ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
‘ফেভারিট শেফ’-এর কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশি মাদিহা বেসরকারি সংস্থায় বড় নিয়োগ, পদ ১১০৪ এখনো কোটায় ভর্তি আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্ণফুলীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পা‌নি বৃ‌দ্ধি, বন্যার শঙ্কা ফ্রান্সের বিপক্ষে নিজেদের খেলাই খেলতে চায় স্পেন এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় পড়া চলছে সেমিফাইনালের আগে স্পেনই ফেবারিট: দেশম কক্সবাজারে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান খাদ্য অধ্যায়ের ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভুয়া দলিলে ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ ফ্রান্সের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে স্পেন: দে লা ফুয়েন্তে মাথা ন্যাড়ার ভিডিও: বিয়ের চাপ নয়, তরুণী জানালেন আসল কারণ খুলনায় মাটি খুঁড়ে ইজিবাইকচালকের মরদেহ উদ্ধার কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার সবজির কেজি ১২০০, উপকারিতা কী? বরগুনায় নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর একাধিক জায়গায় সড়ক অবরোধ ফুটবল হোক ঐক্যের প্রতীক: ইয়ামাল মাঝ নদীতে আটকা হাতিয়ার ফেরি, ব্যাহত নৌ চলাচল নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে টাইফয়েডের টিকা, শুরু ১ আগস্ট সরকার স্টার্টআপের নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫ হাজার ৪৩৬ পরিবার স্বর্ণের দাম আরও কমল, ভরি কত? সংকট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নিন সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান আর্জেন্টিনার যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের পদোন্নতি পাওয়া ১০১ যুগ্মসচিবের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন গুগলে ‘সেভেন আপ খাওয়া দল’ লিখলেই আসছে ব্রাজিলের নাম মৌলভীবাজারে সংবাদ সম্মেলনে নতুন বউকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ স্বামীর হরমুজ প্রণালী মার্কিন ‘দখলে’, নিরাপত্তার বিপরীতে অর্থ নেবে যুক্তরাষ্ট্র

কক্সবাজারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫ হাজার ৪৩৬ পরিবার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
কক্সবাজারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫ হাজার ৪৩৬ পরিবার
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজার জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আজাদের রহমান জানান, দুর্যোগে জেলার ৪৫ হাজার ৪৩৬ পরিবারের ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

কক্সবাজার জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক টানা ভারী বর্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে জেলার আটটি উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এতে মোট ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ২৪ জন। তাদের মধ্যে পাঁচজন রোহিঙ্গা ও ১৯জন স্থানীয়।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া উপজেলা। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১১ হাজার ২৩১টি পরিবারের প্রায় ৭৫ হাজার ৫০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

কক্সবাজার সদর উপজেলায় ৭ হাজার ৪২৭টি পরিবারের ২৯ হাজার ৭০৮ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। 

রামু উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৭ হাজার ৪৮৫টি পরিবারের ২৯ হাজার ৯৪২ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। 

ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ৮০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

পেকুয়া উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৮ হাজার ৫৬২টি পরিবারের ৪৫ হাজার ৪৪৮ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। 

মাতামুহুরী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ৭ হাজার ৯৮১টি পরিবারের ৪০ হাজার ২০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। 

কুতুবদিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ১ হাজার ১২৫টি পরিবারের ৪ হাজার ৫০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল আলম বলেন, 'দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।'

তিনি আরও জানান, দুর্যোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় ইউনিয়নভিত্তিক ট্যাগ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জেলাজুড়ে ৮৮টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। সব উপজেলায় ২১৫টি অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিন বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ৮ লাখ ২৫ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং ২ হাজার ৫০০টি জেরিক্যান বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, বন্যায় জেলার নয়টি উপজেলার ৬১টি ইউনিয়নে ৩ হাজার ৯১৮টি মৎস্য খামার ও ৪৫৩টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এতে ১ হাজার ৯৭ মেট্রিক টন সাদা মাছ, ৩৮৫ মেট্রিক টন চিংড়ি, ৩৫৬ মেট্রিক টন মাছের পোনা এবং ২ কোটি ২১ লাখ চিংড়ির পোনা নষ্ট হয়েছে। 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ এম খালেকুজ্জামান বলেন, 'বন্যায় ৩০৩টি খামারের ১ হাজার ২৯০টি গবাদিপশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৩৩০টি পোলট্রি খামারের ৯৭ হাজার ৫৮১টি হাঁস-মুরগিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।'

জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান বলেন, 'জেলার সব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি সহায়তা ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে।'

তারেকুর রহমান/তামান্না রুপা/

কর্ণফুলীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পিএম
কর্ণফুলীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার জ্যৈষ্ঠপুরা ইউনিয়নের ভান্ডালজুড়ি এলাকায় কর্ণফুলী নদীর পানিতে ভেসে ওঠা এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। 

