ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ম্যারাডোনার স্মৃতিতে অনুপ্রাণিত আর্জেন্টিনা ফাইনালে আর্জেন্টিনাকেই চায় স্পেন মোটরসাইকেলে স্কুলে যাওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায় ২ শিক্ষার্থী আহত খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের গুলি দুবাই স্টাইলে নতুন স্বাদে দুটি আইসক্রিম আনল পোলার লোহাগাড়ায় প্রাইভেটকার থেকে ২ এলজি উদ্ধার, যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ বরগুনায় প্রাথমিকের বৃত্তিতে আপন ৩ বোনের সাফল্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মার্কিন অবরোধ পুনর্বহাল ও নতুন করে হামলা গুলিস্তানে সেলুনে এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০ আজ দুপুরে ছায়াহীন থাকবে পবিত্র কাবা শরিফ জয়ের পর ইয়ামালের পোস্ট ‘আলহামদুলিল্লাহ’ স্পেনকে হারানোর মতো যোগ্যতা আমাদের ছিল না: দিদিয়ের দেশম স্পেন বিশ্বের সেরা দল: দে লা ফুয়েন্তে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার দাবি চাঁদপুরে ডাকাতির ঘটনায় গৃহবধূ নিহত, আহত আরেক গৃহবধূ ইস্পাহানি কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড প্রাইমারি স্কুলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান স্ত্রী চলে যাওয়ায় হতাশা! সন্তানসহ বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা দুপুরের মধ্যে ৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু আজ লক্ষ্মীপুরে দাদাকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার আসামি নাতি গ্রেপ্তার ১৫ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি ফতুল্লায় গ্যাস পাইপ থেকে অবৈধ সংযোগ নেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ ঈশ্বরদীতে চতুর্থ শ্রেণির শিশুকে যৌন নিপীড়ন, যুবক গ্রেপ্তার এয়ারএশিয়ার মূল দর্শনই হচ্ছে সাশ্রয়ী ভ্রমণ নিশ্চিত করা ধোনির কানে থাকা এই ছোট্ট যন্ত্রের কাজ কী? ফাঁস হলো আসল রহস্য জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে আইজেনকট জিআই সনদ পাচ্ছে আরও ৪ পণ্য ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি আইআরজিসি কমান্ডারের অতিবৃষ্টিতে দাম বেড়েছে সবজি, মাছ ও মাংসের আল-আকসা মসজিদের সব ফটক বন্ধ করল ইসরায়েল

স্পেনকে হারানোর মতো যোগ্যতা আমাদের ছিল না: দিদিয়ের দেশম

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:০৫ এএম
স্পেনকে হারানোর মতো যোগ্যতা আমাদের ছিল না: দিদিয়ের দেশম
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ফ্রান্স। ম্যাচ শেষে হতাশ ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম স্বীকার করেছেন, স্পেনকে হারানোর মতো পারফরম্যান্স তার দলের ছিল না।

সংবাদ সম্মেলনে দেশম বলেন, ‘জয়ের আশা করতে হলে আমাদের সেরাটা খেলতে হতো। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা তা পারিনি। স্পেন আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে এবং জয়টি তাদেরই প্রাপ্য।’

ম্যাচের শুরুতেই মিকেল ওয়ারজাবালের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে পেদ্রো পোরো ব্যবধান দ্বিগুণ করলে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে লা রোজা।

পরিসংখ্যানও স্পেনের আধিপত্যেরই প্রমাণ দেয়। পোরোর গোলের সময় পর্যন্ত স্পেনের আটটি শটের বিপরীতে ফ্রান্স নিতে পেরেছিল মাত্র দুটি শট। বল দখল ও মাঠের দ্বৈরথেও ছিল স্প্যানিশদের স্পষ্ট প্রাধান্য। পুরো ম্যাচে ফ্রান্সের ১০টি শটের মধ্যে মাত্র তিনটি ছিল লক্ষ্যে, আর গোলপোস্টের ১৩ মিটারের ভেতর থেকে তারা নিতে পেরেছিল মাত্র একটি শট।

