ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বিত পরিষদ। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১৫টি পদের মধ্যে ১২টিতেই তারা জয়ী হয়েছেন। বাকি তিনটি পদে জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থী সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের আইনজীবীরা।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার খোরশেদ আলম ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এমদাদুল হক মিল্লাত।
নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।
এর আগে রবিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৮টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনা।
বার্ষিক এই নির্বাচনে এক হাজার সাতজন ভোটারের মধ্যে ৯৪৩ জন ভোট দেন।
এই নির্বাচনে দুটি প্যানেলে ১৫টি পদের বিপরীতে মোট ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্যানেলের মো. ফজলুল হক ৪৬৫ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপিপন্থী সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের অ্যাডভোকেট নুরুল হক পেয়েছেন ৪৪৯ ভোট।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্যানেলের অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ৫০৯ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপিপন্থী সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মনজুরুল হাসান জুয়েল পেয়েছেন ৪১০ ভোট।
নির্বাচনে সহসভাপতি পদে প্রবীর কুমার মজুমদার (আওয়ামী লীগ), মশিউর রহমান ফারুক (আওয়ামী লীগ), সহ-সম্পাদক পদে মো. মফিজ উদ্দিন মন্ডল (আওয়ামী লীগ), তাহমিনা আশরফী পুতুল (আওয়ামী লীগ) ও রফিকুল ইসলাম খান রফিক (বিএনপি), অডিটর পদে কামরুল হাসান কিরণ (বিএনপি) নির্বাচিত হন।
সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আবু রাসেল মিয়া (আওয়ামী লীগ), আজিজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ), ইব্রাহিম রেজা (আওয়ামী লীগ), শাহ সুলতান (আওয়ামী লীগ), এএইচএম বদরুজ্জা রিয়াদ (আওয়ামী লীগ), মাহমুদা খানম শাপলা (আওয়ামী লীগ), শফিউল ইসলাম মৃধা (বিএনপি)।
গত বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ জয় পায় আওয়ামীপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বিত পরিষদ। তখন সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৫টি পদের মধ্যে ৯টিতে আওয়ামীপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বিত পরিষদের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছিলেন। বিএনপিপন্থী প্যানেলের আইনজীবীরা জয়ী হয়েছিলেন ৬টিতে।
কামরুজ্জামান মিন্টু/অমিয়/