ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
স্পেনকে হারানোর মতো যোগ্যতা আমাদের ছিল না: দিদিয়ে দেশম স্পেন বিশ্বের সেরা দল: দে লা ফুয়েন্তে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার দাবি চাঁদপুরে ডাকাতির ঘটনায় গৃহবধূ নিহত, আহত আরেক গৃহবধূ ইস্পাহানি কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড প্রাইমারি স্কুলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান স্ত্রী চলে যাওয়ায় হতাশা! সন্তানসহ বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা দুপুরের মধ্যে ৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু আজ লক্ষ্মীপুরে দাদাকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার আসামি নাতি গ্রেপ্তার ১৫ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি ফতুল্লায় গ্যাস পাইপ থেকে অবৈধ সংযোগ নেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণির শিশুকে যৌন নিপীড়ন, যুবক গ্রেপ্তার এয়ারএশিয়ার মূল দর্শনই হচ্ছে সাশ্রয়ী ভ্রমণ নিশ্চিত করা ধোনির কানে থাকা এই ছোট্ট যন্ত্রের কাজ কী? ফাঁস হলো আসল রহস্য জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে আইজেনকট জিআই সনদ পাচ্ছে আরও ৪ পণ্য ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি আইআরজিসি কমান্ডারের অতিবৃষ্টিতে দাম বেড়েছে সবজি, মাছ ও মাংসের আল-আকসা মসজিদের সব ফটক বন্ধ করল ইসরায়েল সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড: ইতিহাস, পরিসংখ্যান ও সম্ভাবনার লড়াই ব্যবসায়ী শওকতের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণের অপেক্ষায় দুদক কৃচ্ছ্রসাধনে সরকারের নানা পদক্ষেপ চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়: অনিয়মই যেখানে নিয়ম ফুটবলের সীমানা ছাপানো এক লড়াই এক সপ্তাহে সাপে কেটেছে ১০৫ জনকে স্প্যানিশ সিম্ফনিতে ম্লান বাস্তিল দুর্গ ‍তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অপেক্ষায় বাসিন্দারা বন্যায় ঝুঁকিতে শিশুরা ১৫ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৫ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল

ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণির শিশুকে যৌন নিপীড়ন, যুবক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণির শিশুকে যৌন নিপীড়ন, যুবক গ্রেপ্তার
তহুরুল মোল্লা তরি

পাবনার ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১০) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মো. তহুরুল মোল্লা তরি (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) শিশুটির বাবা আব্দুল মালেক যৌন নিপীড়নের অভিযোগে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। 

শিশুটির বাড়ি উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের খড়ের দাইড় এলাকায়। শিশুটি ইউনিয়নের সুতানদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

আসামি তহুরুল মোল্লা তরি একই এলাকার বাসিন্দা। 

মামলার সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে খয়ের দাইড় এলাকায় প্রায়ই  শিশুটিকে উত্ত্যক্ত করত। খারাপ কথাবার্তা বলতো তহুরুল মোল্লা। গত ১২ জুলাই বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ছুটি শেষে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে খড়ের দাইড় এলাকায় তহুরুল মোল্লার বাড়ির সামনে এলে তহুরুল ওই শিশুর পথরোধ করে। যৌন কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে তাকে জোরপূর্বক জাপটে ধরে টানাহেঁচড়া করে পোশাক ছিঁড়ে ফেলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। 

পরে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তার বাবা-মাকে জানায় শিশুটি। পরে তার মা-বাবা তহুরুল মোল্লার পরিবারকে ঘটনা সম্পর্কে জানালে তার পরিবারের সদস্যরা তা কর্ণপাত না করে উল্টো শিশুর পরিবারকে হুমকি দেয় ।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান  জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরই মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে অভিযান চালিয়ে তহুরুল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন/খাদিজা রুমি/

বেতের আঘাতে ফেটে গেল শিশুর হাত, কান্না থামাতে মুখে কলম

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম
বেতের আঘাতে ফেটে গেল শিশুর হাত, কান্না থামাতে মুখে কলম
আহত মাদরাসাছাত্র আল-রাফি। ছবি: খবরের কাগজ

সাত বছরের ছোট্ট আল-রাফির জীবনে মায়ের স্নেহ নেই। সেই শূন্যতা নিয়েই বাবার হাত ধরে তার স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে মানুষ হওয়ার। নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় বাবা তাকে ভর্তি করেছিলেন স্থানীয় এক মাদরাসায়। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠানে আদর, শিক্ষা আর মানবিকতা পাওয়ার কথা ছিল, সেখান থেকেই সে ফিরে এল কান্না, ফুলে যাওয়া হাত আর ভয়াবহ মানসিক আতঙ্ক নিয়ে।

