ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জনপ্রশাসনে বড় পদোন্নতি, ১৭২ জন হলেন যুগ্মসচিব কারেনের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের পুঁজি ২৪৭ প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় খাদ্যে ভেজাল নিয়ে সংসদে এমপিদের অসন্তোষ, খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস আহসান হাবীব: কবিতায় নিবিড়, গভীর অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ২০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক শিশুশিক্ষায় প্রয়োজন জলবায়ু সহনশীল শিক্ষাব্যবস্থা মালা নয়, হাতে উঠল হাতকড়া শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল বাড়াতে প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ ইউজিসির টানা বৃষ্টিতে কেরানীহাট-বান্দরবান মহাসড়ক পানির নিচে সীতাকুণ্ডে শিশু ইরা হত্যা: পাঁচ মাস পর বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড রক্ত পরীক্ষায় ভয় নয় দেশজুড়ে ফ্লেক্সিবল ডেলিভারি অপশন নিয়ে এলো পাঠাও পার্সেল সিলেট সীমান্তে বিএসএফের অবৈধ পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, সতর্ক বিজিবি দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি: ত্রাণমন্ত্রী মুখ দেখালেই বোর্ডিং পাস আইস্ক্রিনে ফুটবলের সেরা দুই সিনেমা ‘দামাল’ ও ‘জাগো’ রাজবাড়ীতে কোরআন পোড়ানোর অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার শেরপুরে বাসচাপায় নিহত ১, আটক ২ উর্মি খানের নতুন গান ‘ভাবনার মিছিল’ দেশের বাজারে ভিভোর নতুন স্মার্টফোন বাবার মামলায় ছেলের জেল, হাজতেই আত্মহত্যা মাদক ও বিচারহীনতার বিষবৃক্ষ সন্দ্বীপে টর্নেডোয় ব্যাপক ক্ষতি বিশ্ব পরিবেশ দিবসে টেকসই ভবিষ্যতের ছয় দিকনির্দেশনা নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আমদানি সহজীকরণসহ বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার রাজনীতির পালাবদলে বদলে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ চুয়েট সাংবাদিক সমিতির নেতৃত্বে গালিব ও ফাইয়াজ খবরের কাগজের সংবাদের পর মেট্রোরেল স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএমটিসিএল

দেশজুড়ে ফ্লেক্সিবল ডেলিভারি অপশন নিয়ে এলো পাঠাও পার্সেল

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
দেশজুড়ে ফ্লেক্সিবল ডেলিভারি অপশন নিয়ে এলো পাঠাও পার্সেল
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশের অন্যতম শীর্ষ সুপার অ্যাপ ‘পাঠাও’ তাদের পার্সেল সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এখন থেকে কাস্টমারদের জরুরি প্রয়োজন, সুবিধা এবং বাজেট অনুযায়ী আরও দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যে পার্সেল ডেলিভারি দিতে নতুন কিছু সেবা চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আগের মতো একটিমাত্র ডেলিভারি নিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, কাস্টমাররা এখন তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিচের যেকোনো একটি সুবিধা বেছে নিতে পারবেন।

ইনস্ট্যান্ট: শহরের ভেতরে অত্যন্ত জরুরি পার্সেল পাঠানোর জন্য এই সুবিধা। অর্ডার করার মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে পিকআপ করা হবে এবং ১ ঘণ্টার মধ্যে তা ডেলিভারি দেওয়া হবে।

৪-ঘণ্টা: শহরের ভেতরে দ্রুত ডেলিভারির জন্য এটি একটি দারুণ মাধ্যম। ইনস্ট্যান্ট সেবার চেয়ে কম খরচে ৪ ঘণ্টার মধ্যে পার্সেল পৌঁছে যাবে।

সেম-ডে: শহরের ভেতরে যেসব পার্সেল খুব বেশি জরুরি নয়, সেগুলো একই দিনের মধ্যে সুবিধাজনক সময়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই সেবা।

অ্যানিহোয়্যার: সাশ্রয়ী মূল্যে দেশজুড়ে পার্সেল পাঠানোর সুবিধা। কাস্টমাররা ঘর বা অফিস থেকেই পার্সেল সংগ্রহ করে ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে দেশের যেকোনো প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে।

