রাজধানীর তিন থানার তিন মামলায় বিএনপির ৭৩ নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার (১০ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে এসব রায় ঘোষণা হয়। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩৮ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
এগুলোর মধ্যে কলাবাগান থানার মামলায় রবিউল ইসলাম নয়নসহ ৪০ জনকে পৃথক তিন ধারায় দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলী হায়দার চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২ হাজার ৭০০ টাকা করে তাদের জরিমানা করা হয়, যা অনাদায়ে আরও ১৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ে মামলার তিন ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যার ফলে তাদের একবছর করে কারাভোগ করতে হবে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পুলিশের কাজে বাধা ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে ২০১৩ সালের ১৩ নভেম্বর মামলাটি করা হয়।
ঢাকার বংশাল থানায় ২০১৮ সালে করা নাশকতার আরেক মামলায় বিএনপির ২৫ নেতা-কর্মীকে পৃথক দুই ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তা ছাড়া তাদের দুই ধারায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী এ রায় ঘোষণা করেন।
জানা যায়, রাজধানীর বংশাল থানা এলাকায় ২০১৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মিছিল বের করে বিএনপি। মিছিল চলাকালে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় পেনাল কোড ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজাহার হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
রাজধানীর কোতোয়ালি থানার আরেক মামলায় বিএনপির আট নেতা-কর্মীকে দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। অবরোধে নাশকতার অভিযোগে করা এ মামলায় আসামিদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, ২০১৫ সালের ১ অক্টোবর বিএনপি-জামায়াতের অবরোধ চলাকালে পুরান ঢাকার বাবুবাজারে গাড়ি ভাঙচুর ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মামলা করে পুলিশ।
এমএ/