ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সংসদের বিভিন্ন কক্ষে ছাদ দিয়ে পানি পড়ার অভিযোগ হুইপের তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবে কুতুবদিয়ার ৫ জেলে নিখোঁজ বৃষ্টির সময় কেন দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না? বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মুখে হাসি ফোটানোর গল্প বিদেশি বিনিয়োগে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা! হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন ডিজিটাল জুয়ার মরণফাঁদ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ এবং ট্রাম্পের হাসি ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১ ১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড' বন্যার্তদের পাশে তৌসিফ, দিলেন আর্থিক সহায়তা বদ্বীপ থেকে ডিজিটাল ক্যানভাস: বাংলাদেশি লোকশিল্পের রূপান্তর স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে কেন বলা হয় ‘লা রোজা’? ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা? জাহিদ হাসানের ‘পথহারা মন’ ধোলাইখালে সড়ক ধসে যান চলাচল বন্ধ ডাকসুর ভিপিসহ ছাত্রশিবির ছাড়লেন কেন্দ্রীয় ৯ নেতা ফ্রান্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়? ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না? বন্যাদুর্গত ১১ জেলার চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র

কোকা-কোলা বাংলাদেশে ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং পরিচালক লায়লা ফারজানা

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
কোকা-কোলা বাংলাদেশে ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং পরিচালক লায়লা ফারজানা
লায়লা ফারজানা

কোকা-কোলা বাংলাদেশ ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক (ডিরেক্টর–ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং) হিসেবে যোগ দিয়েছেন লায়লা ফারজানা।

লায়লা ফারজানার বিপণন, মিডিয়া, ডিজিটাল রূপান্তর, ট্রেড মার্কেটিং এবং ক্যাটাগরি ম্যানেজমেন্টে ১৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। 

কোকা-কোলা বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিং, মিডিয়া অ্যান্ড ডি-কমার্স (ডিএমসি) বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিজিটাল মার্কেটিং, মিডিয়া এবং ডি-কমার্স কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি মিডিয়া বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।

ইউনিলিভারে আট বছরের কর্মজীবনে তিনি ক্যাটাগরি ম্যানেজমেন্ট, কাস্টমার মার্কেটিং এবং মিডিয়াসহ বিভিন্ন নেতৃত্বের ভূমিকায় কাজ করেছেন। 

তার আগে তিনি গ্রামীণফোন, বাংলালিংক এবং সুইসকন্ট্যাক্ট-ক্যাটালিস্টে বিপণন ও ট্রেড-সংক্রান্ত বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যনির্ভর বিপণন কৌশল, ভোক্তাকেন্দ্রিক পরিকল্পনা এবং আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্র্যান্ড গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি কাজ করেছেন।

নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে লায়লা ফারজানা বলেন, ‘কোকা-কোলা বাংলাদেশ-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ডগুলোর প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্য অর্থবহ অভিজ্ঞতা তৈরিতে কাজ করতে চাই। একই সঙ্গে আমাদের টিম, বোতলজাতকরণ অংশীদার, গ্রাহক ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে বাজারে প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।’

কোকা-কোলা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈন উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘কোকা-কোলা বাংলাদেশ-এ লায়লা ফারজানাকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। বিপণন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে তার বহুমুখী অভিজ্ঞতা আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করবে। নতুন দায়িত্বে তার সফলতা কামনা করি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে স্নাতক লায়লা ফারজানার কাস্টমার মার্কেটিং ও ভোক্তাকেন্দ্রিক কৌশল প্রণয়নে উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা রয়েছে।

কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টাভিত্তিক দ্য কোকা-কোলা কোম্পানির (টিসিসিসি) পরোক্ষভাবে শতভাগ মালিকানাধীন একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। অনুমোদিত বোতলজাতকরণ অংশীদার কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজ লিমিটেড (সিসিবিবিএল) এবং আব্দুল মোনেম লিমিটেডের (এএমএল) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬২ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে কোকা-কোলা, কোকা-কোলা জিরো সুগার, ডায়েট কোক, স্প্রাইট, স্প্রাইট মিন্ট, স্প্রাইট জিরো সুগার, ফ্যান্টা, ফ্যান্টা অ্যাপল, কিনলে ওয়াটার এবং কিনলে সোডাসহ বিভিন্ন নন-অ্যালকোহলিক পানীয় বাজারজাত করছে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় কোকা-কোলা উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগে বিনিয়োগ করে আসছে। একটি সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব বিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে কোকা-কোলা সিস্টেম প্রায় ২২ হাজার ১০০ জনের কর্মসংস্থানে অবদান রাখছে, যার মধ্যে ৮০০টি প্রত্যক্ষ এবং ২১ হাজার ৩০০টি পরোক্ষ কর্মসংস্থান।

বিজ্ঞপ্তি/

১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড'

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম
১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড'
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

অত্যাধুনিক চিকিৎসা ও নিখুঁত রোগনির্ণয় সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ ১৫টি হাসপাতালকে হেমাটোলজি মেশিন অনুদান দিয়েছে, শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড'। এই মেশিনের মাধ্যমে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করা যাবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁও সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপো (সিএমএসডি) তথা কেন্দ্রীয় ঔষুধাগার কার্যালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এ অনুদান প্রদান করা হয়।

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১৫টি অত্যাধুনিক 'মিস্পা এইচএক্স৫৮' অটোমেটিক ৫-পার্ট হেমাটোলজি অ্যানালাইজার উইথ অটোলোডার মেশিন সরকারের কাছে হস্তান্তর করে প্রতিষ্ঠানটি।

এ সময় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয় উল্লেখ করে বলেন, ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যখাতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। খুব দ্রুত আমরা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাচ্ছি। যাতে করে আমরা স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ করতে পারি। এবারের বাজেট বরাদ্দের প্রায় ৬৯ হাজার কোটি টাকা মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ করা হবে। স্বাস্থ্যখাতে টাকা আসবে আর চলে যাবে- তা হবে না। টাকার সঠিক ব্যবহার জানতে হবে এবং যন্ত্রপাতি কিনতে হবে।

তিনি বলেন, একদিনও আমরা সময় নষ্ট করতে চাই না। প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদেরকে জবাবদিহি করতে হয়। কাজেই আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

মেডিকেল সরঞ্জাম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান গোলাম দস্তগীর তৌহিদ বলেন, সঠিক রোগনির্ণয় উন্নত চিকিৎসার পূর্বশর্ত। বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে আমরা সরকারের অংশীদার হিসেবে কাজ করতে পেরে গর্বিত। 'মিম্পা এইচএক্স৫৮' একটি বিশ্বমানের স্বয়ংক্রিয় হেমাটোলজি অ্যানালাইজার, যা অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারে।

উল্লেখ্য, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে আধুনিক রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, দ্রুত ও নির্ভুল সিভিসি পরীক্ষা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, হেমাটোলজি মেশিনে সরকারি হাসপাতালে দ্রুত ও নির্ভুল রক্ত পরীক্ষা সম্ভব হবে। রোগ নির্ণয়ের মান ও চিকিৎসার সিদ্ধান্ত আরও উন্নত হবে। রোগীদের সেবার অপেক্ষার সময় কমবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার সুবিধা পাবেন। প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হবে।

বক্তারা আরও জানান, তৃতীয় প্রজন্মের এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কম সময়ে—অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় ৮০টি টেস্টের মাধ্যমে রক্তের নিখুঁত রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এমপি, সিএমএসডির পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. শফিউর রহমান, ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মমিত ফয়সাল, সিএমএসডির উপ-পরিচালকসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।

জয়ন্ত সাহা/নাঈম

মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য ব্র্যাক-লেগো ফাউন্ডেশনের ‘স্প্ল্যাশ’ উদ্যোগ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য ব্র্যাক-লেগো ফাউন্ডেশনের ‘স্প্ল্যাশ’ উদ্যোগ
ছবি: সংগৃহীত

মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং খেলাভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। শিশুদের শিক্ষা, মানসিক সুস্থতা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিকাশ নিশ্চিত করতে ছোটবেলা থেকেই এ সব খাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। ফলে নানা সংকটের মধ্যেও শিশুরা শিখতে পারবে এবং নিজেদের সম্ভাবনাগুলোকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ব্র্যাক আয়োজিত সাসটেইনিং প্লে, লার্নিং অ্যান্ড স্কিলস ইন হিউম্যানিটারিয়ান কনটেক্সটসের (স্প্ল্যাশ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ সব কথা বলেন।  

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ডক্টর মোহাম্মদ জকরিয়া এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এ অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্। এ ছাড়া লেগো ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক কর্মসূচির প্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক আলামি অনুষ্ঠানে বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিশ্বে ৪৭ কোটি ৩০ লাখের বেশি শিশু সংঘাত ও মানবিক সংকটপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে এবং তাদের মধ্যে ৫ কোটি ২০ লাখের বেশি শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে। তাদের শিক্ষা, সুরক্ষা এবং মানসিক ও সামাজিক সহায়তার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের পাঁচ বছর মেয়াদি ৫ কোটি মার্কিন ডলারের এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও উগান্ডায় মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত চার লাখ শিশু ও কিশোর-কিশোরীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। ফলে শিশুদের লালন-পালন ও বিকাশে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশে এ অংশীদারত্বের প্রথম ধাপ স্প্ল্যাশ জুন ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। এতে জন্মের পর থেকে ১৮ বছর বয়সিদের বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হবে।

এ সহায়তার মধ্যে রয়েছে শিশুদের চাহিদা বুঝে যত্ন নেওয়া, আশ্রয়শিবিরে ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে খেলাভিত্তিক প্রারম্ভিক শিক্ষা, শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষায় অংশগ্রহণে সহায়তা এবং কিশোর-কিশোরীদের জন্য অব্যাহত শিক্ষা, জীবনদক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পরামর্শ বা মেন্টরশিপের সুযোগ সৃষ্টি। পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা ও সার্বিক বিকাশে অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা হবে।

এ ছাড়া ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রধান দীপা শংকর, বিআইইডির কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা সাজিয়া জামান, শিক্ষা কর্মসূচির কর্মসূচি প্রধান মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচির লিড মেহেদী হাসান, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, মানবিক সংকট ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির কর্মসূচি সমন্বয়ক ডা. এস. এম. হাসানুজ্জামান প্রমুখ অনুষ্ঠানের বিভিন্ন অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন। ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এডুকেশন (গ্লোবাল) কর্মসূচির প্রধান ডা. রাফিয়াত রশীদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

এ ছাড়াও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন অংশীজনের প্রতিনিধিরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

বিজ্ঞপ্তি/

পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২১ এএম
পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন
ছবি: সংগৃহীত

‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এক দেশ, এক কিউআর লেনদেন (বাংলা কিউআর)’ বাস্তবায়ন এবং দেশব্যাপী ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসির রাজশাহী অঞ্চলের উদ্যোগে ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

ওই অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পূবালী ব্যাংকের রাজশাহী অঞ্চলের ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালক আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহী অফিসের নির্বাহী পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন খান এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহনেওয়াজ খান, বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহী অফিসের পরিচালক মো. বায়েজীদ সরকার ও মো. নাজিম উদ্দিন, পূবালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক ও অলটারনেটিভ ডেলিভারী চ্যানেল ডিভিশন প্রধান মো. রবিউল আলম, উপমহাব্যবস্থাপক ও রাজশাহী অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান মো. সাজিদুর রহমান, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আর্থিক সচেতনতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে নিরাপদ ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি জনগণকে ডিজিটাল লেনদেনে আরও উৎসাহিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নে পূবালী ব্যাংক দেশব্যাপী আধুনিক, নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও গ্রাহকবান্ধব, উদ্ভাবনী ও নিরাপদ ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে পূবালী ব্যাংক পিএলসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তি/

শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করবে ইউসিবিডি ও কারমো গ্রুপ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭ এএম
শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করবে ইউসিবিডি ও কারমো গ্রুপ
ছবি: সংগৃহীত