হাব ড্রপ: এটি সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও খরচ বাঁচানোর উপায়। গ্রাহক নিজে তার কাছের ‘পাঠাও হাব’-এ গিয়ে পার্সেলটি দিয়ে আসতে পারবেন এবং সেখান থেকে ১-৩ দিনের মধ্যে দেশজুড়ে ডেলিভারি করা হবে।

প্রাথমিকভাবে ইনস্ট্যান্ট, ৪-ঘণ্টা এবং সেইম-ডে সেবাগুলো নির্দিষ্ট কিছু এলাকার ভেতরে পাওয়া যাবে। আর অ্যানিহোয়্যার ও হাব ড্রপ সেবার মাধ্যমে দেশজুড়ে সাশ্রয়ী মূল্যে পার্সেল পাঠানো যাবে।

এ বিষয়ে পাঠাও-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফাহিম আহমেদ বলেন, গ্রাহকদের সব সময় যে সবচেয়ে দ্রুতগতির ডেলিভারিই প্রয়োজন হয়, তেমনটি নয় বরং উপলক্ষ অনুযায়ী সঠিক সময়ে সঠিক ডেলিভারি সুবিধাটি পাওয়া তাদের জন্য জরুরি।

সেটি হতে পারে এক ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছানো কোনো জরুরি কাগজপত্র, দিনের যেকোনো সময়ে পাঠালেই চলবে এমন কোনো উপহার, কিংবা দেশের অন্য প্রান্তে পাঠানো কোনো সাধারণ পার্সেল। আমরা এখন কাস্টমারদের সেই স্বাধীনতাই দিচ্ছি।

এই নতুন সেবাগুলোর মাধ্যমে পাঠাও পার্সেল একটি একক এক্সপ্রেস সার্ভিস থেকে সম্পূর্ণ লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্মে রূপ নিল, যা পুরোপুরি কাস্টমারদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

বর্তমানে গ্রাহক ও ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের কেনাকাটা ও পার্সেল পাঠানোর আচরণে পরিবর্তন এসেছে। তারা এখন গতি, খরচ এবং সুবিধার সঠিক ভারসাম্য চান। নতুন এই সেবাগুলোর মাধ্যমে পাঠাও পার্সেল পাঠানোকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করার পাশাপাশি তাদের লজিস্টিকস ও ডেলিভারি কার্যক্রমের কার্যকারিতা আরও বাড়াতে পারবে বলে আশা করছে।

বিশেষ করে হাব ড্রপ সেবাটি চালুর ফলে খরচ অনেক কমে আসবে। কাস্টমাররা নিজেরাই কাছাকাছি পাঠাও হাবে পার্সেল রেখে আসতে পারবেন, যা দেশজুড়ে পার্সেল পাঠানোকে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে নিয়ে আসবে।

নতুন এই ডেলিভারি সুবিধাগুলো পাঠাও অ্যাপের সর্বশেষ আপডেটে পাওয়া যাচ্ছে। অ্যাপের ‘পার্সেল’ অপশনে ক্লিক করে কাস্টমাররা সহজেই প্রতিটি সেবার সময় এবং খরচ তুলনা করে নিজেদের পছন্দের ডেলিভারি বেছে নিতে পারবেন।

বাংলাদেশের শীর্ষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পাঠাও প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি ও লজিস্টিকস অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করছে, যাতে লাখ লাখ মানুষের দৈনন্দিন জীবন সহজ করার পাশাপাশি দেশের ব্যবসা ও তরুণ উদ্যোক্তাদের বিশ্বস্ত ডেলিভারি সেবা দেওয়া সম্ভব হয়।

বিজ্ঞপ্তি/

ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশের ব্যাংকিং খাতে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তির বছরে রিটেইল ডিপোজিটে ৫০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে ব্যাংকটি। ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ডিপোজিটের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার
৩২৪ কোটি টাকা।

গত চার বছরে ব্যাংকটির রিটেইল ডিপোজিট প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। ২০২২ সালের জুনে ব্যাংকটির রিটেইল খাতে আমানত ছিল ১৭ হাজার ৫১৪ কোটি টাকা, যা চার বছরের ব্যবধানে বেড়ে ৫০ হাজার ৩২৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

