হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালে যশোর জেলা যুবদলের সহসভাপতি আমিনুর রহমানকে হাতকড়া ও ডাণ্ডাবেড়ি পরানো কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আমিনুর রহমানকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর বেঞ্চ এ আদেশ দেন। শুনানিতে রিটের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
আমিনুর রহমানের স্ত্রী নাহিদ সুলতানা লাভলী রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটে চিকিৎসাধীন আমিনুরকে ডাণ্ডাবেড়ি পরানোর বৈধতা প্রশ্নে রুল চাওয়া হয়। রিট আবেদনে বিচারাধীন অবস্থায় কারাবন্দিদের হাতকড়া ও ডাণ্ডাবেড়ি পরানোর বিষয়ে প্রিজনার্স অ্যাক্ট ও জেল কোড প্রয়োগে উপযুক্ত গাইডলাইন সুপারিশের জন্য একটি কমিটি গঠন, যথাযথ ও সুচিকিৎসার জন্য আমিনুরকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল অথবা বিএসএমএমইউ কিংবা সমমানসম্পন্ন ঢাকার অন্য কোনো সরকারি হাসপাতালে পাঠানোর জন্য নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।
একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ২৯ নভেম্বর যশোরে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে যুবদল নেতা আমিনুর রহমানকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। এ সময় আইনজীবীরা স্বপ্রণোদিত আদেশ চাইলে আদালত আবেদন করতে বলেন। ফলে আমিনুর রহমানের স্ত্রী নাহিদ সুলতানা গত রবিবার রিট দায়ের করেন।
এমএ/