ঢাকা ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
শুনানি চলাকালীন বিচারপতিকে গালিগালাজ করল মামলাকারী, সুপ্রিম কোর্টে চরম বিশৃঙ্খলা ক্রিয়াভেঞ্চার ৪.০ এর গ্র্যান্ড ফিনালে: চ্যাম্পিয়ন ‘স্টার্টআপ গ্রিড’ এই মাসেই দুই লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা নাচোলে এআই দিয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে স্কুলছাত্র গ্রেপ্তার মার্কিন চুক্তি থেকে বের হয়ে গেল ইরান, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের হুঁশিয়ারি টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক দুর্ঘটনায় শুঁটকি ব্যবসায়ীর মৃত্যু পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, ব্যাখ্যা দিলেন জয়সওয়াল পড়ে পাওয়া গল্পের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা ট্রাম্প-জাইদি বৈঠক: ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত একটি বাগানের বদলে জান্নাতের বাগান শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’র প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ নরসিংদীতে শিশুর পা ভাঙার অভিযোগে চাচিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামালা সেমিফাইনালের আগে বাংলাদেশকে কী বললেন স্কালোনি? চট্টগ্রামে সাদিয়াস কিচেনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা কার্যবণ্টন বিধিমালা সংশোধনে মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশ ইরানে হামলার আশঙ্কায় ধর্মীয় স্থাপনায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পরীক্ষাকেন্দ্র ম্যারাডোনার স্মৃতিতে অনুপ্রাণিত আর্জেন্টিনা ফাইনালে আর্জেন্টিনাকেই চায় স্পেন মোটরসাইকেলে স্কুলে যাওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায় ২ শিক্ষার্থী আহত খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের গুলি দুবাই স্টাইলে নতুন স্বাদে দুটি আইসক্রিম আনল পোলার লোহাগাড়ায় প্রাইভেটকার থেকে ২ এলজি উদ্ধার, যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ বরগুনায় প্রাথমিকের বৃত্তিতে আপন ৩ বোনের সাফল্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মার্কিন অবরোধ পুনর্বহাল ও নতুন করে হামলা গুলিস্তানে সেলুনে এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০ আজ দুপুরে ছায়াহীন থাকবে পবিত্র কাবা শরিফ জয়ের পর ইয়ামালের পোস্ট ‘আলহামদুলিল্লাহ’ স্পেনকে হারানোর মতো যোগ্যতা আমাদের ছিল না: দিদিয়ের দেশম স্পেন বিশ্বের সেরা দল: দে লা ফুয়েন্তে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার দাবি

ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি আইআরজিসি কমান্ডারের

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:১১ এএম
ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি আইআরজিসি কমান্ডারের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সাবেক এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি হত্যার হুমকি দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ‘প্রয়োজন হলে হোয়াইট হাউসের ভেতরেও ট্রাম্পকে লক্ষ্যবস্তু করতে সক্ষম ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান।’

ইরানের সংবাদমাধ্যম ফারারুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার হোসেইন কানানি মোগাদ্দাম বলেন, ‘যদি লক্ষ্য হয় ট্রাম্পকে হত্যা করা, তাহলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র খুব সহজেই হোয়াইট হাউসের ভেতরে তা করতে পারে। সেই সক্ষমতা আমাদের রয়েছে।’

এ ক্ষেত্রে তিনি কোনো প্রমাণ বা নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেননি।

একই সাক্ষাৎকারে তেহরান-ওয়াশিংটন সংলাপ নিয়েও মন্তব্য করেন কানানি মোগাদ্দাম। তিনি বলেন, ইরানের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা কোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য নয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমেরিকানদের সঙ্গে শান্তির জন্য আলোচনা করছি না। আমরা উত্তেজনা কমানোর জন্য আলোচনা করছি।’

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার উদ্দেশ্য হলো ইরানের দাবি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা এবং ওয়াশিংটনের আনা অভিযোগগুলোর জবাব দেওয়া।

কানানি মোগাদ্দাম বলেন, ‘ট্রাম্প ও তার অপরাধী সহযোগীদের সঙ্গে আমরা শান্তির জন্য আলোচনা করছি না। আলোচনায় আমরা শুধু আমাদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আনা অভিযোগের জবাব দিতে চাই। প্রতিশোধ ও পাল্টা জবাবের বিষয়টি জোরালোভাবে আমাদের বিবেচনায় রয়েছে।’ সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