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে মরদেহটি দেখতে পান, পরে খবর পেয়ে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তা উদ্ধার করে।

মৃতের নাম সোলায়মান। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, দুই দিন আগে শনিবার (১১ জুলাই) সকালে নদীর উজান থেকে ভেসে আসা লাকড়ি কুড়াতে গিয়েছিলেন সোলায়মান। কর্ণফুলীর তীরে দাঁড়িয়ে লাকড়ি সংগ্রহের সময় হঠাৎ স্রোতের টানে তিনি গভীর পানিতে তলিয়ে যান।

আশপাশের মানুষ তার চিৎকার শুনে ছুটে এলেও স্রোতের প্রবল বেগের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তিনি নদীটিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়ে পড়লে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেও উদ্ধার করতে পারেনি।

প্রায় দুই দিন অনুসন্ধানের পর সোমবার সকালে ভান্ডালজুড়ি এলাকায় নদীর পানিতে মরদেহটি ভেসে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের রাঙ্গুনিয়া স্টেশনের টিম লিডার জাহেদুর রহমান জানান, নিখোঁজের সংবাদ পাওয়ার পর তাদের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে কর্ণফুলী নদীর ভান্ডালজুড়ি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মুহাম্মদ তৈয়্যবুল/খাদিজা রুমি/

কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পা‌নি বৃ‌দ্ধি, বন্যার শঙ্কা

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:১০ পিএম
কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পা‌নি বৃ‌দ্ধি, বন্যার শঙ্কা
তিস্তা-দুধকুমারে স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা/ খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বেড়ে ভাঙন তীব্র আকার দেখা দিয়েছে। নদ-নদীর পানি বেড়ে তিস্তা-দুধকুমারে স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টায় কু‌ড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, উজানের ঢলে জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর মধ্যে ধরলা নদীর পানি তালুকশিমুলবাড়ি পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার, দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ১ দশমিক ০৯ সেন্টিমিটার এবং তিস্তা নদী কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, উজানের ঢলে ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতলে বাড়ছে। উক্ত নদ-নদীর পানি সমতলে বেড়ে তিস্তা নদীর অববাহিকায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

চিলমারী উপজেলার শাখাহাটির চর এলাকার বাসিন্দা আবদুর রহমান (৫৫) বলেন, ‘ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে জীবনে ১৫ বার বসতভিটা হারিয়েছি। এবার শেষ আশ্রয়টুকুও নদীতে চলে গেলে আমাদের আর কোথাও যাওয়ার জায়গা থাকবে না।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘উজানের ঢলে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন মোকাবেলায় অতিঝুঁকিপূর্ণ ছয় কিলোমিটার এলাকার মধ্যে চার কিলোমিটারে কাজ চলছে। বাকি দুই কিলোমিটারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’ 

সিরাজ/তামান্না রুপা/

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভুয়া দলিলে ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০২ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভুয়া দলিলে ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ
ছবি: খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাঁচ বোনকে বঞ্চিত করে তিন শ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ভাইদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন এক বোন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নের দারোগাবাড়ির বাসিন্দা নার্গিস আক্তার বাদী হয়ে গত ২৩ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (৪র্থ) আদালতে মামলাটি করেন। বিচারক মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামিরা হলেন-  এ কে এম রফিকুল ইসলাম (৬৫), বশির আহমেদ (৫৩), সাব্বির আহমেদ (৪৪) ও খালেদ সাইফুল্লাহ (৪৬)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, নার্গিস আক্তারের বাবা এ কিউ এম নূরুল হুদা সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের অরুয়াইল গ্রামের বাসিন্দা এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ২০০০ সালে অবসরে যাওয়ার পর ২০০৫ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্যারালাইজড হন এবং দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। গত বছরের ৩১ জানুয়ারি নূরুল হুদা মারা যান।

বাদীর অভিযোগ, তার বাবা শয্যাশায়ী থাকা অবস্থায় আসামিরা ২০০৯ সালের ৯ জুলাই এবং ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর অন্য একজনকে এ কিউ এম নূরুল হুদা পরিচয়ে হাজির করে ২৮৬৪/২০০৯, ৪৩৮৮/২০২০ ও ৮৩৮৯/২০২০ নম্বর হেবা ঘোষণাপত্র দলিল সম্পাদন ও নিবন্ধন করা হয়। পরে এসব দলিল গোপন রেখে অরুয়াইল ও বাদে অরুয়াইল মৌজার মূল্যবান পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়।