শিল্প ও শিক্ষাখাতের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার নিজেদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেডিং প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কারমো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)।

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য হাতে-কলমে শেখার সুযোগ, ইন্টার্নশিপ, পেশাগত প্রশিক্ষণ, খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জ্ঞানবিনিময়মূলক সেশন এবং ক্যারিয়ার উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে ইউসিবিডি ও কারমো গ্রুপ। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারবেন।

ইউসিবিডির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত। কারমো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষে স্বাক্ষর করেন পরিচালক দেওয়ান শাহরিয়ার। অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের করপোরেট রিলেশনস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার শাহ ইউশা আহমেদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর প্রসঙ্গে ইউসিবিডির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করে, কিন্তু হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা তাদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। কারমো গ্রুপের সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দেবে এবং বর্তমান চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী তাদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে।’

কারমো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক দেওয়ান শাহরিয়ার বলেন, ‘শুরু থেকেই নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে, এমন দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে শিল্প ও একাডেমিয়াকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং শিল্পখাত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা অর্জনের সুযোগ পাবে।’

এই যৌথ উদ্যোগ উচ্চশিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে আরও কার্যকর সংযোগ তৈরিতে ইউসিবিডির ধারাবাহিক উদ্যোগেরই প্রতিফলন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এমন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন, যা তাঁদের পরিবর্তনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে সফলভাবে কাজ করার জন্য আরও প্রস্তুত করবে।

বিজ্ঞপ্তি/

বিশ্বমঞ্চে ইল্লিয়ীন, ডি-৮ হালাল এক্সপোতে উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফ্যাশন

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম
বিশ্বমঞ্চে ইল্লিয়ীন, ডি-৮ হালাল এক্সপোতে উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফ্যাশন
ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘ডি-৮ হালাল এক্সপো ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় লাক্সারি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ইল্লিয়ীন। ৮ থেকে ১২ জুলাই জাকার্তায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ হালাল বাণিজ্য ও লাইফস্টাইল প্রদর্শনী। ডি-৮ অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার সহায়তায় আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে সদস্যদেশগুলোর শীর্ষস্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী ও ক্রেতারা অংশ নিয়েছেন।

হালাল লাইফস্টাইল রিটেইল খাতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে ইল্লিয়ীন। প্রদর্শনীতে সিগনেচার থোব (জুব্বা), ফুটওয়্যার, চামড়াজাত পণ্য ও সুগন্ধিসহ নিজেদের প্রিমিয়াম মেনসওয়্যার কালেকশন প্রদর্শন করছে ব্র্যান্ডটি।

ডি-৮ হালাল এক্সপোতে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে ইল্লিয়ীনের সেলস প্ল্যানিং অ্যান্ড অপারেশনস ম্যানেজার আবু আদম বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে মুসলিম লাইফস্টাইল ও হালাল শিল্প দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। ভোক্তারা এখন এমন পণ্য খুঁজছেন, যা একাধারে উন্নত মানসম্পন্ন, আরামদায়ক এবং সমসাময়িক ডিজাইনের। ডি-৮ হালাল এক্সপোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে আমাদের ব্র্যান্ডকে তুলে ধরার পাশাপাশি বৃহত্তর মুসলিম ভোক্তা বাজারের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

ইল্লিয়ীনের আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ড সম্প্রসারণ কৌশল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এ অংশগ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিশেষ করে দ্রুত বিকাশমান মডেস্ট ফ্যাশন ও হালাল লাইফস্টাইল পণ্যের বাজারকে লক্ষ্য করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা অনুসন্ধান করছে ব্র্যান্ডটি।

ডি-৮ জোটভুক্ত বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, মিসর, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও আজারবাইজানে মোট ১২০ কোটির বেশি মানুষের বাজার রয়েছে। ক্রমবর্ধমান হালাল অর্থনীতিতে ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ প্রদর্শনী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

শিল্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক মুসলিম ভোক্তাদের ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৪৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৮ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৩৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে বৈশ্বিক মডেস্ট ফ্যাশন বাজারের আকার ৩২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৪৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি/