ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
খাদ্য অধ্যায়ের ১টি বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান ইসলামে মুতা বিয়ের আসল বিধান কী? সদর দপ্তরের অবস্থান নিয়ে বিভক্ত ফটিকছড়ি উত্তর, চলছে হরতাল আলজেরিয়ায় এতিমখানায় আগুনে মৃত ১১ অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থীর আন্দোলনকে গুরুত্ব দিচ্ছে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরসিংদীর পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু, আহত ৩ লক্ষ্মীপুরে জুলাই শহিদ দিবস পালন মাদককারবারিকে পালানোর সহায়তা করায় পুলিশের সোর্স গ্রেপ্তার বোয়ালখালীতে কনফিডেন্সের লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১১ শ্রমিক দগ্ধ মাজারে ‘শিকল সাইজি’ সেজেও রক্ষা হলো না মানিকের খুনি লিটনের জ্বর রোগ নয়, রোগের লক্ষণ দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন মেসি সাতক্ষীরায় জলবায়ু সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীদের মানববন্ধন সিসিকের উদ্যোগে স্যাটেলাইট স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ পিকফোর্ডের পানির বোতলে আর্জেন্টিনাকে ঠেকানোর গোপন ছক! জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে: এমপি মানিক বিশ্বকাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে টম ক্রুজ নেত্রকোণায় আর্জেন্টিনার জয়ে ভিডিও করতে গিয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু বাংলাদেশেও আসছে নোলানের নতুন ঝড় ‘দ্য ওডিসি’ বাগেরহাটের চিরকুট লিখে চিরতরে হারিয়ে গেলেন স্বামী-স্ত্রী তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি ভাগ্য গড়ে গোল্ডেন বুটের? পাবনায় অ্যাম্বুলেন্স-বাস সংঘর্ষে নিহত ৩ বিষণ্নতায় নারীদের জেনেটিক ঝুঁকি পুরুষদের চেয়ে দ্বিগুণ ডিজিটাল যুগে নারীর ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা দেশপ্রেম আর আত্মত্যাগের প্রতীক তারামন বিবি বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পরও টুখেলের ওপর আস্থা ইংল্যান্ডের ‘গণিতের নোবেল’ মারিয়াম মির্জাখানি ইংল্যান্ড বধের জয় মারাডোনাকে উৎসর্গ করলেন মেসি ঘনীভূত হচ্ছে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত মায়ানমারে ট্রলারডুবিতে ৫০০ রোহিঙ্গা মৃত্যুর আশঙ্কা জাতিসংঘের

মাজারে ‘শিকল সাইজি’ সেজেও রক্ষা হলো না মানিকের খুনি লিটনের

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:১৯ পিএম
মাজারে ‘শিকল সাইজি’ সেজেও রক্ষা হলো না মানিকের খুনি লিটনের
আসামি লিটন। ছবি: খবরের কাগজ

মাগুরা জেলার আলোচিত ‘মানিক লাল ডোম’ হত্যা মামলার দীর্ঘ ৫ বছর ধরে পলাতক আসামি লিটনকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 

বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি দল ঢাকা মেট্রোপলিটনের শাহ-আলী মাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার বিবরণ ও আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম মানিক লাল ডোম মাগুরা সদর থানাধীন হাসপাতাল পাড়ার (ডোমপাড়া) বাসিন্দা ছিলেন। ২০২১ সালের ২৯ জুন রাতে ভিকটিম তার ৯ বছর বয়সী ছেলে সান বাবুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ৩০ জুন ভোরে সানবাবু ঘুম থেকে জেগে তার বাবাকে ঘরের মেঝেতে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরবর্তীতে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এর আগে এই মামলার অন্যতম আসামি মেহেদী হাসান আকাশ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি জানান, গাঁজা বিক্রির টাকার ভাগাভাগি নিয়ে ভিকটিম মানিক লালের সঙ্গে ঝন্টু, লিটন সাইজিসহ অন্যদের বিরোধ তৈরি হয়। এরই জের ধরে ২০২১ সালের ৩০ জুন রাতে আসামিরা ঘুমন্ত মানিক লালের ঘরে ঢুকে দা দিয়ে গলাকেটে তাকে হত্যা করে।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামি লিটন নিজেকে আড়াল করতে দেশের বিভিন্ন মাজারকেন্দ্রিক ‘শিকল সাইজি’ ছদ্মনাম ধারণ করে আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অবশেষে র‌্যাব তাকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়।

আজিজুল হাকিম/তামান্না রুপা/

ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণির শিশুকে যৌন নিপীড়ন, যুবক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণির শিশুকে যৌন নিপীড়ন, যুবক গ্রেপ্তার
তহুরুল মোল্লা তরি

পাবনার ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১০) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মো. তহুরুল মোল্লা তরি (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) শিশুটির বাবা আব্দুল মালেক যৌন নিপীড়নের অভিযোগে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। 

শিশুটির বাড়ি উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের খড়ের দাইড় এলাকায়। শিশুটি ইউনিয়নের সুতানদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

আসামি তহুরুল মোল্লা তরি একই এলাকার বাসিন্দা। 

মামলার সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে খয়ের দাইড় এলাকায় প্রায়ই  শিশুটিকে উত্ত্যক্ত করত। খারাপ কথাবার্তা বলতো তহুরুল মোল্লা। গত ১২ জুলাই বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ছুটি শেষে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে খড়ের দাইড় এলাকায় তহুরুল মোল্লার বাড়ির সামনে এলে তহুরুল ওই শিশুর পথরোধ করে। যৌন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে তাকে জোরপূর্বক জাপটে ধরে টানাহেঁচড়া করে পোশাক ছিঁড়ে ফেলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। 

পরে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তার বাবা-মাকে জানায় শিশুটি। পরে তার মা-বাবা তহুরুল মোল্লার পরিবারকে ঘটনা সম্পর্কে জানালে তার পরিবারের সদস্যরা তা কর্ণপাত না করে উল্টো শিশুর পরিবারকে হুমকি দেয় ।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান  জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরই মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে অভিযান চালিয়ে তহুরুল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন/খাদিজা রুমি/

বেতের আঘাতে ফেটে গেল শিশুর হাত, কান্না থামাতে মুখে কলম

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম
বেতের আঘাতে ফেটে গেল শিশুর হাত, কান্না থামাতে মুখে কলম
আহত মাদরাসাছাত্র আল-রাফি। ছবি: খবরের কাগজ

সাত বছরের ছোট্ট আল-রাফির জীবনে মায়ের স্নেহ নেই। সেই শূন্যতা নিয়েই বাবার হাত ধরে তার স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে মানুষ হওয়ার। নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় বাবা তাকে ভর্তি করেছিলেন স্থানীয় এক মাদরাসায়। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠানে আদর, শিক্ষা আর মানবিকতা পাওয়ার কথা ছিল, সেখান থেকেই সে ফিরে এল কান্না, ফুলে যাওয়া হাত আর ভয়াবহ মানসিক আতঙ্ক নিয়ে।

অভিযোগ উঠেছে, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চরতিল্লি দারুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানার সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে। বেত্রাঘাতে আল-রাফির (৭) বাম হাতের কনুইয়ের ওপরের হাড় ফেটে গেছে তারই বেতের আঘাতে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (১১ জুলাই) সকালে। ঘটনার দিনই অভিযুক্ত শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাটুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন আল-রাফির বাবা মো. মিজানুর রহমান।

শিশুটির বাবা জানান, প্রতিদিনের মতো সেদিনও ছেলে মাদরাসায় গিয়েছিল। কিন্তু সকাল পৌনে ৯টার দিকে কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরে আসে। আর এসেই বলে আমি আর জীবনে মাদরাসায় যাবো না। পরে ছেলে আমাকে ঘটনা খুলে বলে। পরে দেখি ছেলের বাম হাত ফুলে গেছে, সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে আছে। আর পিঠে বেতের আঘাতে দাগ হয়ে গেছে। পরে দ্রুত মানিকগঞ্জ শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়া হলে এক্স-রে পরীক্ষায় দেখা যায়, তার বাম হাতের কনুইয়ের ওপরের হাড় ফেটে গেছে।

আল-রাফি জানায়, পড়া ঠিকমতো না পারায় সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহ মোটা বেত দিয়ে প্রথমে পিঠে, পরে হাতে আঘাত করেন এবং গালে একটি থাপ্পড় দেন। ব্যথায় চিৎকার করে কাঁদতে থাকলে তার মুখে একটি কলম গুঁজে দিয়ে বলা হয়, ২০ থেকে ২৫ মিনিটের আগে সেটি মুখ থেকে পড়ে গেলে আবারও মারধর করা হবে।

এ ঘটনার পর শিশুটি শুধু শারীরিকভাবেই নয়, মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছে বলে জানান তার বাবা। এখন মাদরাসার নাম শুনলেই সে ভয় পায়। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম শুনলেও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

