ভূতের গলি এক্কেবারে জুতের গলি নয়,
সেই গলিতে সাতটা ভূতের আস্তানা নিশ্চয়।
সন্ধ্যে হলে নিয়ন বাতি জ্বলছিল টিমটিম,
কাঁপল ভয়ে বুকের ছাতি হাতের তালু হিম।
ভাবছি ছালায় মুড়িয়ে মাথা চুপটি হেঁটে যাই,
গলি মুখের চা দোকানে তিন ঘটি জল খাই।
জল খেয়ে না তেষ্টা মেটে শুকায় গলা ফের,
খাপ পড়ে যায় পকেট থেকে লেখার কলমের।
বুকে মেরে মুখের থুতু পেছন ফিরে চাই,
ভয় কাটাতে জোরে জোরে পল্লীগীতি গাই।
একটু যেতেই কী যেন কী আঁচড় কাটে পায়,
ভয়ের চোটে আঁতকে উঠি পিলে চমকে যায়।
আঁচড় কাটে একটা হুলো দুষ্টু বিড়াল মিউ,
ভূতের গলি নিঝুম গলি ঠিক যেন কারফিউ।
আটটি বাড়ি পার হয়ে যেই পেছন ফিরে চাই,
একটি কুকুর ভেংচি কেটে মুখে তোলে হাই।
হাই তোলা ডগ কুকুর নাকি এটাই কালো ভূত!
পাশেই দুটি ইঁদুর ছানা খেলছিল কুতকুত।
হঠাৎ ওদিক বিকট জোরে আওয়াজ শুনি ধ্রাম,
তাকিয়ে দেখি বেড়াল চাটে ময়লা রাখার ড্রাম।
সেই আওয়াজে আমি ডরাই ইঁদুর ডরায় বেশ,
ভূত গেল কই? ভূত বলে নেই কোনো কিছুর লেশ।
জাহ্নবী