অভিযোগ উঠেছে, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চরতিল্লি দারুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানার সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে। বেত্রাঘাতে আল-রাফির (৭) বাম হাতের কনুইয়ের ওপরের হাড় ফেটে গেছে তারই বেতের আঘাতে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (১১ জুলাই) সকালে। ঘটনার দিনই অভিযুক্ত শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাটুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন আল-রাফির বাবা মো. মিজানুর রহমান।

শিশুটির বাবা জানান, প্রতিদিনের মতো সেদিনও ছেলে মাদরাসায় গিয়েছিল। কিন্তু সকাল পৌনে ৯টার দিকে কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরে আসে। আর এসেই বলে আমি আর জীবনে মাদরাসায় যাবো না। পরে ছেলে আমাকে ঘটনা খুলে বলে। পরে দেখি ছেলের বাম হাত ফুলে গেছে, সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে আছে। আর পিঠে বেতের আঘাতে দাগ হয়ে গেছে। পরে দ্রুত মানিকগঞ্জ শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়া হলে এক্স-রে পরীক্ষায় দেখা যায়, তার বাম হাতের কনুইয়ের ওপরের হাড় ফেটে গেছে।

আল-রাফি জানায়, পড়া ঠিকমতো না পারায় সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহ মোটা বেত দিয়ে প্রথমে পিঠে, পরে হাতে আঘাত করেন এবং গালে একটি থাপ্পড় দেন। ব্যথায় চিৎকার করে কাঁদতে থাকলে তার মুখে একটি কলম গুঁজে দিয়ে বলা হয়, ২০ থেকে ২৫ মিনিটের আগে সেটি মুখ থেকে পড়ে গেলে আবারও মারধর করা হবে।

এ ঘটনার পর শিশুটি শুধু শারীরিকভাবেই নয়, মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছে বলে জানান তার বাবা। এখন মাদরাসার নাম শুনলেই সে ভয় পায়। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম শুনলেও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

আল রাফির দাদা ও দাদির সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, আমার নাতিটি মা-হারা। পড়া না পারায় তাকে এমনভাবে পিটিয়েছে যে হাতের হাড় ফেটে গেছে। মারধরের পর যাতে সে কান্না করতে না পারে, সেজন্য মুখে কলম গুঁজে দিয়েছিল। এলাকার মুরুব্বি ও মাদরাসার কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার চেয়ে কোনো প্রতিকার পাইনি। উল্টো অভিযুক্ত শিক্ষককে পালানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমি চাই এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হোক। আর কোনো শিশুকে যেন এভাবে নির্যাতনের শিকার হতে না হয়। ওর দিকে তাকালেই কান্নায় বুকটা ফেটে যায়।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহ ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ছেলেটি পড়ার সময় অমনোযোগী ছিল। তাই তাকে দুটি বাড়ি দিয়েছি। একটি হাতে লেগেছে, আরেকটি নড়াচড়া করায় অন্য জায়গায় লেগেছে। তখন বুঝতে পারিনি, পরে শুনেছি হাতের হাড় ফেটে গেছে। এটা আমার অনেক বড় অন্যায় হয়েছে। আমি অধ্যক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. ওমর ফারুক ঘটনাটিকে অন্যায় স্বীকার করে বলেন, ‘আব্দুল্লাহ হুজুর নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। আগামী শুক্রবার বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে। বিচার শেষে অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ায় পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। মামলা করার জন্য তাদেরকে আহ্বান করা হয়েছে। কিন্তু তারা এখনও আসেনি। তারা আসলে মামলা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আসাদ/নাঈম

বোদায় বিস্কুটের প্রলোভনে দুই শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ, তারপর...

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
বোদায় বিস্কুটের প্রলোভনে দুই শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ, তারপর...
আটক আসামি মো. আমিনুল। ছবি: খবরের কাগজ

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে পাঁচ ও ছয় বছর বয়সী দুটি শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আমিনুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে অভিযুক্ত আমিনুলকে গ্রেপ্তার করেছে বোদা থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী দুই শিশু তার প্রতিবেশী ছিল। এ ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুরা অভিযুক্ত আমিনুলকে ‘দাদু’ বলে ডাকত। এই সুবাদে তারা মাঝেমধ্যে আমিনুলের বাড়িতে খেলতে যেত। বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা কেউ না থাকার সুযোগে আমিনুল কৌশলে বিস্কুট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুদের বিভিন্ন সময়ে নিজের বসতবাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করতেন এবং ঘটনার পর শিশুদের কান্না করতে নিষেধ করতেন। শিশুরা যদি এ ঘটনা কাউকে জানায় তাহলে শিশুদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন।

