ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
স্পেনের কাছে হেরে বিধ্বস্ত ফ্রান্স, রেফারিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দেশমের ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ কে, খেলা কবে-কখন? আর্জেন্টিনা শিবিরে আত্মবিশ্বাসের সুর ফ্রান্স বধে ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত স্পেন, বিশ্বরেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে লা রোজারা লাল কার্ডে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর চাপ আরও বাড়ে: বালোগুন ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন ‘বিশ্বকাপ জিততে সেরাদেরই হারাতে হবে’ ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে গেল স্পেন ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে স্পেন ওইয়ারসাবালের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে গেল স্পেন সেমিফাইনালে হলুদ কার্ড দেখলে কি ফাইনাল মিস? যা বলছে ফিফার নিয়ম ফ্রান্স-স্পেনের শুরুর একাদশে আছেন যারা ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনাল লড়াই অনলাইনে দেখবেন যেভাবে সু চি কি জীবিত—জান্তার কাছে জবাব চায় বিশ্ব দুই দশক পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা নাসরিন দেশজুড়ে বন্যায় ৫৬ জনের মৃত্যু সচল চট্টগ্রাম বন্দর দেশে ১৩ দিনে রেমিট্যান্স এল ১৪২ কোটি ডলার টাইফুন বাভিকে ঘিরে উ. কোরিয়ার সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিল পাস শাবিপ্রবির আশরাফুলের জন্য চ্যারিটি রান আখাউড়ায় নতুন বরিশল ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু কেরানীগঞ্জে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে খুনসুটি, বদলি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ভাইরাল ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য, শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ অস্বীকার ‘নকল ডিম-চাল ও কেমিক্যালে পাকানো ফল নিয়ে সংসদে উদ্বেগ’ সোনারগাঁয়ে ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে দুইজন গ্রেপ্তার কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক ফল উৎসব অনুষ্ঠিত ইবির প্রধান ফটকে জুলাইয়ের স্মৃতি যা আছে তাই থাকবে: ইবি ভিসি সাতকানিয়ায় সুপারি গাছ থেকে অজগর ও ঘর থেকে গোখরা সাপ উদ্ধার

আর্জেন্টিনা শিবিরে আত্মবিশ্বাসের সুর

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:০০ এএম
আর্জেন্টিনা শিবিরে আত্মবিশ্বাসের সুর
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আজ (১৫ জুলাই) রাতে ডালাসে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জয়ী দল নিশ্চিত করবে ফাইনালের টিকিট। পৌঁছে যাবে শিরোপা জয়ের লড়াইয়ের শেষ ধাপে। এমন মহারণের আগে আত্মবিশ্বাস, সতর্কতা এবং শিরোপার স্বপ্ন– এই তিন বার্তাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে আর্জেন্টিনা শিবিরের প্রতিটি কণ্ঠে।

কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। টুর্নামেন্টজুড়ে আক্রমণভাগের ধারাবাহিকতা, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং অভিজ্ঞতার মিশেলে দারুণ ছন্দে রয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল। তবে ইংল্যান্ডকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই বলেই মনে করছেন কোচ থেকে শুরু করে খেলোয়াড়রা।

দলটির কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘এখনো আমাদের কাজ শেষ হয়নি। সেমিফাইনালে ওঠা অবশ্যই বড় অর্জন, কিন্তু দলের লক্ষ্য এখানেই শেষ নয়। আমরা কঠিন পথ পেরিয়ে এখানে এসেছি। ইংল্যান্ড অসাধারণ একটি দল। তাদের বিপক্ষে আমাদের সেরাটা খেলতে হবে। খেলোয়াড়রা দারুণ মনোভাব দেখিয়েছে, কিন্তু এখনো আমাদের কাজ শেষ হয়নি।’ স্কালোনি আরও বলেন, ‘নকআউট পর্বে ছোট ছোট ভুলও ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। তাই দলকে মানসিকভাবে শান্ত থেকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাই খেলতে হবে।’

দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসি বলেন, ‘প্রতিটি ম্যাচই এখন একটি ফাইনাল।’ তিনি কোয়ার্টার ফাইনালের পরই সতীর্থদের সতর্ক করে দিয়েছেন। তার মতে, বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে কোনো প্রতিপক্ষকে সহজ ভাবার সুযোগ নেই। মেসি বলেন, ‘এই দলের অর্জনগুলো স্বাভাবিক নয়। আমরা অনেক বছর ধরে একসঙ্গে লড়াই করছি। এখন প্রতিটি ম্যাচই একটি ফাইনালের মতো। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আমাদের ধৈর্য ধরে খেলতে হবে এবং নিজেদের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।’