গত এক বছরে এটি বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। দেশব্যাপী ব্র্যাক ব্যাংকের বিস্তৃত ব্রাঞ্চ ও সাব-ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্ক এ সাফল্যে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে। এছাড়াও ব্যাংকটির রিটেইল সেলস ও এজেন্ট ব্যাংকিং চ্যানেলও আমানত বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।

ব্র্যাক ব্যাংকের এমন লক্ষণীয় মাইলফলক অর্জন সম্পর্কে ব্যাংকটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম বলেন, “প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তির বছরে রিটেইল ডিপোজিটে ৫০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। আমাদের এ অর্জন ডিজিটাল ব্যাংকিং সম্প্রসারণ এবং আরও বেশি মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। গ্রাহকদের আস্থা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত আমাদের সহকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টাই এই সাফল্যের মূল ভিত্তি।” 

শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক, আধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা, উদ্ভাবনী প্রোডাক্ট ও সার্ভিস এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের অন্যতম শীর্ষ রিটেইল ব্যাংক।

প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে ব্যাংকটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণ, গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তি/

কুমিল্লায় পুবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস ময়নামতি’ ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
কুমিল্লায় পুবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস ময়নামতি’ ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
ছবিঃখবরের কাগজ

কুমিল্লার ময়নামতিতে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার প্রসার এবং ক্যাশলেস লেনদেনে গ্রাহকদের উদবুদ্ধ করতে পুবালী ব্যাংক পিএলসির উদ্যোগে ‘ক্যাশলেস ময়নামতি’ শীর্ষক ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে গোমতী টাওয়ার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম কার্যালয়ের পরিচালক মাহবুবুল আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুবালী ব্যাংক পিএলসি, আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লার অঞ্চল প্রধান ও উপমহাব্যবস্থাপক মো. মাইনুল ইসলাম এবং কুমিল্লা প্রধান শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ও উপমহাব্যবস্থাপক মোসাম্মৎ রেহেনা আক্তার ও আঞ্চলিক কার্যালয়ে সহকারী মহাব্যবস্থাপক, ধূর্জটি প্রসাদ ভট্টাচার্য।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুবালী ব্যাংক পিএলসি, ময়নামতি শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইলিয়াস। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে ক্যাশলেস লেনদেনের বিকল্প নেই। গ্রাহকদের ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে পুবালী ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আসছে।

ক্যাম্পেইনে ব্যাংকের বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ও পণ্য সম্পর্কে গ্রাহকদের জানানো হয়। এর মধ্যে ছিল বাংলা কিউআর, পাই ব্যাংকিং, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, এটিএম, সিআরএম, সিডিএম এবং মার্চেন্ট পস সেবা। পাশাপাশি ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা, নিরাপত্তা ও ব্যবহারবিধি সম্পর্কে উপস্থিত ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের ধারণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. আশিকুর রহমান ভূঁইয়া, শাখা ব্যবস্থাপক, বরুড়া কুমিল্লা।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন, ডেপুটি জুনিয়র অফিসার ময়নামতি শাখা, মো. আব্দুল মোতালিব, ডেপুটি জুনিয়র অফিসার ও এডিসি, ময়নামতি শাখা, মো. আনোয়ারুল ইসলাম।

জহির শান্ত/হীরা

আইএআইএলসি প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ সম্মাননা পাবেন বিজয়ী ৫৭ জন ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠান

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
আইএআইএলসি প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ সম্মাননা পাবেন বিজয়ী ৫৭ জন ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠান
ছবি: খবরের কাগজ

ইন্টারন্যাশনাল এআই ইনোভেশন অ্যান্ড লীডারশীপ কনসোর্টিয়াম (আইএআইএলসি) প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬-এর বিজয়ী ৫৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৫ জুলাই ঢাকার হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিজয়ীদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্টনে ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের ব্রিস্টো হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আইএআইএলসি'র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট প্রফেসর বি সি পান্ডে।

কানাডা ভিত্তিক সংস্থা ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের (ইউএইচএফ) এই পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করার কথা রয়েছে। অ্যাওয়ার্ডের বিভিন্ন ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে- শিক্ষা, গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, করপোরেট নেতৃত্ব, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, মানবিক সেবা এবং টেকসই উন্নয়ন।

