রাজধানীর ধলপুরের লিচু বাগান এলাকায় ২০টি কুকুর হত্যার অপরাধে দায়ের করা মামলায় তিনজনকে আড়াই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দন্ডিতদের প্রত্যেককে প্রাণী কল্যাণ আইন ২০১৯ এর১৬(খ) ধারায় দুই বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
এছাড়া ১৬(ক) ধারায় প্রত্যেককে ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
উভয় ধারার সাজা একত্রে চলবে। সেক্ষেত্রে আসামিদের দুই বছর কারাভোগ করতে হবে বলে রায়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
রবিবার (৮মার্চ) ঢাকার অ্যাডিশনাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ রায় দেন।
দণ্ডিতরা হলেন- আবুল খায়ের, অপু ও মানিক।
এ মামলায় জামিনে থাকা আসামি মানিক রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
অপর দুই আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার বিচার চলাকালে আদালত তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ২১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।
এর আগে একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর ঘটনার তদন্ত শেষে তিনজনকে আসামি করে
প্রতিবেদন দাখিল করেন যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই)শফিকুল ইসলাম।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ীর ধলপুরের লিচু বাগান এলাকায় লোহার রড, সাড়াশি ও প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে ২০টি কুকুরকে হত্যা করে বস্তায় ভরে নিয়ে যায় আবুল খায়ের, অপু ও মানিক। ভিডিও দেখে পরে তাদের শনাক্ত করা হয়।
দুই দিন পর ২৫ জানুয়ারি আদালতে মামলাটি করেন অ্যানিমেল লাভারস অব বাংলাদেশের পরিচালক মারুফুল হক।
এম এ জলিল উজ্জ্বল/এসএন