ছয়টি বিশ্বকাপ খেলা মেসি আরও বলেন, ‘এই জার্সি পরে মাঠে নামা সব সময়ই বিশেষ অনুভূতি। আমরা দেশের মানুষকে আরেকটি আনন্দ দিতে চাই।’ গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের মতে, আত্মবিশ্বাসই সবচেয়ে বড় শক্তি। তার বিশ্বাস, নকআউট ম্যাচে আত্মবিশ্বাসই পার্থক্য গড়ে দেয়, ‘আমরা জানি ইংল্যান্ড কতটা শক্তিশালী। কিন্তু আমরাও নিজেদের সামর্থ্য জানি। পুরো দল একে অপরের জন্য লড়ছে। এই ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।’ 

মধ্যমাঠের প্রাণভোমরা রদ্রিগো দি পল বলেন, ‘লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার সুযোগ বারবার আসে না। আমরা জানি কী ধরনের ম্যাচ আমাদের অপেক্ষায় আছে। মাঠে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেব।’

আক্রমণভাগের খেলোয়াড় জুলিয়ান আলভারেজ বলেন, সুযোগ পেলেই আঘাত করতে হবে। ইংল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে খুব বেশি সুযোগ পাওয়া যায় না। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ম্যাচে এক বা দুটি সুযোগই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে। তাই সুযোগ তৈরি করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেটিকে গোলে পরিণত করাও জরুরি।’ 

এনজো ফার্নান্দেজ বলেন, মাঝমাঠের লড়াই হবে ম্যাচের নির্ণায়ক। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নির্ভর করবে মাঝমাঠের ওপর। যে দল মাঝমাঠে আধিপত্য করবে, তারাই ম্যাচে এগিয়ে থাকবে। আমাদের লক্ষ্য বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে নিজেদের ছন্দে খেলা।’

ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনা বলেন, ‘সবার লক্ষ্য এক। আমাদের দলে অভিজ্ঞতা ও তরুণদের দুর্দান্ত সমন্বয় রয়েছে। সবাই জানে দায়িত্ব কী। এখন একটাই লক্ষ্য– ফাইনালে ওঠা।’

সব মিলিয়ে, আর্জেন্টিনা শিবিরে এখন একটাই বিশ্বাস– বিশ্বকাপ ধরে রাখার স্বপ্ন এখনো জীবন্ত। কোচ স্কালোনি কৌশলগত শৃঙ্খলার কথা বলছেন, অধিনায়ক মেসি বলছেন ধৈর্য ও অভিজ্ঞতার কথা, আর সতীর্থরা বারবার তুলে ধরছেন দলীয় ঐক্য ও আত্মবিশ্বাসের গুরুত্ব। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ইতিহাসে বহু স্মরণীয় অধ্যায়ের সাক্ষী আর্জেন্টিনা। সেই ইতিহাসে নতুন একটি গৌরবময় অধ্যায় যোগ করার লক্ষ্য নিয়েই এবার মাঠে নামবে আলবিসেলেস্তেরা।

স্পেনের কাছে হেরে বিধ্বস্ত ফ্রান্স, রেফারিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দেশমের

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫১ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫২ এএম
স্পেনের কাছে হেরে বিধ্বস্ত ফ্রান্স, রেফারিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দেশমের
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর হতাশা লুকাতে পারেননি ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম। তিনি বলেছেন, এই পরাজয়ে তার খেলোয়াড়রা বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারি ইভান বার্টনের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে ডালাস স্টেডিয়ামে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ফ্রান্স।

ম্যাচ শেষে দেশম বলেন, ‘অবশ্যই আমরা খুব হতাশ। খেলোয়াড়রা বিধ্বস্ত, কারণ আমাদের লক্ষ্য ছিল অনেক বড়। তবে বাস্তবতাও মেনে নিতে হবে। আজ প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে আমরা প্রতিপক্ষের চেয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ছিলাম। স্পেন পুরো ম্যাচ খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে।’

