ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
খেলাধুলার প্রসারে প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত ৮ বিঘা জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে ‘হেলথ ফেস্ট ২০২৬’ উদ্বোধন চার মন্ত্রীর পরিবর্তন চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বেতের আঘাতে ফেটে গেল শিশুর হাত, কান্না থামাতে মুখে কলম বন্যাদুর্গত এলাকায় অ্যান্টিভেনম ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: তথ্য উপদেষ্টা এক সপ্তাহে সাপে কেটেছে ১০৫জন ডে-কেয়ার নয়, শিশুদের সময় দিন ইবিতে প্রধান ফটকের সামনে স্পিডব্রেকার প্রয়োজন তৃতীয় বিয়ে করলেন ‘দ্য ভ্যাম্পায়ার ডায়েরিজ’ তারকা পল ওয়েসলি দুর্নীতির প্রশ্নে অন্তর্বর্তী সরকারের হিসাব-নিকাশ যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও হেফাজতের আবির্ভাব আধুনিক প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল যমুনা ইলেকট্রনিক্স বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভনে দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও অভিনয় শিল্পী সংঘের মধ্যে স্বাস্থ্যচুক্তি সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান নিলেন শিক্ষার্থীরা শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন শুক্রবার তিন দফা দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অচল সব কেড়ে নিয়ে রেখে গেল শুধু ক্ষত অনলাইনে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার তরুণরা ইউক্রেনে ৩ টন ওজনের বোমা ফেলল রাশিয়া, ভাইরাল ভিডিও বন্যায় সবচেয়ে বেশি জরুরি শিশু সুরক্ষা সংগঠন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ কখনোই সাধারণ নয়: ম্যারাডোনা জুনিয়র হামে আরও ৭ প্রাণহানি, উদ্বেগ বাড়ছে মেসির শতভাগ জয়ের রেফারি এবার ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ম্যাচে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর কানসাসকে ধন্যবাদ জানালো মেসি জুলাই আন্দোলন এখনো অসমাপ্ত, নতুন গণআন্দোলনের ইঙ্গিত জিএম কাদেরের

ডে-কেয়ার নয়, শিশুদের সময় দিন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
ডে-কেয়ার নয়, শিশুদের সময় দিন

একটি পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শিশুসন্তান। শিশুদের প্রতি যত্নশীল হওয়া অপরিহার্য। তাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হলো সময় দেওয়া এবং কেয়ার করা। বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সময় হলো তাদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার অন্যতম উপায়। এটি তাদের নৈতিক গুণাবলি, মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধিতে অত্যন্ত কার্যকর। সম্প্রতি গণমাধ্যমে কিছু ফুটেজ ও নিউজের মাধ্যমে ডে-কেয়ার এবং তাতে শিশু হিংস্র হয়ে ওঠার দিকটি পরিলক্ষিত হয়। একটি শিশুকে অপর একটি শিশুর ২০টির অধিক সজোরে কামড় দেওয়া এবং অনিরাপদ, শূন্যতা ও ভয় নিয়ে কাটানোর নাম হলো বর্তমান ডে-কেয়ার। চাকরির সুবাদে বাবা-মায়ের সময় হয় না। তাই শিশুদের ডে-কেয়ারে রেখে চলে যাওয়া একজন বাবা-মায়ের জন্য লজ্জার। আর অনিরাপদ প্রজন্ম গড়ে তোলা এবং হিংস্রতার শিকার বানানোর অন্যতম হাতিয়ার হলো ডে-কেয়ার। যে ব্যবস্থায় সন্তানের মূল্য থাকে না, সেখানে কখনো নৈতিকতা, সাফল্য ও সুখের আশা করা যায় না। মূলত এমন পরিস্থিতি থেকে বেড়ে ওঠা সন্তানগুলোই বাবা-মায়ের বৃদ্ধাশ্রমের কারণ হয়। অতএব সন্তানকে সময় দিন। সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলুন। ডে-কেয়ার নামক হিংস্রতার জায়গা থেকে শিশুদের রক্ষা করুন।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]

 

ডে-কেয়ার নয়, শিশুদের সময় দিন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
ডে-কেয়ার নয়, শিশুদের সময় দিন

