ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে খুনসুটি, বদলি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ভাইরাল ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য, শিশুর পা ভাঙার অভিযোগ অস্বীকার ‘নকল ডিম-চাল ও কেমিক্যালে পাকানো ফল নিয়ে সংসদে উদ্বেগ’ সোনারগাঁয়ে ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে দুইজন গ্রেপ্তার কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক ফল উৎসব অনুষ্ঠিত ইবির প্রধান ফটকে জুলাইয়ের স্মৃতি যা আছে তাই থাকবে: ইবি ভিসি সাতকানিয়ায় সুপারি গাছ থেকে অজগর ও ঘর থেকে গোখরা সাপ উদ্ধার এআইয়ের প্রভাবে বাড়ল মাইক্রোসফটের কার্বন নিঃসরণ রাজশাহীতে বাস চলাচল স্বাভাবিক, স্বস্তি যাত্রীদের রাজারহাটে সরকারি রাস্তা নিয়ে সংঘর্ষে প্রাণ গেল জিন্নাত আলীর জলাবদ্ধ রাস্তায় গাড়ি-বাইক চালাবেন যেভাবে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে কেউ ইট নিক্ষেপ করেনি: মাদারীপুর পুলিশ সুপার ভেজাল খাদ্য শনাক্তে জেলাভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ ল্যাবভ্যান চালু হবে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকলে কী করবেন ঢাবি অ্যালামনাই ১৯৯৯ থেকে ২০০০-এর রজত জয়ন্তীর প্রস্তুতি শুরু এনভিডিয়া উন্মোচন করল জিফোর্স ট্রেডিং কার্ডস পূর্বাচল ভ্যালিতে দ্বিতীয় ধাপের প্লট হস্তান্তর সম্পন্ন, আস্থার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন স্থগিত পরীক্ষা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর দেশে বিওয়াইডির ১ হাজারের বেশি নিউ এনার্জি ভেহিকেল বিক্রির মাইলফলক খেলাধুলার প্রসারে প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত ৮ বিঘা জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে ‘হেলথ ফেস্ট ২০২৬’ উদ্বোধন চার মন্ত্রীর পরিবর্তন চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বেতের আঘাতে ফেটে গেল শিশুর হাত, কান্না থামাতে মুখে কলম বন্যাদুর্গত এলাকায় অ্যান্টিভেনম ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: তথ্য উপদেষ্টা এক সপ্তাহে সাপে কেটেছে ১০৫জন ডে-কেয়ার নয়, শিশুদের সময় দিন ইবিতে প্রধান ফটকের সামনে স্পিডব্রেকার প্রয়োজন তৃতীয় বিয়ে করলেন ‘দ্য ভ্যাম্পায়ার ডায়েরিজ’ তারকা পল ওয়েসলি দুর্নীতির প্রশ্নে অন্তর্বর্তী সরকারের হিসাব-নিকাশ যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও হেফাজতের আবির্ভাব

জলাবদ্ধ রাস্তায় গাড়ি-বাইক চালাবেন যেভাবে

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:২০ পিএম
জলাবদ্ধ রাস্তায় গাড়ি-বাইক চালাবেন যেভাবে
ছবি: সংগৃহীত

বর্ষাকাল মানে নগরবাসীর জন্য নতুন আতঙ্ক। সামান্য বৃষ্টিতে শহরের রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। তৈরি হয় তীব্র জলাবদ্ধতা। এই জলাবদ্ধ রাস্তায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকরা। জমে থাকা পানিতে গাড়ি বা বাইক চালানো কেবল কষ্টকর নয়, বরং বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। ইঞ্জিন বিকল হওয়া থেকে শুরু করে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তবে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে গাড়ি বা বাইক চালালে এই ঝুঁকি অনেকটা কমানো সম্ভব।

গাড়ির চালকদের করণীয়
জলাবদ্ধ রাস্তায় গাড়ি নামানোর আগে পানির গভীরতা অনুমান করা সবচেয়ে জরুরি। যদি দেখা যায় পানি গাড়ির এয়ার ইনটেকের উচ্চতা অতিক্রম করার আশঙ্কা আছে, তবে সেই রাস্তায় না যাওয়াই ভালো। বিকল্প রাস্তা বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

