বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের জামিন আবেদন গ্রহণ করে আইনানুযায়ী নিষ্পত্তি করতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। শুনানিতে জহির উদ্দিনের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
পাঁচ মামলায় জামিন আবেদন গ্রহণ করে তা নিষ্পত্তির নির্দেশনা চেয়ে ১০ জানুয়ারি রিট করেন জহির উদ্দিন। এর মধ্যে তিনটি মামলা পল্টন থানার ও দুটি রমনা থানার। মামলাগুলো ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে বিচারাধীন। ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশকে ঘিরে মামলাগুলো হয়।
গত ২ নভেম্বর রাজধানীর গুলশান থেকে জহির উদ্দিনকে আটক করে পুলিশ। ২৮ অক্টোবরের পুলিশ সদস্য হত্যা এবং নাশকতার দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরদিন ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয় এবং হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। আদালত ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ৯ নভেম্বর জহির উদ্দিনকে আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। হত্যাসহ দুই মামলায় জহির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে। বাকি পাঁচ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। এ কারণে সব মামলায় ১২ ডিসেম্বর তার জামিন আবেদন করা হয়। কিন্তু নিম্ন আদালত এসব আবেদন গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় পাঁচ মামলায় জামিন আবেদন গ্রহণ করে আইনানুসারে নিষ্পত্তির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। এ রিটের শুনানি নিয়ে জহির উদ্দিনের জামিন আবেদন গ্রহণ করে ১৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট।
এমএ/