প্রফেসর বি সি পান্ডে বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবকেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নৈতিক নেতৃত্ব, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং টেকসই উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরষ্কার দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চেম্বার অব কমার্স, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ের অবদানকে দীর্ঘ গবেষণা ও আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের মাধ্যমে যাচাই প্রক্রিয়ায় বিজয়ীদের চূড়ান্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিজয়ীদের পর্যায়ক্রমে অফিশিয়াল কনফার্মেশন লেটার, ইনভিটেশন লেটার এবং ভিআইপি ডেলিগেট ইনভিটেশন পাঠানো হবে। এছাড়া তারা নির্ধারিত আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে মেডেল, ক্রেস্ট, অফিশিয়াল রিকগনিশন সার্টিফিকেট এবং ইন্টারন্যাশনাল সিপিডি ডুয়াল সার্টিফিকেশন নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ সম্মাননা গ্রহণের জন্য কোনো নিবন্ধন ফি বা প্রশাসনিক ফি প্রযোজ্য হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের (ইউএইচএফ) আসিয়ান আঞ্চলিক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ অ্যাম্বাসেডর শচীন্দ্র নাথ হালদার বলেন, ঘোষিত ৫৭টি বিজয়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ ক্ষেত্রে উদ্ভাবন, নেতৃত্ব, গবেষণা এবং মানবকল্যাণে যে অসামান্য অবদান রেখেছেন, সেটি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ দায়িত্বশীল প্রযুক্তি, নৈতিক নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

আয়োজকরা জানান, আইএআইএলসি প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ কোনো বাণিজ্যিক বা স্পন্সরনির্ভর পুরস্কার নয়। এ সম্মাননা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ‘পেইড নোমিনেশন’, ‘স্পন্সরশিপ’, ‘লবিং’ কিংবা ‘অ্যাডভার্টাইজিং পারচেজ’ বিবেচনা করা হয় না। সম্পূর্ণ গবেষণা, প্রমাণ, যোগ্যতা এবং বাস্তব অবদানের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা, এআই ও সাইবার সিকিউরিটি উদ্যোগ, নেতৃত্ব উন্নয়ন, নীতিনির্ধারণ সংলাপ এবং বৈশ্বিক জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কাজ করবে আইএআইএলসি।

সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন– ইউএইচএফ গ্লোবাল কনসোর্টিয়াম আসিয়ান চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা মো. মিজানুর রহমান, সঞ্জিত বাড়ৈ, অ্যাডভোকেট মিন্টু কুমার মণ্ডল, উদ্যোক্তা, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও আন্তর্জাতিক ইভেন্টস অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট লিডার এবং ইউএইচএফ গ্লোবাল কনসোর্টিয়াম আসিয়ান চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা অন্তু করীম, ইউএইচএফ গ্লোবাল কনসোর্টিয়াম সদর দপ্তর ও কানাডার হাই-টেক কো-অর্ডিনেটর আদিতা হক।

শেখ জাহাঙ্গীর/এএফ

আইএসইউতে ওবিই ভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও অ্যাসেসমেন্ট রুব্রিক্স বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
আইএসইউতে ওবিই ভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও অ্যাসেসমেন্ট রুব্রিক্স বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

মানসম্মত প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং কার্যকর অ্যাসেসমেন্ট রুব্রিক্স তৈরির দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ)-তে ‘আউটকাম-বেইজড এডুকেশন (ওবিই) ভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও অ্যাসেসমেন্ট রুব্রিক্স’ বিষয়ক একটি দিনব্যাপী ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাখালী ক্যাম্পাসের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালার আয়োজন করে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)।

আইকিউএসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. একরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএসইউর ট্রেজারার প্রফেসর এইচ.টি.এম. কাদের নেওয়াজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক মো. আবুল কাসেম এবং রেজিস্ট্রার মো. ফাইজুল্লাহ কৌশিক।

প্রফেসর এইচ. টি. এম. কাদের নেওয়াজ, শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষকদের নিয়মিত নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। মানসম্মত প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, আধুনিক মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাদান শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনেও সহায়ক হবে।

প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কাসেম বলেন, একটি প্রশ্নপত্র কতটা মানসম্মত, তা নির্ভর করে সেটি শিক্ষার্থীর বিশ্লেষণ এবং  সমস্যা সমাধানের দক্ষতা কতটুকু মূল্যায়ন করতে পারছে তার ওপর। একইভাবে, এসেসমেন্ট রুব্রিক্স ব্যবহার করলে মূল্যায়নে ব্যক্তিনির্ভরতা কমে এবং প্রতিটি শিক্ষার্থী একই মানদণ্ডে মূল্যায়িত হয়। তাই  ওবিই -এর সফল বাস্তবায়নে এ ধরনের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ অত্যন্ত সময়োপযোগী।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন ব্যবহারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন আইকিউএসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. একরামুল হক এবং আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক ও ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মনিরুল হাসান মাসুম। তারা আউটকাম- বেইজড এডুকেশন (ওবিই) অনুযায়ী প্রশ্নপত্র তৈরি, কোর্স লার্নিং আউটকাম-এর সঙ্গে প্রশ্নের সামঞ্জস্য নির্ধারণ, ব্লুমস ট্যাক্সোনমির-কার্যকর প্রয়োগ এবং এসেসমেন্ট রুব্রিক্স প্রণয়নের বিভিন্ন কৌশল বাস্তব উদাহরণ ও ব্যবহারিক অনুশীলনের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন। তারা বলেন, শিক্ষকরা নিজ নিজ কোর্সে এসব কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে আরও পরিকল্পিত, স্বচ্ছ ও ফলাফল ভিত্তিক করে তুলতে পারবেন।

কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি অংশগ্রহণকারীদের প্রাণবন্ত আলোচনা, মতবিনিময় এবং ব্যবহারিক অনুশীলনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিজ্ঞপ্তি/

 

ইউসিবিডির বার্ষিক সমাবর্তনে স্বীকৃতি পেলেন মোনাশ

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
ইউসিবিডির বার্ষিক সমাবর্তনে স্বীকৃতি পেলেন মোনাশ
ছবি: সংগৃহীত

ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)-এর ২০২৬ সালের বার্ষিক সমাবর্তন মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর লে মেরিডিয়ান, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাবর্তনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার (এমইউএফওয়াই) ও মোনাশ কলেজ ডিপ্লোমা (এমসিডি) প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করা ১৭৮ শিক্ষার্থীর হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নিকোলাস ম্যাকলিন। 

সদ্য স্নাতকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকে উপস্থিত সকল স্নাতকদের প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন। বর্তমানে, অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে শিক্ষা সেবা। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি সেখানে উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে সকল শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে বেঁছে নিয়েছেন, আমরা সবসময়ের মতই তাদের পাশে থাকতে চাই। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ কলেজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (পাথওয়েজ পার্টনারশিপস) তানিয়া পেরেরা। 

তিনি বলেন, ‘আজ এই শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়িয়ে আমি সত্যিই অনুপ্রাণিত। এ অর্জনের পেছনে তাদের যে নিষ্ঠা ও অধ্যবসায় রয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তারা প্রমাণ করেছেন, বৈশ্বিক পরিসরে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মানসিক প্রস্তুতি ও একাডেমিক সক্ষমতা তাদের রয়েছে।’

বাংলাদেশে মোনাশ কলেজের একমাত্র অংশীদার হিসেবে ইউসিবিডি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পাথওয়ে প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে বসেই অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষা যাত্রা শুরু করতে পারেন। এসব প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করার পরে তারা মোনাশ ইউনিভার্সিটিসহ বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান।

ইউসিবিডি’র মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামটি স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে মোনাশ কলেজ ডিপ্লোমা প্রোগ্রামটি মোনাশ ইউনিভার্সিটির নির্ধারিত স্নাতক ডিগ্রির প্রথম বর্ষের সমমান। ফলে এ প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা সরাসরি দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানে এসটিএস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মানাস সিং বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসানীতি ও অন্যান্য বিধিনিষেধ কঠোর হলেও ইউসিবিডির শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষায় অগ্রসর হচ্ছেন। এটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। বিশ্বমানের একাডেমিক ভিত্তি সব সময়ই শিক্ষার্থীদের জন্য বৈশ্বিক সুযোগের দ্বার খুলে দেয়।’

বিজ্ঞপ্তি/