পানিতে গাড়ি চালানোর সময় প্রথম ও দ্বিতীয় গিয়ার ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে গাড়ির গতি কম রেখে ইঞ্জিনের আরপিএম বেশি রাখতে হবে। এতে এক্সহস্ট পাইপ (সাইলেন্সার) দিয়ে পানি ভেতরে প্রবেশ করার আশঙ্কা কমে। কোনো কারণে যদি মাঝরাস্তায় ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়, তবে ভুলেও আর চালু করার চেষ্টা করা যাবে না। ইঞ্জিন চালু করতে গেলে ভেতরে পানি ঢুকে ‘হাইড্রোলক’ হতে পারে। এর ফলে ইঞ্জিনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এমন পরিস্থিতিতে গাড়িটি ধাক্কা দিয়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে।

পানি পার হওয়ার পর ব্রেক পরীক্ষা করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কিছুটা ফাঁকা রাস্তায় গিয়ে হালকা করে কয়েকবার ব্রেক চাপলে ব্রেক প্যাডের পানি শুকিয়ে যায়। এতে ব্রেক আগের মতো কার্যকর হয়।

মোটরসাইকেল চালকদের সতর্কতা
গাড়ির তুলনায় মোটরসাইকেল চালকদের ঝুঁকি অনেক বেশি। কারণ, দুই চাকার এই বাহনে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন। জমে থাকা পানির নিচে কোথায় খানাখন্দ বা খোলা ম্যানহোল আছে, তা সহজে বোঝা যায় না। তাই জলাবদ্ধ রাস্তায় যতটা সম্ভব পরিচিত পথ ব্যবহার করা উচিত। রাস্তার ঠিক মাঝখান দিয়ে বাইক চালানোর চেষ্টা করতে হবে। রাস্তার দুই ধারের চেয়ে মাঝখানটা সাধারণত কিছুটা উঁচু থাকে।

বাইকের ক্ষেত্রেও প্রথম গিয়ার ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। এক্সিলারেটর বা থ্রটল একই মাত্রায় ধরে রাখতে হবে। হঠাৎ করে গতি কমানো বা বাড়ানো যাবে না। থ্রটল ছেড়ে দিলে এক্সহস্ট পাইপ (সাইলেন্সার) দিয়ে পানি ইঞ্জিনে ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বাইকের চাকা অর্ধেক পানিতে ডুবে গেলে ক্লাচ বেশি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে ক্লাচ প্লেট দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পানি থেকে উঠে আসার পর বাইকের চেইন ও ব্রেক ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

সাধারণ সতর্কতা
জলাবদ্ধ রাস্তায় তাড়াহুড়ো করা মোটেও ঠিক নয়। নিজের নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্য যানবাহনের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। জোরে গাড়ি চালালে পানি ছিটকে পথচারীদের গায়ে লাগতে পারে। তাই সহানুভূতিশীল হয়ে ধীরগতিতে গাড়ি চালান। বৃষ্টির সময় হেডলাইট ও ফগ লাইট জ্বালিয়ে রাখা ভালো। এতে সামনের রাস্তা পরিষ্কার দেখা যায় এবং অন্যরাও আপনার অবস্থান বুঝতে পারেন। পরিস্থিতি বেশি খারাপ হলে নিরাপদ স্থানে অপেক্ষা করা সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত হবে।

গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকলে কী করবেন

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম
গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকলে কী করবেন
ছবি: সংগৃহীত

বর্ষার মৌসুমে দেশের বিভিন্ন বড় শহরের রাস্তায় সামান্য বৃষ্টিতে তীব্র জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলার সময় অসাবধানতাবশত গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকে পড়ে। মোটর মেকানিক্সের ভাষায় এই বিশেষ পরিস্থিতিকে ‘হাইড্রোস্ট্যাটিক লক’ বা সংক্ষেপে ‘হাইড্রোলক’ বলা হয়। ইঞ্জিনের ভেতরে পানি প্রবেশ করলে বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ না নিলে পুরো ইঞ্জিনটি বিকল হয়ে যেতে পারে। এমন অবস্থায় কিছু জরুরি নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক।