মার্কিন চুক্তি থেকে বের হয়ে গেল ইরান, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের হুঁশিয়ারি

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
মার্কিন চুক্তি থেকে বের হয়ে গেল ইরান, হরমুজ নিয়ন্ত্রণের হুঁশিয়ারি
যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে অবরোধটি আরোপ করে এবং পরে জুনের মাঝামাঝি সময়ে তা তুলে নেয়। ছবি: এনডিটিভি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে পুনরায় নৌ-অবরোধ আরোপ করার পর ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা আর এই শান্তিচুক্তির শর্ত মানতে বাধ্য নয়।

চুক্তি বাতিলের পর হরমুজ প্রণালীতে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে নতুন করে তীব্র যুদ্ধ ও গোলাবর্ষণ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে তাদের বেসামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে বারবার চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা আর এই যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে বাধ্য নয়।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী কড়া ভাষায় বলেন, ‘যেকোনো মূল্যের বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর নিজেদের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব কায়েম করবে। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই প্রণালীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন ইরানের হাতে থাকা জরুরি। আমরা আমেরিকার সঙ্গে আর কোনো আলোচনায় বসবো না।’

পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয় যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার জবাবে ইরানের বন্দরগুলোতে পুনরায় কঠোর নৌ-অবরোধ জারি করে। এর আগে গত জুনে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি স্বাক্ষরের পর আমেরিকা এই অবরোধ সাময়িকভাবে তুলে নিয়েছিল।

নৌ-অবরোধ পুনর্বহাল করার পরপরই হরমূজ প্রণালীতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে তীব্র গোলাবর্ষণ শুরু হয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক বিবৃতিতে জানান, ইরান প্রতিবেশী আরব দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ডজন ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে। এর জবাবে মার্কিন বাহিনীও ইরানের একাধিক সামরিক অবস্থানে নতুন করে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের


চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি তাদের উসকানিমূলক আচরণ বন্ধ না করে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের সাধারণ বেসামরিক অবকাঠামোতেও হামলা চালাবে।

ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের প্রধান প্রধান বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং জল শোধনাগার বা লবণাক্ততা দূরীকরণ প্ল্যান্টগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে ইরানের প্রধান জ্বালানি তেল সমৃদ্ধ অঞ্চলের অন্যতম কেন্দ্র 'খার্গ দ্বীপ' মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের ভাষায়, ’প্রয়োজনে আমরা খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেব।’

বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ যে জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেই হরমূজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের এই মরণপণ লড়াই সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যকে এক সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা। সূত্র:  এনডিটিভি

আজহার/

পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, ব্যাখ্যা দিলেন জয়সওয়াল

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:২২ পিএম
পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, ব্যাখ্যা দিলেন জয়সওয়াল
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতীয় পাসপোর্ট মূলত একটি ভ্রমণ নথি, যা ভারতীয় নাগরিকদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও দেশত্যাগ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ইস্যু করা হয়। এটি নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র নয়।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।

কয়েক সপ্তাহ আগে সরকারি কর্মকর্তারা পাসপোর্টকে নাগরিকত্বের প্রমাণ নয় বলে উল্লেখ করার পর বিষয়টি নিয়ে বিরোধী নেতাদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে- ভারতীয় নাগরিকরা তাহলে নাগরিকত্ব প্রমাণে কোন নথির ওপর নির্ভর করবেন।

পাসপোর্টের আইনি অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের পরই পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। 

তিনি জানান, ভারতীয় নাগরিক এবং অন্যান্য যোগ্য ব্যক্তিদের পাসপোর্ট প্রদান ১৯৬৭ সালের পাসপোর্ট আইন এবং ১৯৮০ সালের পাসপোর্ট বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ভারতের মোট নাগরিকের ৮ শতাংশেরও কম মানুষের কাছে পাসপোর্ট রয়েছে।

পাসপোর্ট জাতীয়তা বা নাগরিকত্বের প্রমাণ কি না- এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই ব্যাখ্যা দিতে পারবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেবল পাসপোর্ট ইস্যুর প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

এর আগে, গত ২৫ জুন কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, পাসপোর্টকে কখনোই নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়নি এবং এ বিষয়ে সরকারের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও বিভিন্ন হাইকোর্টও একাধিক রায়ে উল্লেখ করেছেন যে, আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র, স্থায়ী অ্যাকাউন্ট নম্বর (প্যান) কার্ড, গ্রাম পঞ্চায়েত সচিবের সনদ, ব্যাংক হিসাব বা সম্পত্তির মালিকানার নথি- এসবের কোনোটিই নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়।

