ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
পেকুয়ায় পাহাড়ধসে মাটির নিচে পানের বরজ, নিঃস্ব প্রবাস ফেরত চাষিরা আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে ৫ মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার হাতিয়ায় পানিবন্দিদের পাশে ছাত্রদল গাজীপুর থেকে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণে তিন রোভার স্কাউট গোপালগঞ্জে ১২ লাখ টাকার অবৈধ চিংড়ির পোনা জব্দ চাঁদাবাজির মামলায় কথিত সাংবাদিক শফিকুলসহ ৩ জনের কারাদণ্ড মালয়েশিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত গৌরনদীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী যমজ ৩ বোনের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি ব্যাংককে বারে আগুন, নিহত ২৭ নোবিপ্রবিতে গুচ্ছ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি, ক্লাস শুরু ১৯ জুলাই শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ, ব্যবসার খরচ কমানোর দাবি শিবচরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় আপন দুই ভাইয়ের অনন্য সাফল্য জাককানইবিতে শুরু হলো ৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব সংবিধান সংশোধন-সংস্কার: মুখোমুখি সরকারি ও বিরোধী দল প্রকৌশলীর কাজে চিকিৎসক, লক্ষ্যের নেই অগ্রগতি বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দুর্গম এলাকায় পৌঁছেনি ত্রাণ দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো চুক্তি আইএমএফের সঙ্গে হবে না: অর্থমন্ত্রী বরিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী, একঝলক দেখতে মহাসড়কে নেতাকর্মীদের ভিড় হবিগঞ্জে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ত্রিপুরার ‘চাকমা গেট’ পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন জুলাই-সেপ্টেম্বরে রিটার্ন জমা দিলেই কর ছাড় পানিবন্দি ৫ শতাধিক পরিবার হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের ভালোবাসার জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ঢাকা ও দিল্লির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল যাত্রা, শুভেচ্ছা জানালেন ফরিদপুরের হাজারো নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে মাওয়া প্রান্তে জনতার ঢল অপরূপা প্রজাপতি নীল পুনম শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করবে ইউসিবিডি ও কারমো গ্রুপ

পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২১ এএম
পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন
ছবি: সংগৃহীত

‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এক দেশ, এক কিউআর লেনদেন (বাংলা কিউআর)’ বাস্তবায়ন এবং দেশব্যাপী ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসির রাজশাহী অঞ্চলের উদ্যোগে ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

ওই অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পূবালী ব্যাংকের রাজশাহী অঞ্চলের ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালক আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহী অফিসের নির্বাহী পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন খান এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহনেওয়াজ খান, বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহী অফিসের পরিচালক মো. বায়েজীদ সরকার ও মো. নাজিম উদ্দিন, পূবালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক ও অলটারনেটিভ ডেলিভারী চ্যানেল ডিভিশন প্রধান মো. রবিউল আলম, উপমহাব্যবস্থাপক ও রাজশাহী অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান মো. সাজিদুর রহমান, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আর্থিক সচেতনতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে নিরাপদ ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি জনগণকে ডিজিটাল লেনদেনে আরও উৎসাহিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নে পূবালী ব্যাংক দেশব্যাপী আধুনিক, নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও গ্রাহকবান্ধব, উদ্ভাবনী ও নিরাপদ ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে পূবালী ব্যাংক পিএলসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তি/

শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করবে ইউসিবিডি ও কারমো গ্রুপ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭ এএম
শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করবে ইউসিবিডি ও কারমো গ্রুপ
ছবি: সংগৃহীত

শিল্প ও শিক্ষাখাতের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার নিজেদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেডিং প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কারমো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)।

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য হাতে-কলমে শেখার সুযোগ, ইন্টার্নশিপ, পেশাগত প্রশিক্ষণ, খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জ্ঞানবিনিময়মূলক সেশন এবং ক্যারিয়ার উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে ইউসিবিডি ও কারমো গ্রুপ। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারবেন।

ইউসিবিডির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত। কারমো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষে স্বাক্ষর করেন পরিচালক দেওয়ান শাহরিয়ার। অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের করপোরেট রিলেশনস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার শাহ ইউশা আহমেদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর প্রসঙ্গে ইউসিবিডির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করে, কিন্তু হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা তাদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। কারমো গ্রুপের সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দেবে এবং বর্তমান চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী তাদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে।’

কারমো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক দেওয়ান শাহরিয়ার বলেন, ‘শুরু থেকেই নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে, এমন দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে শিল্প ও একাডেমিয়াকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং শিল্পখাত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা অর্জনের সুযোগ পাবে।’