স্টার্ট না দেওয়া
জলাবদ্ধ রাস্তায় কোনো কারণে গাড়ি বন্ধ হয়ে গেলে চালকরা সাধারণত বারবার স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করেন। এই কাজটি কোনোভাবেই উচিত নয়। বাতাস ও জ্বালানির মতো পানি মোটেও সংকুচিত হতে পারে না। তাই সিলিন্ডারের ভেতর পানি থাকা অবস্থায় স্টার্ট দিলে ইঞ্জিনের মূল পিস্টন এবং কানেক্টিং রড বাঁকা হয়ে ভেঙে যেতে পারে। গাড়ি হঠাৎ বন্ধ হওয়া মাত্র চাবি ঘুরিয়ে ইগনিশন বা পাওয়ার সুইচ পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হবে।

নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর
গাড়ি বন্ধ হওয়ার পর প্রথম কাজ গাড়িটি পানি থেকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া। এর জন্য অন্য চালক বা পথচারীদের সাহায্য নিয়ে গাড়িটি ধাক্কা দিয়ে একটি নিরাপদ ও শুকনো উঁচু স্থানে নিয়ে যান। জলাবদ্ধ রাস্তার মাঝখানে গাড়ি ফেলে রাখা একদমই ঠিক নয়। কারণ, অন্য বড় গাড়ি পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় যে ঢেউ তৈরি হয়, তা থেকে আরও বেশি পানি ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে পারে।

ব্যাটারির সংযোগ বিচ্ছিন্ন
গাড়িটি নিরাপদ স্থানে নেওয়ার পর দ্রুত সামনের ঢাকনা (হুড) খুলুন। এরপর ব্যাটারির নেগেটিভ টার্মিনালের তারটি খুলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিন। এই কাজটি করলে গাড়ির বৈদ্যুতিক লাইনে শর্টসার্কিট হওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকে না। ফলে গাড়ির ভেতরের দামি কম্পিউটার ইউনিট বা ইসিইউ, অল্টারনেটর এবং বিভিন্ন সেন্সর পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে সম্পূর্ণ 
সুরক্ষিত থাকে।

এয়ার ফিল্টার ও মোবিল পরীক্ষা
এবার গাড়ির এয়ার ফিল্টার বক্সটি খুলে ভেতরের অবস্থা পরীক্ষা করতে হবে। ফিল্টারটি ভেজা থাকলে বুঝতে হবে বাতাস চলাচলের পথ দিয়ে ইঞ্জিনে পানি ঢুকেছে। এরপর ইঞ্জিন অয়েলের স্তর মাপার ডিপস্টিকটি টেনে বের করে দেখুন। মোবিলের রং যদি স্বাভাবিক না হয়ে দুধের মতো সাদা বা ঘোলাটে দেখায়, তবে নিশ্চিত হবেন যে তেলের সঙ্গে পানি মিশে গেছে। এই অবস্থায় গাড়ি স্টার্ট দেওয়া মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

পেশাদার মেকানিকের সাহায্য
ইঞ্জিন থেকে পানি বের করার কাজটি বেশ জটিল ও কারিগরি। এর জন্য স্পার্ক প্লাগ বা ইনজেক্টর খুলে ইঞ্জিন ক্র্যাংক করতে হয়। নিজে থেকে এই কাজ করতে যাওয়া ঠিক হবে না। অভিজ্ঞ মেকানিক ডেকে গাড়িটি টো ট্রাকের সাহায্যে ওয়ার্কশপে নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। সেখানে অভিজ্ঞ কারিগররা সিলিন্ডারের ভেতরের পানি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করবেন। এরপর নতুন ইঞ্জিন অয়েল, গিয়ার অয়েল এবং এয়ার ফিল্টার পরিবর্তন করে গাড়ি আবার সচল করতে হবে।

সঠিক সময়ে নেওয়া সামান্য সতর্কতা ও সিদ্ধান্ত আপনার সাধের গাড়িটিকে বড় ধরনের ব্যয়বহুল আর্থিক লোকসান থেকে রক্ষা করতে পারে। বর্ষার দিনে জলাবদ্ধ রাস্তায় গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে তাই চালকদের সব সময় বাড়তি সচেতনতা ও ধৈর্য বজায় রাখা জরুরি।