ভারতে নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য কোনো একক নথি নেই। শুধুমাত্র যেসব বিদেশি নাগরিক আইন অনুযায়ী ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন, তাদের নাগরিকত্ব সনদ দেওয়া হয়। তবে জন্মসূত্রে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য এমন কোনো পৃথক নাগরিকত্ব সনদ ইস্যু করা হয় না। সূত্র: স্ক্রলডটইন

অমিয়/

ট্রাম্প-জাইদি বৈঠক: ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
ট্রাম্প-জাইদি বৈঠক: ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত
ইরাকের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাকের সম্পর্ক এবার বড় অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ নিয়েছে। হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরাকের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদির মধ্যকার এক ঐতিহাসিক বৈঠকে এ প্রতিশ্রুতি উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ওভাল অফিসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় নেতাই দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং ইরাকের তেল উৎপাদন বাড়াতে চুক্তি করেন। এ ছাড়াও আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাকে মোতায়েন প্রায় দুই হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।

বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘তেল এবং অন্যান্য কারণে ইরাকের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত তেলের কারণেই আমরা অনেক চুক্তি করতে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ চুক্তির ফলে আমরা উভয় দেশের জন্য প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি করব এবং প্রচুর তেল উত্তোলন করব।’

এ দিকে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি বলেন, ‘এটি মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের সূচনা। মার্কিন-ইরাকি সম্পর্ক এখন সামরিক পর্যায় থেকে পুরোপুরি অর্থনৈতিক পর্যায়ে পরিবর্তিত হচ্ছে।’

থিওটোনিয়াস/

ইরানে হামলার আশঙ্কায় ধর্মীয় স্থাপনায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পরীক্ষাকেন্দ্র

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১৬ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:২৮ এএম
ইরানে হামলার আশঙ্কায় ধর্মীয় স্থাপনায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে পরীক্ষাকেন্দ্র
ছবি: এআই

সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় সংবেদনশীল ও সামরিক স্থাপনার কাছাকাছি থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো সরিয়ে ধর্মীয় স্থাপনায় স্থানান্তর করছে ইরান। 

বুধবার (১৫ জুলাই) ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ফার্স নিউজ অ্যাজেন্সি।

ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো সরিয়ে তুলনামূলক নিরাপদ ও বড় পরিসরের হলে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনায় স্থানান্তর করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ওই অঞ্চলে বাড়তে থাকা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আকস্মিক হামলার ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তবে ঠিক কতটি কেন্দ্র স্থানান্তর করা হয়েছে বা কোন কোন নির্দিষ্ট অঞ্চল এর আওতায় পড়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, কেন্দ্র পরিবর্তিত হলেও পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

থিওটোনিয়াস/

বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মার্কিন অবরোধ পুনর্বহাল ও নতুন করে হামলা

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪১ এএম
বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মার্কিন অবরোধ পুনর্বহাল ও নতুন করে হামলা
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সামরিক উত্তেজনা এক নতুন ও মারাত্মক মোড় নিয়েছে। রয়টার্সের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে বড় ধরনের হামলার সরাসরি হুমকি দিয়েছেন।

একই সাথে ওয়াশিংটন ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবরোধ পুনর্বহাল করেছে এবং নতুন করে বেশ কয়েকটি সামরিক অভিযান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, তেহরান যদি তাদের বৈরি আচরণ বন্ধ না করে, তবে ইরানের প্রধান প্রধান বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে একটি সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট বা বিদ্যুৎ বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর সর্বাত্মক অবরোধ বা ব্লকেড পুনরায় জারি করেছে। এর ফলে ইরানের জ্বালানি তেল রপ্তানি এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

মার্কিন বাহিনী ইতোমধ্যে নতুন করে ইরানের বেশ কয়েকটি কৌশলগত অবস্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা শুরু করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ বা সংঘাতের মাত্রা তীব্রতর হয়েছে।

এই নতুন উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আচমকা বেড়ে গেছে। জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বৈশ্বিক শক্তিগুলো এই যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই পক্ষকেই সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছে, তবে ওয়াশিংটন ও তেহরান কেউই তাদের অবস্থান থেকে পিছু হটতে রাজি নয়।

আজহার/