এই যৌথ উদ্যোগ উচ্চশিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে আরও কার্যকর সংযোগ তৈরিতে ইউসিবিডির ধারাবাহিক উদ্যোগেরই প্রতিফলন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এমন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন, যা তাঁদের পরিবর্তনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে সফলভাবে কাজ করার জন্য আরও প্রস্তুত করবে।

বিজ্ঞপ্তি/

বিশ্বমঞ্চে ইল্লিয়ীন, ডি-৮ হালাল এক্সপোতে উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফ্যাশন

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম
বিশ্বমঞ্চে ইল্লিয়ীন, ডি-৮ হালাল এক্সপোতে উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফ্যাশন
ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘ডি-৮ হালাল এক্সপো ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় লাক্সারি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ইল্লিয়ীন। ৮ থেকে ১২ জুলাই জাকার্তায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ হালাল বাণিজ্য ও লাইফস্টাইল প্রদর্শনী। ডি-৮ অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার সহায়তায় আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে সদস্যদেশগুলোর শীর্ষস্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী ও ক্রেতারা অংশ নিয়েছেন।

হালাল লাইফস্টাইল রিটেইল খাতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে ইল্লিয়ীন। প্রদর্শনীতে সিগনেচার থোব (জুব্বা), ফুটওয়্যার, চামড়াজাত পণ্য ও সুগন্ধিসহ নিজেদের প্রিমিয়াম মেনসওয়্যার কালেকশন প্রদর্শন করছে ব্র্যান্ডটি।

ডি-৮ হালাল এক্সপোতে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে ইল্লিয়ীনের সেলস প্ল্যানিং অ্যান্ড অপারেশনস ম্যানেজার আবু আদম বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে মুসলিম লাইফস্টাইল ও হালাল শিল্প দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। ভোক্তারা এখন এমন পণ্য খুঁজছেন, যা একাধারে উন্নত মানসম্পন্ন, আরামদায়ক এবং সমসাময়িক ডিজাইনের। ডি-৮ হালাল এক্সপোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে আমাদের ব্র্যান্ডকে তুলে ধরার পাশাপাশি বৃহত্তর মুসলিম ভোক্তা বাজারের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

ইল্লিয়ীনের আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ড সম্প্রসারণ কৌশল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এ অংশগ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিশেষ করে দ্রুত বিকাশমান মডেস্ট ফ্যাশন ও হালাল লাইফস্টাইল পণ্যের বাজারকে লক্ষ্য করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা অনুসন্ধান করছে ব্র্যান্ডটি।

ডি-৮ জোটভুক্ত বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, মিসর, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও আজারবাইজানে মোট ১২০ কোটির বেশি মানুষের বাজার রয়েছে। ক্রমবর্ধমান হালাল অর্থনীতিতে ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ প্রদর্শনী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

শিল্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক মুসলিম ভোক্তাদের ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৪৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৮ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৩৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে বৈশ্বিক মডেস্ট ফ্যাশন বাজারের আকার ৩২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৪৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি/

সিআইপিএস এশিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের চার পুরস্কার বাংলালিংকের

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
সিআইপিএস এশিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের চার পুরস্কার বাংলালিংকের
ছবি: সংগৃহীত

‘সিআইপিএস এশিয়া এক্সিলেন্স ইন প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ চারটি মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এ অর্জনের মাধ্যমে উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি এবং কার্যকর প্রকিউরমেন্ট ব্যবস্থাপনার প্রতি বাংলালিংকের অঙ্গীকার আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও দৃঢ় হয়েছে।

চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই (সিআইপিএস) আয়োজিত এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান গত ৭ থেকে ৯ জুলাই সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রকিউরমেন্ট ও সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয় এ অ্যাওয়ার্ড। এ খাতে উদ্ভাবন, কৌশলগত প্রভাব এবং উল্লেখযোগ্য সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে চারটি বিভাগে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলালিংক। সামাজিক মূল্য সৃষ্টি, টেকসই উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং প্রকিউরমেন্ট নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য অর্জনের স্বীকৃতি মিলেছে এসব বিভাগে।

পুরস্কারপ্রাপ্তি উপলক্ষে বাংলালিংকের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট ডিরেক্টর আশিক সোবহান বলেন, ‘এই স্বীকৃতি আমাদের প্রকিউরমেন্ট দলের নিষ্ঠা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। এমন একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে চারটি বিভাগে স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এটি বাংলালিংকের প্রকিউরমেন্ট কার্যক্রমে টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক মূল্যবোধ এবং পরিচালনাগত উৎকর্ষকে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করার আমাদের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। এ অসামান্য অর্জনের জন্য আমাদের দলের প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।’ 

