প্রতিষ্ঠার এক দশক পেরিয়ে গেলেও মূল ক্যাম্পাসে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালু করতে পারেনি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (চমেবি)। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে চরম প্রশাসনিক অরাজকতা ও স্বেচ্ছাচারিতা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীতিমালা লঙ্ঘন করে আত্মীয় ও পছন্দের ব্যক্তিদের বিভিন্ন পদে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া, আর্থিক অনিয়ম, গেস্ট হাউস ভাড়ার নামে অপচয় এবং বিধিবহির্ভূতভাবে লোগো পরিবর্তনের মাধ্যমে হাজারও শিক্ষার্থীর সনদ জটিলতায় ফেলাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ফলে অনিয়মই যেন এখানে নিয়মে পরিণত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনও (ইউজিসি) চমেবির নানা অনিয়মের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আপত্তি দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্য শিক্ষা দপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চমেবি উপাচার্যের আস্থাভাজন হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করার ক্ষেত্রে তিনি স্বেচ্ছাচারিতা করছেন।
চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে ২০১৬ সালের ১২ মে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া আইনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক ডা. ইসমাইল খান ২০১৭ সালের ১৪ মে প্রথম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পান।
২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিনি পদত্যাগ করেন। ১৭ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফ উপাচার্য হন। তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখনো মূল ক্যাম্পাসে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালু হয়নি। সাবেক উপার্য অধ্যাপক ডা. ইসমাইল খানও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালুর ক্ষেত্রে উদাসীন ছিলেন। ২০২৩ সালে ইউজিসি এক চিঠির মাধ্যমে নির্দেশনা দিলেও অনুষদ চালু, শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তবে নিয়ম ভেঙে অন্যান্য খাতে জনবল নিয়োগ চলছে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন পদে স্থায়ী, অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক মোট ২২ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন বর্তমান উপাচার্য। এ ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নীতিমালা-২০২২ অনুসরণ না করায় নিয়মের ব্যত্যয় ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছে মঞ্জুরি কমিশন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ষষ্ঠ গ্রেডের সাবেক কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকরামুল হক খানের সঙ্গে চুক্তি না করেই তৃতীয় গ্রেডে তাকে চু্ক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি উপাচার্যের আত্মীয়, এমন অভিযোগও রয়েছে। ইউজিসির অডিট টিম আসার আগেই নিয়োগের তিন মাস পর তার সঙ্গে চুক্তি করা হয়। চু্ক্তির এক বছর পর অসংগতির বিষয়ে ইউজিসির মৌখিক আপত্তি এলে পত্রিকায় অস্থায়ী জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। নিয়োগের ফলাফল পত্রিকা কিংবা ওয়েবসাইটে প্রকাশ না করে এবং সিন্ডিকেটের অনুমোদন না নিয়ে তাকে ২০২৬ সালের ১ জুন ফের নিয়োগ দেওয়া হয়। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে ডা. অজয় দেবকেও একই কায়দায় নিয়োগ দেওয়া হয়।
শাখা কর্মকর্তা পদে মো. রহিম উল্লাহকে (৩৫) অস্থায়ী নিয়োগ দিয়ে প্রকিউরমেন্ট অফিসার হিসেবে অতিরিক্ত পদায়ন করা হয়। যার সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরির কোনো পূর্ব-অভিজ্ঞতা নেই। তার নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ইউজিসির সর্বশেষ অডিট টিম আপত্তি দিয়েছে। চলতি অর্থবছরে তার বেতন-ভাতাদির বাজেট পাস করেনি ইউজিসি।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মইনউদ্দিন জাহেদকেও একই কায়দায় অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি প্রকাশিত সার্কুলার থাকা অবস্থায় নিয়োগ পরীক্ষা ছাড়াই উপাচার্য তাকে ১ মার্চ নিয়োগ দেন। মহিউদ্দিনের বয়স ৩৫ বছরের বেশি। তবে রহস্যজনক কারণে ইউজিসির প্রতিবেদনে তার নামে কোনো আপত্তি নেই।