দেশে বিওয়াইডির ১ হাজারের বেশি নিউ এনার্জি ভেহিকেল বিক্রির মাইলফলক

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম
দেশে বিওয়াইডির ১ হাজারের বেশি নিউ এনার্জি ভেহিকেল বিক্রির মাইলফলক
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ১ হাজারের বেশি নিউ এনার্জি ভেহিকেল (এনইভি) বিক্রির মাইলফলক অর্জন করেছে বৈশ্বিক বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি। এ উপলক্ষে গত শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ড্রিভেন বাই ১০০০’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে বিওয়াইডির কর্মকর্তা, ক্রেতা, ডিলার পার্টনার, অটোমোবাইল খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, কনটেন্ট নির্মাতা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই যাতায়াতব্যবস্থা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিওয়াইডি এশিয়া-প্যাসিফিক অটো সেলস ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কেৎসু ঝ্যাং। প্রধান অতিথি ছিলেন বিওয়াইডি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিদ সাকিফ খান, কান্ট্রি ম্যানেজার চার্লস রেন এবং প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) ইমতিয়াজ নওশের। বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবেশবান্ধব যাতায়াতব্যবস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছে বিওয়াইডি। এই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৩ মার্চ ফ্ল্যাগশিপ ইলেকট্রিক সেডান ‘বিওয়াইডি সিল’ বাজারজাতকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। এরপর থেকে বিভিন্ন দামের একাধিক এনইভি মডেলের মাধ্যমে এ দেশের বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে তারা।

বিওয়াইডি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিদ সাকিফ খান বলেন, দেশে ১ হাজারের বেশি এনইভি বিক্রির মাইলফলক ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর যানবাহার সহজলভ্য করতে কাজ চালিয়ে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইমতিয়াজ নওশের বলেন, দেশে বৈদ্যুতিক যানবাহনের বাজার সম্প্রসারণে বিওয়াইডি কাজ করছে। নতুন প্রযুক্তি, গ্রাহকসেবা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই যাতায়াতব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

বিওয়াইডি জানিয়েছে, বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে নতুন প্রযুক্তি ও সেবায় বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

হুন্দাই আনল প্রিমিয়াম ইলেকট্রিক ইনস্টার লাউঞ্জ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
হুন্দাই আনল প্রিমিয়াম ইলেকট্রিক ইনস্টার লাউঞ্জ
নতুন মডেলের বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘ইনস্টার লাউঞ্জ’ বাজারে এনেছে দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুন্দাই।

ইউরোপের বাজারে ছোট বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা মাথায় রেখে নতুন মডেল ‘ইনস্টার লাউঞ্জ’ বাজারে এনেছে দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুন্দাই। এটি তাদের জনপ্রিয় ছোট এসইউভি ‘ইনস্টার’-এর প্রিমিয়াম সংস্করণ। বিলাসবহুল ফিচার যুক্ত করে গাড়িটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে।

হুন্দাইয়ের ইনস্টার ইউরোপের বাজারে প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে ছোট এবং সাশ্রয়ী বৈদ্যুতিক গাড়ি। পাশাপাশি এটি হুন্দাইয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইভি। ২৫ হাজার ইউরো বা ২৮ হাজার ৫০০ ডলারের কমে এটি কেনা যায়। ইউরোপের বাজারে ছোট আকারের বৈদ্যুতিক গাড়ির মধ্যে বিক্রির দিক থেকে ইনস্টার ২০২৫ সালে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। চলতি বছরেও গাড়িটি তার এই অবস্থান ধরে রেখেছে।

নতুন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে হুন্দাই বাজারে এনেছে ইনস্টার লাউঞ্জ নামের ফ্ল্যাগশিপ মডেল। ইনস্টার ক্রস মডেলের গাড়িটি যেখানে রুক্ষ রাস্তার জন্য তৈরি হয়েছিল, সেখানে নতুন লাউঞ্জ মডেলে বিলাসবহুল অভ্যন্তরীণ নকশা করা হয়েছে। এতে বেশ কিছু আধুনিক সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে।

