নাশকতার ৯টি মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আরও দুই মামলায় জামিন না হওয়ায় তিনি কারামুক্তি পাচ্ছেন না।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর রমনা ও পল্টন থানার মোট ১১টি মামলার মধ্যে মির্জা ফখরুলকে রমনা থানার তিন এবং পল্টন থানার ছয়টি মামলায় জামিন দিয়েছেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিন।
তবে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় রমনা থানার এক মামলা এবং পল্টন থানার অন্য এক মামলায় জামিন না হওয়ায় তাকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ।
এদিকে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে জারি করা রুল আজ খারিজ করেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের বেঞ্চ। ফলে এ মামলায় হাইকোর্টে তার জামিন নামঞ্জুর হয়। এদিকে ২৮ অক্টোবরের নাশকতার ঘটনায় পল্টন থানার মামলার জামিনের বিষয়ে শুনানি হয়নি।
গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রমনা ও পল্টন থানার ১১টি মামলার মধ্যে ৯টি মামলায় জামিন আবেদন গ্রহণ করে আইনানুযায়ী তা নিষ্পত্তি করতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে (সিএমএম) সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এ আদেশের পর ৯টি মামলায় মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদন গতকাল বুধবার বিচারিক আদালতে নিষ্পত্তি হয়।
গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় ২৯ অক্টোবর গুলশানের বাসা থেকে মির্জা ফখরুলকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মির্জা ফখরুলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।