গত শুক্রবার ও শনিবার ৬ বছর বয়সী শিশুকে এবং রবিবার একইভাবে ৫ বছর বয়সী অন্য শিশুকে ধর্ষণ করেন আমিনুল।

ভুক্তভোগী এক শিশুর বড় আম্মা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, শিশু দুটিকে অস্বাভাবিক কান্না করতে দেখে তিনি কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করেন। তখন ৬ বছর বয়সী শিশুটি ভয়ে কিছুই বলতে না পেরে শুধু কাঁদছিল। এরপর পাঁচ বছর বয়সী শিশুটি প্রচণ্ড ব্যথার কথা জানিয়ে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যদের জানানো হয় এবং পরে তাদের চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাছুদ হাসান বলেন, গত রাতে দুটি শিশুকে তাদের পরিবার ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। শারীরিক পরীক্ষার সময় শিশুদের শরীরে আঘাতের দাগ পাওয়া গেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছি। শিশু দুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ আছে।

বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মো. আমিনুল ইসলামকে আটক করেছি। এ ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলার এজহার দায়ের করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।

রনি/নাঈম

দাউদকান্দিতে হত্যা মামলার  ৪ আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম
দাউদকান্দিতে হত্যা মামলার  ৪ আসামি গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার চারজন/ খবরের কাগজ

কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার কুশিয়ারা গ্রামের মকবুল হোসেন ( ৫৪) হত্যা মামলার চার আসামিকে গাজীপুর জেলার টঙ্গী পশ্চিম  থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গতকাল সোমবার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর জেলার টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকা থেকে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫), মো. বাবু মিয়া (২২), মোছাম্মৎ শাহানারা বেগম (৩৮),  মো. হানিফ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ২৩ জুন সকালে উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের কুশিয়ারা গ্রামের মো. ইকবাল হোসেনের বসত ঘরের সামনে জায়গা জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে মো. মকবুল হোসেনকে বিবাদীরা মারধর করেন। গুরুতর জখম হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মকবুল হোসেন মারা যান।

এর পরে ২৭ জুন মকবুল হোসেনের ছেলে মো. ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর আসামিরা বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে ছিলেন।

লিটন সরকার/তামান্না রুপা/

বরগুনায় নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
বরগুনায় নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার
নিহত শিপন হাওলাদারের মরদেহ উদ্ধারের সময় স্থানীয়দের ভীড়/ খবরের কাগজ

বরগুনায় দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে শিপন হাওলাদার (২৫) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের আমড়াঝুড়ি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা শিপন হাওলাদারের বাড়ির দক্ষিণ দিকের বেতঝোপে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ করেন। কাছে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ১১ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিপন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বলেন, বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

মহিউদ্দিন অপু/তামান্না রুপা/

‎সাঁথিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, সালিশে রফাদফা

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:০২ এএম
‎সাঁথিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, সালিশে রফাদফা
ছবি: খবরের কাগজ

পাবনার সাঁথিয়ায় এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ধর্ষক মহব্বত আলী খাঁকে (৫৫) ২০ ঘা জুতার বাড়ি দিয়ে অব্যাহতি দিয়েছেন গ্রামের প্রধানরা।  

‎স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দুপুর ২টার দিকে  প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাড়ি ফাঁকা পেয়ে মহব্বত আলী ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এরপর কিশোরীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে মহব্বতকে হাতেনাতে ধরেন।

রবিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার হাঁড়িয়াকাহন গ্রামে এ সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। অভিযুক্ত মহব্বত আলী খাঁ সাঁথিয়া উপজেলার গৌরিগ্রাম এলাকার হাঁড়িয়াকাহন এলাকার বাসিন্দা। 

প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রাম্য সালিশে ২০ ঘা জুতা পেটানোর শাস্তি দিয়ে বিষয়টি আপস-মীমাংসা করার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি  আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে সন্ধার দিকে স্থানীয় প্রভাবশালীদের উপস্থিতিতে একটি গ্রাম্য সালিশ ডাকা হয়। সালিশে মহব্বত আলীকে শারীরিক শাস্তি হিসেবে ‘২০টি জুতার বাড়ি’ দেওয়ার রায় দেওয়া হয়। সেখানেই বিচারকার্য সম্পন্ন করা হয়।

একই সঙ্গে উভয় পক্ষকে বিষয়টি নিয়ে আর কোনো ধরনের বিরোধে না জড়ানোর নির্দেশ দিয়ে ঘটনাটি আপস-মীমাংসা করে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

অভিযুক্ত মহব্বত আলীকে গুনে গুনে জুতার বাড়ি দেওয়া হচ্ছে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য জানতে সালিশকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। ‎তবে ধর্ষণচেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগে থানায় মামলা না করে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, ’ঘটনাটি নিয়ে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আমিনুল জুয়েল/খাদিজা রুমি/