ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য, শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ অস্বীকার ‘নকল ডিম-চাল ও কেমিক্যালে পাকানো ফল নিয়ে সংসদে উদ্বেগ’ সোনারগাঁয়ে ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে দুইজন গ্রেপ্তার কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক ফল উৎসব অনুষ্ঠিত ইবির প্রধান ফটকে জুলাইয়ের স্মৃতি যা আছে তাই থাকবে: ইবি ভিসি এআইয়ের প্রভাবে বাড়ল মাইক্রোসফটের কার্বন নিঃসরণ রাজশাহীতে বাস চলাচল স্বাভাবিক, স্বস্তি যাত্রীদের রাজারহাটে সরকারি রাস্তা নিয়ে সংঘর্ষে প্রাণ গেল জিন্নাত আলীর জলাবদ্ধ রাস্তায় গাড়ি-বাইক চালাবেন যেভাবে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে কেউ ইট নিক্ষেপ করেনি: মাদারীপুর পুলিশ সুপার ভেজাল খাদ্য শনাক্তে জেলাভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ ল্যাবভ্যান চালু হবে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকলে কী করবেন ঢাবি অ্যালামনাই ১৯৯৯ থেকে ২০০০-এর রজত জয়ন্তীর প্রস্তুতি শুরু এনভিডিয়া উন্মোচন করল জিফোর্স ট্রেডিং কার্ডস পূর্বাচল ভ্যালিতে দ্বিতীয় ধাপের প্লট হস্তান্তর সম্পন্ন, আস্থার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন স্থগিত পরীক্ষা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর দেশে বিওয়াইডির ১ হাজারের বেশি নিউ এনার্জি ভেহিকেল বিক্রির মাইলফলক খেলাধুলার প্রসারে প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত ৮ বিঘা জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে ‘হেলথ ফেস্ট ২০২৬’ উদ্বোধন চার মন্ত্রীর পরিবর্তন চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বেতের আঘাতে ফেটে গেল শিশুর হাত, কান্না থামাতে মুখে কলম বন্যাদুর্গত এলাকায় অ্যান্টিভেনম ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: তথ্য উপদেষ্টা এক সপ্তাহে সাপে কেটেছে ১০৫জন ডে-কেয়ার নয়, শিশুদের সময় দিন ইবিতে প্রধান ফটকের সামনে স্পিডব্রেকার প্রয়োজন তৃতীয় বিয়ে করলেন ‘দ্য ভ্যাম্পায়ার ডায়েরিজ’ তারকা পল ওয়েসলি দুর্নীতির প্রশ্নে অন্তর্বর্তী সরকারের হিসাব-নিকাশ যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও হেফাজতের আবির্ভাব আধুনিক প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল যমুনা ইলেকট্রনিক্স বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

ইবির প্রধান ফটকে জুলাইয়ের স্মৃতি যা আছে তাই থাকবে: ইবি ভিসি

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
ইবির প্রধান ফটকে জুলাইয়ের স্মৃতি যা আছে তাই থাকবে: ইবি ভিসি
ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জুলাইকে সম্মান জানিয়ে ও শিক্ষার্থীদের আবেগ অনুভূতিকে ধারণ করে “ইবির প্রধান ফটকে যা আছে তাই থাকবে” বলে নিশ্চিত করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তব্যরত সাংবাদিকদেরকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

উপাচার্য বলেন, “একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক ইস্যু, অন্যদিকে বিষয়টা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও শিক্ষার্থীদের আবেগ অনুভূতিকে ধারণ করে প্রধান ফটকে জুলাই গ্রাফিতি যেভাবে আছে সেইভাবে অক্ষুণ্ন থাকবে। এর কোনো ধরনের পরিবর্তন হবে না।”