সিন্ডিকেটের অনুমোদন ছাড়া বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলমকে রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা ১১তম সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন হয়। ওই সভায় রেজিস্ট্রার সুলতানা রুমা আলম নিজেই সদস্যসচিব হিসেবে নিজের নিয়োগের সুপারিশ করেন। কলেজ পরিদর্শক হিসেবে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. ময়নাল হোসেনকেও একই কায়দায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ ১১তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তমতে পূর্ণাঙ্গ চাকরির সংবিধি প্রণয়ন না করা পর্যন্ত নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ করা যাবে না। ওই সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্থায়ী নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত ডা. ইফতেখার আদনানকে অস্থায়ী সহকারী কলেজ পরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
শাখা কর্মকর্তা পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট। কিন্তু ওই পদে রাজিব মোল্যাকে অস্থায়ী নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে এক দিন আগে, ৩ আগস্ট। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার সরকারি একটি গোয়েন্দা সংস্থার একজন মাঠ পরিদর্শকের শ্যালক বলে তাকে এই বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
কুক্ষিগত আয়-ব্যয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। তবে দুটি ব্যাংক হিসাব থেকে বিশ্ববিদ্যালয় আয়-ব্যয় করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের ফাকাল্টিনুসারে বার্ষিক সব আয় ডিনদের নামে ব্যাংক হিসাবে জমা হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রক উপাচার্য। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর দিকে ইউজিসি ও অর্থ কমিটি অনুমোদিত জনতা ব্যাংক লিমিটেডের বাইরে গিয়ে নতুন ব্যাংক হিসাব খোলেন। এ বিষয়ে ইউজিসি নির্দেশনা রয়েছে যেন একটি হিসাব থেকে সব আয়-ব্যয় করা হয়।
কৃচ্ছ্রসাধনের নামে অপচয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফয়’স লেকস্থ খুলশী রোজ ভ্যালি আবাসিক এলাকার গেস্ট হাউসের ভাড়া ছিল মাসে সর্বসাকুল্যে ৩৬ হাজার টাকা। কিন্তু কৃচ্ছ্রসাধনের নাম দিয়ে উপাচার্য তার নিজ আবাসিক এলাকা খুলশী ১ নম্বর সড়কে তার বাসার পাশেই নতুন গেস্ট হাউস ভাড়া করেন। যার ভাড়া মাসে ৭১ হাজার ২০০ টাকা। ইউজিসির নির্দেশনামতে বিশ্ববিদ্যালয় গেস্ট হাউসে শিক্ষক-কর্মচারীদের বসবাসের সুযোগ নেই। কিন্তু বর্তমানে ডিনরা সেখানে রাতযাপন করেন।
বেসরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হলেন ডিন
চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মেহেরুন্নিছা খানমকে নার্সিং অনুষদের ডিন করা হয়। পরে তিনি সাদার্ন মেডিকেল কলেজে গিয়ে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। তবে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক থাকাকালেই তিনি ডিন হয়ে যান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদোন্নতি বোর্ডের স্পেশাল সুপারিশ নিয়ে চলতি দায়িত্ব সহযোগী অধ্যাপক হতে সরাসরি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। অথচ ডিন হতে হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অথবা সহযোগী অধ্যাপক অথবা সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার শিক্ষক হতে হবে। নিজ নিজ অনুষদের শিক্ষকদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হয়।
অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল সভা
সিন্ডিকেট সভা ও বার্ষিক অ্যাকাডেমিক ভর্তি নিয়মিত সেশনের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষাগুলো পরিচালনার আগে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা আয়োজনের নিয়ম রয়েছে। এ বিষয়ে উপচার্যের কোনো আগ্রহ নেই। সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো উপাচার্যের সদয় জ্ঞাতার্থে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব পাঠালেও এতে আগ্রহ দেখাননি। যখন সিন্ডিকেট সভা অতি জরুরি হয়ে পড়ে, তখন তাড়াহুড়ো করে কোনোভাবে সভা আহ্বান করে অনুমোদন করে নেন। বছরে চারটি সিন্ডিকেট সভা আয়োজনের নিয়ম থাকলেও যোগদানের প্রায় দুই বছরের মধ্যে করেছেন মাত্র তিনটি।
ওয়েবসাইটেও আছে অসংগতি