তবে পরাজয়ের দায় অন্য কারও ওপর চাপাতে চাননি ফ্রান্স কোচ। তিনি বলেন, ‘প্রথমেই বলব, এটা আমাদের নিজেদেরই দোষ। আমি অন্য কাউকে দোষ দিতে চাই না।’

এরপরও ম্যাচ রেফারি ইভান বার্টনকে নিয়ে নিজের অসন্তোষ গোপন করেননি তিনি। প্রথমার্ধে লুকা দিনিয়ের ফাউলে লামিন ইয়ামাল পেনাল্টি আদায় করলে স্পেন এগিয়ে যায়, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

এ প্রসঙ্গে দেশম বলেন, ‘একটি প্রশ্ন করব, তবে এর উত্তর দেব না। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনার জন্য রেফারি কি প্রয়োজনীয় মানের ছিলেন?’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ হেরেছি বলেই এটা বলছি না। ম্যাচে এমন অনেক পরিস্থিতি ছিল। অবশ্য কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের পক্ষেও গেছে।’

তবে ঠিক কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে তার আপত্তি ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি দেশম।

এসজি/

ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ কে, খেলা কবে-কখন?

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৬ এএম
ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ কে, খেলা কবে-কখন?
ছবি: সংগৃহীত

প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। এবার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী দল।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের টিকিট নিশ্চিত করে লা রোজারা।

এটি স্পেনের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠা। এর আগে, তারা ২০১০ সালে প্রথমবার ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতেছিল। 

আগামী ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে অবস্থিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে (নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

এসজি/

ফ্রান্স বধে ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত স্পেন, বিশ্বরেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে লা রোজারা

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৬ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৮ এএম
ফ্রান্স বধে ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত স্পেন, বিশ্বরেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে লা রোজারা
গোলের পর উদ্‌যাপনে স্পেনের খেলোয়াড়রা। ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠার পাশাপাশি আরেকটি কীর্তি গড়েছে স্পেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা অপরাজিত থাকার রেকর্ডে এখন ইতালির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে অবস্থান করছে লা রোজারা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে ডালাসে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারায় স্পেন। এতে তারা এখন পর্যন্ত ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত রয়েছে।

স্পেনের হয়ে সেমিফাইনালে গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল ও পেদ্রো পোরো। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী দল।

বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবার বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নিজেদের ইতিহাসে আরেকটি সোনালি অধ্যায় যোগ করতে চায়। এর আগে ২০০৮ সালে ইউরো ও ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জিতে একই সময়ে দুটি বড় শিরোপা ধরে রাখার কীর্তি গড়েছিল তারা।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি অপরাজিত থাকার রেকর্ড
ইতালি — ৩৭ ম্যাচ (২০১৮–২০২১)
স্পেন — ৩৭ ম্যাচ (২০২৩–বর্তমান)
আর্জেন্টিনা — ৩৬ ম্যাচ (২০১৯–২০২২)
আলজেরিয়া — ৩৫ ম্যাচ (২০১৮–২০২১)
স্পেন — ৩৫ ম্যাচ (২০০৭–২০০৯)
ব্রাজিল — ৩৫ ম্যাচ (১৯৯৩–১৯৯৬)
মরক্কো — ৩৪ ম্যাচ (২০২৫–২০২৬)

৩৭ ম্যাচের অপরাজিত যাত্রায় স্পেন এখন ইতালিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। ফাইনালে জয় পেলে শুধু বিশ্বকাপই নয়, এককভাবে এই রেকর্ডও নিজেদের করে নিতে পারবে তারা।

এসজি/

লাল কার্ডে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর চাপ আরও বাড়ে: বালোগুন

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৭ এএম
লাল কার্ডে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর চাপ আরও বাড়ে: বালোগুন
ফোলারিন বালোগুন। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে নিজের লাল কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হওয়ার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র দলের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছিল বলে জানিয়েছেন ফোলারিন বালোগুন। একইসঙ্গে এ ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিবিএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের এই ফরোয়ার্ড বলেন, গ্রুপপর্বে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ের ম্যাচে লাল কার্ড দেখে তিনি পুরোপুরি বিস্মিত হয়েছিলেন।

ওই ম্যাচে প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের পায়ের ওপর পা পড়ায় রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। এ প্রসঙ্গে বালোগুন বলেন, ‘যখন কোনো কিছু ইচ্ছাকৃত নয়, তখন সেটি কখনোই লাল কার্ড হওয়া উচিত নয়।