এর আগে, শিক্ষামন্ত্রীর আগমন ও ২০২৫-২৬ বর্ষের নবীনবরণকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনমূলক কাজের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক নতুন করে রং করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ নিয়ে দুই দফায় ছাত্রসংগঠন গুলোকে নিয়ে মিটিং করেন প্রক্টরিয়াল বডি। এদিকে রং করাকে কেন্দ্র করে জুলাই স্মৃতি মুছে ফেলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় ক্যাম্পাসে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে গৃহীত সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে প্রশাসন।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বরাতে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই আন্দোলন শুধু সময়ের ঘটনাই নয়; এটি ছিল বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের এবং মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা এবং আত্মত্যাগের এক অনন্য দলিল। সেই অভ্যুত্থানের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং গণমানুষের স্বপ্ন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের বিশ্বাস, জুলাই কেবল একটি আবেগের নাম নয়; এটি গণমানুষের আত্মত্যাগের স্মারক এবং স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের প্রতীক।

নিয়ামতুল্লাহ/নাঈম

ইবির প্রধান ফটকে জুলাইয়ের স্মৃতি যা আছে তাই থাকবে: ইবি ভিসি

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
ইবির প্রধান ফটকে জুলাইয়ের স্মৃতি যা আছে তাই থাকবে: ইবি ভিসি
ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জুলাইকে সম্মান জানিয়ে ও শিক্ষার্থীদের আবেগ অনুভূতিকে ধারণ করে “ইবির প্রধান ফটকে যা আছে তাই থাকবে” বলে নিশ্চিত করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তব্যরত সাংবাদিকদেরকে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

উপাচার্য বলেন, “একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক ইস্যু, অন্যদিকে বিষয়টা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও শিক্ষার্থীদের আবেগ অনুভূতিকে ধারণ করে প্রধান ফটকে জুলাই গ্রাফিতি যেভাবে আছে সেইভাবে অক্ষুণ্ন থাকবে। এর কোনো ধরনের পরিবর্তন হবে না।”

এর আগে, শিক্ষামন্ত্রীর আগমন ও ২০২৫-২৬ বর্ষের নবীনবরণকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনমূলক কাজের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক নতুন করে রং করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ নিয়ে দুই দফায় ছাত্রসংগঠন গুলোকে নিয়ে মিটিং করেন প্রক্টরিয়াল বডি। এদিকে রং করাকে কেন্দ্র করে জুলাই স্মৃতি মুছে ফেলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় ক্যাম্পাসে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে গৃহীত সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে প্রশাসন।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বরাতে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই আন্দোলন শুধু সময়ের ঘটনাই নয়; এটি ছিল বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের এবং মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা এবং আত্মত্যাগের এক অনন্য দলিল। সেই অভ্যুত্থানের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং গণমানুষের স্বপ্ন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের বিশ্বাস, জুলাই কেবল একটি আবেগের নাম নয়; এটি গণমানুষের আত্মত্যাগের স্মারক এবং স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের প্রতীক।

নিয়ামতুল্লাহ/নাঈম

র‍্যাগিং ও ব্যাচকল ঠেকাতে এবার কঠোর জাককানইবি প্রশাসন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম
র‍্যাগিং ও ব্যাচকল ঠেকাতে এবার কঠোর জাককানইবি প্রশাসন
ছবি: সংগৃহীত

নবীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় র‍্যাগিং এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) প্রশাসন। বুলিং ও র‍্যাগিং প্রতিরোধে গঠন করা হয়েছে এন্টি বুলিং কমিটি।

কিছুদিন পরেই অনার্স ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করবে। আর এই নবীন শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ম্যানার শেখানোর নামে র‍্যাগিং এর মতো অসুস্থ সংস্কৃতিতে মেতে ওঠে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান খবরের কাগজকে জানান, তিনি র‍্যাগিং প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং এন্টি বুলিং কমিটি বিষয়ক একটি কপি খবরের কাগজের হাতে দেন।

