বিশ্বকাপের শেষ সময়ে এসে দর্শকদের মনে একটি প্রশ্ন প্রায়ই দেখা দেয়। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোল কি গোল্ডেন বুটের হিসাবের মধ্যে ধরা হয়? উত্তর হলো, হ্যাঁ। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ম্যাচে করা গোলই সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারের দৌড়ে সমানভাবে বিবেচিত হয়।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ, নকআউট পর্ব, ফাইনাল কিংবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী-সব ম্যাচের গোলই গোল্ডেন বুটের হিসাবের অংশ।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার স্ট্রাইকার ডেভোর সুকের নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয়সূচক গোল করেন। সেটি ছিল তার টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ গোল। ওই গোলের মাধ্যমে তিনি আর্জেন্টিনার গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতাকে পেছনে ফেলে এককভাবে গোল্ডেন বুট জিতে নেন।
২০১০ বিশ্বকাপেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। জার্মানির থমাস মুলার উরুগুয়ের বিপক্ষে গোল করে নিজের গোলসংখ্যা পাঁচে উন্নীত করেন। পরে গোলের সঙ্গে অ্যাসিস্টের হিসাব মিলিয়ে তিনিই জিতে নেন সেই আসরের গোল্ডেন বুট।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে প্রথমে বিবেচনা করা হয় অ্যাসিস্টের সংখ্যা। সেখানেও সমতা থাকলে দেখা হয় কে কম সময় মাঠে খেলেছেন। অর্থাৎ, গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্ট ও মাঠে কাটানো সময়ও হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ।
তাই ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারালেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নামা খেলোয়াড়দের সামনে থাকে বড় ব্যক্তিগত অর্জনের সুযোগ।
পাপ্পু/অন্তরা/