অরুয়াইল ও বাদে অরুয়াইল মৌজার বিএস ২৫৫ ও ৪৩৬ নম্বর খতিয়ানের আওতাধীন মোট ৫৮৮ দশমিক ৭৪ শতক জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে, যার বাজারমূল্য তিন শ কোটি টাকারও বেশি।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এ এস এম ইউসুফ ভূঁইয়া রিপন বলেন, হেবা দলিলে থাকা এ কিউ এম নূরুল হুদার স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তা হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মামলার অন্যতম আসামি এ কে এম রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা সুস্থ মস্তিষ্কে আমাদের নামে সম্পত্তি দলিল করে দিয়েছেন। তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত ছিলেন না, যদিও শেষদিকে কথা বলতে অসুবিধা হতো। তিনি ছেলে-মেয়ে সবার জন্যই সম্পত্তির ব্যবস্থা করে গেছেন। তাই নার্গিস আক্তারের অভিযোগ সঠিক নয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র গোপ বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।

আজিজুল সঞ্চয়/আজহার/

খুলনায় মাটি খুঁড়ে ইজিবাইকচালকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
খুলনায় মাটি খুঁড়ে ইজিবাইকচালকের মরদেহ উদ্ধার
খুলনায় বাড়ির উঠানে পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার। ছবি: খবরের কাগজ

খুলনার হরিণটানা এলাকায় মাটি খুঁড়ে একজন ইজিবাইকচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে রেলব্রিজ আবাসিক এলাকায় বাড়ির উঠানে মাটি খুঁড়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মুরাদ মোল্লা ও তার স্ত্রী ফালগুনী খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ইজিবাইক ছিনিয়ে নিতে ওই চালককে হত্যা করে মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখার কথা পুলিশকে জানিয়েছে।

হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন খবরের কাগজকে জানান, মাটি খুঁড়ে সেখানে অর্ধগলিত একটি মরদেহ পাওয়া যায়। সেখানে হাড়গোড়, মাথার অংশ পাওয়া গেলেও মরদেহটির একটি পা ছিল না। নিহত ব্যক্তি পঙ্গু ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, রমজান মাসের শুরুর দিকে ওই ইজিবাইকচালককে ভাড়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে এনে হত্যা করা হয়। তারপর তার মরদেহ মাটিতে পুঁতে ইজিবাইকটি ভেঙে যন্ত্রাংশ বিক্রি করা হয়।

পুলিশ ওই বাড়ি থেকে সিটি করপোরেশন থেকে দেওয়া ইজিবাইকের একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর-১৬৭২ প্লেট উদ্ধার করে। এটি গোলাম মোস্তফার নামে রেজিস্ট্রেশন করা। তিনি পুলিশকে জানান, প্রায় চার বছর আগে তার ইজিবাইকটি বিক্রি করেছেন, সম্ভবত নিহত ব্যক্তি এই ইজিবাইকের বর্তমান মালিক। পুলিশ নিহত ব্যক্তির পরিচয় উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

স্থানীয়রা জানায়, পারিবারিক কলহে মুরাদ মোল্লা ও তার স্ত্রী ফালগুনী খাতুনের মধ্যে প্রায় ঝগড়া হতো। সোমবার ঝগড়ার এক পর্যায়ে ফালগুনী পুলিশকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে ইজিবাইকচালককে হত্যার অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

মাকসুদ রহমান/থিওটোনিয়াস/

মাঝ নদীতে আটকা হাতিয়ার ফেরি, ব্যাহত নৌ চলাচল

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
মাঝ নদীতে আটকা হাতিয়ার ফেরি, ব্যাহত নৌ চলাচল
মেঘনা নদীর চরে আটকা পড়া ফেরি মহানন্দা। ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালীর হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট-নলচিরা ঘাট চলাচলকারী ফেরি মহানন্দা মেঘনা নদীর চরে আটকা পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে এ ফেরিটি মেঘনা নদীর চরে আটকে যায় বলে নিশ্চিত করেন, ফেরিটির মাস্টার মো. করিম।

তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ফেরিটিতে আড়াই শতাধিক যাত্রীবাহী এবং ১৬টি পণ্যবাহী যানবাহন আছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, ফেরিটি সকাল সাড়ে ৬টায় চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ছাড়ার কথা থাকলেও একঘণ্টা দেরিতে ছাড়া হয়। ফলে জোয়ারের অভাবে ফেরি আটকে পড়েছে এবং তারা ভোগান্তিতে পড়েন।

হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটের মাছের আড়তদার আকবর হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, নদীতে নাব্যতা সংকট এবং দেরিতে ফেরি ছাড়ার কারণে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের।

তবে মাস্টার মো. করিমের দাবি, ঘাটে নাব্য সংকট সংকটসহ নানা কারণে ফেরি ছাড়তে মিনিট দশেক দেরি হয়েছে। ৭টা ৪০ মিনিটে ভাটার শেষ দিকে ফেরি ছাড়ায় এ সমস্যায় পড়তে হয়েছে।

ফেরির উদ্ধার নিয়ে তিনি বলেন, আসলে এখন কিছুই করার নাই। সাড়ে ১০টার দিকে জোয়ার আসলে তখন ফেরি ছাড়া যাবে।

হানিফ উদ্দিন/থিওটোনিয়াস/