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলমকে আহ্বায়ক এবং প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমানকে সদস্য সচিব করে গঠন করা হয়েছে উক্ত কমিটি। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরও রয়েছেন বিদ্রোহী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, দোলনচাঁপা হলে প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা, শিউলিমালা হলের প্রভোস্ট হযোগী অধ্যাপক ড. হাবিবা সুলতানা, অগ্নিবীণা হলের সহকারী অধ্যাপক মো. হারুনুর রশিদ এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক মোছা. আদিবা আক্তার।

এ বিষয়ে প্রক্টর বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও আমরা র‍্যাগিং প্রতিরোধে শক্ত অবস্থান নিয়েছি। তবে এবার আমরা আরও বেশি কঠোর। নতুন পরিবেশে, নতুন ক্যাম্পাসে আগত নবীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, এবার কোনো প্রকার র‍্যাগিং কিংবা র‍্যাগিং এর নামে ব্যাচকলের কোনো সুযোগ নেই। এন্টি বুলিং কমিটি সর্বপ্রকার র‍্যাগিং, ব্যাচকল এবং বুলিং প্রতিরোধে কাজ করবে। যদি এ ধরণের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, যে কোথাও ব্যাচকলে বসেছে সেটা ডিপার্টমেন্টে হোক কিংবা ডিপার্টমেন্টের বাইরে বা যদি কোথাও র‍্যাগিং এর অভিযোগ আসে বা আমাদের কানেও যদি আসে, তাহলে এসবের সাথে যে বা যারাই জড়িত থাকুক না কেন আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিব।

তাসনিম হক/আজহার/

 

বেরোবিতে র‍্যাগিং ঠেকাতে নেই কার্যকর পদক্ষেপ

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:২১ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম
বেরোবিতে র‍্যাগিং ঠেকাতে নেই কার্যকর পদক্ষেপ
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়/ খবরের কাগজ

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) র‍্যাগিং প্রতিরোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আগমন নিয়ে এই অভিযোগ করা হয়েছে।

গত বছর র‍্যাগিং প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে সচেতনতামূলক ব্যানার টাঙানোর পাশাপাশি একাডেমিক ভবন ও আবাসিক হলগুলোতে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হয়েছিল।

তবে এসব উদ্যোগের মধ্যেও গত বছরের বিজয়-২৪ হলের ছাদে র‍্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। এতে এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়া ঘটনায় আরও ৯ শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে টাঙানো র‍্যাগিংবিরোধী সচেতনতামূলক ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত উল্লেখ করা হয়েছে। আর একাডেমিক ভবন ও আবাসিক হলগুলোতে র‍্যাগিং সংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর জন্য কোনো অভিযোগ বক্স দেখা যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘নতুন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য র‍্যাগিং প্রতিরোধে নিয়মিত প্রচারণা, মনিটরিং এবং অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। কিন্তু নতুন ব্যাচ আসার আগেও এ বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, 'বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। এ বিষয়ে শিগগিরই নোটিশ দেওয়া হবে।'

গাজী আজম/তামান্না রুপা/

এখনো কোটায় ভর্তি আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ে

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
এখনো কোটায় ভর্তি আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ে
ছবি: সংগৃহীত

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের নিজ বিশ্ববিদ্যালয়েই এখনো কোটার ভিত্তিতে ভর্তি চলমান রয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা ফুঁসে উঠেছেন পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রমে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী, পোষ্যা কোটা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটাসহ বিভিন্ন কোটায় ভর্তি নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও চূড়ান্ত নোটিশে কোটা-ভিত্তিক ভর্তির বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহল ও শিক্ষার্থীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল কোটা সংস্কার, এবং এই কোটা সংস্কার আন্দোলনে গিয়েই প্রথম শহিদ হন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদ। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত কেন কোটা বহাল? এই প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।