গাড়ির ভেতরে প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতার জন্য হুন্দাই এতে যুক্ত করেছে চামড়ার আসন, কেভলার মেমব্রেন সমৃদ্ধ উন্নত মানের স্পিকার এবং বিশেষ ধরনের হেডলাইনার ও সান ভাইজার। গাড়ির আকার ছোট হলেও ভেতরে জায়গা ব্যবহারের সর্বোচ্চ সুযোগ রাখা হয়েছে। সামনের দিকের আসনগুলো পুরোপুরি ভাঁজ করা যায় এবং দ্বিতীয় সারির আসন প্রয়োজন অনুযায়ী সরিয়ে জায়গা বাড়ানো সম্ভব।

নতুন এই মডেলে দুটি ব্যাটারি ও মোটর অপশন রয়েছে। একটি মডেলে আছে ৪২ কিলোওয়াট-আওয়ারের ব্যাটারি এবং ৯৫ হর্সপাওয়ারের মোটর। অন্যটিতে রয়েছে ৪৯ কিলোওয়াট-আওয়ারের ব্যাটারি ও ১১২ হর্সপাওয়ারের শক্তিশালী মোটর। হুন্দাইয়ের তথ্যানুযায়ী, একবার পূর্ণ চার্জে গাড়িটি প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ চলতে সক্ষম। চার্জিং সুবিধার ক্ষেত্রেও গাড়িটি বেশ আধুনিক। ১২০ কিলোওয়াট ডিসি ফাস্ট চার্জার ব্যবহার করে মাত্র ৩০ মিনিটে ব্যাটারি ১০ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করা সম্ভব।

হুন্দাই মোটর ইউরোপের প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মার্তিনেত জানান, ইনস্টার লাউঞ্জ মডেলের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন যে, শহরের উপযোগী এসইউভি গাড়ির নকশা আরামদায়ক যাত্রা এবং নমনীয়তার সঙ্গে এক্সক্লুসিভ বৈশিষ্ট্যের চমৎকার সমন্বয় ঘটাতে পারে।

গাড়িটির বাইরে বিশেষ রং হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ‘গ্লো মিন্ট’। এছাড়া অ্যাটলাস হোয়াইট, আনব্লিচড আইভরি, টমবয় খাকি এবং অ্যাবিস ব্ল্যাক পার্ল রঙের বিকল্পও থাকছে। ভেতরের অংশে ডার্ক গ্রে ও মিন্ট গ্রিন রঙের সংমিশ্রণ ব্যবহার করা হয়েছে।

জার্মানিতে ৪৯ কিলোওয়াট-আওয়ারের ব্যাটারিযুক্ত হুন্দাই ইনস্টার লাউঞ্জের দাম শুরু হয়েছে ২৯ হাজার ৮৫০ ইউরো থেকে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ায় হুন্দাই এই গাড়িটি ‘ক্যাসপার ইলেকট্রিক’ নামে বিক্রি করে থাকে, যা ইউরোপের বাজারে ইনস্টার নামে পরিচিত।

অস্ট্রিয়ার অটোমোবাইল বাজারে চীনা ইলেকট্রিক গাড়ির জয়জয়কার

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
অস্ট্রিয়ার অটোমোবাইল বাজারে চীনা ইলেকট্রিক গাড়ির জয়জয়কার
গত বছর অস্ট্রিয়ায় যেকোনো অটোমোবাইল ব্র্যান্ডের তুলনায় বিওয়াইডি’র বিক্রি বৃদ্ধির হার ছিল সর্বোচ্চ।

জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতা থেকে কিছুটা কমলেও ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ার অটোমোবাইল বাজারে চীনা ইলেকট্রিক গাড়ির চাহিদা বেড়েই চলেছে। প্রতিযোগিতামূলক দাম এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কারণে অস্ট্রিয়ার ক্রেতাদের কাছে চীনা ব্র্যান্ডগুলো এখন অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি ভিয়েনায় আয়োজিত এক অটো শো-তে অস্ট্রিয়ার সাধারণ মানুষ চীনা ইলেকট্রিক গাড়িগুলোর প্রতি দারুণ কৌতূহল প্রকাশ করেছেন। সেখানে আগত এক দর্শনার্থী বলেন, ‘ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোকে তাদের পুরনো ব্র্যান্ড ইমেজ বা ঐতিহ্যের সীমাবদ্ধতায় আটকে থাকতে হয়। কিন্তু চীনা কোম্পানিগুলো নতুন নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীন, যা তাদের এগিয়ে রাখছে।‘