চারটি স্বীকৃতির মধ্যে ‘প্রকিউরমেন্ট এনাবলিং ইনক্লুসিভ ডিজিটাল এডুকেশন’ প্রকল্পের জন্য ‘বেস্ট ইনিশিয়েটিভ টু ডেলিভার সোশ্যাল ভ্যালু থ্রু প্রকিউরমেন্ট’ বিভাগে বিজয়ী হয়েছে বাংলালিংক। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন ক্যাটাগরি ম্যানেজার কাজী সানজিদ আহমেদ।

একই সঙ্গে ‘কার্বন-স্মার্ট গ্রিন মাইক্রোওয়েভ কানেক্টিভিটি’ উদ্যোগের জন্য ‘বেস্ট সাসটেইনেবিলিটি প্রজেক্ট অব দ্য ইয়ার’ বিভাগে বিজয়ী হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ উদ্যোগের প্রতিনিধিত্ব করেন ক্যাটাগরি ম্যানেজার নাজিরুল ইসলাম খান।

এ ছাড়া, সিনিয়র ক্যাটাগরি ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল ফারুকের প্রতিনিধিত্বে ‘র‍্যান (রেডিও অ্যাকসেস নেটওয়ার্ক) ট্রান্সফরমেশন’ প্রকল্পের জন্য ‘বেস্ট অ্যাপ্রোচ টু রিস্ক মিটিগেশন’ বিভাগে রানার-আপ স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলালিংক।

পাশাপাশি সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট ডিরেক্টর আশিক সোবহানের প্রতিনিধিত্বে ‘প্রকিউরমেন্ট টিম অব দ্য ইয়ার’ বিভাগেও রানার-আপ স্বীকৃতি অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আর্থিক সেবাকে আরও সহজলভ্য ও অর্থবহ করে তোলার লক্ষ্যে নিজেদের সেবামুখী দর্শনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা ‘পিপল-ফার্স্ট’ নীতির আলোকে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। মাইবিএল সুপার অ্যাপ, দেশের সবচেয়ে বড় বিনোদন প্ল্যাটফর্ম টফি এবং তরুণদের জন্য দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড রাইজসহ বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল সেবা দিচ্ছে বাংলালিংক।

নাসডাক-তালিকাভুক্ত দুবাইভিত্তিক বৈশ্বিক ডিজিটাল অপারেটর ভিওনের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক।

বিজ্ঞপ্তি/

দেশজুড়ে আকিজ পাইপস নিয়ে এলো ‘ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
দেশজুড়ে আকিজ পাইপস নিয়ে এলো ‘ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’
ছবি: সংগৃহীত

দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান আকিজ গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘আকিজ পাইপস’ সারা দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলো এক অভিনব ও রোমাঞ্চকর উদ্যোগ ‘আকিজ পাইপস ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’।

রবিবার (১২জুলাই) সকালে আকিজ হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ব্যতিক্রমী ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। চলমান ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে ফুটবল ভক্তদের আবেগ ও উচ্ছ্বাসকে উদযাপন করতেই ব্র্যান্ডটি দেশব্যাপী এই ভিন্নধর্মী আয়োজন শুরু করতে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই ক্যাম্পেইনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো খেলার অনন্য নিয়ম। সাধারণ ফুটবল পায়ের কৌশলে খেলা হলেও, ‘আকিজ পাইপস ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপে’ বল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে মুখের ফুঁ দিয়ে। আকিজ পাইপস ব্যবহার করে তৈরি বিশেষ গেমিং প্ল্যাটফর্মে প্রতিযোগীরা পাইপের ভেতর ফুঁ দিয়ে, নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ ও কৌশলের মাধ্যমে বলকে বিপক্ষ দলের গোলপোস্টে পাঠানোর লড়াই করবেন। খেলার এই মজার ও সহজ নিয়মের কারণে যেকোনো সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নিতে পারবেন।

উদ্যোগটির অংশ হিসেবে আকিজ পাইপসের চারটি সুসজ্জিত ব্র্যান্ডেড ক্যারাভ্যান দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলায় ঘুরে বেড়াবে। খেলার পাশাপাশি মাঠে আসা দর্শকদের জন্য থাকবে বৈচিত্র্যময় বিনোদন, নানাবিধ কার্যক্রম এবং আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা।

ক্যাম্পেইনটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে আকিজ পাইপসের চিফ অপারেটিং অফিসার পরিতোষ চন্দ্র মিত্র বলেন, ‘আকিজ পাইপস সবসময় উদ্ভাবন ও গ্রাহক সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেয়। ‘ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’ আমাদের সেই সৃজনশীল ভাবনারই একটি প্রতিফলন। এর মাধ্যমে একটি সাধারণ পণ্যকে আমরা আনন্দ ও উৎসবের এক অসাধারণ অভিজ্ঞতায় রূপ দিয়েছি, যা ফুটবলপ্রেমীদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।’

আকিজ গ্রুপের হেড অব ব্র্যান্ড মো. ছাকিবুল শাহিন বলেন, ‘এটি কেবল একটি ব্র্যান্ড ক্যাম্পেইন নয়, বরং বাংলাদেশের কোটি ফুটবল ভক্তের প্রতি আমাদের সম্মান ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে আরও কাছ থেকে উপভোগ করার সুযোগ দিতেই আমরা এমন আয়োজন করেছি। ক্যারাভ্যানের মাধ্যমে আমরা দেশের প্রতিটি প্রান্তে এই নতুন অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে চাই, কারণ একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড মানুষের আবেগ ও সুন্দর অভিজ্ঞতার সঙ্গেই বেড়ে ওঠে।’

বাংলাদেশে ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, বরং কোটি মানুষের আবেগ ও একতার প্রতীক। সেই চিরচেনা ফুটবল-আবেগকে শ্রদ্ধা জানিয়ে, আকিজ পাইপস এই অভিনব আয়োজনের মাধ্যমে দেশের মানুষের কাছে ফুটবলকে আরও উৎসবমুখর করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তি/

এশিয়া প্রেস্টিজ ৫০ আন্ডার ৫০ সিইও এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের সিইও মো. নুরুল আফছার

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
এশিয়া প্রেস্টিজ ৫০ আন্ডার ৫০ সিইও এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের সিইও মো. নুরুল আফছার
ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের সিইও মো. নুরুল আফছার। ছবি: সংগৃহীত

এশিয়া প্রেস্টিজ ৫০ আন্ডার ৫০ সিইও এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬  হলো এশিয়ার তরুণ, গতিশীল এবং দূরদর্শী ব্যবসায়ী ও কর্পোরেট প্রধানদের জন্য একটি অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা। এশিয়ান অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা ও উদ্ভাবনে অসাধারণ অবদান রাখা ৫০ জন সিইও-কে এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

সম্প্রতি কম্বোডিয়ার নমপেনের শাংরি-লা হোটেলে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এই আয়োজনে ২৮টি দেশের প্রায় ২৮০ জনেরও বেশি উচ্চপদস্থ সিইও এবং কর্পোরেট লিডার একত্রিত হন।

এবারের আয়োজনের অফিশিয়াল উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন কম্বোডিয়ার শিল্প, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন মন্ত্রী, মহামান্য হেম ভান্দি। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো এন্টারপ্রেনিউর বা প্রতিষ্ঠাতা, ব্যবসায়ী, মালিক এবং ৫০ বছরের কম বয়সী সিইও-দের নেতৃত্ব, ব্যবসায়িক রেজিলিয়েন্স বা ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা এবং সাসটেইনেবিলিটি বা টেকসই উন্নয়নকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা।

৩৩ বছরেরও বেশি গৌরব এবং কর্মময় জীবনে মো. নুরুল আফছার সবসময় উদ্ভাবনী, অংশগ্রহণ এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপ এবং বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স খাতকে সমৃদ্ধ করেছেন।

ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপ যেমন তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পে একটি বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছতে সক্ষম হয়, তেমনি নিত্য নতুন মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি, ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈচিত্রতা, নিয়মিত মার্কেট রিসার্চ, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট, বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় কনকা ও গ্রী ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনের জন্য কারখানা স্থাপন ও পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে টেকসই উন্নতি এবং উৎকর্ষ অর্জনসহ অংশগ্রহণমূলক কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতি তৈরি করতে পেরেছেন।

ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, আমরা মো. নুরুল আফছারকে তার এই প্রাপ্য স্বীকৃতির জন্য অভিনন্দন জানাই। তার উদ্ভাবনী ও দূরদর্শীসম্পন্ন নেতৃত্ব ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে, উৎকর্ষ অর্জনের সংস্কৃতি গড়তে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। এই পুরস্কার ও স্বীকৃতি তার অসামান্য অবদানকে প্রতিফলিত করে। শিল্পের প্রতি তার অবিচল নিষ্ঠা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং এই স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে ইলেক্ট্রো মার্ট পরিবার তাকে বিশেষ সম্মান ও অভিনন্দন জানায়।

এ স্বীকৃতির জন্য আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান মো. নুরুল আফছার। তিনি বলেন আমরা বিশ্ব মঞ্চে স্বীকৃতি পেয়ে আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি। এ স্বীকৃতি মাধ্যমে আমাদেরকে আরও দায়িত্বশীল হতে অনুপ্রাণিত করবে। আগামীতে বাংলাদেশের ইলেকট্রক্সি ও হোম অ্যাপল্যায়েন্স খাতকে এগিয়ে নিতে আমরা এক সঙ্গে কাজ করবো।

বিজ্ঞপ্তি/