা খেলোয়াড়দের সামনে থাকে বড় ব্যক্তিগত অর্জনের সুযোগ।

পাপ্পু/অন্তরা/

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পরও টুখেলের ওপর আস্থা ইংল্যান্ডের

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পরও টুখেলের ওপর আস্থা ইংল্যান্ডের
টমাস টুখেল। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও থমাস টুখেলের ওপর আস্থা হারাচ্ছে না ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। ২০২৮ সালের ইউরো কাপ পর্যন্ত ইংল্যান্ড জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন টুখেল।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে শুরুটা ভালো করেছিল ইংল্যান্ড। ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় তারা। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ সমতা ফেরানোর পর ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের হেডে জয় নিশ্চিত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই টুখেলের সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি বাড়িয়েছিল এফএ। দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য পূরণ করতে না পারলেও টুখেলকেই দায়িত্বে রাখতে চায় ইংলিশ ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এফএর প্রধান নির্বাহী মার্ক বুলিংহাম বলেন, ‘এত কাছে গিয়েও এভাবে হেরে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টদায়ক। খেলোয়াড় ও থমাস আজ নিজেদের সবটুকু দিয়েছেন। পুরো টুর্নামেন্টে দল, কোচ ও স্টাফরা অসাধারণ পরিশ্রম করেছেন। তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ডের সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা, যাদের সমর্থন আমরা প্রতিটি মুহূর্তে অনুভব করেছি।’

দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে টুখেল বলেন, ‘বিশ্বকাপ এখনও শেষ হয়নি। আমাদের ফ্রান্সের বিপক্ষে আরও একটি ম্যাচ খেলতে হবে। যদিও এই ম্যাচের জন্য আমাদের আবেগ কিছুটা কম, তবুও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরপর আমরা আমাদের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাব। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইউরো পর্যন্ত আমার চুক্তি রয়েছে এবং আমি সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই। যদিও এই মুহূর্তে এত দূরের কথা ভাবা কিছুটা কঠিন।

পাপ্পু/অন্তরা/