আন্দোলনের মূল পটভূমি ছিল মেধাবৃত্তিক ও বৈষম্যহীন নিয়োগ ব্যবস্থা চালু করা। তাই শহিদ আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোটায় ভর্তি বিরাজমান থাকায় দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আবু সাইদের সহযোদ্ধা ও সচেতন মহল।

এ বিষয়ে আবু সাঈদের সহযোদ্ধা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শামসুর রহমান সুমন বলেন, ’কোটাবিরোধী আন্দোলনে আমাদের এক সহযোদ্ধাকে জীবন দিতে হয়েছে সেই কোটা দিয়েই ভর্তি চলছে আবার এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এটি নিশ্চয়ই দুঃখজনক। এটির একটি সুষ্ঠু সুরাহা দরকার। তা না হলে আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাঠে নামব। এবং আবারও এই কোটা প্রথার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হবে।’

শিক্ষার্থী আরিফ হাসান বলেন, ’এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই আমাদের আবু সাঈদ ভাই জীবন দিয়েছে কোটা প্রথার বিরুদ্ধে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোটা প্রথা বিদ্যমান। বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে যুদ্ধ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য গড়ে তুললে এর ভবিষ্যৎ ভালো হবে না। প্রশাসনের উচিত দ্রুত বিষয়টি সুরাহা করা। তা না হলে সাধারণ শিক্ষার্থী কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আবারও আন্দোলনের ঘোষণা দেবে।’

এ বিষয়ে ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, 'মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নাতি-নাতনি বাদ দিয়ে শুধু বাবা-মায়ের আছে। পোষ্য কোটা ২ শতাংশ আছে, আমাদের নির্ধারিত সিট রয়েছে এই সিটের বাইরে এগুলো। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী আমরা এক-দুজন পাই, পাই না। এগুলো খুব বেশি তা কিন্তু না। সবদিক বিবেচনা করে নামমাত্র কোটা রাখা হয়েছে। মেধাবীদের ওপর যাতে কোনো ইফেক্ট (প্রভাব) না পড়ে সেটাও দেখা হচ্ছে।’

সেলিম সরকার/আজহার/

সিলেট পরিবেশ উৎসবে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী চ্যাম্পিয়ন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
সিলেট পরিবেশ উৎসবে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী চ্যাম্পিয়ন
কবির আহমেদ। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেটে ‘পরিবেশ উৎসব ২০২৬’-এর টেকসই প্রকল্প প্রদর্শনী (সাসটেইনেবল প্রজেক্ট ডিসপ্লে) প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ছাত্র কবির আহমেদ। তিনি তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (ইইই) বিভাগের ৬২তম ব্যাচের ছাত্র। সিলেট বিভাগে সিনিয়ির ক্যাটাগরিতে তিনি চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানায়। 

জনসংযোগ শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কবির আহমেদকে সিলেট বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর (ডিওই) কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ও স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। 

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পরিবেশ উৎসবে তিনি তার উদ্ভাবনী প্রজেক্ট ‘সাসটেইনেবল হাইব্রিড রিনিউয়েবল এনার্জি হার্ভেস্টিং সিস্টেম’ (টেকসই হাইব্রিড নবায়নযোগ্য শক্তি আহরণ পদ্ধতি) সফলভাবে প্রদর্শন করে বিচারকদের মন জয় করেন। কবির আহমেদের এই অসাধারণ সাফল্যে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ইইই বিভাগ আনন্দিত ও গর্বিত।

এদিকে, কবিরের সাফল্যকে অভিনন্দিত করেছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইমেরিটাস ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর এমও রহমান চৌধুরী। 

অভিনন্দন বার্তায় তারা বলেন, কবিরের এই গৌরবময় অর্জন তার অনন্য মেধা, কঠোর পরিশ্রম এবং পরিবেশবান্ধব টেকসই প্রকৌশল সমাধানের প্রতি গভীর প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার এই উদ্ভাবনী যাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করছে এবং তার ভবিষ্যৎ একাডেমিক ও পেশাগত জীবনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেছে।