ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
একটি বিকেল, তিনটি প্রাণ, আজীবনের শোক ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, আরও ১৩৯ জন হাসপাতালে ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি কামনা টেইলর সুইফট-ট্রাভিস কেলসি’র রাজকীয় বিয়ে সব বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী থানায় অভিযোগ নিয়ে যা বললেন শাওন কুমিল্লার সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নজর থাকবে: গণপূর্তমন্ত্রী মা হচ্ছেন মৌসুমী হামিদ নোয়াখালীতে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগকর্মী আটক বিএসবিআরএ নির্বাচনে সভাপতি মহসিন চৌধুরী ও সিনিয়র সহসভাপতি সেলিম উদ্দিন আয়াতুল কুরসির জীবনমুখী শিক্ষা সিলেটে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ‘CFMOTO Fiesta Football Tournament 2026’ ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে ‘পেমেন্ট পাসকি’ আনল ভিসা ৬ জুলাই থেকে ৬৪ জেলায় পদযাত্রা করবে এনসিপি সন্তানের কর্মসংস্থান চাই মোহসিন মিয়ার পুলিশ সংস্কার প্রস্তাব তৃতীয় কোনো ভাষা শেখানোর চিন্তা কতটা বাস্তবসম্মত! সিংড়ায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর উত্তরা মোটর্স বাংলাদেশে নিয়ে এলো ইসুজু লাক্সারি এনকিউআর বাস দেবহাটায় ব্ল্যাকমেইল করে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ, এরপর... ‘কে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড, তা ঠিক করবে কম্পিউটার’ ধনবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় মাছ, হুমকিতে শতাধিক প্রজাতি টাকা খেলেন, জেল পেলেন! উখিয়ার ট্রে ওভেন প্রকল্প ঘুরে দেখলেন জাইকা প্রেসিডেন্ট আবারও বড় ধাক্কা খেলেন মমতা ব্যানার্জী The Grocer and the Fruit seller বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৮ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের পর ম্যাকডোনাল্ডস-বাস টার্মিনাল এখন ক্লিনিক অপহরণ-মানবপাচার রোধে টেকনাফে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ চট্টগ্রামের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাজেটে অনেক পরিকল্পনা রাখা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

রাজধানীতে ৮৭.৭৯ শতাংশ শিশু গৃহকর্মী স্কুলে যাওয়ার সুবিধাবঞ্চিত

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:৩০ পিএম
আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:৩০ পিএম
রাজধানীতে ৮৭.৭৯ শতাংশ শিশু গৃহকর্মী স্কুলে যাওয়ার সুবিধাবঞ্চিত
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানীর বাসা-বাড়িতে গৃহকর্মে নিয়োজিত ৮৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ শিশু গৃহকর্মী স্কুলে যায় না, অথচ ৫৫ দশমিক ১১ জীবনের কোননা কোন পর্যায়ে স্কুলে গিয়েছিলেন। এছাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ শিশু নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হয় বলে ঢাকা শহরে গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের বর্তমান পরিস্থিতি বিষয়ক এক গবেষণায় উঠে এসেছে। এদিকে গৃহকর্মকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে দ্রুত গৃহকর্মী সুরক্ষা আইন পাসের তাগিদ দেয় আলোচকরা।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি) আয়োজিত এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তাগিদ দেয় আলোচনায় অংশ নেওয়া সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে গবেষণা ফলাফল তুলে ধরেন এএসডি’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক ইউ কে এম ফারহানা সুলতানা।

গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, ৮৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ গৃহকাজে নিয়োজিত শিশু বর্তমানে স্কুলে যাচ্ছে না। বর্তমানে যারা স্কুলে যাচ্ছে, তাদের মধ্যে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ (৯৩.০৪%) বিভিন্ন এনজিও পরিচালিত স্কুলে পড়ছে। ৩১ দশমিক ১৭ শতাংশ গৃহকাজে নিয়োজিত শিশু কাজের ব্যস্ততা তাদের শিক্ষার প্রধান অন্তরায়। অথচ ৫৫ দশমিক ১১ শতাংশ গৃহকাজে নিয়োজিত শিশু জীবনের কোনোনা কোন পর্যায়ে স্কুলে গিয়েছেন। প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা যায়, যারা কখনো স্কুলে যায়নি তাদের মধ্যে ৩১ দশমিক ৮২ শতাংশ খন্ডকালীন কাজে এবং ১৩ দশমিল ০৭ শতাংশ পূর্ণকালীন কাজে নিযুক্ত।

গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৪৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ গৃহকাজে নিয়োজিত শিশু তাদের পরিবারের সহায়তার জন্য বাধ্যতামূলক প্রয়োজনের গৃহকর্ম যোগ দেয়। এছাড়াও, ২২.ল দশমিক ৯৭ শতাংশ গৃহকাজে নিয়োজিত শিশু আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন, কারণ তাদের পরিবার শিক্ষা ব্যয় বহন করতে অক্ষম। অপরদিকে ১৭ দশমিক ০৮ শতাংশ গৃহকাজে নিয়োজিত শিশু পারিবারিক ঋণ শোধ করার জন্য শ্রমবাজারে প্রবেশ করে। এছাড়া ৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুর বাবা-মা বা অভিভাবক নেই, যার কারণে তারা বেঁচে থাকার জন্য শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়েছে।

এতে দেখা যায়, রাজধানীতে গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশের নির্যাতিত শিশুর মধ্যে শারীরিক আঘাতের শিকার ১৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ, মারধরের শিকার ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ, বকাঝকার শিকার ২০ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং যৌন নির্যাতনের শিকার ১ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া ৩১ দশমিক ৪৫ শতাংশ গৃহকর্মী অত্যাধিক কাজের চাপে থাকে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে গবেষণা প্রতিবেদনের সুপারিশে বলা হয়, ‘গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের সুরক্ষায় আইন ও নীতিমালা সংশোধনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে। গৃহকাজকে শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিদ্যমান নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির করতে হবে। নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে। নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার শিশুদের স্বাস্থ্য ও আইনি সেবাদান কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।’

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক পরিচালিত ২০২২ সালের জাতীয় শিশুশ্রম জরিপের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১.৭৭ মিলিয়ন শিশু শ্রমিক রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১.০৬ মিলিয়ন শিশু ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে নিযুক্ত হবে। ধূইকাজে নিয়োজিত শিশুদের এই জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সরকার ২০১৫ সালে গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি প্রণয়ন করেছে। তবে নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন না থাকায়, প্রাপ্তবয়স্ক এবং গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুরা এই নীতির সুবিধা পাচ্ছে না।

আলোচনায় বিগত সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করলেও সেই নীতিমালা গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের সুরক্ষা দিতে পারছে না, বলে মনে করেন আলোচকরা৷ এর পাশাপাশি গৃহকর্মকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার সুপারিশ করেন তারা। 

আইনের খসড়া প্রণয়ন হয়েছে শিগগিরই তা চূড়ান্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপ-পরিচালক ও শিশু অধিকার কমিটির সদস্য সচিব এম. রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গৃহকাজে নিয়োজিত শিশুদের সুরক্ষায় মানবাধিকার সবসময় সক্রিয় আছে। শিশু নির্যাতনের ঘটনা বন্ধে সরকার ও প্রশাসনের সঙ্গে কাজ চলছে। নীতিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি আইন প্রণয়নে বারবার তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে আইনের খসড়া প্রণয়ন হয়েছে, দ্রুতই তা চূড়ান্ত হবে বলে আশা করি।’

শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ যে ৪৩টি কাজ চিহ্নিত করা হয়েছে, এর পাশাপাশি গৃহকর্মকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে উল্লেখ করে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. তরিকুল আলম বলেন, ‘গৃহকর্মী শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আমরা সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ। অনেক আগে থেকে শিশু শ্রমিক নির্যাতন চলে আসছে তবে এটা সত্য আগের তুলনায় শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন অনেকাংশেই কমে এসপছে। আমরা চাই, এটা শতভাগ বন্ধ হোক। শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ যে ৪৩টি কাজ চিহ্নিত করা আছে, তার সঙ্গে গৃহকর্মকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’

এতে এএসডি’র নির্বাহী কমিটির সভাপতি ড. আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (স্বাস্থ্য) ডা. বিশ্বজিত রায়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মোছা. সালমা আক্তার, শ্রম অধিদপ্তরের পরিচালক এস এম এনামুল হক, এএসডি’র নির্বাহী পরিচালক এম এ করিম, স্ক্যান সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুকুল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আরিফ জাওয়াদ/এমএ/

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, আরও ১৩৯ জন হাসপাতালে

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:০১ পিএম
ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, আরও ১৩৯ জন হাসপাতালে
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৩৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

 শনিবার (৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১ জন এবং খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫ জন রয়েছেন।

এ সময় ১৪১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬ হাজার ১৩০ জন।

চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৫৯৭ জন। এর মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ ও ৩৮ শতাংশ নারী। এই বছর ডেঙ্গুতে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।

এসএন/

ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি কামনা

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম
ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি কামনা
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশটির ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে অভিনন্দন জানান এবং তাদের অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করেন।

 শনিবার (৪ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লেখা এক চিঠিতে তিনি তাকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যায়ের প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।

চিঠিতে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সরকার, জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং আপনার মহান দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমরা আশাবাদী যে, আপনার বাস্তববাদী নেতৃত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী দশকগুলোতে আরও মহানতার পথে এগিয়ে চলেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন এই গৌরবময় উপলক্ষটি সারা দেশে উদযাপন করছে, আমেরিকা ২৫০ আমেরিকান স্বপ্ন, ত্যাগ, স্বাধীনতা, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, নৈতিকতা এবং বাকি বিশ্বে আমেরিকার অবদান থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার জন্য বিশ্বজুড়ে মানুষের সেবা করছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

স্বাধীনতার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতান্ত্রিক ও উন্নয়ন যাত্রায় মূল্যবান বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে তারেক রহমান চিঠিতে লিখেছেন, গত পাঁচ দশক ধরে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং মানুষে মানুষে বিস্তৃত যোগাযোগকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি শক্তিশালী ও বহুমুখী অংশীদারত্বে পরিণত হয়েছে। বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ বছরের শুরু থেকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির মাধ্যমে আমরা আমাদের সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছি। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন ও উদারতার জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই।

অভিন্ন স্বার্থের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্বকে আরও জোরদার ও গভীর করতে প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন চিঠিতে। তিনি আরও লেখেন, এই আনন্দময় মুহূর্তে আমি আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং অব্যাহত সাফল্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুভাবাপন্ন জনগণের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ কামনা করি।

এসএন/

সব বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম
সব বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: সংগৃহীত

‘জগতের সব ধরনের বৈচিত্র্য, ভিন্নমত ও আদর্শের অবাধ আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই কেবল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সম্ভব; আর সেজন্য মুক্ত ও দায়িত্বশীল বুদ্ধিচর্চা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব এক গভীর ও জটিল সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই একক কোনো আদর্শ, দর্শন বা চিন্তার আধিপত্য মানব সভ্যতার জন্য স্থায়ী সমাধান আনতে পারে না।

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের একটি অভিজাত হোটেলে বৈশ্বিক গবেষণা, সংলাপ ও জ্ঞানচর্চার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ‘আল-উম্মাহ জার্নাল ও ওয়েবসাইট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. এ এফ এম খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিশ্বখ্যাত তুর্কি লেখক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ইয়াসিন আকতাই।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জার্নালের সম্পাদক ইন চিফ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যখন বিভ্রান্তি, বিভাজন ও ভাসাভাসা আলোচনা দ্রুত বাড়ছে, তখন জ্ঞান, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বিশ্বাসযোগ্য বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। আল-উম্মাহ জার্নাল ও ওয়েবসাইট জ্ঞানভিত্তিক আলোচনা ও গবেষণামূলক অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বস্ত মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।’

তিনি বলেন, ভাষা, ‘জাতিসত্তা, ধর্ম, সংস্কৃতি ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্য হল প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম। কোনো সুনির্দিষ্ট পরিচয় বা গোষ্ঠী এককভাবে বিশ্বকে শাসন বা আধিপত্য বিস্তার করতে পারে না। সব মতাদর্শের স্কলার বা গবেষকদের এমন এক সাধারণ সমাধান খুঁজে বের করতে হবে, যা সভ্যতার কল্যাণ বয়ে আনবে। অতীতের কোনো একক বীর কিংবা সমাজ একা বিশ্ব সংকটের স্থায়ী সমাধান করতে পারেনি।’

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও সমাদৃত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের সরকার গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন আমাদের এই সরকার সব ধরনের বৈচিত্র্য এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। আমাদের নীতি হলো- যে যার অবস্থান থেকে নিজের কথা বলবেন এবং সুস্থভাবে সেই মতাদর্শের আদান-প্রদান হবে। এটিই প্রকৃত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। আল-উম্মাহ জার্নালের ঘোষিত উদ্দেশ্য আমাদের এই রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

তিনি বাংলা, ইংরেজি, আরবি ও তুর্কি- এই চারটি ভাষায় জার্নালটি প্রকাশের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, পারস্পরিক সংস্কৃতির গভীর বোঝাপড়া আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের সব ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সাহায্য করে।

অধ্যাপক ইয়াসিন আকতাই বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বের একটি সমৃদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্য রয়েছে। সমসাময়িক বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে সেই জ্ঞানচর্চার সংযোগ ঘটানো এখন সময়ের দাবি। আল-উম্মাহ বিশ্বজুড়ে চিন্তাবিদদের সংযুক্ত করার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হবে।’

ড. এ এফ এম খালিদ হোসেন বলেন, এই প্ল্যাটফর্মটি ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কৌশলগত সংযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তুলতে এবং মুসলিম উম্মাহর সমসাময়িক চ্যালেঞ্জগুলোর জ্ঞানভিত্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে মুসলিম উম্মাহর বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

নাঈম/

কুমিল্লার সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নজর থাকবে: গণপূর্তমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
কুমিল্লার সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নজর থাকবে: গণপূর্তমন্ত্রী
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। 

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার গঠনের পর ইতোমধ্যেই কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে, ঢাকার সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ঢাকা-কুমিল্লা রেল কর্ডলাইন স্থাপনের প্রস্তাব পাশ হয়েছে। কুমিল্লায় আরও একটি ৫ শ’ অথবা ১ হাজার শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চলছে। এসব বিষয় নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে।’ 

তিনি বলেন, ‘কুমিল্লার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।’ 

শনিবার (৫ জুলাই) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে কুমিল্লার উন্নয়ন অগ্রগতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলেই কুমিল্লার উন্নয়ন তরান্বিত হয়। এবারো উন্নয়ন হবে। একটি বিভাগীয় শহরে যে সব সুযোগ সুবিধা থাকে কুমিল্লায় তারচেয়েও বেশি উন্নয়নের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’ 

সমাবেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অগ্রগতি তুলে ধরেন কুমিল্লা-৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।

এ সময় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমীরুজ্জামান আমীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, জেলা পরিষদ কুমিল্লার প্রশাসক ও বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক ভূইয়া স্বপনসহ নেতারা।

জহির শান্ত/রিফাত/

‘কে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড, তা ঠিক করবে কম্পিউটার’

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
‘কে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড, তা ঠিক করবে কম্পিউটার’
রংপুর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পেতে কাউকে কোথাও যেতে হবে না; বরং সংশ্লিষ্ট কর্মীরাই প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন।

শনিবার (৪ জুলাই) রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। জনগণ ও সংসদের কাছেই সরকারের জবাবদিহিতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দুর্নীতি করলে কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।”

প্রতিবন্ধী শিক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০টি স্কুল পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং সেগুলোকে নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, প্রতিটি জেলায় একটি করে মানসম্মত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এবং প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি করে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দক্ষ শিক্ষকের সংকট। দেশে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষক তৈরির উদ্দেশ্যে মাত্র একটি কলেজে এ ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তাই এ খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে সমাজকল্যাণ ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, অতীতে নির্বাচন নিয়ে জনমনে আস্থার সংকট ছিল। তার ভাষায়, ভোটার উপস্থিতি ছাড়াই ভোট সম্পন্ন হয়েছে, এমনকি প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন বা ‘ডামি’ নির্বাচনও হয়েছে। সে সময় জনপ্রতিনিধিদের জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার পরিবর্তে কিছু কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভরশীলতা বেশি ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কী পরিমাণ বরাদ্দ আসছে, সে সম্পর্কেও অনেক জনপ্রতিনিধি অবগত থাকতেন না বলে দাবি করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে সরকার ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা সামাজিক সুরক্ষা ও জনকল্যাণমূলক খাতে বরাদ্দ রেখেছে, যা আগের সময়ের তুলনায় বেশি। তিনি বলেন, “যারা সরকারি সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত, তারা যেন তাদের ন্যায্য অধিকার পান, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। এটি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল এবং বর্তমান সরকার সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।”

মন্ত্রী বলেন, “বিগত সময়ে কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া গেছে এবং চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কী কী সহায়তা মিলেছে, তার মূল্যায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে কর্মকর্তাদের আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করতে হবে। আপনারা যত বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াবেন, সরকারও তত বেশি আপনাদের পাশে থাকবে। কিন্তু আপনারা যদি নিষ্ক্রিয় থাকেন, তাহলে সরকারও কার্যকরভাবে এগোতে পারবে না। নিজ নিজ এলাকার সমস্যাগুলো তুলে ধরতে হবে। উপজেলা পর্যায়ের সমস্যা উপজেলা থেকে, জেলা পর্যায়ের সমস্যা জেলা থেকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হলে সেগুলো কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছাবে এবং কার্যকর সমাধানের পথ তৈরি হবে।”

এর আগে সরকারী শিশু পরিবার বালিকা, অঞ্চিলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এসময় নারী সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, সিটি প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারী কর্তকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

সেলিম সরকার/এসএন