প্রতিষ্ঠার পর যে ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিটিজেন চার্টার অনুযায়ী সব তথ্য ছিল। কিন্তু বর্তমান উপাচার্য আসার পর সেটি বাদ দিয়ে নতুন করে ওয়েবসাইট তৈরি করেন। যেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোনো আইটি কর্মকর্তাও। অথচ ইউজিসি থেকে এ বিষয়ে জনবলের অনুমোদন আছে। অনিয়মের মাধ্যমে যেসব কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের নাম, পদবি ও ছবি ওয়েবসাইটে নেই।
ঢাউস উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও সেমিনার কমিটি
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুসারে উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও সেমিনার কমিটি হওয়ার কথা ১০ সদস্যের। কিন্তু বর্তমান উপচার্য করেছেন ১৮ সদস্যের কমিটি। এতে নিয়মের ব্যত্যয় হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিও হচ্ছে।
পদশূন্য করে জনবল নিয়োগ
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার ডা. হাসিনা নাসরিন, সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মাহিদ বিন আমীন ও এ এম শাহাদাত হোসাইন, উপ-কলেজ পরিদর্শক ডা. আইরিন সুলতানা, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবু মোহাম্মদ মাসুদকে চাকরি থেকে অপসারণ করে ওই সব পদে নিয়োগ দিয়েছেন উপাচার্য। চাকরিচ্যুতরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত চাকরি পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা পরিচালনার খরচ বহনের অনুমোদন অর্থ কমিটি ও সিন্ডিকেট থেকে নেওয়া হয়নি।
কোনো প্রকার বিভাগীয় অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো কর্মচারী অফিস সহায়ক সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী ও কম্পিউটার অপারেটর মো. কামরুল হাসানকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
চমেবি উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চেয়ে খবরের কাগজ থেকে প্রশ্ন পাঠানো হয়। কিন্তু কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইলে ফোন করা হলে তিনি রেজিস্ট্রারের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলমের মোবাইলে একইভাবে খবরের কাগজের পক্ষ থেকে প্রশ্ন পাঠানোর পর ফোন করা হলে তিনি প্রথমে ছুটিতে থাকার কথা উল্লেখ করে এক সপ্তাহ সময় নেন। সপ্তাহখানেক পর খবরের কাগজকে জানান, ইউজিসি যেসব পর্যবেক্ষণ দিয়েছে তার ব্যাখ্যা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।
নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, ইউজিসির অনুমোদিত পদগুলোতে ইউজিসির অনুমোদনক্রমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রহিম উল্যাহর বিষয়ে তিনি বলেন, তার অভিজ্ঞতা আছে। তার অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে বয়স শিথিলযোগ্য। বিষয়টি ইউজিসিকে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তাদের চাকরিকালীন কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং পর ইউজিসির পরামর্শক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তার নিজের নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার ডা. সুলতানা রুমা আলম দাবি করেন, তখন তিনি অস্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত হিসেবে সদস্যসচিব থাকলেও যখন তার বিষয়টি আলোচনায় আসে তখন তিনি সভা থেকে বেরিয়ে যান। তার অনুপস্থিতিতেই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ব্যাংক হিসাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউজিসির পরামর্শমতে ব্যাংক হিসাব কমিয়ে আনা হচ্ছে। এখানে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই। নতুন গেস্ট হাউস নিয়ে খরচ বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ইউজিসি নির্ধারিত বাজেটের চেয়েও কম রেটে গেস্ট হাউস ভাড়া নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ইউজিসির পরিদর্শন সাপেক্ষে গেস্ট হাউস অনুমোদিত হয়। তাই এখানে ব্যয় বৃদ্ধি হয়নি।
ডা. মেহেরুন্নেসার ডিন হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি সহযোগী অধ্যাপক থাকা অবস্থায় ডিন হয়েছেন। চমেবি গবেষণা কমিটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগের কমিটির অনেকেই নেই। এরপর একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। সম্প্রতি এই কমিটিকে ভেঙে পৃথক দুটি কমিটি করা হয়েছে। যার একটি রিসার্চ এবং অপরটি ইথিকেল রিভিউ কমিটি।