দেশম বলেন, ‘স্পেন রক্ষণে অসাধারণ খেলেছে। তারা আমাদের খুব কম জায়গা দিয়েছে। তার ওপর আমরা নিজেরাও টেকনিক্যাল ভুল করেছি, যা প্রতিপক্ষের জন্য কাজ আরও সহজ করে দিয়েছে। আগের ম্যাচগুলোর তুলনায় আজ আমাদের টেকনিক্যাল মান অনেক নিচে ছিল।’

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল অলিসের আক্রমণভাগও এদিন নিষ্প্রভ ছিল। আগের ছয় ম্যাচে এই তিন ফরোয়ার্ড মিলে ১৩টি গোল ও ১০টি অ্যাসিস্ট করলেও স্পেনের বিপক্ষে তারা মাত্র পাঁচটি শট নিতে সক্ষম হন। তাদের সম্মিলিত এক্সপেক্টেড গোল ছিল মাত্র ০.১৫।

দেশমের ভাষ্যে, ‘আমাদের পাসিং কম্বিনেশন ও আক্রমণাত্মক ছন্দের তুলনায় স্পেনের পাস ইন্টারসেপ্ট করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি কার্যকর ছিল। আমরা কোনো সমাধান খুঁজে পাইনি। তবে এটাও ঠিক, আমাদের শক্তি হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়নি; প্রতিপক্ষও অসাধারণ ফুটবল খেলেছে।’

পাপ্পু/অন্তরা/

ম্যারাডোনার স্মৃতিতে অনুপ্রাণিত আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১২ এএম
ম্যারাডোনার স্মৃতিতে অনুপ্রাণিত আর্জেন্টিনা
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার স্মৃতি থেকেই অনুপ্রেরণা খুঁজছে আর্জেন্টিনা। ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় সেই লড়াইয়ের চার দশক পর আবারও ইংলিশদের বিপক্ষে বিশ্বকাপের মঞ্চে নামছে লা আলবিসেলেস্তেরা। এবার লক্ষ্য ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করা।

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার দুই গোলই করেছিলেন ম্যারাডোনা। তার একটি ছিল বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’, অন্যটি নিজের অর্ধ থেকে একক নৈপুণ্যে করা অবিশ্বাস্য গোল, যা পরে ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সেই ম্যাচ আজও দুই দেশের ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার বলেন, ‘ডিয়েগো যা করেছিলেন, তা পুনরাবৃত্তি করা প্রায় অসম্ভব। হয়তো শুধু লিওনেল মেসিই তেমন কিছু করতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ম্যারাডোনার সেই ম্যাচের অনেক ভিডিও দেখেছি। এগুলো আমাদের অনুপ্রাণিত করছে এবং মনে করিয়ে দিচ্ছে, ডিয়েগো আমাদের দেশের জন্য কী ছিলেন। তিনি আমাদের জাতীয় পরিচয়ের একটি বড় অংশ। আশা করি, ১৯৮৬ সালের দলের মতো আমরাও এবার বিশেষ কিছু অর্জন করতে পারব।’

গঞ্জালো মন্তিয়েলও প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘তাদের দলে অসাধারণ সব ফুটবলার আছে। তবে তারা শুধু ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে নয়, দল হিসেবেও শক্তিশালী। আমাদের মূল লক্ষ্য নিজেদের খেলায় মনোযোগ দেওয়া। আমরা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের জন্য প্রস্তুত।’

বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পলও বাইরের সমালোচনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, ‘ফুটবলে বিতর্ক থাকবেই। আমরা বাইরের কথায় মন দিই না। এ পর্যন্ত যেভাবে খেলেছি এবং যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এসেছি, তা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট এবং আত্মবিশ্বাসী।’

বিজ্ঞপ্তি/

ফাইনালে আর্জেন্টিনাকেই চায় স্পেন

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:০৭ এএম
ফাইনালে আর্জেন্টিনাকেই চায় স্পেন
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বই তার এই চাওয়ার অন্যতম কারণ।

রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনে কোচিং কোর্স করার সময় স্কালোনির শিক্ষক ছিলেন দে লা ফুয়েন্তে। সেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক পরবর্তীতে গভীর বন্ধুত্বে রূপ নেয়।

দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘বন্ধুত্বের কারণে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে পারলে ভালো লাগবে। তবে ইংল্যান্ডও অত্যন্ত কঠিন প্রতিপক্ষ। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল এবারই প্রথম বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।’

স্প্যানিশ কোচের মতে, দুটি সেমিফাইনালই ছিল ‘ফাইনালের আগে আরেকটি ফাইনাল’। তাই প্রতিপক্ষ যে-ই হোক, শিরোপার লড়াই সমান কঠিন হবে।

এদিকে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে দে লা ফুয়েন্তের ভূয়সী প্রশংসা করেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘লুইসের জন্য আমি খুবই আনন্দিত। তিনি এই সাফল্যের যোগ্য। তিনি দারুণ একজন মানুষ এবং আমাকে সবসময় সাহায্য করেছেন।’

রসিকতা করে স্কালোনি বলেন, ‘আমি কি তাকে ফোন করব? তা আমাদের ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করছে। আমরা জিতলে ফোন করব না। আর যদি হেরে যাই, তাহলে তাকে শুভকামনা জানাতে ফোন করব। তবে আশা করি, ফাইনাল শেষ হওয়ার আগে তাকে ফোন করতে হবে না।’

বিজ্ঞপ্তি/

জয়ের পর ইয়ামালের পোস্ট ‘আলহামদুলিল্লাহ’

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
জয়ের পর ইয়ামালের পোস্ট ‘আলহামদুলিল্লাহ’
স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ডালাসে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপুটে ফুটবল খেলে কিলিয়ান এমবাপ্পেদের ছিটকে দেয় লা রোজা। ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ লিখে পোস্ট করে আলোচনায় আসেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল।

ম্যাচ শেষে এক্সে দুই হাত তুলে দোয়ার ভঙ্গিতে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন ইয়ামাল। ক্যাপশনে ছিল মাত্র একটি শব্দ-‘আলহামদুলিল্লাহ’। মুহূর্তেই পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম ও একমাত্র বিশ্বকাপ জিতেছিল স্পেন। ১৬ বছর পর আবারও শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে উঠল ইউরোপের দেশটি। নতুন প্রজন্মের হাত ধরে দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন এখন স্প্যানিশদের সামনে।

সেমিফাইনালে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। ২২তম মিনিটে ফরাসি বক্সে ফাউলের শিকার হন ইয়ামাল। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক মিকেল ওইয়ারসাবাল।

বিরতির পর ৫৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। দানি ওলমোর সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ার পর বক্সে ঢুকে শক্তিশালী শটে ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করেন তিনি।

২০০৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেনকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল ফ্রান্স। প্রায় দুই দশক পর সেই হারের প্রতিশোধ নিল লা রোজা।

পাপ্পু/ অন্তরা/

স্পেনকে হারানোর মতো যোগ্যতা আমাদের ছিল না: দিদিয়ের দেশম

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:০৫ এএম
স্পেনকে হারানোর মতো যোগ্যতা আমাদের ছিল না: দিদিয়ের দেশম
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ফ্রান্স। ম্যাচ শেষে হতাশ ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম স্বীকার করেছেন, স্পেনকে হারানোর মতো পারফরম্যান্স তার দলের ছিল না।

সংবাদ সম্মেলনে দেশম বলেন, ‘জয়ের আশা করতে হলে আমাদের সেরাটা খেলতে হতো। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা তা পারিনি। স্পেন আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে এবং জয়টি তাদেরই প্রাপ্য।’

ম্যাচের শুরুতেই মিকেল ওয়ারজাবালের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে পেদ্রো পোরো ব্যবধান দ্বিগুণ করলে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে লা রোজা।