গত বছর অস্ট্রিয়ায় যেকোনো অটোমোবাইল ব্র্যান্ডের তুলনায় বিওয়াইডি’র বিক্রি বৃদ্ধির হার ছিল সর্বোচ্চ। শুধু বিওয়াইডি নয়, আরও অনেক চীনা ব্র্যান্ড এখন দেশজুড়ে তাদের বিক্রয় নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করছে।

অস্ট্রিয়ান কার ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান গুন্থার কার্ল বলেন, ‘অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় অস্ট্রিয়াতে চীনা পণ্য বেশি সফল হচ্ছে। অস্ট্রিয়ার মানুষ নতুন প্রযুক্তির প্রতি বেশ উন্মুক্ত, যার ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চীনা ব্র্যান্ডগুলো সেখানে শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে।‘

বাজারে শেয়ার বাড়াতে চীনা ব্র্যান্ডগুলো এখন ইউরোপেই তাদের উৎপাদন কারখানা স্থাপন করছে। এরই অংশ হিসেবে এক্সপেং, জিএসি এবং সিনোট্রাক অস্ট্রিয়াতে গাড়ি উৎপাদন শুরু করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুই বছর আগে আরোপিত শুল্ক এড়াতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের এই কৌশল গ্রহণ করেছে চীনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। সূত্র: সিএমজি

এমআইএসটিতে দেশের প্রথম ফর্মুলা স্টুডেন্ট অ্যান্ড অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সামিট

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
এমআইএসটিতে দেশের প্রথম ফর্মুলা স্টুডেন্ট অ্যান্ড অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সামিট
ছবি: সংগৃহীত

দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফার্স্ট বাংলাদেশ ফর্মুলা স্টুডেন্ট অ্যান্ড অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সামিট ২০২৬’। মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ফর্মুলা স্টুডেন্ট টিম ‘এমআইএসটি ব্লিটজ’ ও এফএসএই কমিউনিটি অব বাংলাদেশ যৌথভাবে এই সামিটের আয়োজন করে।

নিউ এনার্জি ভেহিকেল (এনইভি) প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডির পৃষ্ঠপোষকতায় গত ২৫ জুন ঢাকার মিরপুর সেনানিবাসের এমআইএসটি প্লাজায় শহীদ ইয়ামিন অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকেরা জানান, দেশের অভ্যন্তরীণ অটোমোটিভ ইকোসিস্টেমের বিকাশ ত্বরান্বিত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। এই সামিটে শিল্প খাতের নেতা, নীতিনির্ধারক, প্রকৌশলী, গবেষক ও তরুণ উদ্ভাবকেরা এক ছাদের নিচে মিলিত হন। এতে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। এ ছাড়া উচ্চপদস্থ সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও অটোমোটিভ খাতের পেশাজীবীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী এই সামিটে টেকনিক্যাল সেশন, ফর্মুলা ফিউচার বিজনেস কেস কম্পিটিশন, আইসি ইঞ্জিন মাস্টারক্লাস ও কুইজ, ফর্মুলা স্টুডেন্ট এক্সিবিশন এবং ইনোভেশন ডিসপ্লের আয়োজন করা হয়। সেশনগুলোতে অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভবিষ্যৎ, টেকসই মোবিলিটি, বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) ও উদীয়মান পরিবহন প্রযুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিওয়াইডি বাংলাদেশের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের বলেন, ‘উদ্ভাবন, ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই ভবিষ্যতের মোবিলিটি নির্ধারিত হবে। তরুণ মেধাবীদের অনুপ্রাণিত করা এবং শিক্ষার সঙ্গে শিল্পখাতের সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের অটোমোটিভ ইকোসিস্টেমকে আরও জোরদার করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।’

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিবহন ও প্রকৌশল খাতের বিশিষ্টজনদের এই সম্মিলন দেশে অটোমোটিভ শিক্ষার প্রসার, উদ্ভাবনের বিকাশ ও প্রযুক্তিনির্ভর টেকসই মোবিলিটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।