একটি পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শিশুসন্তান। শিশুদের প্রতি যত্নশীল হওয়া অপরিহার্য। তাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হলো সময় দেওয়া এবং কেয়ার করা। বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সময় হলো তাদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার অন্যতম উপায়। এটি তাদের নৈতিক গুণাবলি, মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধিতে অত্যন্ত কার্যকর। সম্প্রতি গণমাধ্যমে কিছু ফুটেজ ও নিউজের মাধ্যমে ডে-কেয়ার এবং তাতে শিশু হিংস্র হয়ে ওঠার দিকটি পরিলক্ষিত হয়। একটি শিশুকে অপর একটি শিশুর ২০টির অধিক সজোরে কামড় দেওয়া এবং অনিরাপদ, শূন্যতা ও ভয় নিয়ে কাটানোর নাম হলো বর্তমান ডে-কেয়ার। চাকরির সুবাদে বাবা-মায়ের সময় হয় না। তাই শিশুদের ডে-কেয়ারে রেখে চলে যাওয়া একজন বাবা-মায়ের জন্য লজ্জার। আর অনিরাপদ প্রজন্ম গড়ে তোলা এবং হিংস্রতার শিকার বানানোর অন্যতম হাতিয়ার হলো ডে-কেয়ার। যে ব্যবস্থায় সন্তানের মূল্য থাকে না, সেখানে কখনো নৈতিকতা, সাফল্য ও সুখের আশা করা যায় না। মূলত এমন পরিস্থিতি থেকে বেড়ে ওঠা সন্তানগুলোই বাবা-মায়ের বৃদ্ধাশ্রমের কারণ হয়। অতএব সন্তানকে সময় দিন। সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলুন। ডে-কেয়ার নামক হিংস্রতার জায়গা থেকে শিশুদের রক্ষা করুন।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]

 

চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ

বাংলাদেশে প্রায় দেড় শ বছরেরও বেশি সময় ধরে চা চাষ হচ্ছে। বর্তমানে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, পঞ্চগড় ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১৬৮টি বাণিজ্যিক চা-বাগান প্রায় আড়াই লাখ একরের বেশি জমিতে বিস্তৃত। উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের নবম বৃহত্তম চা উৎপাদক এবং বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় ৩ শতাংশ আসে আমাদের দেশ থেকে। কিন্তু এত বড় উৎপাদন সত্ত্বেও বাংলাদেশের চা-শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে আজও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেনি। এর প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে বিপণন ও মূল্য সংযোজন ঘাটতি, সেকেলে নিলাম পদ্ধতি, উচ্চ উৎপাদন খরচ ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাব, ঋণপ্রাপ্তিতে জটিলতা, জলবায়ু পরিবর্তন প্রভৃতি।

‎‎নিলাম পদ্ধতির নির্ভরতা কমিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া, মিসরের বাজারে চায়ের চাহিদার সুযোগ গ্রহণ করে রপ্তানি বাড়াতে হবে। প্যাকেজিং উন্নতকরণ ও নিজস্ব ব্রান্ড তৈরি করে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করতে হবে। বোতলজাত বা ইনস্ট্যান্ট টি-এর মতো নতুন পণ্যের প্রচলন করা যেতে পারে। চা-শিল্পকে শিল্প খাতের পাশাপাশি কৃষিশিল্পের অন্তর্গত করা জরুরি, যাতে উদ্যোক্তারা স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ পেতে পারেন। চা-শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, দেশের অন্যান্য খাতের তুলনায় চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি অত্যন্ত নগণ্য। বর্তমান বাজারে এই সামান্য আয়ের কারণে তারা তিন বেলা পুষ্টিকর খাবার জোগাতে হিমশিম খায়। এ ছাড়া অনেক চা-বাগানে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার এখনো ঘাটতি রয়েছে। তাই শ্রমিকদের কেবল বেতন বৃদ্ধি নয়, আধুনিক প্রশিক্ষণ, উন্নত আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। এতে তাদের কাজের দক্ষতা ও সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমেই চা-শিল্পের প্রকৃত ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।  

‎বি এম হিশাম লাজ 
‎শিক্ষার্থী, আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদ, ‎পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন

হাসপাতাল হলো একটি মানবিক সেবাকেন্দ্র। এখানে মানুষ আসে অসুস্থতা কিংবা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে। মানুষের আয়ের একটি বড় অংশ কেড়ে নেওয়া হয় এ জায়গায়। তাই সবার উচিত যতটুক সম্ভব এই কেন্দ্রকে কল্যাণকর বানানো। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ঠিক তার উল্টো। প্রায় প্রতিটি হাসপাতাল একটি নির্দিষ্ট ও নিকৃষ্ট সিন্ডিকেটে পরিপূর্ণ। একজন রোগীকে অহেতুক পরীক্ষা দেওয়া এবং মৃত্যুর পরও লাশ রেখে কেবিন ও চিকিৎসা বিল বৃদ্ধি করার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। সম্প্রতি একটি লাশকে চিকিৎসার নামে তিন দিন পর্যন্ত রেখে দেওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এটি অবশ্যই জঘন্যতম অপরাধ। প্রশাসনিক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যদি একটি কার্যকর ফোর্স নিয়োগ করা হতো, তবে হয়তো এমন পরিস্থিতি কমে আসত। মানবতা যেখানে হেরে যায় সেখানে কেবল পশুর অস্তিত্ব ছাড়া কিছুই থাকে না। অতএব, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি হাসপাতালে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি গোপন অনুসন্ধান করুন।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম 
[email protected]

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই

প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যার কারণে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু দেশের একটি অঞ্চল যে বন্যায় ভেসে যাচ্ছে তা দেশের মানুষের আলোচনায় নেই। বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য যে নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত, এই চিন্তা আমাদের মাথায় এখন নেই। এখন আমরা ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মেতে আছি! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় দেশের মানুষ ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মাতামাতি করছে কিন্তু দেশের একটা অঞ্চল যে বন্যায় তলিয়ে যাচ্ছে এ নিয়ে কোনো মানবিক প্রতিক্রিয়া নেই। অন্তত জুমার নামাজের পর তাদের জন্য তো আমরা দোয়াটুকু করতে পারতাম। আশ্চর্যের বিষয় হলো, মসজিদ থেকে বের হয়েই মসজিদের বারান্দায় মানুষ একে অপরের সঙ্গে ফুটবল বিশ্বকাপের আলোচনা করছে। দুয়েকজন নয়, জোড়ায় জোড়ায় আলোচনা করছে। তাও আবার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সচেতন মানুষ এমন করছে। তাদের আলোচনার গভীরতা দেখে মনে হলো বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে। অথচ এখন আমাদের আলোচনায় থাকার কথা বন্যাদুর্গত মানুষদের কীভাবে সহযোগিতা করতে পারি। আমরা কেমন জানি একটা জাতি, নিজেদের নিয়ে আমাদের কোনো হুঁশ-জ্ঞান নেই। এভাবে আমরা আর কতকাল চলব? 

মুজতবা 
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন?

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন?

নোয়াখালীতে সড়কে বালু রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার খবর আমরা প্রায়ই সংবাদমাধ্যমে দেখি। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন তাৎক্ষণিক তৎপরতা নিশ্চয়ই প্রশংসনীয়। কিন্তু একই আইনের প্রয়োগ যখন দেশের রাজধানী ঢাকার রূপনগর আবাসিক এলাকায় দেখা যায় না, তখন নাগরিক মনে গভীর ক্ষোভ ও প্রশ্ন জাগে। রূপনগর আবাসিক এলাকার প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ভেতরের গলিগুলোর চিত্র অত্যন্ত নাজুক। বছরের পর বছর ধরে এখানে নতুন ভবন নির্মাণের নামে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে প্রকাশ্যে বালু, রড, ইট ও সিমেন্টসহ নানা নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা হচ্ছে। অথচ আজ পর্যন্ত এই এলাকায় এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ভ্রাম্যমাণ আদালতের দৃশ্যমান অভিযান বা জরিমানা করতে দেখা যায়নি। শুধু নির্মাণসামগ্রীই নয়, রাস্তার সিংহভাগ দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে কাঁচাবাজার ও নানা ধরনের দোকানপাট।

ফুটপাত ও মূল সড়ক এভাবে বেদখল হয়ে থাকায় সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট ও মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খোলা অবস্থায় রাস্তায় বালু ও রড রাখার কারণে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, যা পথচারীদের জীবনের জন্য প্রতিনিয়ত ঝুঁকি তৈরি করছে। মফস্বল বা জেলা শহরগুলোতে যদি প্রশাসন জনস্বার্থে এত সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারে, তবে রাজধানীর বুকে এমন প্রকাশ্য জনদুর্ভোগের পরও কেন কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে? স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘবে রূপনগর এলাকাতেও অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে রাস্তা ও ফুটপাত সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করা হোক।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]