বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে স্পেন। মিকেল ওইয়ারসাবালের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় লা রোজারা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডালাস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হয় দুই দলের গুরুত্বপূর্ণ লড়াই।
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে ফ্রান্স। সপ্তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যান ব্র্যাডলি বারকোলা। তবে তার ক্রস শেষ পর্যন্ত প্রতিহত করেন স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। ফলে কর্নার পেলেও সেটি থেকে কোনো সুবিধা আদায় করতে পারেনি লে ব্লুরা।
নবম মিনিটে সুযোগ তৈরি হয় স্পেনের সামনে। ডান প্রান্তে বক্সের কোণায় দানি ওলমো ফাউলের শিকার হলে ফ্রি-কিক পায় তারা। তবে আলেক্স বায়েনার নেওয়া শটটি ফ্রান্সের রক্ষণপ্রাচীরে আটকে যায়।
এরপর ম্যাচের ২০ মিনিটে আসে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। বক্সের ভেতরে লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন দিনিয়ে। রেফারি ইভান বার্টন সরাসরি পেনাল্টির নির্দেশ দেন।
স্পট-কিক থেকে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি। ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ সঠিক দিকেই ঝাঁপ দিয়েছিলেন, কিন্তু ওইয়ারসাবালের শট ঠেকাতে পারেননি। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন।
গোল হজমের পর আক্রমণে মরিয়া হয়ে উঠে ফ্রান্স। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে বাঁ দিক থেকে ভেতরে ঢুকে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের দারুণ কার্লিং শট নেন বারকোলা। তবে তার শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।
৪৩ মিনিটে স্পেনকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক উনাই সিমন। বল পেয়ে দ্রুতগতিতে গোলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। পরিস্থিতি বুঝে এগিয়ে এসে স্লাইড দিয়ে বলটি সরিয়ে দেন সিমন। তার দুর্দান্ত টাইমিংয়ে গোলের সুযোগ নষ্ট হয় ফ্রান্সের।
এরপর আর কোনো বড় সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দল। ফলে ওইয়ারসাবালের পেনাল্টি গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে স্পেন।
এখন দেখার বিষয়, দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচে ফিরতে পারে কি-না দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স।
এসজি/