পরিসংখ্যানও স্পেনের আধিপত্যেরই প্রমাণ দেয়। পোরোর গোলের সময় পর্যন্ত স্পেনের আটটি শটের বিপরীতে ফ্রান্স নিতে পেরেছিল মাত্র দুটি শট। বল দখল ও মাঠের দ্বৈরথেও ছিল স্প্যানিশদের স্পষ্ট প্রাধান্য। পুরো ম্যাচে ফ্রান্সের ১০টি শটের মধ্যে মাত্র তিনটি ছিল লক্ষ্যে, আর গোলপোস্টের ১৩ মিটারের ভেতর থেকে তারা নিতে পেরেছিল মাত্র একটি শট।

দেশম বলেন, ‘স্পেন রক্ষণে অসাধারণ খেলেছে। তারা আমাদের খুব কম জায়গা দিয়েছে। তার ওপর আমরা নিজেরাও টেকনিক্যাল ভুল করেছি, যা প্রতিপক্ষের জন্য কাজ আরও সহজ করে দিয়েছে। আগের ম্যাচগুলোর তুলনায় আজ আমাদের টেকনিক্যাল মান অনেক নিচে ছিল।’

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল অলিসের আক্রমণভাগও এদিন নিষ্প্রভ ছিল। আগের ছয় ম্যাচে এই তিন ফরোয়ার্ড মিলে ১৩টি গোল ও ১০টি অ্যাসিস্ট করলেও স্পেনের বিপক্ষে তারা মাত্র পাঁচটি শট নিতে সক্ষম হন। তাদের সম্মিলিত এক্সপেক্টেড গোল ছিল মাত্র ০.১৫।

দেশমের ভাষ্যে, ‘আমাদের পাসিং কম্বিনেশন ও আক্রমণাত্মক ছন্দের তুলনায় স্পেনের পাস ইন্টারসেপ্ট করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি কার্যকর ছিল। আমরা কোনো সমাধান খুঁজে পাইনি। তবে এটাও ঠিক, আমাদের শক্তি হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়নি; প্রতিপক্ষও অসাধারণ ফুটবল খেলেছে।’

পাপ্পু/অন্তরা/

স্পেন বিশ্বের সেরা দল: দে লা ফুয়েন্তে

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:২৫ এএম
স্পেন বিশ্বের সেরা দল: দে লা ফুয়েন্তে
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে স্পেন। ম্যাচ শেষে দলের পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বসিত কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে তার দলকে বিশ্বের সেরা দল বলে অভিহিত করেছেন।

সেমিফাইনালে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দেয় স্পেন। শক্তিশালী ফ্রান্সকে ছাপিয়ে মাঠের লড়াইয়ে আধিপত্য বিস্তার করে লা রোজারা। এই জয়ের মাধ্যমে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল স্পেন।

ম্যাচ শেষে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘প্রায় চার বছর আগে আমরা একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও দর্শন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম। সেই পরিকল্পনার প্রতি আমরা সবসময় অটল থেকেছি এবং আজ তারই ফল পাচ্ছি।’

ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারানোর পর নিজের দলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আজ আমরা বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি জাতীয় দলের বিপক্ষে খেলেছি। কিন্তু তাদের সামনে যে দলটি ছিল, সেটিই বিশ্বের সেরা দল। এখানেই পার্থক্য।’

দে লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেন ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জন করছে। তার কোচিংয়েই ২০২৪ সালে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল স্পেন। এবার প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে টানা তৃতীয়বারের মতো ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছাল দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যারা।

নিজের খেলোয়াড়দের প্রশংসা করে স্প্যানিশ এই কোচ বলেন, ‘এই খেলোয়াড়রা সম্ভাব্য সবকিছুরই যোগ্য। তারা প্রতিদিন নিজেদের প্রতিশ্রুতি, সংহতি, আত্মত্যাগ ও অসাধারণ প্রতিভার প্রমাণ দিচ্ছে। কঠিন কাজকেও তারা সহজ করে তুলতে পারে।’

পাপ্পু/অন্তরা/