তবে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে এ ঘটনায় বড় সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানায়, বালোগুনের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হয়েছে। ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে নকআউট পর্বের ম্যাচে খেলার সুযোগ পান তিনি।

এর কিছুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেন, তিনি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ফোন করে লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন।

তবে বিতর্কের মধ্যেই মাঠে নেমে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের কাছে ৪-১ গোলে হেরে বিদায় নেয় দলটি। শুরুর একাদশে থাকলেও ম্যাচে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি বালোগুন।

২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড বলেন, ‘এটি দুর্ভাগ্যজনক একটি পরিস্থিতি ছিল। আমাদের যতটা চাপ নেওয়ার দরকার ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি চাপ তৈরি হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম প্রতিক্রিয়ায় অবশ্যই দলে ফিরতে পেরে আমি খুশি ছিলাম। কিন্তু পরে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে গিয়ে বুঝতে পারি, এটি বড় ধরনের বিতর্কের জন্ম দেবে।’

সতীর্থদের মানসিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন বালোগুন। তার ভাষায়, ‘সতীর্থদের মধ্যেও কিছুটা স্নায়ুচাপ দেখতে পাচ্ছিলাম। কারণ এমন ঘটনা খুবই ব্যতিক্রম।’

তিনি যোগ করেন, ‘ম্যাচ যত ঘনিয়ে এসেছে, ততই নিজের খেলায় মনোযোগ ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বাইরে এত আলোচনা-সমালোচনা চলছিল যে সেগুলো এড়িয়ে যাওয়া সত্যিই কঠিন ছিল।’

এসজি/

ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৩ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৯ এএম
ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। মিকেল ওইয়ারসাবাল ও পেদ্রো পোরোর গোলে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে লা রোজারা। আর শিরোপার অন্যতম দাবিদার ফ্রান্সকে বিদায় নিতে হয় সেমিফাইনাল থেকেই।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডালাস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হয় দুই দলের সেমিফাইনাল ম্যাচ।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা স্পেন ২২ মিনিটে এগিয়ে যায়। বক্সের ভেতরে লামিনে ইয়ামাল ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট-কিক থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ সঠিক দিকে ঝাঁপ দিলেও বল ঠেকাতে পারেননি। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়াতে আরও আক্রমণ চালায় স্পেন। ৫৮ মিনিটে সেই চেষ্টা সফল হয়। দুর্দান্ত এক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো।

টটেনহ্যামের এই ফুলব্যাক নিজেই গোলের সুযোগ তৈরি করেন। দানি ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু করে বল নিয়ে ফ্রান্সের বক্সে ঢুকে পড়েন পোরো। এরপর ঠান্ডা মাথায় মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান তিনি। তাতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-০।

এরপর ফ্রান্সের জালে বল পাঠিয়েছিলেন লামিনে ইয়ামাল। তবে অফসাইডের কারণে রেফারি গোলটি বাতিল করে দেন।

ম্যাচের ৮১ মিনিটে ব্যবধান কমানোর দারুণ সুযোগ পায় ফ্রান্স। তবে গোলরক্ষক উনাই সিমন এগিয়ে এসে প্রথমে আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন। পরে বল পেয়ে শট নেন দেজিরে দুয়ে। তখন পেছাতে পেছাতে বক্সে ফিরছিলেন সিমন। কিন্তু দ্রুত নিজেকে সামলে দুর্দান্তভাবে সেই শটও রুখে দেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক।

৮৮ মিনিটে বক্সের কাছাকাছি দুয়েকে ফাউল করেন ইয়ামাল। ফ্রি-কিক থেকে সরাসরি শট নেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে তার প্রচেষ্টা ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। এরপর বক্সের ভেতর ফ্রান্সের আরও একটি সুযোগ নষ্ট করেন কুকুরেয়া।

যোগ করা সময়ে (৯০+৫ মিনিট) বক্সের ভেতর ঢুকে বাঁ পায়ে শট নেন উসমান দেম্বেলে। তবে সহজেই তা ধরে ফেলেন সিমন। পরে দেম্বেলের আরেকটি প্রচেষ্টাও ঠেকিয়ে দেন তিনি। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে এমবাপ্পের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে ফ্রান্সের শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে যায় স্পেন। অন্যদিকে সেমিফাইনালেই শেষ হলো দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ যাত্রা।

এসজি/