আল রাফির দাদা ও দাদির সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, আমার নাতিটি মা-হারা। পড়া না পারায় তাকে এমনভাবে পিটিয়েছে যে হাতের হাড় ফেটে গেছে। মারধরের পর যাতে সে কান্না করতে না পারে, সেজন্য মুখে কলম গুঁজে দিয়েছিল। এলাকার মুরুব্বি ও মাদরাসার কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার চেয়ে কোনো প্রতিকার পাইনি। উল্টো অভিযুক্ত শিক্ষককে পালানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমি চাই এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হোক। আর কোনো শিশুকে যেন এভাবে নির্যাতনের শিকার হতে না হয়। ওর দিকে তাকালেই কান্নায় বুকটা ফেটে যায়।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহ ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ছেলেটি পড়ার সময় অমনোযোগী ছিল। তাই তাকে দুটি বাড়ি দিয়েছি। একটি হাতে লেগেছে, আরেকটি নড়াচড়া করায় অন্য জায়গায় লেগেছে। তখন বুঝতে পারিনি, পরে শুনেছি হাতের হাড় ফেটে গেছে। এটা আমার অনেক বড় অন্যায় হয়েছে। আমি অধ্যক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. ওমর ফারুক ঘটনাটিকে অন্যায় স্বীকার করে বলেন, ‘আব্দুল্লাহ হুজুর নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। আগামী শুক্রবার বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে। বিচার শেষে অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ায় পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। মামলা করার জন্য তাদেরকে আহ্বান করা হয়েছে। কিন্তু তারা এখনও আসেনি। তারা আসলে মামলা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আসাদ/নাঈম

বোদায় বিস্কুটের প্রলোভনে দুই শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ, তারপর...

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
বোদায় বিস্কুটের প্রলোভনে দুই শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ, তারপর...
আটক আসামি মো. আমিনুল। ছবি: খবরের কাগজ

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে পাঁচ ও ছয় বছর বয়সী দুটি শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আমিনুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে অভিযুক্ত আমিনুলকে গ্রেপ্তার করেছে বোদা থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী দুই শিশু তার প্রতিবেশী ছিল। এ ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুরা অভিযুক্ত আমিনুলকে ‘দাদু’ বলে ডাকত। এই সুবাদে তারা মাঝেমধ্যে আমিনুলের বাড়িতে খেলতে যেত। বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা কেউ না থাকার সুযোগে আমিনুল কৌশলে বিস্কুট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুদের বিভিন্ন সময়ে নিজের বসতবাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করতেন এবং ঘটনার পর শিশুদের কান্না করতে নিষেধ করতেন। শিশুরা যদি এ ঘটনা কাউকে জানায় তাহলে শিশুদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন।

গত শুক্রবার ও শনিবার ৬ বছর বয়সী শিশুকে এবং রবিবার একইভাবে ৫ বছর বয়সী অন্য শিশুকে ধর্ষণ করেন আমিনুল।

ভুক্তভোগী এক শিশুর বড় আম্মা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, শিশু দুটিকে অস্বাভাবিক কান্না করতে দেখে তিনি কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করেন। তখন ৬ বছর বয়সী শিশুটি ভয়ে কিছুই বলতে না পেরে শুধু কাঁদছিল। এরপর পাঁচ বছর বয়সী শিশুটি প্রচণ্ড ব্যথার কথা জানিয়ে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যদের জানানো হয় এবং পরে তাদের চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাছুদ হাসান বলেন, গত রাতে দুটি শিশুকে তাদের পরিবার ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। শারীরিক পরীক্ষার সময় শিশুদের শরীরে আঘাতের দাগ পাওয়া গেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছি। শিশু দুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ আছে।

বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মো. আমিনুল ইসলামকে আটক করেছি। এ ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলার এজহার দায়ের করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।

রনি/নাঈম

দাউদকান্দিতে হত্যা মামলার  ৪ আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম
দাউদকান্দিতে হত্যা মামলার  ৪ আসামি গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার চারজন/ খবরের কাগজ

কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার কুশিয়ারা গ্রামের মকবুল হোসেন ( ৫৪) হত্যা মামলার চার আসামিকে গাজীপুর জেলার টঙ্গী পশ্চিম  থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গতকাল সোমবার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর জেলার টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকা থেকে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫), মো. বাবু মিয়া (২২), মোছাম্মৎ শাহানারা বেগম (৩৮),  মো. হানিফ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ২৩ জুন সকালে উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের কুশিয়ারা গ্রামের মো. ইকবাল হোসেনের বসত ঘরের সামনে জায়গা জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে মো. মকবুল হোসেনকে বিবাদীরা মারধর করেন। গুরুতর জখম হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মকবুল হোসেন মারা যান।

এর পরে ২৭ জুন মকবুল হোসেনের ছেলে মো. ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর আসামিরা বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে ছিলেন।

লিটন সরকার/তামান্না রুপা/

বরগুনায় নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
বরগুনায় নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার
নিহত শিপন হাওলাদারের মরদেহ উদ্ধারের সময় স্থানীয়দের ভীড়/ খবরের কাগজ

বরগুনায় দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে শিপন হাওলাদার (২৫) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের আমড়াঝুড়ি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা শিপন হাওলাদারের বাড়ির দক্ষিণ দিকের বেতঝোপে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ করেন। কাছে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ১১ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিপন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বলেন, বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

মহিউদ্দিন অপু/তামান্না রুপা/